আন্তর্জাতিক

ইরানের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ বহর, ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ২৩, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজের বহর বর্তমানে ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।


রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে যাত্রা শুরু করা এই বহরে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ একাধিক গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার রয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের দাভোস থেকে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, এটি মূলত একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই শক্তি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়বে না। তবে পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নৌবহরের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই পদক্ষেপ মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের সক্ষমতা বাড়াবে।

ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি আবার তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করে বা বিক্ষোভকারীদের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

ইরানে বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করে ট্রাম্প দাবি করেন, তার দেওয়া হুমকির কারণেই দেশটি প্রায় ৮৪০টি ফাঁসি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। তিনি বলেন, বন্দিদের হত্যা করা হলে ইরানকে নজিরবিহীন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে—এমন সতর্কবার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল।

যদিও অতীতে এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক ছিল, তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও যুদ্ধজাহাজ বহরের এই অগ্রযাত্রা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
চীনে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘর ছাড়লেন বাসিন্দারা

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে সংঘটিত এই কম্পনের তথ্য জানিয়েছে জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড)।   প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় শক্তিশালী ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।   জিএফজেডের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় এর কম্পন তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সিচুয়ানের রাজধানী চেংডুসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার অনেক বাসিন্দা নিরাপত্তার জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন।   আঞ্চলিক প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও সম্ভাব্য হতাহতের তথ্য সংগ্রহে উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো কাজ করছে। তবে দুর্গম ও পার্বত্য এলাকার কারণে পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি জানতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।   ভূতাত্ত্বিকভাবে সিচুয়ান চীনের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। ২০০৮ সালে একই প্রদেশে ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও স্থানীয়দের মনে দাগ কেটে আছে। ফলে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পরও অনেকের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।   সূত্র: রয়টার্স

আক্তারুজ্জামান জুন ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উত্তরপ্রদেশে গরুর মাংস রান্নার অভিযোগে তিন নারী আটক

ছবি: সংগৃহীত

সৌদিতে আরামকোর হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ১৪ সৌদি নাগরিকের

ছবি : সংগৃহীত

ফ্রান্সে স্কাইডাইভিংয়ের বিমান বিধ্বস্ত, ১১ জন নিহত

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার মধ্যেই আরও উন্নত অস্ত্র তৈরি করেছে ইরান

ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ৪০ দিনব্যাপী সংঘাত চলাকালে দেশটি আরও উন্নত ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন করেছে।   রোববার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, বেশকিছু সমরাস্ত্রের গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ আগে থেকেই চলছিল। যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সেসব ড্রোন ব্যবহার করেছে। খবর প্রেস টিভির।   তিনি বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মাঝেই এসব ড্রোন ব্যবহারে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলাম।’ তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকেও উন্নত করা হয়েছে।   আকরামিনিয়া বলেন, ‘আমরা হাতে থাকা অস্ত্র ব্যবহার করলেও গবেষণা ও উন্নয়নের কাজকে অবহেলা করিনি।’   তিনি আরও জানান, ইরানের সেনাবাহিনী এখন দেশীয় উৎপাদন এবং বন্ধুসুলভ দেশ থেকে উন্নত প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে।   সাম্প্রতিক সামরিক অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে যে ড্রোনগুলো আমরা উন্মোচন করেছি, সেগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত, যেমন আরাশ-২। খুব শিগগিরই আমরা এসবের বিস্তারিত দেশবাসীকে জানাব।’   তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন ইরানের ভবিষ্যৎকে আরও নিরাপদ ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।   প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে, যাতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি এবং কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।   এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ৪০ দিন ধরে পাল্টা হামলা চালায়। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে লেবাননে উত্তেজনা, গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে উড্ডয়নের পরপরই বিমান বিধ্বস্ত, নিহত অন্তত ১১

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা

সংগৃহীত ছবি
করাচিতে রেঞ্জার্স সদর দফতরে ভয়াবহ হামলা, প্রাণ গেল ৭ জনের

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে সিন্ধু রেঞ্জার্সের সদর দফতরে ভয়াবহ সশস্ত্র হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন নিরাপত্তাকর্মী ও চারজন হামলাকারী রয়েছেন।   শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় করাচির পূর্বাঞ্চলের গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় অবস্থিত রেঞ্জার্স সদর দফতরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর আল জাজিরার।   সিন্ধু পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জাভেদ আলম ওধো জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারীরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে সদর দফতরের প্রধান ফটকে আঘাত হানে। এর পরপরই ভারী অস্ত্রে সজ্জিত কয়েকজন হামলাকারী ভেতরে প্রবেশ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে জড়িয়ে পড়েন। তবে হামলার সময় গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।   আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে চার হামলাকারী নিহত হন। তবে হামলায় প্রাণ হারান তিনজন নিরাপত্তাকর্মীও। ঘটনার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট (এসএসইউ), অ্যান্টি-টেররিস্ট ফোর্স এবং সিন্ধু রেঞ্জার্সের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি পুরো এলাকায় তল্লাশি জোরদার করা হয়।   এদিকে সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলি শাহ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনায় বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুত জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফাইল ছবি

ইরানে আবারও হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

পর্যটন ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে কলকাতার নিউ মার্কেটে ব্যবসায় চাঙা হওয়ার আশা

ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্প মৃতের সংখ্যা ১৪৩০, নিখোঁজ ৬৯ হাজার

0 Comments