খেলাধুলা

জাবির বরখাস্ত হওয়া নিয়ে যা বললেন এমবাপ্পে

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬


কার্লো আনচেলত্তির জায়গায় গত গ্রীষ্মে ক্লাব বিশ্বকাপের আগেই রিয়ালের ডাগআউটে বসেন আলোনসো। বায়ার লেভারকুসেনে সফলভাবে প্রয়োগ করা তার হাই-প্রেসিং ও উচ্চ গতির ফুটবল দর্শন বাস্তবায়নের জন্য ক্লাবের শীর্ষ মহলের সমর্থনও ছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সমর্থন হারিয়ে ফেলেন আলোনসো। শুধু তাই নয়? স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে ৩-২ ব্যবধানে হারের পর তাই তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সাফল্যের উল্টো চিত্রটা দেখে ফেললেন আলোনসো।

আলোনসোর বরখাস্তের পর এবার মুখ খুললেন রিয়াল মাদ্রিদের সেরা তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। স্প্যানিশ দৈনিক মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলোনসোর ব্যাপারে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বলেন, ‘আলোনসো যে রিয়াল মাদ্রিদে সাফল্যের দেখা পাচ্ছিল না তা মোটেও সত্য নয়। কোন শিরোপা নির্ধারণ হওয়ার আগেই তাকে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে হয়েছে। সে চমৎকার একজন কোচ হতে চলেছেন।’

বায়ার লেভারকুসেনের সাবেক এই সফল কোচের সঙ্গে তার সম্পর্ক কেমন ছিল? এমন প্রশ্নের জবাবে এমবাপ্পে বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। সেইসঙ্গে তার সফলতাও কামনা করি আমি। আধুনিক ফুটবল সম্পর্কে তার বেশ ভালো জানাশোনা। তবে তাকে বরখাস্ত করার বিষয়টি একেবারেই ক্লাবের সিদ্ধান্ত। যাকে আমাদের অবশ্যই সম্মান করতে হবে। এখন আমাদের নতুন কোচ। তাকেও আমরা সমর্থন করছি।’

জাবির সাথে যোগাযোগ হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে এমবাপ্পে বলেন, ‘হ্যাঁ, খবরটি যখনই ব্রেকিং হয়েছিল ঠিক তখনই তার সঙ্গে আমি কথা বলি। তখন আমি তাকে সমর্থন করার চেষ্টা করেছি। কেননা, এটা মোটেও সহজ ব্যাপার নয়। তবে কোনটা ঠিক আর কোনটা সঠিক নয় সেটা বলা অবশ্য আমার দায়িত্ব নয়। এটাই আসলে ফুটবল। বিশ্বের শীর্ষসারির ফুটবলারদের জীবনটাও এমন। তবে আমাদেরকে অবশ্যই রিয়াল মাদ্রিদের সম্মান রক্ষা করতে হবে।’

স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে একজনের মতামতই চূড়ান্ত। তিনি হলেন প্রেসিডেন্ট পেরেজ। আলোনসোর আগেও নতুন কোচদের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব সভাপতি। ২০১৫-১৬ মৌসুমে রাফায়েল বেনিতেজ ছিলেন মাত্র ছয় মাস, ২০১৮ সালে হুলেন লোপেতেগুই টিকেছিলেন কেবল ১৪ ম্যাচ।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
হামজা চৌধুরী: বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের ফুটবলের গল্প

বাংলাদেশের ফুটবল দীর্ঘদিন ধরেই বড় সাফল্যের অপেক্ষায় ছিল। সেই অপেক্ষায় নতুন আশার আলো হয়ে এসেছেন হামজা দেওয়ান চৌধুরী। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে তার অভিষেক শুধু একজন ফুটবলারের আগমন নয়, বরং দেশের ফুটবলে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা। মাঠে তার নৈপুণ্য যেমন সমর্থকদের মুগ্ধ করেছে, তেমনি মাঠের বাইরেও তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন অনুপ্রেরণা।   ২০২৫ সালের ১০ জুন ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে হামজার প্রথম হোম ম্যাচ ঘিরে দেখা যায় নজিরবিহীন উন্মাদনা। কয়েক হাজার দর্শক টিকিটের জন্য হাহাকার করেছেন, যা প্রমাণ করে—বাংলাদেশের ফুটবল আবারও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছেন হামজা চৌধুরী।   বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ৯টি ম্যাচে মাঠে নেমে ৪ গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করেছেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। তবে পরিসংখ্যানের বাইরেও তার সবচেয়ে বড় অবদান হলো দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তোলা এবং সমর্থকদের মধ্যে নতুন স্বপ্নের জন্ম দেওয়া।   লেস্টার সিটির একাডেমি থেকে উঠে এসে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন হামজা। ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের জার্সি গায়ে খেললেও শেষ পর্যন্ত নিজের শেকড়ের টানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই সিদ্ধান্তকে জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত বলেই মনে করেন হামজা।   মাঠে তার নেতৃত্ব, বল নিয়ন্ত্রণ এবং নিখুঁত পাসিং বাংলাদেশের খেলার ধরনেই এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। একই সঙ্গে বিদেশে বেড়ে ওঠা আরও কয়েকজন বাংলাদেশি ফুটবলারের জাতীয় দলে যোগ দেওয়ার পথও অনেকটাই সহজ হয়েছে।   হামজা চৌধুরী হয়তো একাই বাংলাদেশের ফুটবলের সব সমস্যা দূর করতে পারবেন না। তবে তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, সঠিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক মানসিকতা এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে বাংলাদেশের ফুটবলও বিশ্বমঞ্চে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে পারে। তাই হামজার গল্প কেবল একজন ফুটবলারের নয়, এটি বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন জাগরণের গল্প।

আক্তারুজ্জামান জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ড্রয়ে আটকে ইরান, নকআউটে উঠতে এখন তাকিয়ে অন্য ম্যাচের ফলাফলের দিকে

ছবি : সংগৃহীত

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চমক জাগানো কেপ ভার্দে

ছবি : সংগৃহীত

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, প্রথমবার নকআউটে কেপ ভার্দে

ছবি : সংগৃহীত
দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে গ্রুপসেরা ফ্রান্স, নরওয়ের প্রতিপক্ষ আইভরিকোস্ট

ফ্রান্স ৪–১ নরওয়ে সেনেগাল ৫–০ ইরাক ‘মাস্টারক্লাস’? তা বলাই যায়। প্রথমার্ধে নরওয়ে রক্ষণের সামনে এমনই ছিলেন উসমান দেম্বেলে। বরং মজা করে এটাও বলা যায়, ম্যাচের প্রথম ভাগে দেম্বেলে আসলে ‘মাস্টার’ হয়ে নরওয়ে রক্ষণের ‘ক্লাস’ নিয়েছেন। ফলাফল? ৩২ মিনিটে হ্যাটট্রিক!   বোস্টনে বিশ্বকাপে সর্বশেষ ৭২ বছরের ইতিহাসে দ্রুততম হ্যাটট্রিক করেন দেম্বেলে। তাতে নরওয়ের বিপক্ষে ৪–১ গোলে জিতেছে ফ্রান্স। ৭, ২০ ও ৩২ মিনিটে গোল করেন দেম্বেলে। যোগ করা সময়ে ফ্রান্সকে আরও একটি গোল এনে দেন একাদশে ফেরা দেজিরে দুয়ে।   এই জয়ে ‘আই’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হলো আগেই নকআউট নিশ্চিত করা কিলিয়ান এমবাপ্পেরা। শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কোন দল, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। নিউ জার্সিতে আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় শুরু হতে যাওয়া সে ম্যাচে ফ্রান্সের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ‘সি’, ‘ডি’, ‘এফ’, ‘জি’, ও ‘এইচ’ গ্রুপের মধ্যে তৃতীয় সেরা কোনো দল। সেটা সুইডেন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।   দেম্বেলের সামনে দাঁড়াতে না পারা নরওয়ে কিন্তু গোল পেয়েছে প্রথমার্ধেই। ২১ মিনিটে বক্সে জায়গা করে নেওয়া শটে গোল করেন নরওয়ে মিডফিল্ডার থেলো অসগার্ড। নরওয়ে আরও একটি গোল শোধ করতে পারত, যদি ৫০ মিনিটে নেওয়া পেনাল্টি শটে গোল পেতেন ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন। তাঁর দুর্বল শট সহজেই ঠেকান ফ্রান্সের গোলকিপার মাইক মাইনিয়ঁ।   সর্বশেষ ২ ম্যাচে ৪ গোল করা তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডকে বেঞ্চে বসিয়ে নরওয়ে অবশ্য আগেই কিছুটা চমকে দেয়। শুধু কি তাই, একাদশে মোট ১০টি পরিবর্তন আনে তারা। দেখে মনে হয়েছে মূল দল রেখে ‘দ্বিতীয় দল’ মাঠে নামিয়েছে নরওয়ে। হলান্ড থাকলে সম্ভবত ম্যাচে আরও গোল পেত দলটি।   হেরে ‘আই’ গ্রুপে রানার্সআপ হতে হলো আগেই নকআউট নিশ্চিত করা নরওয়েকে। শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ ‘ই’ গ্রুপের রানার্সআপ দল আইভরিকোস্ট। ডালাসে আগামী মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এ ম্যাচটি শুরু হবে।   ‘আই’ গ্রুপে আরও একটি ম্যাচ ছিল টরন্টো স্টেডিয়ামে। সেখানে ইরাকের জালে গোল উৎসব করেছে সেনেগাল। ৫–০ গোলের বড় জয় পান সাদিও মানেরা। ১৩ মিনিটে ইরাকের রেবিন সুলাকা লাল কার্ড দেখলে ১০ জনে পরিণত হয় দলটি। এই সুযোগে গ্রুপের তৃতীয় সেরা হয়ে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে উঠতে গোল ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় সেনেগাল।   ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘আই’ গ্রুপের শীর্ষে ফ্রান্স। দ্বিতীয় নরওয়ের সমান ম্যাচে সংগ্রহ ৬ পয়েন্ট। তৃতীয় সেনেগাল ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট পেয়েছে। ৮ গোল করার পাশাপাশি ৬ গোল হজম করায় সেনেগালের গোল ব্যবধান ২। গ্রুপের তৃতীয় সেরা হিসেবে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে উঠতে অপেক্ষা করতে হবে সেনেগালকে। ৩ ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়া ইরাক বাদ পড়ল গ্রুপ পর্ব থেকে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পেলেকে ছাড়িয়ে গেলেন এমবাপে

ছবি: সংগৃহীত

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা কেন তৃতীয় দল পেল না?

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ায় উল্লাসে মেতে উঠেন ইকুয়েডরের সমর্থকরা। ছবি : সংগৃহীত

জার্মানিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ায় ইকুয়েডরে জাতীয় ছুটি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
পর্তুগাল শুধু রোনালদোর ওপর নির্ভরশীল নয়

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয় ম্যাচে স্বরূপে দেখা দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে রোনালদোর জোড় গোলের ওই ম্যাচে পর্তুগাল জিয়েছে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করলে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত হবে পর্তুগালের। তবে সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগে উইঙ্গার পেদ্রো নেতো জানিয়েছেন, পর্তুগাল কেবল রোনালদোর ওপর নির্ভরশীল নয়।   ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র করে নিজেদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল পর্তুগাল। দলের প্রধান তারকা রোনালদোকেও ম্যাচের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দে ফেরেন আল নাসর তারকা। রোনালদোর ফিরে আসার সেই ম্যাচে পর্তুগালও পেয়েছে দাপুটে জয়।   কে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে পর্তুগালের প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া। আগামী ২৮ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টায় মিয়ামি গার্ডেন্সে মুখোমুখি হবে দুই দল। সেই ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনেও ঘুরেফিরে উঠে আসলো রোনালদোর প্রসঙ্গ। তবে পর্তুগাল দলে রোনালদোর ভূমিকা স্বীকার করলেও ক্ষেত্রে ‘নির্ভরশীলতা’ শব্দটি ব্যবহার করতে চাননি নেতো।    বাংলাদেশেরসংস্কৃতি কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নেতো বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানো আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ‘নির্ভরশীল’ শব্দটি অনেক বেশি কঠোর। আমরা জানি, যদি বল বক্সের মধ্যে যায়, তাহলে তার গোল করার সম্ভাবনা খুবই বেশি। তবে আমরা শুধু তার জন্য নয়, দলের সব খেলোয়াড়ের জন্যই সুযোগ তৈরি করি।’   তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব কৌশল ও খেলার ধরন রয়েছে। তাই আমি মনে করি না যে আমরা তার ওপর নির্ভরশীল, বরং তার প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে।’   কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে চেলসির এই পর্তুগিজ উইঙ্গার বলেন, ‘আমরা জানি, আমরা এমন একটি দলের মুখোমুখি হচ্ছি যারা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি, কিন্তু তারা বর্তমানে খুব ভালো করছে। তাদের একটি শক্তিশালী দল রয়েছে এবং তারা কোপা আমেরিকার ফাইনালিস্ট ছিল। তারা খুবই লড়াকু এবং শারীরিকভাবে শক্তিশালী দক্ষিণ আমেরিকান দল। আমাদের তাদের সমকক্ষ হতে হবে, অথবা তাদের ছাড়িয়ে যেতে হবে।’   নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে মূল শব্দ হলো সহনশীলতা এবং কঠোর পরিশ্রম। আমরা সেটাই করে আসছি। সহনশীল থেকেছি এবং কঠোর পরিশ্রম করেছি। কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে এটিই হবে মূল বিষয়।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পদত্যাগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাজিমাত আর্জেন্টাইন কোচের

ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ ফুটবলের দলবদলের রেকর্ড ভেঙে মিডফিল্ডার কিনছে সিটি

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা?

0 Comments