বিশ্ব

ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রকে ‘অকর্মণ্য’ বললেন কঙ্গনা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

 

ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাসকে ‘অকর্মণ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তরুণ আন্দোলনকারীদের নিয়ে তার মন্তব্যের জবাবে সৌরভ দাসের সমালোচনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

 

নিজের বিভিন্ন অর্জনের কথা উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেন, সৌরভ দাসের বর্তমান বয়স ২৮ বছর, আর ওই বয়সে তিনি দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।

 

লোকসভার এই সদস্য বলেন, আমি গত দুই বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। তবে গত ২০ বছর ধরে জনজীবনের সঙ্গে যুক্ত। তার বর্তমান বয়সে আমার দুটি জাতীয় পুরস্কার ছিল। নতুন সংসদ সদস্য হিসেবে অনেক কাজের চাপে ছিলাম। কারণ আমি একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও উদ্যোক্তা। কিন্তু তার মতো সম্পূর্ণ অকর্মণ্য ও বেকার কেউ কখনও বুঝবে না, সব সময় মানুষের চাহিদার কেন্দ্রে থাকার অর্থ কী।

 

বর্তমানে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিক। তরুণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঙ্গনার মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়েই তার সমালোচনা করেছিলেন সৌরভ দাস। 

 

তিনি বলেন, তার নিজের দলের সদস্যরাও কঙ্গনা রনৌতকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না। তাই আমরা কেন দেবো? জেন-জি, জেন-আলফা বা তরুণ প্রজন্মের কেউই তাকে গুরুত্ব দেয় বা তার কথা শোনে বলে আমি মনে করি না। তিনি এখন একজন রাজনীতিক। হিমাচল প্রদেশে নিজের নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে তিনি বলেছিলেন, সংসদ সদস্যের কাজ খুব কম হবে ভেবেছিলেন, পরে বুঝেছেন এতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। এ থেকেই তার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

 

এর জবাবে কঙ্গনা সৌরভ দাসকে ‘কোনও একটি দক্ষতা শেখা’ দিয়ে শুরু করার পরামর্শ দেন।

 

তিনি বলেন, প্রিয় সৌরভ, তোমার সমস্যাগুলো ব্যক্তিগত। তুমি ছাত্র নও। তুমি শুধু অকর্মণ্য। কোনও একটি দক্ষতা শেখা দিয়ে শুরু করো। শুরু করার জন্য এটি ভালো জায়গা।

 

এর আগে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনের সমালোচনা করে কঙ্গনা বলেছিলেন, বিক্ষোভে ‘অশালীন ভাষা’ ও ব্যক্তিগত আক্রমণ সমাজের কাছে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

 

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে তিনি আন্দোলনের ভিডিওগুলোকে ‘বমি উদ্রেককারী’ বলেও মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ভাষা ও আচরণের সমালোচনা করেন।

 

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছিল সিজেপির নেতৃত্বাধীন শিক্ষার্থীরা। গত সপ্তাহান্তে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়।

 

সূত্র: এনডিটিভি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা, বাড়ল তেলের দাম

  মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় বুধবার প্রধান দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। খবর এএফপির।   বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক বিরতির পর আবার উত্তেজনা বাড়তে শুরু করায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবহন হওয়ায় এই নৌপথে যেকোনো অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলে।   মঙ্গলবার ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলার দাবি করে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সেন্টকমের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ও সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার সঙ্গে জড়িত গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করেই এ অভিযান চালানো হয়েছে।   এর আগে সেন্টকম দাবি করে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, তবে সেগুলো প্রতিহত করা হয়েছে।   এদিকে বুধবার ইরান জানায়, তারা হরমুজ প্রণালীতে তিনটি তেলবাহী জাহাজ থামিয়েছে। এতে ওই নৌপথে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর এখনও ‘সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এখনো বেশ অনিশ্চিত।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২৯, ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রকে ‘অকর্মণ্য’ বললেন কঙ্গনা

ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে ট্রাম্প ও আমার লক্ষ্য এক: নেতানিয়াহু

মার্কিন ঘাঁটিতে দুঃসাহসিক অভিযানে যাওয়া ইরানি পাইলটের মরদেহ ফিরছে দেশে

চীনে ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ৪১

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলতি মাসে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার ও পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।   গত ১৭ জুলাই চংকিং পৌরসভার পেংশুই কাউন্টিতে এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড় ধসে পাহাড়ের পাদদেশ ও নদীতীরবর্তী কয়েকটি আবাসিক ভবন মাটিচাপা পড়ে।   রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ পাথর ও মাটি ধসে একটি আবাসিক এলাকা ও সড়ক পুরোপুরি ঢেকে গেছে। শত শত উদ্ধারকর্মী কয়েক দিন ধরে সেখানে উদ্ধার অভিযান চালান।   উদ্ধারকারীরা আগেই জানিয়েছিলেন, ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ প্রায় ৫০ জনের জীবিত থাকার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। গত শুক্রবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ১১।   স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহ ও দেহাবশেষের ডিএনএ পরীক্ষা এবং পরিচয় শনাক্তের পর আরও ৩০ জনকে মৃত্যু হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ জনে পৌঁছেছে।   এর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গানসু প্রদেশেও আরেকটি ভূমিধসে অন্তত ২১ জন মৃত্যু হয়েছিলেন। সেখানে ৩৩ জন মাটিচাপা পড়েছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২৯, ২০২৬

যে শহরকে বলা হয় ভারতের ‘লাচ্ছি রাজধানী’

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে ‘চোর’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

সংগৃহীত ছবি

হুথিদের হামলায় বন্ধ সৌদির তেল শোধনাগার, স্যাটেলাইট চিত্রে মিলল নতুন তথ্য

ছবি: সংগৃহীত
ফের রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে আবারও ভারতজুড়ে তীব্র প্রতিবাদের ডাক দেয়ার হুমকি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। টানা দুই দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্র সরকারকে এই কড়া হুঁশিয়ারি দিল দলটির নেতৃত্ব।    সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি পুলিশকে পূর্ববর্তী এফআইআরগুলোর তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। প্রশাসন সেই সুযোগ নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর নতুন করে হয়রানি চালাতে পারে বলে তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তারা।   প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলে দায়ের হওয়া বেশ কিছু আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল, শান্তিকামী কোনো আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ নির্দেশ দেন, যেসব শিক্ষার্থীর কোনো পূর্ব অপরাধমূলক রেকর্ড নেই, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। তবে একই নির্দেশনায় আদালত এ-ও উল্লেখ করে যে, নিবন্ধিত এফআইআরগুলোর তদন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুলিশ, যদিও কোনো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।   আদালতের এই পর্যবেক্ষণের পরই সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার দাবি, কেন্দ্র সরকারের এই অবস্থান শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ বরখেলাপ। তিনি জানান, গত ২৫ জুলাই সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল যে আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর তুলে নেওয়া হবে এবং কোনো আন্দোলনকারীকে নিশানা করা হবে না। সেই সুনির্দিষ্ট আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখেই সিজেপি তাদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেছিল।   সিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, আদালতের শুনানির সময় সরকারি আইনজীবীরা এই চুক্তি বা আশ্বাসের বিষয়ে কোনো আপত্তি জানাননি, যা অত্যন্ত সন্দেহজনক। সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পার হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে যদি শিক্ষার্থীদের হয়রানি অব্যাহত রাখা হয়, তবে রাজপথকেই আবারও আন্দোলনের মূল হাতিয়ার করে নেওয়া হবে।  সূত্র: এনডিটিভি

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২৮, ২০২৬

মোদির কাছে ক্ষমা চেয়েছে মেটা

ইউরোপে চার বছরে দাবানল ৫৭ শতাংশ বেড়েছে: ডব্লিউএইচও

ফ্রান্সে শহর থেকে মাত্র ৯ মাইল দূরে ভয়াবহ দাবানল

0 Comments