সারাদেশ

নিঝুম দ্বীপে মিলল শিক্ষার্থী পূজার সন্ধান, নেপথ্যে প্রেমের সম্পর্ক

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে কক্সবাজারে শিক্ষা সফরে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী পূজা রাণী দাসের সন্ধান মিলেছে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নিঝুম দ্বীপে। 

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্কের টানেই তিনি কক্সবাজার থেকে প্রেমিকের হাত ধরে নিঝুম দ্বীপে চলে আসেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে পূজা রাণী দাসকে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি মিরসরাই উপজেলার পূর্ব মায়নী এলাকায়। তিনি ওই এলাকার অপু দাসের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি আবুতোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কক্সবাজারে শিক্ষা সফরে যান পূজা। সফর চলাকালীন সময়েই তিনি নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পরিবার উদ্বেগ প্রকাশ করলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে।

পরবর্তীতে অনুসন্ধানে জানা যায়, পূজার সঙ্গে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা মিলনের ছেলে জিহাদের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই পরিচয় থেকেই দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা সফরের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পূজা কক্সবাজার থেকে জিহাদের সঙ্গে নিঝুম দ্বীপে চলে আসেন এবং তার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

নিঝুম দ্বীপ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকালে মুক্তিযোদ্ধা বাজার এলাকা থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।

 

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। অভিভাবকরা থানায় উপস্থিত হলে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ট্রেন থামানোর দাবিতে ট্রেনই থামিয়ে দিলেন এলাকাবাসী

নীলফামারীর ডোমারের মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের আপ-ডাউন যাত্রাবিরতি এবং ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুর দাবিতে অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী ও সাধারণ যাত্রীরা। এ সময় চিলাহাটি থেকে খুলনাগামী রকেট মেইল ট্রেইনটি চিলাহাটিতে অবস্থান করে এবং খুলনা থেকে আসা রুপসা ট্রেনটি ডোমারে থামিয়ে রাখা হয়। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টায় উপজেলার জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশন চত্বরে এ অবরোধ অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন। অবরোধকারীরা বলেন, নীলফামারী জেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন মিরজাগঞ্জ। অথচ এখানে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। স্টেশনটি জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও দূরপাল্লায় মালামাল পরিবহনে এ স্টেশন ব্যবহার করেন। তারা আরও বলেন, বর্তমানে স্টেশনটিতে যে ট্রেনটি থামে, সেটিও ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। ফলে নিচ থেকে উঁচুতে উঠে ট্রেনে ওঠানামা করতে গিয়ে নারী, বয়স্ক ও সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ অবস্থায় ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানো জরুরি । মিরজাগঞ্জ রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানোসহ তিতুমীর, রূপসা ও বরেন্দ্র ট্রেনকে থামানোর দাবি যদি ৭২ ঘণ্টা মধ্যে মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।  মানববন্ধনে অংশ নেওয়া রহমত আলী বলেন, আমরা এই এলাকার মানুষ ছাড়া আশপাশের পাঁচ ছয়টি ইউনিয়নের সাধারণ যাত্রীরা এ স্টেশন ব্যবহার করে যাতায়াত করি। অনেক ব্যবসায়ীও এখান থেকে দূরদূরান্তে মালামাল নিয়ে যান। তাই আমাদের প্রধান দাবি, ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামাতে হবে। বর্তমানে যে ট্রেনটি থামে, সেটি ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায় নিচ থেকে ঝুলে ঝুলে ট্রেনে উঠতে গিয়ে নারীসহ সব যাত্রীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের বাবা-চাচাদের কাছে শুনেছি, একসময় এ স্টেশনে তিন-চারটি ট্রেন থামত। তারা এসব ট্রেনে করে যাতায়াত করতেন। সকালে একটি ও বিকেলে একটি ট্রেন থামত। আমরা এখনো সেই সুবিধা ফিরে পাওয়ার দাবি জানাই। তিতুমীর, বরেন্দ্র ও রূপসা ট্রেনকে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থামাতে হবে। এ বিষয়ে ডোমার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রুবেল ইসলাম বাবু বলেন, রুপসা ট্রেনটি সকাল ৬টা থেকে এখানে দাঁড়িয়ে আছে, আমি বিষয়টি জেনেছি প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত

মেঘনায় ট্রলারডুবি: এখনো নিখোঁজ বাবা ও ৩ সন্তান

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সন্মেলন -সংগৃহীত ছবি

ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলল ডিএমপি

ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীতে লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পড়ে নারীর মৃত্যু

রাজধানীর কদমতলীর শনির আখড়ায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের পঞ্চম তলায় লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পড়ে জোসনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।   শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শনির আখড়ার ২৪ ফুট সড়কের ৮ নম্বর রোডে সাফা টাওয়ারের নির্মাণাধীন ভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   সহকর্মী ইউনুস জানান, দুপুরে ভবনের পঞ্চম তলায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করছিলেন জোসনা। এ সময় অসাবধানতাবশত লিফটের জন্য রাখা ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে যান তিনি। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দুপুর সোয়া ২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   জোসনার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসেন। তিনি জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট। পুরোনো ছবি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত

দেশের মানুষ অরাজকতা ও নাশকতা চায় না : ফজলুল হক মিলন

ছবি: সংগৃহীত

ডিসি ফরিদা খানমের সহায়তায় ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নার্গিসের

ছবি: সংগৃহীত
মোংলায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।   বিকেলে পৌর মার্কেট চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।   সমাবেশে পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মো. জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, বিএনপি নেতা নাসির তালুকদার, গোলাম নুর জনি, মো. আলাউদ্দিন, কাজী ফারুক, আ. কাদের, আ. সালাম ব্যাপারী, মো. ইলিয়াস হোসেন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শাহজাহান ফকির ও শেখ শহীদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।   বক্তারা অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিভিন্নভাবে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্টের চেষ্টা করছেন। প্রশাসনের নজরের মধ্যে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।   বক্তারা আরও বলেন, কেউ যাতে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে এ ধরনের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অব্যাহত রাখার কথাও জানান তারা।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে মিছিল ঘিরে ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মী আটক

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীন-ভারতের ভূমিকা জরুরি : জামায়াত আমির

ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির ৫ দিনের রিমান্ড

0 Comments