সারাদেশ

গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ১

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাকিরুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কামদিয়া কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফিরছিল কামদিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী। পথে একই শ্রেণির ছাত্র ও কামদিয়া গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে হুমায়ুন কবির (১৮) তার সহযোগীদের নিয়ে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় করে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে। তারা মেয়েটিকে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের পূর্ব বাহিয়াল পালশা গ্রামে শাহাজান আলীর ছেলে সাকিরুল ইসলামের বাড়িতে নিয়ে যায়।

সেখানে হুমায়ুন ও সাকিরুল ছাড়াও কামদিয়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে অনিক মিয়া (১৮) এবং আলীগাঁও গ্রামের নুরুন্নবীর ছেলে সাব্বির মিয়া (১৯) মিলে মেয়েটিকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে আটকে রাখে। পরে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে এসে ভুক্তভোগী ছাত্রীটি তার বাবাকে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাকিরুল ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, অভিযুক্তদের মধ্যে সাকিরুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নির্যাতিতা স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৫ জেলায় পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।   মহাসড়কে অবৈধ ইজিবাইক, মহেন্দ্র, নছিমন, করিমনসহ সব ধরনের থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধের দাবিসহ তিন দফা দাবিতে এ পরিবহন ধর্মঘট পালিত হবে।   বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠকের পরও তাদের দাবি পূরণ না হওয়ায় রোববার থেকে তারা ধর্মঘট শুরু করবেন। ধর্মঘট শুরু হলে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলায় এই ধর্মঘটের আওতায় থাকবে।   বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে সরকারি ১৮টি বিআরটিসি বাস চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক বেশি চলে। এছাড়া মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি হুইলার অবাধে চলাচল করছে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় সভা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন বারবার আশ্বাস দিলেও কোনো সমাধান হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, বাস মালিক সমিতির তিন দফা দাবির বিষয়ে আমরা অবগত আছি। মহাসড়কে পরিবহণ ধর্মঘট যেনো না হয় সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।   বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের ৩ দফা দাবিগুলো হল-   ১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ করা।   ২. আঞ্চলিক মহাসড়কগুলোতে অবৈধ থ্রি-হুইলার, মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশার চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।   ৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

ছবি: সংগৃহীত

বিমানের লন্ডন ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি, চার ঘণ্টা বিলম্ব

ছবি: সংগৃহীত

আগস্টের শেষে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

ছবি: সংগৃহীত
ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও এটি সবচেয়ে ভালো বাজেট: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুল

দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও এবারের বাজেটকে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত ও জনবান্ধব করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।   শুক্রবার সকালে নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে হুইলচেয়ার ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।   এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সরকার জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করেছে। এবারের বাজেট পুরোপুরি জনবান্ধব করার চেষ্টা করা হয়েছে। বাজেটের সাফল্য নির্ভর করবে এর সঠিক বাস্তবায়নের ওপর।”   তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ বাড়ানো হলেও তা কোনো বড় অবকাঠামো প্রকল্পে নয়, বরং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে।   সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ক্যান্সারসহ দুরারোগ্য রোগে আক্রান্তদের আর্থিক সহায়তা ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে।   এছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের অবস্থান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের ভিন্ন মত থাকতে পারে এবং তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। তবে বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিটি বাজেট বরাদ্দ মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ১২, ২০২৬
বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেন তালুকদার

২৭ হাজার ভোটে পরাজিত বিএনপি নেতা পেলেন নতুন দায়িত্ব

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

খুলনার হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে, রোগীদের সরিয়ে নেওয়া হলো অন্যত্র

ছবি : সংগৃহীত

অস্ত্র ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে, ফুল দিয়ে বরণ করল প্রশাসন

ছবি : সংগৃহীত
ভোজ্যতেল কারসাজির অভিযোগে টিকে গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে ৩২ কোটি টাকার জরিমানা

ভোজ্যতেল সরবরাহে কারসাজির দায়ে টিকে গ্রুপের মালিকানাধীন শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ৩২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।   বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কমিশনের সচিব মাহবুবুর রহমান খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   এর আগে পারস্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে ভোজ্যতেলের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন, সরবরাহ, বাজার বা সেবার সংস্থানকে সীমিত ও নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগে কম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।   কমিশন জানিয়েছে, ২০১২ সালের আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী শবনম ভেজিটেবিল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজকে ৩২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। চূড়ান্ত আদেশ ঘোষণার পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তবে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী আপিল বা আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করতে পারবে প্রতিষ্ঠান।   রায়ের মতামতে বলা হয়, শবনব ভেজিটেবল অয়েল ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ভোজ্যতেল উৎপাদন ও সরবরাহ সীমিত করে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে বাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। এতে ২০১২ সালের প্রতিযোগিতা আইনের ১৫ ধারার উপধারা (১) এবং উপধারা (২) এর দফা (ক), উপ-দফা (অ ও দফা (খ) লঙ্ঘন প্রমাণিত হয়, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।   অভিযোগে বলা হয়, শবনব ভেজিটেবিল অয়েলের বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ সরবরাহ আদেশ (এস ও) সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। এটি প্রতিযোগিতাবিরোধী চুক্তি। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়। ওই সময় দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। এই ঘটনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অনুসন্ধান চালায়।   খন ৮টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কৃত্রিম সরবরাহ সংকটের প্রমাণ পায়।   প্রতিযোগিতা কমিশন সেসময় তিন সদস্যদের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে। তারা গ্লোব এডিবল অয়েল লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, মেঘনা ও ইউনাইটেড এডিবল অয়েল লিমিটেড, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমেটেডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কারসাজির প্রাথমিক প্রমাণ পায়। বাজারে সরবরাহ সীমিত করায় প্রতিযোগিতা আইনের তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে কমিশনের নিজস্ব অনুসন্ধান ও ভোক্তা অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শবনম ভেজিটেল অয়েলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মেডিকেলে সুযোগ পেয়েও অনিশ্চয়তায় মাহমুদার স্বপ্ন

ছবি: সংগৃহীত

ধানক্ষেতেই রঙিন আমের বাগান, চাষির সাফল্যের গল্প

ছবি : সংগৃহীত

গোবিন্দগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ১

0 Comments