খেলাধুলা

লিটনের সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে সিরিজের একমাত্র টেস্ট জিততে আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। 

 

প্রথম ইনিংস থেকে পাওয়া ১০৬ রানের লিডকে সাথে নিয়ে ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তান ২৪০ এবং বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করেছিল। 

 

আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৩ রান করেছিল বাংলাদেশ। লিটন ৫ ও মিরাজ শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন। 

 

চতুর্থ দিন সপ্তম উইকেটে ২০১ বলে ১৪৯ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মিরাজ। জুটিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরির স্বাদ নেন লিটন। 

 

১৪টি চারে ১১৭ বলে ১০২ রানে লিটন আউট হবার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। 

 

অন্যপ্রান্তে ৫ চারে ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ। 

 

আফগানিস্তানের জিয়া উর রহমান, ইয়ামিন আহমাদজাই ও মোহাম্মদ সালিম ২টি করে উইকেট নেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
লিটনের সেঞ্চুরিতে আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাসের সেঞ্চুরিতে সিরিজের একমাত্র টেস্ট জিততে আফগানিস্তানকে ৪৭৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।    প্রথম ইনিংস থেকে পাওয়া ১০৬ রানের লিডকে সাথে নিয়ে ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে আফগানিস্তান ২৪০ এবং বাংলাদেশ ৩৪৬ রান করেছিল।    আবু ধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ২২৩ রান করেছিল বাংলাদেশ। লিটন ৫ ও মিরাজ শূন্য রানে অপরাজিত ছিলেন।    চতুর্থ দিন সপ্তম উইকেটে ২০১ বলে ১৪৯ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মিরাজ। জুটিতে টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরির স্বাদ নেন লিটন।    ১৪টি চারে ১১৭ বলে ১০২ রানে লিটন আউট হবার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ।    অন্যপ্রান্তে ৫ চারে ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ।    আফগানিস্তানের জিয়া উর রহমান, ইয়ামিন আহমাদজাই ও মোহাম্মদ সালিম ২টি করে উইকেট নেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তিক্ততা নিয়েই টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান কোহলি, দাবি ওয়াসিম জাফরের

ছবি: সংগৃহীত

মাঠের বাইরেও দুঃসময়, প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবর ভিনিসিয়ুসের

ছবি: সংগৃহীত

ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে মহারণের আগে সুখবর পিএসজি শিবিরে

ছবি: সংগৃহীত
ভারতকে হারিয়ে বাজিমাত বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নদের

ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ভারতকে হারিয়ে স্মরণীয় এক জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। শারজাহতে উত্তেজনায় ঠাসা এই ম্যাচে শুরু থেকেই ভারতীয় ব্যাটারদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন বাংলাদেশের বোলাররা। পাওয়ার প্লেতেই তুলে নেন প্রতিপক্ষের টপ অর্ডার। শেষ দিকে ম্যাচটিতে কিছুটা নাটকীয়তার সৃষ্টি হলেও স্নায়ুচাপ ধরে রেখে অল্প পুঁজি নিয়েই জয় ছিনিয়ে নেয় টাইগাররা।   বল হাতে জয়ের নায়ক এনামুল হক জুনিয়র নেন ৪টি উইকেট। অন্য প্রান্তে বাউন্ডারিহীন এক দুর্দান্ত স্পেল উপহার দেন পেসার আবু জায়েদ রাহি।   শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক যুবরাজ সিং। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ, প্রথম দুই ওভারেই তুলে নেয় ৩০ রান। তবে তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই ৬ বলে ১০ রান করা ইমরুল কায়েস আউট হলে ছন্দপতন ঘটে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।   একপ্রান্ত আগলে রেখে ২৫ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা রনি তালুকদার। তবে ফজলে মাহমুদ রাব্বি, জহুরুল ইসলাম ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। রনির বিদায়ের পর রান তোলার গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে পড়ে। সেই জায়গা থেকে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন অনেক দিন পর লাল-সবুজ জার্সিতে আলো ছড়ানো নাসির হোসেন ও আরাফাত সানি।   একসময় জাতীয় দলে যে ধৈর্য ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় নাসির দিতেন, সেটিরই পুনরাবৃত্তি ঘটালেন চাপ সামলে। দুটি চারের সাহায্যে ২১ বলে ২৪ রানের একটি হিসেবি ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলেন তিনি।   পীয়ূষ চাওলার বলে নাসির আউট হলেও লড়াকু পুঁজি গড়ার কাজটা ততক্ষণে হয়ে গিয়েছিল। শেষ দিকে আরাফাত সানি মূল্যবান ৩৭ রান (৩৮ বলে) যোগ করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে পীয়ূষ চাওলা ৩টি এবং পবন নেগি ও ঋষি ধাওয়ান ২টি করে উইকেট শিকার করেন।   ১৪২ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সূচনাতেই বিপর্যয়ে পড়ে ভারত। দলীয় চার রানেই সাজঘরে ফেরেন অম্বতি রায়ডু। এরপর স্টুয়ার্ট বিনি ও অধিনায়ক যুবরাজ সিং দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে ভারতীয়রা।   দলীয় রান ৫৫ ছোঁয়ার আগেই বিদায় নেন রবিন উথাপ্পা ও ইউসুফ পাঠান। ম্যাচ তখন পুরোপুরি বাংলাদেশের গ্রিপে, রূপকথার এক জয়ের সুবাস পাচ্ছিল টাইগাররা।   তবে ১৮ বলে ২৪ রান করে মাঝে কিছুটা ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন ঋষি ধাওয়ান। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আঘাত হেনে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান এনামুল হক জুনিয়র।   অন্য প্রান্তে ইরফান পাঠানের ৪১ বলে ২৪ রানের ইনিংসটি ভারতের ওপর তৈরি হওয়া চাপ বিন্দুমাত্র কমাতে পারেনি। তবুও শেষ দিকে পবন নেগি ও পীয়ূষ চাওলার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচটা জমে উঠেছিল, জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝরাতে হয় বাংলাদেশকে।   ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায়, ঠিক তখনই ডেথ ওভারে নিজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ দেন আবু জায়েদ রাহি। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শেষ পর্যন্ত আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারত। আর তাতেই কাঙ্ক্ষিত জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রুবেল হোসেনদের দল।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অ্যানফিল্ডে ১০ জনের লিভারপুলকে উড়িয়ে দিল সিটি

ছবি: সংগৃহীত

তাসকিনের রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে এখন হাসান

ছবি : বিসিসিআই

ইন্দোরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

সংগৃহীত ছবি
হেঁটে হেঁটে ক্রিজে ফেরার পথে অদ্ভুত রান আউটের শিকার তিলক বর্মা

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অদ্ভুত ভাবে রান আউট হলেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার তিলক বর্মা। তিনি হেঁটে হেঁটে ক্রিজে ফিরতে গিয়েছিলেন। তখন উইকেটকিপারের থেকে বল পেয়ে বোলার উইকেট ভেঙে দেন।     ভারতের ইনিংসের ১৭তম ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুদাকেশ মোতি বল করছিলেন। লেগ সাইডে ফুল টস বল করেছিলেন মোতি। অক্ষর প্যাটেল জোরে সেই বল ফ্লিক করেন। তারা একটি সিঙ্গেল রান নিলেও পর ক্ষণেই মাঝ পিচে ফিরে এসে কথা বলতে থাকেন। দুই রান নেওয়ার চেষ্টা করেননি। ভেবেছিলেন বলটি চার হয়ে গিয়েছে। একে অপরের সঙ্গে হাতও মেলান। পরে অক্ষর নিজের ক্রিজের দিকে হাঁটতে শুরু করেন।     কিন্তু বল চার হয়নি। বাউন্ডারির কাছে ঝাঁপিয়ে বলটি থামান কেমো পল। বল বাউন্ডারির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় উঠে দাঁড়িয়ে বলটি আবার ধরে ফেলেন পল। সেই বল ছুড়ে উইকেটকিপার শাই হোপের কাছে। ঘটনাটি কী হচ্ছে দেখতে পেয়ে দ্রুত ক্রিজে ব্যাট ঠেকানোয় রান আউট হননি অক্ষর প্যাটেল। তিলক তখন পিছন ফিরে হাঁটছিলেন। তিনি কিছুই দেখতে পাননি। হোপ সেই বল ফেরত পাঠান বোলিং প্রান্তে থাকা মোতির কাছে। তিলক তখনও নিজের ক্রিজের থেকে অনেক দূরে ছিলেন। তিনি হেঁটে হেঁটে ক্রিজে ফিরছিলেন। এমন সময় মোতি বল ধরে উইকেট ভেঙে দিয়ে আউটের আবেদন করেন।       মাঠের আম্পায়ার বিষয়টি বুঝতে না পেরে তৃতীয় আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলেন। তৃতীয় আম্পায়ার প্রথমে দেখেন যে বাউন্ডারিতে ঠিক করে পুরান বল আটকেছিলেন কি না। তা নিয়ে নিশ্চিত হতেই রান আউটের ঘটনাটি দেখেন। রিপ্লে দেখে তিলককে রান আউট দেন। ক্রিজে জমে গিয়েও এভাবে আউট হওয়ায় হতাশায় মাথা নাড়তে নাড়তে বেরিয়ে আসেন তিলক। ডাগআউটে থাকা কোচ গৌতম গম্ভীরও একেবারেই খুশি হতে পারেননি।     এর আগে ২০১১ সালে ট্রেন্টব্রিজে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্টেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। ইংল্যান্ডের ইয়ান বেল এমন ভাবেই রান আউট হয়েছিলেন। ভেবেছিলেন ইয়ন মর্গানের শট চার হয়ে গিয়েছে। ক্রিজ ছেড়ে মর্গানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। বল বাউন্ডারির দড়ি ছোঁয়ার আগেই ভারতের এক ফিল্ডার বল ছোড়েন। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি রান আউট করে দেন। পরে অবশ্য তিনি রান আউটের দাবি প্রত্যাহার করে দেন। ইয়ান বেলও খেলা চালিয়ে যান।     আজ ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ ওভারে ২২৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ভারত। 

মারিয়া রহমান অক্টোবর ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রুটকে ছাড়িয়ে স্মিথের রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

হাসান মাহমুদের ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক, দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে আফগানিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

সমর্থকদের কাগুজে বিমান নিক্ষেপ, প্রতিবাদে পরিত্যক্ত রায়ো-অ্যাথলেটিক বিলবাও ম্যাচ

0 Comments