বিশ্ব

গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক বিকল্প ভাবছে ট্রাম্প

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ০৭, ২০২৬

স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে এবার সরাসরি সামরিক শক্তি ব্যবহারের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস জানায়, গ্রিনল্যান্ড দখল এখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার’ এবং প্রয়োজনে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থানে ন্যাটো মিত্র ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা আরও চরমে পৌঁছেছে।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের পর থেকেই ট্রাম্পের নজর ফের আর্কটিক অঞ্চলের এই ডেনিশ ভূখণ্ডের ওপর পড়েছে। বিরল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে নতুন নৌপথ উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় গ্রিনল্যান্ডের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। 

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড দখল করা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ও চীনের মতো প্রতিপক্ষকে রুখতে এটি জরুরি। 

প্রেসিডেন্ট ও তার দল এই লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন। আর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করার বিকল্প তো সব সময়ই খোলা আছে।’

এদিকে, চলমান উত্তেজনা নিরসনে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক উভয় দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্রুত বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছে। 

তবে গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান মোৎজফেল্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ২০২৫ সাল থেকেই তারা মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের অনুরোধ করে আসছেন, কিন্তু ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখনো সাড়া মেলেনি।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লারস লোকে রাসমুসেন আশা প্রকাশ করেন যে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করলে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ দূর হবে।

তবে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। 

কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেন ইতোমধ্যে ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। এই সমর্থনের জন্য নিলসেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডে বর্তমানে প্রায় ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস এবং সেখানে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। গত রোববার ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে আগামী দুই মাসের মধ্যে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

ইউরোপীয় নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ এবং তারা ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং এর ভাগ্য ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডই নির্ধারণ করবে। 

তবে ডেনমার্কের রয়্যাল ডিফেন্স কলেজের বিশেষজ্ঞ মার্ক জ্যাকবসেন ট্রাম্পের এই আচরণকে ‘পুরানো রেকর্ডের’ মতো বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়।

তবে কোপেনহেগেন নিরাপত্তায় ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। গত বছরই সেখানে তারা ৯০ বিলিয়ন ক্রোনার (১৪ বিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ দিয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

ছবি: সংগৃহীত
বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন সিরিয়ার আদালত

সাবেক সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন সিরিয়ার একটি আদালত। মঙ্গলবার দামেস্কের ফৌজদারি আদালত অনুপস্থিতিতে বিচার করে তাকে হত্যা ও হত্যায় উসকানির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন। খবর তুর্কি টুডের।   সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-ইখবারিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতের সব বিচারক বাশার আল-আসাদকে দোষী সাব্যস্ত করার পক্ষে একমত হন। আদালত বলেছেন, শিশুসহ একাধিক ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পাশাপাশি নির্যাতনের জন্যও তিনি দায়ী।   আদালতের বিচারক বলেন, এসব অপরাধে বাশার আল-আসাদ ছিলেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারি ব্যবস্থাকে এসব অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার করেছেন।   বাশার আল-আসাদের ভাই মাহের আল-আসাদকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাকে পরিকল্পিত হত্যা, নির্যাতন ও হত্যায় উসকানির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।   আদালত দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধেই আন্তর্জাতিকভাবে গ্রেপ্তারি তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছে।   ২০২৪ সালের শেষ দিকে দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান হওয়ার পর বাশার আল-আসাদ সিরিয়া ছেড়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নেন। ফলে মঙ্গলবারের বিচার ও মৃত্যুদণ্ডের রায় তার অনুপস্থিতিতেই দেওয়া হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

৩১ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের দাম

ছবি : সংগৃহীত

পৌনে দুই লাখ বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসকে এড়িয়ে যেভাবে গোপনে তুরস্ক ছাড়লেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৬ হাজার ৩০১

ভেনেজুয়েলায় গত জুনে আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬ হাজার ৩০১ জনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার দেশটির জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেস এ তথ্য জানিয়েছেন।     তিনি জানান, ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী দল ৬ হাজার ৪৬২ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া দেশজুড়ে ৭৩ হাজার ৩৫৬ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।     ভূমিকম্পে ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের বেশি বাড়ি পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৩৩৬টি বাড়ি বসবাসের উপযোগী রয়েছে। ১২ হাজার ৪১১টি বাড়িতে বসবাসে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে। আর ৯ হাজার ৫৬৭টি বাড়িকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।       ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য সরকার এ পর্যন্ত ২৮৭টি নতুন বাড়ি দিয়েছে। পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজও চলছে। এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৫২৫ টনের বেশি ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে, যা মোট ধ্বংসস্তূপের আনুমানিক ২৩ দশমিক ২ শতাংশ।     গত ২৪ জুন ভেনেজুয়েলায় ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মারিয়া রহমান আগস্ট ১১, ২০২৬

সর্বোচ্চ চূড়া ছুঁয়ে টানা চার বছর নিম্নমুখী এসএসসির জিপিএ ৫

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের আবেদনে আসছে অনলাইন বাধ্যবাধকতা

ছবি: সংগৃহীত

মেটার নতুন এআই মডেল ‘মিউজ গ্লিমার’, ওপেন এআই ইস্যুতে নতুন বিতর্ক

ছবি : সংগৃহীত
লিবিয়ার জাওয়িয়া তেল শোধনাগারে আগুন

লিবিয়ার জাওয়িয়া তেল শোধনাগারের একটি ডিজেল ট্যাংকে আগুন লেগেছে। সোমবার আগুন লাগার পর দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন। আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনের (এনওসি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্রেগা পেট্রোলিয়াম মার্কেটিং কোম্পানি জানিয়েছে, তারা আগুনের কারণে শোধনাগারের ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করছে।   এনওসি জানিয়েছে, আগুন লাগা ট্যাংকটিতে আনুমানিক ৪৫ লাখ লিটার পেট্রল ছিল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ট্যাংকটি সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় সর্বোচ্চ মাত্রার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এনওসি।   অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে জাওয়িয়া শহরের আকাশে আগুনের বড় বড় শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া দেখা গেছে। তবে এসব ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।   জাওয়িয়া শোধনাগার লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার। রাজধানী ত্রিপোলি থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই শোধনাগারে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেল তেল পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। এটি দেশটির ৩ লাখ ব্যারেল দৈনিক উৎপাদনক্ষম শারারা তেলক্ষেত্রের সঙ্গেও যুক্ত।   দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন সেখানে কর্মরত দুই প্রকৌশলী। অর্থাৎ আগুনের মধ্যেও শোধনাগারটি চালু ছিল।   এর মাত্র দুই দিন আগে, শনিবার ভোরে শোধনাগারের অপরিশোধিত ন্যাফথা রাখার একটি ট্যাংকে ড্রোন আঘাত হানে। এতে ট্যাংকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ন্যাফথা ছড়িয়ে পড়লেও কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।   সূত্র: আরব নিউজ

মোঃ নাহিদ হোসেন আগস্ট ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৩২, জরুরি অবস্থা জারি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিম ইউরোপে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুন-জুলাই: কপারনিকাস

0 Comments