বিশ্ব

নিজ ঘরে সংগীতশিল্পীর রহস্যজনক মৃত্যু

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬ 0

ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ জাকার্তায় সংগীতশিল্পী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর লুলা লাহফাহর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের কোনো ময়নাতদন্ত না হওয়ায় তদন্ত থমকে গেছে।

 

গত ২৩ জানুয়ারি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই দিন গৃহকর্মী দীর্ঘক্ষণ ডাকার পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ এসে লুলা লাহফাহকে মৃত অবস্থায় পায়। মৃত্যুকালে ২৬ বছর বয়স হয়েছিল তার।

লাহফাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের লাইফস্টাইল ও সৌন্দর্যবিষয়ক কনটেন্ট পোস্ট করতেন। শুরুতে মিউজিক প্ল্যাটফর্ম সাউন্ডক্লাউডে জনপ্রিয় গান কভার করে ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডে খ্যাতি লাভ করেন। এমনকি পরবর্তীতে কয়েকটি মৌলিক গানও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে তার প্রায় ৩৩ লাখেরও বেশি ফলোয়ার ছিল।

মৃত্যুর সপ্তাহ পর গত ৩০ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে মেট্রো জায়া পুলিশের জনসংযোগ প্রধান বুদি হারমান্তো জানিয়েছেন, পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত না করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি আর তদন্ত করছে না।

সংবাদমাধ্যম পিপল ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পরিবারের অনুরোধে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। মরদেহে কোনো ধরনের দৃশ্যমান সহিংসতার চিহ্ন ছিল না।

এদিকে ফ্ল্যাট থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধারের পর দক্ষিণ জাকার্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত ইউনিট বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে লাহফাহর প্রেমিক ব্যান্ড উইয়ার্ড জিনিয়াসের সদস্য রেজা অক্টোভিয়ানও ছিলেন।

 

দক্ষিণ জাকার্তা মেট্রো পুলিশের অপরাধ তদন্ত ইউনিটের প্রধান একেবিপি ইসকান্দারসিয়াহ বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর লাহফাহর মৃত্যুর ঘটনায় তার প্রেমিক ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সমন অনুযায়ী হাজির হয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাকে এবং ৩০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রেমিক রেজা। তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এ মৃত্যুর তদন্ত আর আগাবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ইরান ইস্যুতে হতাশা, আরেক দেশের সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম লুটে নিলেন ট্রাম্প

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।  শুক্রবার (৮ মে) মার্কিন জ্বালানি বিভাগ এক ঘোষণায় জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘চূড়ান্ত নেতৃত্বের’ কারণে কারাকাসের একটি পুরোনো গবেষণা চুল্লি থেকে ১৩.৫ কেজি (প্রায় ৩০ পাউন্ড) ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভেনেজুয়েলার এই যৌথ অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, একটি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল অভিযানের মাধ্যমে এই ইউরেনিয়াম স্থল ও জলপথে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উত্তর আমেরিকায় পরিবহন করা হয়েছে। কারাকাস থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি স্থান থেকে সংগৃহীত এই তেজস্ক্রিয় পদার্থটি বর্তমানে দক্ষিণ ক্যারোলিনায় মার্কিন জ্বালানি বিভাগের একটি কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।  মার্কিন ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রশাসক ব্র্যান্ডন উইলিয়ামস এই পদক্ষেপকে একটি ‘পুনরুদ্ধারকৃত ও নবায়িত’ ভেনেজুয়েলার সংকেত হিসেবে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের বিতর্কিত নির্দেশের পর কারাকাসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের শত্রুতা কাটিয়ে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে হোয়াইট হাউস।  ট্রাম্প বর্তমানে মাদুরোর ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং ভেনেজুয়েলার জ্বালানি ও খনি খাত মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। দীর্ঘ সাত বছর পর সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হয়েছে এবং পুনরায় চালু হয়েছে মার্কিন দূতাবাস। তবে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে এই মাখামাখি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। একদিকে ব্যবসায়ীরা বিপুল তেলের মজুদ থাকা এই দেশটির সঙ্গে নতুন বাণিজ্যিক যুগের সম্ভাবনা দেখছেন, অন্যদিকে গণতন্ত্রকামী কর্মীরা ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।  তাদের মতে, নির্বাসিত বিরোধী নেত্রী ও নোবেলজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদোকে পাশ কাটিয়ে রদ্রিগেজের সাথে সমঝোতা করা হতাশাজনক। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরানের হাতে থাকা ৪০৮ কেজি উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার লক্ষ্য থাকলেও, এখন পর্যন্ত সেই চেষ্টায় ট্রাম্প সফল হতে পারেননি। সেই তুলনায় ভেনেজুয়েলার এই অর্জন নেহাতই নগণ্য বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

মারিয়া রহমান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ড্রোনের পর এবার নিজস্ব প্রযুক্তির প্রথম মিনি-সাবমেরিন উন্মোচন

ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ। ছবি : সংগৃহীত

হরমুজের দিকে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

ছবি: সংগৃহীত

পর্তুগালে পর্যটক ভিসায় গিয়ে আর মিলবে না স্টুডেন্ট রেসিডেন্স পারমিট

ফাইল ছবি
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০,১১১ বাংলাদেশি হজযাত্রী

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এ পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইটে মোট ৫০ হাজার ১১১ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে। বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন জানান, আজ (শনিবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত ১২৮টি ফ্লাইট জেদ্দায় অবতরণ করেছে। হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১২ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী রয়েছে। হজযাত্রীদের ১০ জন মক্কায় এবং ২ জন মদিনায় মারা গেছেন। বুলেটিনে আরও জানানো হয়, সৌদি মেডিকেল টিম গতকাল পর্যন্ত ১৮ হাজার ৯৮৭ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে চিকিৎসা পেয়েছেন ১৩ হাজার ১১ জন হজযাত্রী। পরিচালক জানান, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। মোট ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে। এয়ারলাইন্স ভিত্তিক তথ্যে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৫৯টি ফ্লাইটে ২৩ হাজার ৫৬৩ জন; সৌদি এয়ারলাইন্সের ৪৭টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৯২ জন এবং ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৪৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরব গেছেন। তিনি আরও জানান, অবশিষ্ট ২৮ হাজার ২৬২ জন হজযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১ টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হজ অফিসের তথ্যমতে, মোট হজযাত্রীর মধ্যে ৪ হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন। ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত ৭৮ হাজার ৩৭৩টি ভিসা ইস্যু করেছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৫৪টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯১৯টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬শে মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। হজ শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার নগরীতে অপরাধ দমনে ‘ব্যাপক অভিযান’ শুরু

ছবি: সংগৃহীত

শপথ নিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ছবি: সংগৃহীত
পদত্যাগ করবেন না কিয়ার স্টারমার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবির পরও পদত্যাগ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। শুক্রবার তিনি বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচনেও তিনিই দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে আশা করছেন। নির্বাচনে দলের হতাশাজনক ফলাফলের দায় স্বীকার করে স্টারমার বলেন, আমি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশকে বিশৃঙ্খলার মুখে ঠেলে দেব না। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের পার্লামেন্ট নির্বাচনেও লেবার পার্টি বড় ধাক্কার আশঙ্কায় রয়েছে। ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় স্টারমার বলেন, এটি অত্যন্ত কঠিন ফল। আমরা অনেক দক্ষ জনপ্রতিনিধিকে হারিয়েছি এবং এর দায় আমি নিচ্ছি। দুই বছর আগে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিপুল জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। তবে এবারের স্থানীয় নির্বাচনে দলটির অবস্থান ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকে ৩৫০টির বেশি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, লেবার পার্টি হারিয়েছে ২৪০টিরও বেশি আসন। এ পরাজয়ের পর স্টারমারের পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে তিনি অটল থাকবেন। এদিকে রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ এই ফলাফলকে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তন বলে মন্তব্য করেছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ভুল নীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার কারণে স্টারমার সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ০৯, ২০২৬ 0

শুভেন্দুর শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জমকালো প্রস্তুতি, কারা আসছেন, কী কী হবে

থালাপতি বিজয়কে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস ৩ দলের

মিয়ানমারে পাওয়া গেছে ১১ হাজার ক্যারেটের বিশাল রুবি পাথর

0 Comments