অর্থনীতি

ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেন ৮২৪ কোটি টাকা

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে লেনদেনের পরিমাণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির ২৮ কোটি ৫৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬৫টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি ৮৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৪১ টাকা।

দিন শেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১০ দশমিক ৭২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৪২ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৬ দশমিক ০৮ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৪৩ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসইএস শরিয়াহ সূচক ৫ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০১ দশমিক ২০ পয়েন্টে নেমে আসে।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১১৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, ২২১টির কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি ছিল সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইবিএল, খান ব্রাদার্স পিপি, যমুনা ব্যাংক, রবি আজিয়াটা, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, স্কয়ার ফার্মা, সায়হাম কটন ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ইনটেক লিমিটেড, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ইবিএল প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সমতা লেদার, জিকিউ বলপেন, ডিবিএইচ প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বিডি কম, এফবিএফ ইনকাম ফান্ড ও এক্সিম প্রথম মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

অন্যদিকে দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো এলআর গ্লোবাল মিউচ্যুয়াল ফান্ড-১, মিরাকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, জিবিবি পাওয়ার, সাইফ পাওয়ার, কে অ্যান্ড কিউ, তিতাস গ্যাস, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, জাহিন স্পিনিং, মুন্নু ফেব্রিকস ও পিএইচপি মিউচ্যুয়াল ফান্ড-১।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অর্থনীতি

আরও দেখুন
বাংলাদেশ ব্যাংকের নবাগত গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
ব্যাংকিং খাত নিয়ে পরিকল্পনা ও প্রধান লক্ষ্য জানালেন নতুন গভর্নর

ব্যাংকিং খাতে ‘আস্থা বাড়ানোকে’ প্রধান কাজ ধরে নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরু দায়িত্ব শুরু করতে চান নবাগত গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। একই সঙ্গে সুদের হার কমিয়ে আনার চেষ্টাও তার অগ্রাধিকারে থাকবে বলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন দায়িত্ব পাওয়া এই উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। পোশাক খাতের ব্যবসায়ী মোস্তাকুরকে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নতুন গভর্নরের দায়িত্ব দিয়েছে তারেক রহমানের সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গভর্নর হওয়া আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। গভর্নর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে নিজের ভাবনা প্রকাশ করে মোস্তাকুর রহমান বলেন, অর্থনীতির অবস্থা, ব্যাংকিং খাতের অবস্থা। তাই এই সময়টায় এই দায়িত্ব নিয়ে কাজ করাতে ‘একটা চ্যালেঞ্জ আছে’। তিনি আরও বলেন, ইনশাল্লাহ, আগে ব্যাংকে বসি। সবার সাথে আলোচনা করি। আশা করি সবার সহযোগিতা নিয়ে প্রধান কাজটা হবে, আগে ‘ট্রাস্ট বিল্ডিং’ ব্যাংকিং খাতে। শৃঙ্খলা আরও ফিরিয়ে নিয়ে আসা। নিশ্চয়ই আগের গভর্নর (আহসান এইচ মনসুর) অনেকখানি নিয়ে আসছে, আরও নিয়ে আসা। তার ভাষ্য, আরেকটা হচ্ছে আমাদের যেটা প্রধান থাকবে যে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য করে আমাদের অর্থনীতিকে যতটুকু রান করা যায়। যে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে আসছে, তাই না? তো, এর জন্য চেষ্টা করা, সুদের হারকে কমিয়ে নিয়ে আসা। এই কাজগুলো করা। নতুন গভর্নর হিসেবে তার করণীয় বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাকুর রহমান বলেন, আমাদের আগে কাজ করতে হবে। মানে আমরা কথা বলে ফেললাম, কাজ করতে পারলাম না–এ রকম যাতে না হয়। আগে কাজ করি, সবার সহযোগিতা চাই। বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম কোনো পোশাক খাতের ব্যবসায়ী গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একসময় পুঁজিবাজারের ব্রোকারেজ হাউস এবং আবাসন ব্যবসায়ও যুক্ত ছিলেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের ইতিহাসে ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও আমলার বাইরে এই প্রথম একজন ব্যবসায়ীকে গভর্নরের দায়িত্ব দেওয়া হলো, যা এ খাত-সংশ্লিষ্ট অনেককে বিস্মিত করেছে। চার বছর মেয়াদে তাকে গভর্নরের দায়িত্ব দিয়ে বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ১৪ অগাস্ট অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব দেয়। তার নেতৃত্বে শুরু হয় ব্যাংক খাতের সংস্কারের কাজ। দেড় বছরের মাথায় তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বুধবার আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। সেখানে তার নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করার কথা বলা হয়েছে। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান হেরা সোয়েটার গার্মেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষে ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে তিনি এফসিএমএ করেন মোস্তাকুর। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি করপোরেট ফিন্যান্স, রপ্তানি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করছেন। ১৯৬৬ সালে ঢাকায় তার জন্ম; বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নে। তার বড় ভাই মো. মোস্তাফিজুর রহমান মামুন ছিলেন থানা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি। সূত্র : বিডি নিউজ

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২০২৫ সালে এইচএসবিসির নিট আয় কমেছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক ও বাণিজ্যচুক্তির বিষয়গুলো এখনো বিকাশমান: বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

ছবি: সংগৃহীত
বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বৈঠক করেছেন। আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার ও অনেক বড় প্রকল্পে বিনিয়োগকারী দেশ। ভবিষ্যতে এদেশে বিনিয়োগের পরিমাণ আরো বাড়াতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বলেন, আমাদের ৬টি সার কারখানা রয়েছে। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন বিঘ্নিত হয়। এলএনজি আমদানি করে সার কারখানা চালু করতে পারে এমন বিনিয়োগকারী খোঁজ করছি আমরা। উৎপাদিত সার সরকার কিনে নেবে। একই সাথে বাংলাদেশের বন্ধ পাট কলগুলোতেও চীনের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহবান জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, ই লার্নিং সেন্টার স্থাপন ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি উন্নয়নে চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে। এর মাধ্যমে দুদেশের রিলেশনশিপ আরো শক্তিশালী ভিত্তি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। চীনের রাষ্ট্রদূত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরংকুশ ম্যান্ডেট নিয়ে বিজয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়িয়ে জব ক্রিয়েশনে চীন ভূমিকা রাখতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারের আমলে প্রথম বিনিয়োগ আনবে চীন। আগামী ৫ বছর বিএনপি সরকারের হাত ধরেই বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলেও প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।  এসময় রাষ্ট্রদূত বাণিজ্যমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রপ্তানি মো. আবদুর রহিম খান এবং অতিরিক্ত সচিব এফটিএ আয়েশা আক্তার এসময় উপস্থিত ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

ছবি : সংগৃহীত

পোশাক শিল্পের সংকট নিরসনে নীতিগত সহায়তার আশ্বাস গভর্নরের

ছবি : সংগৃহীত
নিলামের মাধ্যমে ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক আজ একাধিক নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে ৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ ডলার কেনা হয়েছে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ডলার ক্রয়ের পরিমাণ দাড়িঁয়েছে ১ হাজার ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ক্রয় করা হয়েছে ৫ হাজার ৪৬৮ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সুত্র জানায়, টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি খাতকে পুনরুদ্ধার করার চলমান কৌশলের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ডলার ক্রয় করেছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেন ৮২৪ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত

২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী আয় ২ হাজার ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ২৩.৬ শতাংশ

ছবি : সংগৃহীত

এলপি গ্যাসের দাম কমলো

0 Comments