বিশ্ব

ইউরোপে তীব্র দাবদাহে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত


ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র দাবদাহে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এতে কিছু দেশে বিদ্যুতের পাইকারি বাজারে দাম শূন্যের নিচে নেমে গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি ভোক্তাদের বিদ্যুৎ বিল কমাবে না। বরং অতিরিক্ত উৎপাদন, পুরোনো বিদ্যুৎ গ্রিড এবং পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

 

এদিকে দাবদাহে ইউরোপে স্পেন, ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসসহ বিভিন্ন দেশে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে স্পেনে অন্তত ৩২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফ্রান্সেও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন দেশে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং বড় বড় অনুষ্ঠান বাতিল করা হচ্ছে। 

 

মে মাসের শেষ দিকে যুক্তরাজ্যে দুপুরের সময় দেশের প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ চাহিদা সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণ হয়, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সময়ে ফ্রান্সে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে পাইকারি বাজারে বিদ্যুতের দাম শূন্যের নিচে নেমে যায়। স্পেন ও পর্তুগালেও বছরের প্রথম তিন মাসে রেকর্ডসংখ্যক ঘণ্টা নেতিবাচক বিদ্যুৎ মূল্য দেখা গেছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুতের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি হয়ে গেলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার চেয়ে কম বা নেতিবাচক দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করাকে লাভজনক মনে করে, কারণ বন্ধ ও পুনরায় চালুর খরচ বেশি হয় অথবা তারা ভর্তুকি পেয়ে থাকে।

 

তবে ইউরোপের বিদ্যুৎ গ্রিড এখনো নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। অধিকাংশ সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র দূরবর্তী এলাকায় থাকায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ সহজে প্রয়োজনীয় স্থানে পৌঁছানো যায় না। এ কারণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে।

 

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এম্বারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপর্যাপ্ত গ্রিড সক্ষমতার কারণে ইউরোপে প্রায় ১২০ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৬ গিগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে, যা ১৫ লাখের বেশি পরিবারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্যা সমাধানে ব্যাটারি-ভিত্তিক বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ব্যবস্থা (BESS) দ্রুত সম্প্রসারণ প্রয়োজন। বর্তমানে ইউরোপে ব্যাটারি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়লেও ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে এটি প্রায় ৭৫০ গিগাওয়াট-ঘণ্টায় উন্নীত করতে হবে।

 

অন্যদিকে দাবদাহ শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াচ্ছে না, কিছু নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের উৎপাদনও ব্যাহত করছে। অতিরিক্ত গরমে ফ্রান্সের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র শীতল রাখতে ব্যবহৃত নদীর পানির তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে উচ্চচাপ বলয়ের কারণে বাতাসের গতি কমে যাওয়ায় জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালায় বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনও কমেছে।

 

সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত তাপ সবসময় সুবিধাজনক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় প্রতি ১ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে সৌর প্যানেলের কার্যকারিতা প্রায় ০.৪ থেকে ০.৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ফলে প্রচুর রোদ থাকলেও অতিরিক্ত গরমে সৌর প্যানেলের দক্ষতা হ্রাস পেতে পারে এবং বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।

 

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করতে গ্রিড আধুনিকীকরণ, ব্যাটারি সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

 

সূত্র: ইউরো নিউজ, রয়টার্স

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
বেইজিংয়ের বহুতল ভবনে বিমান দুর্ঘটনা, নিহত ১, আহত ১৩

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে একটি ছোট বিমান বহুতল ভবনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় পাইলট নিহত এবং আরো ১৩ জন আহত হয়েছে বলে শনিবার জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে দুই আসনের একটি হালকা স্পোর্টস বিমান বেইজিংয়ের ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা চাওইয়াং জেলায় ১০৮ তলার একটি বহুতল ভবনের আছড়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ ভবন বা পাইলটের পরিচয় প্রকাশ করেনি।  তবে ফ্লাইট ট্র্যাকিং সেবা ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, বিমানটি বেইজিংয়ের বিখ্যাত সিআইটিআইসি টাওয়ারে (চায়না জুন) আঘাত হানে। ১০৮ তলা সিআইটিআইসি টাওয়ারটি বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনগুলোর একটি। প্রাচীন চীনা মদের পাত্রের আদলে নির্মিত এই আকাশচুম্বী ভবনটি শহরের অন্যতম পরিচিত স্থাপনা। কঠোর আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত বেইজিংয়ে কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মারিয়া রহমান জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রযুক্তি করে ইউরোপকে ১০০% শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপে তীব্র দাবদাহে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপে ভয়াবহ দাবদাহ, স্পেনে ৩ শতাধিক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন-ইসরায়েল চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নতুন কাঠামোগত চুক্তি হয়েছে। এর লক্ষ্য লেবাননের রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং তাদের সামরিক অবকাঠামো ভেঙে দেওয়া।   শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন গ্রুপ ফর লেবানন নামে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে একটি সমন্বয়কারী সংস্থা গঠন করা হবে। এটি লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সমন্বয় করবে।   চুক্তির অংশ হিসেবে জাতিসংঘের সহযোগিতায় ১০ কোটি ডলারের মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব শক্তিশালী করতে দেশটির সেনাবাহিনীকে ৩ কোটি ডলারের বেশি সহায়তা দেওয়া হবে।   মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ওয়াশিংটনে এই চুক্তির ঘোষণা দিয়ে বলেন, এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার শুরু মাত্র। সামনে এখনও অনেক পথ বাকি।   ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব নিতে দেওয়া হবে। তবে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল নিরাপত্তা বলয়ে তাদের সেনা উপস্থিতি বজায় রাখবে।   অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, তাদের সংগঠন এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করবে এবং নিজেদের অস্ত্র আরও দৃঢ়ভাবে ধরে রাখবে। সূত্র: শাফাক নিউজ

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনায় ইউরোপে বেড়েছে গ্যাসের দাম

ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে ধীরগতির উদ্ধারকাজের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সংগৃহীত ছবি

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০

ছবি : সংগৃহীত

৩ আফ্রিকান দেশের নাগরিকদের সৌদি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

ছবি : সংগৃহীত
আবারও ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পণ্যবাহী জাহাজে ইরানি ড্রোনের হামলার অভিযোগ ওঠার পর এ হামলা হয়।   মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার জানিয়েছে, ‘বৃহস্পতিবারের হামলার কড়া জবাব হিসেবে এ হামলা করা হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সেন্টকমের ঘোষণার পর ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে মার্কিন হামলার খবর পাওয়া যায়।   এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রাখার জায়গা এবং উপকূলীয় রাডার স্টেশনগুলোতে হামলা চালিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ (হরমুজ প্রণালি) দিয়ে যখন ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ছে, তখন ইরানের এমন বিপজ্জনক আচরণ নৌ চলাচলের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছে।’   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর একমুখী হামলায় ব্যবহৃত অন্তত চারটি ড্রোন ব্যবহার করেছে।   শুক্রবার (২৬ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ড্রোনগুলোর একটি বড় এবং অত্যন্ত মূল্যবান একটি পণ্যবাহী জাহাজের ওপরের ডেকে সরাসরি আঘাত হানে। এতে জাহাজটির কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেটি যাত্রা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে।   তিনি আরও দাবি করেন, আমরা বাকি তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করেছি। স্পষ্টতই এটি আমাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তির একটি বোকামিপূর্ণ লঙ্ঘন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বেইজিংয়ের সবচেয়ে উঁচু ভবনে বিমান বিধ্বস্ত, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ লাখ ‘ড্রোন যোদ্ধা’ গড়ে তুলবে দক্ষিণ কোরিয়া

0 Comments