খেলাধুলা

উয়েফার কাছে অভিযোগ: ক্লাবের সমর্থন পেয়ে খুশি ফ্লিক

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে হারের ম্যাচে রেফারিং নিয়ে উয়েফার কাছে ক্লাবের অভিযোগ করাকে সমর্থন জানিয়েছেন হান্সি ফ্লিক। ক্লাবের এই পদক্ষেপ দারুণ ব্যাপার বলে মনে করেন বার্সেলোনা কোচ।

 

কাম্প নউয়ে গত বুধবার কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগের দ্বিতীয়ার্ধে আতলেতিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসো বক্সেই পাস দেন সতীর্থ মার্ক পুবিলকে। দেখে মনে হচ্ছিল, গোল কিকের পর পুনরায় খেলা শুরু। কিন্তু বল হাত দিয়ে ধরে ফের গোলরক্ষককে পাস দেন পুবিল, যিনি আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখেন।

তখনই পেনাল্টির দাবি জানায় বার্সেলোনা। কিন্তু রোমানিয়ান রেফারি ইস্তভান কোভাসচ কোনো সাড়া দেননি। ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) ক্রিস্টিয়ান ডিনগার্টও হস্তক্ষেপ করেননি।

বিষয়টি নিয়ে ম্যাচ শেষেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফ্লিক। এটাকে তিনি স্পষ্ট ‘পেনাল্টি ও পুবিলের লাল কার্ড’ পাওয়ার মতো কাজ মনে করেন। পরে উয়েফার কাছে অভিযোগ করে এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানায় কাতালান ক্লাবটি।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি আতলেতিকো জিতে নেয় ২-০ গোলে। ঘুরে দাঁড়াতে আগামী মঙ্গলবার ফিরতি লেগে প্রতিপক্ষের মাঠে দুই গোলের ব্যবধান ঘোচাতে হবে বার্সেলোনাকে।

তার আগে শনিবার লা লিগায় এস্পানিওলের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে উয়েফার কাছে ক্লাবের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা নিয়ে বলেন ফ্লিক।

ক্লাব আমাদের সমর্থন করছে, এটা দারুণ ব্যাপার। সবাই জানে, সত্যিই অন্যায্য ছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে একবার ভুল করতে পারেন, কিন্তু দুবার নয় (রেফারি ও ভিএআর)। আমার মতে, এটা ক্লাবের পক্ষ থেকে বিরাট সমর্থন।

ওই ঘটনায় ভিএআরের হস্তক্ষেপ করা উচিত ছিল বলে মনে করেন বার্সেলোনা কোচ।

যখন ভিএআর থাকে, তখন তিনি যদি এমন কিছু দেখেন যা সঠিক নয়, তাহলে (রেফারিকে) তার বলতে হবে, ‘এখন এটা দেখুন।

এই ম্যাচে এই বিষয়টি আমি ধরতে পারিনি। আমার মনে হয়, আমরা অনেক কিছু আরও ভালো করতে পারতাম, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বুধবার আমাদের সেরাটা আমরা খেলতে পারিনি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
সুরিয়াভানশির ব্যাটে আবার ঝড়, ১৫ বলে ফিফটি

জাসপ্রিত বুমরাহর তিন বলে দুই ছক্কা আর ঝড়ো ইনিংসের রেশ মিলিয়ে যায়নি এখনও। দুই দিন পর আবার ব্যাট হাতে ২২ গজে ঝড় তুললেন বৈভাব সুরিয়াভানশি। আরেকবার ১৫ বলে ফিফটি করলেন ১৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।   আইপিএলে শুক্রবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ২৬ বলে ৭৮ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন ভারতের বিস্ময় বালক। আট চার ও সাত ছক্কায় গড়া তার ইনিংসটি। তিন নম্বরে নেমে আট চার ও তিন ছক্কায় ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসে দলের জয় নিয়ে ফেরেন ধ্রুব জুরেল। রাজস্থান রয়্যালস ৬ উইকেটে জিতে যায় দুই ওভার হাতে রেখেই। গুয়াহাটিতে ইনিংসের তৃতীয় বলে প্রথম স্ট্রাইক পেয়েই ভুবনেশ্বর কুমারকে চার মেরে শুরু করেন সুরিয়াভানশি। আইপিএলে নিজের ১১ ইনিংসের ৬টিতেই প্রথম বলে বাউন্ডারিতে শুরু করলেন তিনি। দুই বল পর চার মারেন আরেকটি। পরের ওভারে জশ হেইজেলউডকে দুই ছক্কা মেরে বিদায় নেন আরেক ওপেনার ইয়াশাসভি জয়সওয়াল। তৃতীয় ওভারে আভিনান্দান সিংকে দুটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সুরিয়াভানশি। পরের ওভারে তিনি তাণ্ডব চালান চোট কাটিয়ে আসরে প্রথম খেলতে নামা হেইজেলউডের ওপর। টানা চার বলে মারেন তিনটি চার ও একটি ছক্কা। পঞ্চম ওভারে ভুবনেশ্বরকে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন বাঁহাতি ওপেনার। আইপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি এটি, চলতি আসরে দ্রুততম। এবারের আসরে প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষেও ১৫ বলে ফিফটি করেছিলেন সুরিয়াভানশি। ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটিতে তার চেয়ে কম বলে ফিফটি আছে শুধু চার জনের- রোমারিও শেফার্ড (১৪), প্যাট কামিন্স (১৪), লোকেশ রাহুল (১৪) ও জয়সওয়াল (১৩)। ক্রুনাল পান্ডিয়াকে একটি ছক্কার পর টিম ডেভিডের পরপর দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ছুটতে থাকেন সুরিয়াভানশি। গত আসরে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে আলোড়ন ফেলে দেওয়া ব্যাটসম্যান আরেকটি সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগান। কিন্তু স্পিনার ক্রুনালের পরের ওভারে লং-অনে ভিরাট কোহলির হাতে ধরা পড়েন তিনি। শেষ হয় তার দুর্দান্ত ইনিংস। চলতি আসরে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে দুইশ রানের ঠিকানা ছুঁয়ে ফেললেন সুরিয়াভানশি। চার ম্যাচে ২৬৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে তার রান এখন ঠিক ২০০।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২০২৮ পর্যন্ত ইউভেন্তুসের কোচ স্পালেত্তি

ছবি : সংগৃহীত

উয়েফার কাছে অভিযোগ: ক্লাবের সমর্থন পেয়ে খুশি ফ্লিক

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আগে নরওয়ের নাগরিকত্ব পেলেন ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত গোলকিপার

সংগৃহীত ছবি
ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ রিয়ালের সংক্ষিপ্ত তালিকায়

আগামী মৌসুমের জন্য সম্ভাব্য কোচদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আরএমসি স্পোর্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই তালিকায় আছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় ও কোচ দিদিয়ের দেশম।  ফ্রান্সের সঙ্গেই আছেন দেশম। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে দেশটির প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না মাদ্রিদ ক্লাব। আলভারো আরবেলোয়ার উত্তরসূরি হিসেবে তাকে বেছে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে রেকর্ড ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। বর্তমান কোচ আরবেলোয়া চাপে রয়েছেন। একের পর এক শিরোপা হাতছাড়া করছে রিয়াল। লা লিগায় ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা একেবারেই নেই। কোপা দেল রে থেকেও ছিটকে গেছে আগে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে খাদের কিনারায় তারা। এমন পরিস্থিতিতে আরবেলোয়াকে আগামী মৌসুমে রিয়ালের ডাগআউটে দেখা কঠিন। রিয়ালকে চেনা রূপে ফেরাতে দেশম হতে পারেন সেরা বিকল্প। ক্লাব পর্যায়ে সাফল্য আছে তার। ফ্রান্সকে ২০১৮ বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানোর পরের আসরে ফাইনালে তোলেন। এছাড়া রিয়ালের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ও অরেলিয়েন শুয়োমেনির সঙ্গেও তার সম্পর্ক। জাতীয় দলের বর্তমান শিষ্যের সঙ্গে ক্লাবেও সম্পর্ক গড়তে পারলে ভালো কোনো সাফল্য আসতে পারে বলে বিশ্বাস স্প্যানিশ জায়ান্টদের। অবশ্য দেশম তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনায় জড়াননি এখনো। যদিও ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন ক্লাবের প্রস্তাব ইতোমধ্যে পেয়েছেন। আপাতত তার মনোযোগ ফ্রান্সকে আরেকটি সাফল্য এনে দিতে। আগামী মৌসুমের জন্য সম্ভাব্য কোচদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। আরএমসি স্পোর্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই তালিকায় আছেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় ও কোচ দিদিয়ের দেশম।  ফ্রান্সের সঙ্গেই আছেন দেশম। ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে দেশটির প্রধান কোচের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছে না মাদ্রিদ ক্লাব। আলভারো আরবেলোয়ার উত্তরসূরি হিসেবে তাকে বেছে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে রেকর্ড ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা। বর্তমান কোচ আরবেলোয়া চাপে রয়েছেন। একের পর এক শিরোপা হাতছাড়া করছে রিয়াল। লা লিগায় ট্রফি জয়ের সম্ভাবনা একেবারেই নেই। কোপা দেল রে থেকেও ছিটকে গেছে আগে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে খাদের কিনারায় তারা। এমন পরিস্থিতিতে আরবেলোয়াকে আগামী মৌসুমে রিয়ালের ডাগআউটে দেখা কঠিন। রিয়ালকে চেনা রূপে ফেরাতে দেশম হতে পারেন সেরা বিকল্প। ক্লাব পর্যায়ে সাফল্য আছে তার। ফ্রান্সকে ২০১৮ বিশ্বকাপে শিরোপা জেতানোর পরের আসরে ফাইনালে তোলেন। এছাড়া রিয়ালের তারকা কিলিয়ান এমবাপে ও অরেলিয়েন শুয়োমেনির সঙ্গেও তার সম্পর্ক। জাতীয় দলের বর্তমান শিষ্যের সঙ্গে ক্লাবেও সম্পর্ক গড়তে পারলে ভালো কোনো সাফল্য আসতে পারে বলে বিশ্বাস স্প্যানিশ জায়ান্টদের। অবশ্য দেশম তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনায় জড়াননি এখনো। যদিও ইউরোপজুড়ে বিভিন্ন ক্লাবের প্রস্তাব ইতোমধ্যে পেয়েছেন। আপাতত তার মনোযোগ ফ্রান্সকে আরেকটি সাফল্য এনে দিতে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

‘তামিম যদি আমার অভিজ্ঞতা চায়, অবশ্যই না করার কিছু নেই’

আইপিএলে খেলার স্বপ্ন ভঙ্গ হাসারাঙ্গার

ছবি : সংগৃহীত

দ্রুত ১২ হাজার রানের রেকর্ড বাবরের

ছবি: সংগৃহীত
মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ছেন কিংবদন্তি রবার্টসন

প্রথম একাদশে এখন আর নিয়মিত জায়গা মেলে না। মৌসুম শেষে চুক্তির মেয়াদও শেষ। সব মিলিয়ে শেষের ডাক শুনতে পাচ্ছিলেন অ্যান্ডি রবার্টসন। সেই ডাকেই তিনি সাড়া দিলেন। এই মৌসুম শেষেই লিভারপুল ছাড়বেন স্কটিশ এই ডিফেন্ডার। ক্লাবের বিদায়ী বিবৃতিতে তাকে বলা হয়েছে ‘সত্যিকারের কিংবদন্তি।   জানুয়ারির দলবদলে তিনি টটেনহ্যাম হটস্পারে পাড়ি জমাতে পারেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। তবে শেষ পর্যন্ত লিভারপুলের রক্ষণভাগে চোটসমস্যার কারণে তিনি অ্যানফিল্ডেই রয়ে যান। এবার প্রিয় আঙিনা ছেড়ে যাচ্ছেন তিনি, বৃহস্পতিবার জানানো হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে।   অ্যানফিল্ডে দারুণ সফল ৯টি মৌসুম কাটানোর পর স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক এই গ্রীষ্মে তার চুক্তির মেয়াদ শেষে ক্লাব ছেড়ে যাবেন। বিদায় নেবেন তিনি সত্যিকারের কিংবদন্তি হিসেবেই এখনও পর্যন্ত ৩৭৩ ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোর ক্লাবের সাফল্যে মৌলিক ভূমিকা পালন করে তিনি বিদায় নিচ্ছেন লিভারপুলের একজন সত্যিকারের কিংবদন্তি হিসেবেই।   ২০১৭ সালে হাল সিটি থেকে রবার্টসনকে ৮০ লাখ পাউন্ডে দলে আনে লিভারপুল। নতুন ক্লাবে অভিষেক ম্যাচেই ম্যান অব দা ম্যাচ হন তিনি। তার পরও শুরুর দিকে ইয়ুর্গেন ক্লপের দলে জায়গ পেতে লড়তে হয় তাকে। তবে একটা সময়ে তিনি হয়ে ওঠেন দলের প্রধান লেফট-ব্যাক। এই ক্লাবে ৯ বছরের পথচলায় তিনি জিতেন দুটি প্রিমিয়ার লিগ, দুটি লিগ কাপ, একটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ক্লাব বিশ্বকাপ, উয়েফা সুপার কাপ, এফএ কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড।   এই মৌসুমে তার পারফরম্যান্সে ভাটার টান ছিল। একাদশে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি বোর্নমাউথ থেকে মিলোস কেরকেসকে দলে আনার পর। চলতি মৌসুমে মোটে ১৫টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন ৩২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার।   ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্তটি কত কঠিন ছিল, ফুটে উঠল রবার্টসনের প্রতিক্রিয়ায়।   লিভারপুলের মতো একটি ক্লাব ছেড়ে যাওয়া কখনোই সহজ নয়। গত ৯ বছর ধরে এটি আমার এবং আমার পরিবারের জীবনের একটি বিশাল অংশ হয়ে ছিল। কিন্তু আমি ব্যাপারটি যেভাবে দেখি, ফুটবলারদের একসময় যেতে হয়, লোকে চলে যায়, থেকে যায় কেবল ক্লাব ও সমর্থকেরা।   এখানে আমার ৯টি বছর অসাধারণ কেটেছে এবং আমার মনে হয়, তা বেশ ভালোভাবেই ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে গত এক বছর ধরে আমার ক্লাব ছাড়ার সুযোগ এসেছিল, কিন্তু তা গ্রহণ করিনি, কারণ এই ক্লাবটি ছেড়ে যাওয়া খুবই কঠিন। পৃথিবীর কোনো কিছুর বিনিময়েও তা বদলাতে চাই না।   ছেড়ে যেতে না চাইলেও সময়ের বাস্তবতাই তিনি মেনে নিয়েছেন।   আমি জানি ফুটবল এগিয়ে যায়, দলও এগিয়ে যায় এবং এখন আমার এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ যেখানেই হোক না কেন এবং আমার ক্যারিয়ার আমাকে যেখানেই নিয়ে যাক, সেখানেই যেতে হবে আমাকে।   এই ক্লাবের অসাধারণ স্মৃতিগুলো সবসময় লালন করব। ৯ বছর ধরে ক্লাবের জন্য আমার হৃদয় ও আত্মা ঢেলে দিয়েছি এবং তেমন কোনো আক্ষেপ নেই আমার। একজন মানুষ এবং ব্যক্তি হিসেবে আরও পরিণত হয়েছি এখানে। এই ক্লাব আমার কাছে চিরকাল সবকিছুর চেয়ে প্রিয় থাকবে, এখানকার সমর্থকেরাও আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে প্রিয় থাকবে। এই যাত্রাটা ছিল অসাধারণ।   ক্লাবের বিবৃতিতে তাকে কিংবদন্তি বলা হলেও তিনি নিজেকে তা মনে করেন না। তবে এই ক্লাবে প্রত্যাশিত সাফল্যে নিজেকে রাঙানোর তৃপ্তি তার আছে।   আমি লিভারপুলের কিংবদন্তি কি না, তা অন্যরাই বলুক…আমার মনে হয় আপনারা আমাকে যথেষ্ট ভালো করেই চেনেন যে, আমি এটা কখনোই মেনে নেব না। কিন্তু ফুটবল ক্লাবে আসার প্রথম মিনিট থেকেই আমি সফল হতে চেয়েছি, ট্রফি ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করেছি এবং ক্লাবকে সেই জায়গায় ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে চেয়েছিম, যেখানে ক্লাবের থাকা উচিত বলে আমার বিশ্বাস ছিল।   আমি খুব গর্বিত যে আমি এমন চমৎকার দলগুলোর অংশ হতে পেরেছি, যারা এটা করতে পেরেছে। এই ক্লাব আমার কাছে সবকিছু।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতির দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমস হকি বাছাইয়ে পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

ভিএআর বিতর্কে উয়েফার কাছে অভিযোগ বার্সেলোনার

0 Comments