সারাদেশ

গাজীপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম, আনন্দে ভাসছে পরিবার

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

​গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক গৃহবধূ একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। নবজাতকদের মধ্যে তিনটি ছেলে ও দুটি মেয়ে। বর্তমানে মা ও পাঁচ শিশু সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

 

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ শিশুর জন্ম হয়।

 

প্রসূতি মাসুমা বেগম কাপাসিয়া উপজেলার দিঘাবর গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে মাসুমা বেগমকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে একে একে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেন তিনি।

 

​সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি থাকলেও এই নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতিটি শিশুর ওজন ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে। সন্তান প্রসবের পর চিকিৎসকদের পরামর্শে গত রাতে নবজাতকদের কাপাসিয়ার মডিউল কমিউনিটি ক্লিনিকে আইসোলেশনে রাখা হয়।

 

​ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দেওয়া অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সঠিক সময়ে সুচিকিৎসা পাওয়ায় বর্তমানে মা ও শিশুরা সুস্থ আছেন।

 

এদিকে একসঙ্গে পাঁচ সন্তান পেয়ে আনন্দিত বাবা কাজল মিয়া। তিনি বলেন, আমি কখনো ভাবিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে পারব। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি, ভারত থেকে এল ৮ হাজার টন ডিজেল

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৮ হাজার টন ডিজেল ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে পৌঁছেছে।   শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দিবাগত মধ্যরাতে এই জ্বালানি তেল গ্রহণের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।   সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ১৭ এপ্রিল একই পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার টন ডিজেল আনার প্রক্রিয়া চলছে। চলতি এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানে প্রায় ৪০ হাজার টন জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।   বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেডের ম্যানেজার (অপারেশন্স) কাজী মো. রবিউল আলম। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়েই ৮ হাজার টন ডিজেল গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী চালান আসার প্রস্তুতি চলছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল মাসে নির্ধারিত চারটি চালানের মধ্যে প্রথম চালানটি ইতোমধ্যে এসে পৌঁছেছে। বাকি চালানগুলো পর্যায়ক্রমে পৌঁছাবে।   এর আগে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে চারটি চালানে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছে।   ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রেলহেড অয়েল ডিপোর রিসিপ্ট টার্মিনালে এসব জ্বালানি পৌঁছায়। পরে সেখান থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা—এই তিনটি বিপণন কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়।   উত্তরাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত সমঝোতা চুক্তির ভিত্তিতে ১৩১ দশমিক ৫৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল আমদানি শুরু হয়।   দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী, ভারত আগামী ১৫ বছর বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করবে। বছরে ২ থেকে ৩ লাখ টন জ্বালানি আমদানির সুযোগ থাকলেও প্রয়োজন অনুযায়ী তা বাড়ানো যাবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টন তেল আমদানি সম্ভব।   এর আগে খুলনা ও চট্টগ্রাম থেকে রেলওয়ে ওয়াগনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি পৌঁছাতে ৬-৭ দিন সময় লাগত, যা এখন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২৮ মামলার পলাতক আসামি ‘কাইল্লা রক্সি’ অবশেষে গ্রেপ্তার

ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম, আনন্দে ভাসছে পরিবার

ছবি : সংগৃহীত

রাজবাড়ীতে সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়াতে রিপোর্টিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ছবি : সংগৃহীত
ইটভাটা শ্রমিককে ঝুলিয়ে নির্যাতনের, ভিডিও ভাইরাল

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে পাওনা টাকা ও ইটভাটায় কাজে না যাওয়ার জেরে এক শ্রমিককে ঘরবন্দি করে ঝুলিয়ে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।   শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের চুঙ্গারগোড়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এই নির্মম নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী শ্রমিকের নাম আবুল কালাম কালু। তিনি উপজেলার চরবসু এলাকার বাদামতলী বাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত ইসমাইল পেশায় একজন ইটভাটা মাঝি এবং একই উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। জানা গেছে, ইসমাইল মাঝির কাছ থেকে ইটভাটায় শ্রমিকের কাজের কথা বলে অগ্রিম টাকা নিয়েছিলেন কালু। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যক্তিগত বা অন্য কোনো কারণে কাজে না যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হন ইসমাইল। এর জেরে শুক্রবার সকালে কালুকে চুঙ্গারগোড়া এলাকায় ধরে আনেন ইসমাইল মাঝি। এরপর একটি নির্জন ঘরের আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে তার দু’হাত বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, কালু যন্ত্রণায় চিৎকার করছেন আর ইসমাইল মাঝি তাকে বেধড়ক মারধর করছেন। এই দৃশ্য দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই সক্রিয় হয় কমলনগর থানা পুলিশ। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী কালুকে উদ্ধার করে এবং তাকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ইসমাইল মাঝি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে একাধিক টিম কাজ করছে। এদিকে, সামান্য পাওনা টাকা বা কাজের অজুহাতে একজন মানুষকে এভাবে নির্যাতনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দার প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

কুলখানি তবারক নিতে গিয়ে পদদলিত: শিশুসহ ১৫ জন আহত

ছবি : সংগৃহীত

আরাকান আর্মির অপহরণে জেলে পরিবারগুলোতে হাহাকার

ছবি : সংগৃহীত

সীমান্তে মাইন ও আইইডি উদ্ধার

বগুড়ায় জামায়াত আয়োজিত নির্বাচন-পরবর্তী সভায় বক্তব্যে দেন অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন।
বগুড়া-৬ সদর আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জামায়াতের

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন বাতিল করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন অভিযোগ করে বলেছেন, এই নির্বাচন অতীতের যেকোনো বিতর্কিত নির্বাচনের চেয়েও খারাপ হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বগুড়া শহরের কলোনি এলাকার শাহওয়ালিউল্লাহ মিলনায়তনে বগুড়া শহর জামায়াত আয়োজিত নির্বাচন-পরবর্তী এক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটকেন্দ্র দখল করে প্রকাশ্যে সিল মারা, এমনকি প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের আগাম ব্যালটে সিল দেওয়ার মতো ঘটনায় নির্বাচন পুরোপুরি কলুষিত হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, এসব অনিয়মের কারণে নির্বাচন জনগণের আস্থা হারিয়েছে এবং এটি একটি ‘প্রহসনের নির্বাচন’ হিসেবে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই নির্বাচন ঘৃণাভরে বর্জন করছি। জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে অবিলম্বে এই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে নতুন করে তফশিল ঘোষণা করতে হবে।’ সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া শহর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল। সভায় আরও বক্তব্য দেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল আজিজ, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আব্দুল হক সরকারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা উপনির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি, জাল ভোট এবং ভোটকেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা জানান। তারা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। সভা শেষে নেতাকর্মীরা বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল বাতিল এবং দ্রুত নতুন নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

চা-শ্রমিকরা দেশের সম্পদ, তাদের জীবনমান উন্নয়ন জরুরি : ডিসি জাহিদ

বহিষ্কৃত নেতা মাসুদুর রহমান মাসুদ। ছবি : সংগৃহীত

যুবদলের এক নেতা বহিষ্কার

সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার্থীদের জন্য ‘হেয়ার স্টাইল’ নির্ধারণ করে নোটিশ জারি, না মানলেই শাস্তি

0 Comments