বিশ্ব

নিজ ঘরে সংগীতশিল্পীর রহস্যজনক মৃত্যু

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ জাকার্তায় সংগীতশিল্পী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর লুলা লাহফাহর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিজ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মরদেহের কোনো ময়নাতদন্ত না হওয়ায় তদন্ত থমকে গেছে।

 

গত ২৩ জানুয়ারি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ওই দিন গৃহকর্মী দীর্ঘক্ষণ ডাকার পরও কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ এসে লুলা লাহফাহকে মৃত অবস্থায় পায়। মৃত্যুকালে ২৬ বছর বয়স হয়েছিল তার।

লাহফাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের লাইফস্টাইল ও সৌন্দর্যবিষয়ক কনটেন্ট পোস্ট করতেন। শুরুতে মিউজিক প্ল্যাটফর্ম সাউন্ডক্লাউডে জনপ্রিয় গান কভার করে ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ডে খ্যাতি লাভ করেন। এমনকি পরবর্তীতে কয়েকটি মৌলিক গানও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকে তার প্রায় ৩৩ লাখেরও বেশি ফলোয়ার ছিল।

মৃত্যুর সপ্তাহ পর গত ৩০ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে মেট্রো জায়া পুলিশের জনসংযোগ প্রধান বুদি হারমান্তো জানিয়েছেন, পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত না করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি আর তদন্ত করছে না।

সংবাদমাধ্যম পিপল ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের পরিবারের অনুরোধে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়নি। মরদেহে কোনো ধরনের দৃশ্যমান সহিংসতার চিহ্ন ছিল না।

এদিকে ফ্ল্যাট থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধারের পর দক্ষিণ জাকার্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত ইউনিট বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে লাহফাহর প্রেমিক ব্যান্ড উইয়ার্ড জিনিয়াসের সদস্য রেজা অক্টোভিয়ানও ছিলেন।

 

দক্ষিণ জাকার্তা মেট্রো পুলিশের অপরাধ তদন্ত ইউনিটের প্রধান একেবিপি ইসকান্দারসিয়াহ বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর লাহফাহর মৃত্যুর ঘটনায় তার প্রেমিক ২৬ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সমন অনুযায়ী হাজির হয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাকে এবং ৩০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রেমিক রেজা। তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল। বর্তমানে এ মৃত্যুর তদন্ত আর আগাবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
ভূমিকম্পের আগেই সতর্কবার্তা, ভেনেজুয়েলায় হাজারো প্রাণ বাঁচাল গুগল

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আঘাত হানা ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা ব্যবস্থা।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেশ কয়েকজন ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, ভূমিকম্প আঘাত হানার কয়েক সেকেন্ড বা মিনিট আগে তারা গুগলের জরুরি সতর্কবার্তা পেয়েছিলেন, যা অনেক মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছে।   একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, গুগলের ভূমিকম্প সতর্কতা আজ ভেনেজুয়েলায় অনেক মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে। ভূমিকম্পের কয়েক সেকেন্ড আগে আমার স্মার্টফোনে তীব্র অ্যালার্ম বেজে ওঠে। এর ফলে আমি দ্রুত বাগানে বের হয়ে যেতে পেরেছি।   আরেকটি পোস্টে বলা হয়, গুগল খুবই বুদ্ধিমান একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। তারা হাজার হাজার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাক্সিলোমিটারকে বৈশ্বিক ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহার করছে। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে সময়মতো সতর্কবার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে।   গুগলের অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্টস সিস্টেম বিশ্বের কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনকে একটি বিশাল ভূমিকম্প শনাক্তকারী নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে।   অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা অ্যাক্সিলোমিটার সেন্সর ভূমিকম্পের প্রাথমিক কম্পন বা সিসমিক তরঙ্গ শনাক্ত করতে পারে। কোনো এলাকায় একাধিক ফোন একই ধরনের কম্পন শনাক্ত করলে সেই তথ্য গুগলের সার্ভারে পাঠানো হয়।   এরপর গুগল বিভিন্ন ডিভাইস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে ভূমিকম্পের অবস্থান ও সম্ভাব্য মাত্রা নির্ধারণ করে। শক্তিশালী কম্পন পৌঁছানোর আগেই আশপাশের ব্যবহারকারীদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।   এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো, এমন দেশ ও অঞ্চলে ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা পৌঁছে দেওয়া; যেখানে ব্যয়বহুল ঐতিহ্যবাহী ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক নেই। ২০২১ সালে চালু হওয়ার পর থেকে গুগলের এই সতর্কতা ব্যবস্থা প্রায় ১০০টি দেশে সম্প্রসারিত হয়েছে।   গুগলের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এই ব্যবস্থা ১৮ হাজারের বেশি ভূমিকম্প শনাক্ত করেছে এবং ২ হাজারের বেশি উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে আগাম সতর্কবার্তা জারি করেছে।   প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যে প্রায় ৭৯০ মিলিয়ন সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এর ফলে ২০১৯ সালে যেখানে মাত্র ২৫ কোটি মানুষের কাছে ভূমিকম্প আগাম সতর্কতা পৌঁছানোর সুযোগ ছিল, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৫০ কোটিতে পৌঁছেছে।   ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ক্ষেত্রেও অনেক ব্যবহারকারী সময়মতো সতর্কবার্তা পাওয়ার দাবি করলেও, ঠিক কতজন এ সুবিধা পেয়েছেন বা কত প্রাণ রক্ষা পেয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র : ফার্স্টপোস্ট

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপে এল নিনোর প্রভাব কতটা পড়ছে, জানালেন বিশেষজ্ঞরা

ছবি: সংগৃহীত

বজ্রপাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ সদস্য নিহত

ছবি: সংগৃহীত

ইরান আলোচনায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত
ফ্রান্সে প্রচণ্ড গরম, পানিতে নেমে ৪০ জনের মৃত্যু

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। নতুন নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হচ্ছে, জারি করা হচ্ছে সর্বোচ্চ সতর্কতা। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও স্পেনে।   ফ্রান্সে মঙ্গলবার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ দিন রেকর্ড করা হয়েছে। জাতীয় গড় তাপমাত্রা পৌঁছেছে ২৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে মানুষ বেশি পানিতে নামছে। গত এক সপ্তাহে নদী ও জলাশয়ে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশই তরুণ।   রাজধানী প্যারিসে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কায় বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র আইফেল টাওয়ার ও লুভর জাদুঘরের দর্শন সময় সীমিত করা হয়েছে।   যুক্তরাজ্যে বিরল ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। তীব্র গরমের কারণে শত শত স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, লন্ডনসহ দক্ষিণ ইংল্যান্ডের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে, যা জুন মাসের নতুন রেকর্ড হতে পারে।   ইতালির ১৬টি শহরে তাপপ্রবাহের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রোম, মিলান, তুরিন ও ভেনিসের মতো শহরে মানুষকে দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ব্যবহারের কারণে কয়েকটি শহরে বিদ্যুৎ বিভ্রাটও দেখা দিয়েছে।   অন্যদিকে স্পেনে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে দেশটির উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় এখনও উচ্চমাত্রার সতর্কতা বহাল রয়েছে। এর আগে আন্দালুসিয়া অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে তাপপ্রবাহ আরও তীব্র ও ঘন ঘন হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবারের তাপপ্রবাহ গড়ে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি উষ্ণ হয়েছে।   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে ইউরোপে তাপজনিত কারণে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরাও সতর্ক করেছেন, আগামী বছরগুলোতে আরও নতুন তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হতে পারে।   সূত্র: ইউরো নিউজ

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ডলারে তেল বিক্রি করতে পারে ইরান : যুক্তরাষ্ট্র

তীব্র গরমেও ইউরোপে কেন এসি এত বিরল

ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্প, ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা

নরেন্দ্র মোদি ও আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।   বুধবার (২৪ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান সরকারের এই আমন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   আগামী ৪ জুলাই থেকে কয়েক দিনব্যাপী জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ৭ জুলাই তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর এবং খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তার চূড়ান্ত দাফন সম্পন্ন হবে।   আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সময়সূচি নিয়ে ফেব্রুয়ারি থেকেই নানা জল্পনা চলছিল। প্রাথমিক কিছু প্রতিবেদনে জুনের শেষ দিকে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা বলা হলেও পরে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাইয়ের তারিখ ঘোষণা করে।   রাষ্ট্রীয় জানাজা উপলক্ষ্যে তেহরান, মাশহাদ ও কোমে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।   প্রত্যাশিত সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হলে ১৯৮৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া এক কোটিরও বেশি মানুষের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৪, ২০২৬
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্যই শান্তি বজায় রেখেছে : রাশিয়া

ছবি : সংগৃহীত

নিজের ৩ পরকীয়ার কথা জানালেন স্বয়ং বিল গেটস

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন, যা জানা জরুরি

0 Comments