বিনোদন

দীর্ঘ বিরতি শেষে ওটিটিতে ফিরছেন মিম

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২০, ২০২৬
বিদ্যা সিনহা মিম । ছবি - সংগৃহীত
বিদ্যা সিনহা মিম । ছবি - সংগৃহীত

বিদ্যা সিনহা মিম প্রায় তিন বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও ওটিটি পর্দায় ফিরছেন। আগামী ২১ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। এতে তিনি অভিনয় করেছেন ‘অনন্যা’ চরিত্রে, যে চরিত্রের মাধ্যমে দর্শক দেখতে পাবেন সময়, সংগ্রাম এবং আত্মঅনুসন্ধানের এক ভিন্ন গল্প।

 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিম জানান, দীর্ঘদিন ওটিটি থেকে দূরে থাকার পেছনে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তিনি বলেন, 'ভালো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের অপেক্ষায় ছিলাম। যখন গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে নিজের সমন্বয় খুঁজে পেয়েছি, তখনই কাজটি করেছি।'এ সময়ের মধ্যে ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ সিনেমার কাজও শেষ করেছিলেন, যা সময়মতো মুক্তি পেলে বিরতির বিষয়টি এতটা আলোচনায় আসত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

‘লাইফলাইন’ সম্পর্কে মিম বলেন, 'নামটি শুনেই বোঝা যায়, এটা একটা লাইফের জার্নি। ফিল্মটির থিমেটিক পোস্টার যদি খেয়াল করেন, দেখবেন বালুঘড়ির মধ্যে অনন্যা চরিত্রটি বসে আছে। অর্থাৎ সে সময়ের মধ্যে আটকে আছে কিংবা এমন এক সময়ের মুখোমুখি, যা তাকে অতিক্রম করতে হবে। সে পারবে কি পারবে না, সেটাই গল্পের বড় প্রশ্ন।'

 

ট্রেলারে তাকে কাউকে খুঁজতে দেখা গেলেও সেই রহস্য এখনই ভাঙতে নারাজ অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, 'দর্শকদের জন্য এটিই বড় চমক, যা সিনেমা মুক্তির পরই জানা যাবে।'

 

এর আগে ‘মিশন হান্টডাউন’ সিরিজে স্বামীকে খুঁজতে বের হওয়া নীরা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মিম। তবে ‘লাইফলাইন’-এর গল্পের সঙ্গে সেই কাজের কোনো মিল নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। বরং নতুন এই ওয়েব ফিল্মে দর্শক সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা পাবেন বলেই বিশ্বাস তার।

 

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন মিম। তিনি জানান, কুয়াকাটার ভেতরের একটি দুর্গম চর এলাকায় শুটিং হয়েছে, যেখানে পৌঁছাতে মোটরসাইকেলই ছিল প্রধান ভরসা। সরু ও উঁচুনিচু পথ, প্রচণ্ড গরম এবং প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে বেশ কষ্ট হলেও দৃশ্য ভালো হলে সেই ক্লান্তি দূর হয়ে যেত।

 

এদিকে ‘লাইফলাইন’-এর ট্রেলার ও একটি গান প্রকাশের পর দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তার দাবি, অনেকেই কাজটিকে ‘পরাণ’-এর পর তার আরেকটি ব্যতিক্রমী ও চমকপ্রদ কাজ হিসেবে দেখছেন।

 

অন্যদিকে, সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘মালিক’ সিনেমা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে মিম বলেন, 'একটি সিনেমা নিয়ে সমালোচনা থাকতেই পারে এবং গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি। দর্শকের প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছি।' সব মিলিয়ে ‘মালিক’-এর সাড়া নিয়ে সন্তুষ্ট অভিনেত্রী।

 

‘মালিক ২’-এর ঘোষণা এলেও এ বিষয়ে এখনো নির্মাতার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলে জানান মিম। তবে ভবিষ্যৎ কাজ নিয়ে আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দুটি কাজ শেষ করেছেন এবং আরও কয়েকটি নতুন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই নিয়মিতভাবে তাকে নতুন নতুন কাজে দেখতে পাবেন দর্শক।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
প্রেমের নতুন সমীকরণ ‘ককটেল ২’, প্রশংসায় শহীদ-কৃতি-রাশমিকা

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার সিনেমা 'ককটেল ২' মুক্তির আগেই চর্চায় ছিল। শুক্রবার (১৯ জুন) সিনেমা দেখার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে উপচে পড়ছে নেটিজেনদের একের পর এক পোস্ট। হোমি আদাজানিয়ার এ রোমান্টিক ড্রামা নিয়ে নানা মুনির নানা মত।   অভিনেতা শহীদ কাপুর, কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা— এ ত্রয়ীর নতুন জুটিকে একদিকে যেমন ভালোবাসায় ভরিয়েছেন সবাই, ঠিক তেমনই উঠেছে সমালোচনার ঝড়ও। সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনদের একাংশ আবার সিনেমাটির অভিনয় ও আবেগঘন মুহূর্তগুলোর প্রশংসা করেছেন।    সব মিলিয়ে নেটদুনিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বলা চলে। এ ত্রয়ী অভিনয়ের মধ্যে অবশ্য কৃতি শ্যাননই তুলনায় দর্শকদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পেয়েছেন। আবার কেউ কেউ এ সিনেমাটিকে কৃতির ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ বলেও অভিহিত করেছেন।    এক নেটিজেন লিখেছেন— পর্দায় কৃতি শ্যাননের উপস্থিতি রাশমিকা মান্দানাকে পুরোপুরি ছাপিয়ে গেছে। আরেক নেটিজেন লিখেছেন,— কৃতি শ্যাননই আক্ষরিক অর্থে ‘ককটেল ২’ সিনেমার প্রাণ সঞ্চার করেছেন।   এদিকে রাশমিকা মান্দানার অভিনয়ে ততোধিক খুশি নন সিনেমাপ্রেমী দর্শকরা। কিছু দর্শকের মতে, সহ-অভিনেতার তুলনায় রাশমিকার অভিনয় অনেকটাই ম্লান। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন এ সিনেমায় তার ভূমিকা নিয়েও। অনেকের কাছেই যা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে হয়েছে।   অন্যদিকে শহীদ কাপুরের অভিনয়ে বহু দর্শক যেমন তার চরিত্রের সঙ্গে ও দুই নায়িকার অন-স্ক্রিন রসায়নের প্রশংসা করেছেন। ঠিক তেমনই আবার কোথাও কোথাও ‘অতিরঞ্জিত’ বলেও মনে হয়েছে অভিনেতাকে।   সিনেমার বিজনেস অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ অবশ্য সিনেমাটিকে ভিন্ন স্বাদের বলে ব্যাখ্যা করেছেন। ইতিবাচক পর্যালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, প্রত্যাশা পূরণ করেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমা। একই সঙ্গে অভিনেতাদের অভিনয়ও এ সিনেমাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। তিনি সিনেমার গান ও চিত্রনাট্যেরও প্রশংসা করেছেন।   এর আগে ২০১২ সালে অভিনেতা সাইফ আলি খান, অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন ও ডায়ানা পেন্টি অভিনীত ‘ককটেল’ মুক্তি পেয়েছিল। ১৪ বছর পর এর সিক্যুয়েল মুক্তি পেল ‘ককটেল ২’।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২০, ২০২৬
ফারিন খান। ছবি : সংগৃহীত

বড় পর্দায় ফেরার অপেক্ষায় ফারিন

বিদ্যা সিনহা মিম । ছবি - সংগৃহীত

দীর্ঘ বিরতি শেষে ওটিটিতে ফিরছেন মিম

বিদ্যা সিনহা মিম । ছবি - সংগৃহীত

তিন বছর পর ওটিটিতে ফিরছেন বিদ্যা সিনহা মিম

ছবি : সংগৃহীত
সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কোন শাক কেন রাখবেন?

বাঙালির খাবারের পাত থেকে শাক যেন হারিয়ে যাওয়ার নয়। ভাতের সঙ্গে এক মুঠো শাক শুধু স্বাদই বাড়ায় না, শরীরের জন্যও বয়ে আনে নানা উপকার। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন শাক এখনো স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।   লালশাক, পুঁইশাক, কলমিশাক, কচুশাক কিংবা পালংশাক—প্রতিটি শাকের রয়েছে আলাদা পুষ্টিগুণ। কারও মধ্যে রয়েছে রক্ত বাড়ানোর উপাদান, কেউ আবার হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। জেনে নেওয়া যাক কোন শাকে কী উপকার।   পুঁই শাক: হজমে সহায়ক পুঁই শাকে রয়েছে প্রচুর পানি ও আঁশ। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফলিক অ্যাসিড ও প্রোটিন রয়েছে। শাকভাজা, চচ্চড়ি বা সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।   হেলেঞ্চা শাক: শরীর পরিষ্কারে উপকারী   হেলেঞ্চা শাক রক্তের দূষিত পদার্থ দূর করতে এবং যকৃতের সুস্থতায় সহায়ক বলে পরিচিত। এটি বদহজম, বুকজ্বালা, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ নানা সমস্যায় উপকারী হতে পারে। ভাজি বা বড়া করে খাওয়া যায় এই শাক।   সরিষা শাক: রোগ প্রতিরোধে সহায়ক সরিষা শাকে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে থাকা সালফার শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতে এবং যকৃত ভালো রাখতে সহায়তা করে।   কচু শাক: রক্ত ও চোখের জন্য ভালো   কচুশাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ভিটামিন এ ও ক্যালশিয়াম। এটি রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে উপকারী। নারকেল, ছোলা বা মাছের মাথা দিয়ে রান্না করা যায় এই শাক।   কলমি শাক: সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়ক কলমি শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালশিয়ামসহ নানা পুষ্টি উপাদান। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, হজমে সাহায্য করতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।   লাল শাক: আয়রনের ভাণ্ডার   লাল শাকে প্রচুর আয়রন, ফলেট, ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন এ ও সি রয়েছে। রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি উপকারী। ভাজি বা ডালের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়।   মেথি শাক: ডায়াবেটিসে উপকারী মেথি শাকে রয়েছে আঁশ, আয়রন, ক্যালশিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক বলে অনেকের কাছে জনপ্রিয়। অল্প তেলে রান্না করে খাওয়া ভালো।   পালং শাক: শরীরের শক্তি বাড়ায় পালং শাকে রয়েছে আয়রন, ফলেট, ভিটামিন এ ও সি। বিশেষ করে রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন এমন মানুষের জন্য এটি উপকারী হতে পারে।   ঢেঁকি শাক: হৃদযন্ত্র ও চোখের যত্নে   ঢেঁকি শাকে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন এ ও সি। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।   মুলা শাক: রোগ প্রতিরোধে সহায়ক মুলা শাকে রয়েছে ভিটামিন সি, আঁশ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।   কুমড়ো শাক: ত্বক ও চোখের জন্য ভালো কুমড়ো শাকে থাকা ভিটামিন এ ও সি চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে থাকা ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁত শক্ত রাখে।   লাউ শাক: হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক   লাউ শাকে রয়েছে ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় থাকলে এটি হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী হতে পারে।   পাট শাক: হজমে সাহায্য করে পাট শাকে রয়েছে প্রচুর আঁশ, ভিটামিন সি ও আয়রন। এটি হজমশক্তি বাড়াতে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।   শাক শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় না, বরং শরীরের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। তবে যেকোনো খাবারের মতোই পরিমাণ বুঝে এবং পরিষ্কারভাবে রান্না করে খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। নিয়মিত খাবারের তালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাক রাখলে শরীর পেতে পারে নানা প্রয়োজনীয় পুষ্টি।  

মারিয়া রহমান জুন ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রূপালী পর্দা থেকে হারিয়ে যাওয়া সাহারা, এখন কোথায় এই একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা?

ছবি: সংগৃহীত

রায়হান রাফীর ‘আন্ধার’ কবে মুক্তি পাবে? জানা গেল নতুন আপডেট

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা আলভী

ছবি : সংগৃহীত
৪৭ বছরের পথচলার ইতি, থামছে মাধবদীর ‘মমতা’

একসময় নরসিংদীতে সিনেমা হল ছিল ২০টির বেশি। সবশেষ টিকে ছিল মাধবদীর ‘মমতা’ আর ঘোড়াশালের ‘সোহাগ’। পুরো জেলায় ২টি থাকলেও দর্শক–খরায় ভুগছিল গত কয়েক বছর। গত দুই ঈদে সে অবস্থা ছিল আরও শোচনীয়। এবার জায়গাসহ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ‘মমতা’। চলতি সপ্তাহ থেকেই গেটে ঝুলছে বিক্রির বিজ্ঞাপন।   হলটির বয়স চার দশকের বেশি। ১৯৭৯ সালে সফর আলী ভূঁইয়া হলটি প্রতিষ্ঠা করেন। এক দশক আগেই হলটি পরিচালনা বন্ধ করেছেন তিনি। এর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ভাড়া নিয়ে হলটি পরিচালন করেছিলেন বেশ কয়েকজন। কিন্তু লাভের মুখ দেখা তো দূরে থাক, কর্মচারীদের বেতনও তুলতে পারছিলেন না কেউ। এরই মাঝে বদল হয়েছে বেশ কজন ভাড়াটিয়া। সবশেষ আজমান রুশো পরিচালিত শাকিব খানের ‘রকস্টার’ সিনেমা নিয়ে লোকসান গুনলে আর নতুন কোনো ভাড়াটিয়া পাচ্ছিল না মালিক পক্ষ। তাই হলসহ পুরো জায়গা বিক্রির সিদ্ধান্ত।   বিক্রির বিজ্ঞাপনে দেওয়া নম্বরে কল করলে ধরেন সফর আলী ভূঁইয়ার ব্যবস্থাপন শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, চার দিন আগে বিজ্ঞাপনটি টানানো হয়েছে। ভালো ক্রেতা পেলে হলসহ পুরো ৪৮ শতাংশ জায়গাই বিক্রি করা হবে।   ২০২৫ সালে বন্ধ হয়েছে নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের ‘রুনা’ হল। এ উপজেলায় ছিল ‘পিপাসা’ ও ‘রুনা’ প্রেক্ষাগৃহ। এর আগে পিপাসা বন্ধ হলেও টিকে ছিল রুনা। কিন্তু ২০২২-এর পর থেকে আশানুরূপ ব্যবসা হচ্ছিল না। তাই ৩৯ বছর বয়সী হলটি একবারেই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রেক্ষাগৃহটির ছিল ৩৯ বছরের পথচলা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হচ্ছে। এর আগে ২০২৪ সালে রায়পুরার হাসনাবাদ এলাকার দর্শকপ্রিয় ‘ছন্দা’ সিনেমা হল বিক্রি হয়েছে মাদ্রাসার কাছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৮, ২০২৬
সাদিয়া জাহান প্রভা। ছবি - সংগৃহীত

১৬ বছর পরও থামেনি ট্রল, এবার মুখ খুললেন প্রভা

নীলাঞ্জনা নীলা ও তার স্বামী। ছবি - সংগৃহীত

স্বামীর সঙ্গে কাটানো বিশেষ সময়ের ছবি প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী

তারকাদের ছবি দিয়ে কোলাজ। ছবি : সংগৃহীত

মেসিকে নিয়ে তারকাদের উচ্ছ্বাস

0 Comments