বিনোদন

নারীদের দ্বারাই নারীদের ট্রলিংয়ে ব্যথিত শবনম বুবলী

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
শবনম বুবলী। ছবি : সংগৃহীত
শবনম বুবলী। ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের নিয়ে অপপ্রচার, ট্রল ও বুলিং দিন দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও এবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর। সম্প্রতি রাজধানীর একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে ট্রল ও বুলিংয়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে নারীদের দ্বারা নারীদের বুলিং করার বিষয়টি তাকে সবচেয়ে বেশি ব্যথিত করেছে বলে জানান এই অভিনেত্রী।

 

বুবলী আক্ষেপ করে বলেন, “দুঃখজনকভাবে ইদানীং মেয়েরাই মেয়েদের নিয়ে বেশি ট্রল করছে। এমনকি হিজাব পরা কিছু আপুও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে গুজব নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছে। আমার মনে হয়, এটি শুধু একজন মানুষকে হেয় করা নয়, বরং আমাদের ধর্মকেও অবমাননা করা। ইসলামে গীবতকে সবচেয়ে জঘন্য কাজগুলোর একটি বলা হয়েছে।”

বুবলী জানান, তার অনেক সহকর্মী তাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এতদিন চুপ থাকলেও এখন তিনি মনে করছেন, নীরবতার কারণেই সাইবার বুলিংয়ের মাত্রা আরও বেড়ে যাচ্ছে। তাই দেশের সাইবার ক্রাইম বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন বুবলী। তিনি বলেন, “আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। দেশের সেবা করতে হলে রাজনীতিতেই থাকতে হবে—এমন নয়। যে কোনো পেশা থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব।” উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বুবলীর নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তার ‘বেবি বাম্প’ ও পুনরায় মা হওয়া নিয়ে নেটদুনিয়ায় তুমুল গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, সেই গুঞ্জন ও নেতিবাচক মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার কঠোর অবস্থান নিলেন এই নায়িকা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
অভিনেতা জাহের আলভী ও অভিনেত্রী আদ্রিজা আফরিন সিনথিয়া। ছবি: সংগৃহীত
ঈদে আসছে রোমান্টিক-কমেডি নাটক ‘হেট ইউ বউ’

ঈদকে সামনে রেখে দর্শকদের জন্য নির্মিত হচ্ছে বিশেষ নাটক ‘হেট ইউ বউ’। রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই নাটকে প্রথমবারের মতো জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী এবং আদ্রিজা আফরিন সিনথিয়া। নতুন এই জুটিকে একসঙ্গে পর্দায় দেখার আগ্রহ ইতোমধ্যেই দর্শকমহলে তৈরি হয়েছে।   নাটকটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন অনামিকা মন্ডল। পরিচালনায় রয়েছেন নাজমুল রনি। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে আছেন শরীফ রানা। ঈদের বিশেষ বিনোদন হিসেবে নির্মিত এই নাটকে হাসি, ভালোবাসা এবং সম্পর্কের টানাপড়েন হালকা ও উপভোগ্য ভঙ্গিতে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নাটকটিতে সিনথিয়া অভিনয় করেছেন জাহের আলভীর গার্লফ্রেন্ডের চরিত্রে। কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জাহের আলভীর সঙ্গে কাজ করে তার দারুণ লেগেছে। তিনি একজন সহযোগিতাপূর্ণ ও প্রতিভাবান অভিনেতা। ঈদে দর্শক এই নাটক দেখে আনন্দ পাবেন বলেই তার বিশ্বাস।’ অভিনয় ও মডেলিং নিয়ে নিজের ভাবনার কথাও জানান সিনথিয়া। তিনি আরও বলেন, ‘এই পেশাকে তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চান। একই সঙ্গে সবার দোয়া ও ভালোবাসা কামনা করেন তিনি।’ সব মিলিয়ে নতুন জুটি, হালকা গল্প আর ঈদের আমেজে ‘হেট ইউ বউ’ নাটকটি দর্শকদের বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা করছেন নাটকটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
শবনম বুবলী। ছবি : সংগৃহীত

নারীদের দ্বারাই নারীদের ট্রলিংয়ে ব্যথিত শবনম বুবলী

সংগৃহীত ছবি

এবার বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন নিশো-মেহজাবীন

জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ে যে পরামর্শ দিলেন জয়া

‘তেরে ইশক মে’ সিনেমায় ধানুশ ও কৃতি শ্যানন। ছবি: সংগৃহীত
ধানুশ-কৃতি শ্যাননের ‘তেরে ইশক মে’ মুক্তি পেল নেটফ্লিক্সে

প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে।    ‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়।  ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই।  সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি।  কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।  ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’  রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা। 

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
শাহিদ কাপুর ও তৃপ্তি দিমরি। ছবি: সংগৃহীত

শাহিদ-তৃপ্তিকে বখাটে বললেন নানা পাটেকর!

তস্করি ওয়েব সিরিজের একটি দৃশ্যে ইমরান হাশমি। ছবি: সংগৃহীত

ইমরান হাশমির ‘তস্করি: দ্য স্মাগলার্স’ নেটফ্লিক্সের গ্লোবাল শীর্ষে

শাহিদ কাপুর ও স্ত্রী মীরা রাজপুত। ছবি: সংগৃহীত

শাহিদ কাপুরের ফিটনেসের রহস্য

রণবীর সিং। ছবি: সংগৃহীত
ঘরে বসেই দেখা যাবে রণবীরের ‘ধুরন্ধর’

বক্স অফিসের সব হিসাব পাল্টে দিয়ে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে আদিত্য ধর পরিচালিত স্পাই থ্রিলার সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। রণবীর সিং ও অক্ষয় খান্নার অভিনয়ে নির্মিত এই সিনেমা ইতিমধ্যে ভারতের বাজারে সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি সিনেমার তকমা অর্জন করেছে। প্রেক্ষাগৃহে রেকর্ড গড়ার পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ফলে খুব শিগগিরই ঘরে বসে দেখা যাবে রণবীর সিংয়ের এই ব্লকবাস্টার।   দীর্ঘদিন সিনেমাহলে দাপটের সঙ্গে চলার পর এবার ওটিটিতে আসছে ‘ধুরন্ধর’। ভারতের বিনোদন বাণিজ্যের তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং শুরু হবে সিনেমাটির। মুক্তির দেড় মাসের মধ্যেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসায় দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। বলিউড সূত্র জানায়, ‘ধুরন্ধর’ ও এর সিকুয়েলের ডিজিটাল স্বত্ব মিলিয়ে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে প্রায় ১৩০ কোটি রুপির মেগা চুক্তি করেছে প্রযোজনা সংস্থা। এটিকে রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ৫ ডিসেম্বর মুক্তির পর থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে সিনেমাটি। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১,৩৩৯ দশমিক ৮০ কোটি রুপি। শুধু ভারতেই ৪৮ দিনে সিনেমাটি আয় করেছে প্রায় ৮৮৪ কোটি রুপি এবং গ্রস সংগ্রহ প্রায় ৯৯৫ কোটি রুপি। সানি দেওলের ‘গদর ২’ ও অল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’-কে পেছনে ফেলে বর্তমানে এটি ভারতের শীর্ষ হিন্দি সিনেমা। এখানেই শেষ নয়, পরিচালক আদিত্য ধর ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন সিকুয়েল ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’-এর। আগামী ১৯ মার্চ মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি। দ্বিতীয় পর্বে রণবীর সিংয়ের চরিত্র ‘জসকিরত সিং রাঙ্গি’ কীভাবে লিয়াকতপুরীর ডন ‘হামজা আলি মাজারি’ হয়ে ওঠেন, সেই গল্প তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি অক্ষয় খান্নার অভিনীত ‘রহমান ডাকাত’-এর অতীত রহস্যও উন্মোচিত হবে। তবে একই দিনে মুক্তি পাচ্ছে কন্নড় তারকা ইয়াশের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’। ফলে দুই সুপারস্টারের এই মুখোমুখি লড়াইকে বিনোদন মহল ইতিমধ্যেই আখ্যা দিয়েছে ‘ক্ল্যাশ অফ দ্য টাইটানস’ হিসেবে। সব মিলিয়ে, ‘ধুরন্ধর’ শুধু রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ারে নয়, ভারতীয় সিনেমার ক্ষেত্রেও নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে। এখন দেখার বিষয়—৩০ জানুয়ারি নেটফ্লিক্সে এবং ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে ‘ধুরন্ধর ২’ সেই উন্মাদনা কতটা ধরে রাখতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

জয়া আহসান নতুন লুকে তোলপাড় করছেন নেটদুনিয়ায়

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

সমালোচনার জবাব দিলেন পরীমনি

ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় অভিনেতার বিরুদ্ধে মামলা

0 Comments