বিশ্ব

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে যা বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে নিজের প্রথম ভাষণ দিয়েছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। সোমবার (২০ জুলাই) বাকিংহাম প্যালেসে রাজার আমন্ত্রণ গ্রহণের পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠন করেন। দায়িত্ব নিয়েই তিনি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মডেলে গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন।

 

ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহাম স্বীকার করেন যে গত ১০ বছরে দেশে বারবার প্রধানমন্ত্রী বদল হওয়ায় জনগণ রাজনীতির ওপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা এতদিন যথেষ্ট ভালো করতে পারিনি, আমাদের আরও ভালো হতে হবে। 

 

তিনি স্পষ্ট জানান, ক্ষমতা আর লন্ডনে কেন্দ্রীভূত না রেখে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো হবে।

 

তরুণদের কর্মসংস্থান, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা এবং সরকারি আবাসন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি তিনি জানান, চলতি বছরের শেষের দিকে দেশের জন্য একটি ১০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। তবে জীবনযাত্রার সংকট মোকাবিলায় আগামীকাল থেকেই কিছু জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম কাজ হিসেবে দেশ থেকে গৃহহীনতা বা রাস্তায় ঘুমানোর সংকটের অবসান ঘটানোর ঘোষণা দেন বার্নহাম। ডাউনিং স্ট্রিটের কার্যালয়ে প্রবেশের আগে তিনি দেশের মানুষকে সব বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, এই মুহূর্ত থেকেই ব্রিটেনকে আবার বিশ্বাস করতে শেখাই এবং দেশে নতুন আশা ফিরিয়ে আনি।

 

সূত্র: যুক্তরাজ্য সরকার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সিকিমে দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
সিকিমে তিস্তার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে ধস, ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার

ভারতের সিকিমে তিস্তা নদীতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণাধীন টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধস নেমে প্রবেশপথ বন্ধ হওয়া এবং ভেতরে মিথেন গ্যাস ছড়িয়ে বেশ কয়েকজন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অন্তত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে।     সিকিম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পরিচালক রাজীব রোকা মঙ্গলবার এএফপিকে বলেন, কোনো বিস্ফোরণের কারণে টানেলে ধস নেমে থাকতে পারে। সেটি কীভাবে ঘটেছে তা জানা যায়নি। ভেতরে আরও বেশ কয়েকজন আটকে থাকার বিষয়ে ধারণা করা হচ্ছে।     গত কয়েকদিন ধরে সিকিমে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে নামচি জেলায় এনএইচপিসির তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধসের ঘটনা ঘটে। এরপর উদ্ধার তৎপরতা শুরু হলেও প্রবল বৃষ্টি ও বিষাক্ত মিথেন গ্যাসের কারণে কাজ ব্যাহত হয়।     সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে, সুড়ঙ্গের ভেতরে মোট ২৭ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন শ্রমিক, ২ জন প্রকৌশলী এবং ৬ জন এনএইচপিসির কর্মকর্তা। যদিও বেসরকারি হিসাবে টানেলের ভেতর আটকে ছিলেন ৩৮ জন। অপরদিকে এএফপিকে রাজীব রোকা ২৫ থেকে ২৭ জন আটকে পড়ার কথা জানিয়েছেন।      প্রশাসন জানিয়েছে, আটকে পড়া ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত আছে। একজন ভেতরে আটকে থাকলেও উদ্ধার কাজ চলবে। সুরক্ষামূলক গ্যাস মাস্ক পরে উদ্ধারকারীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। এতে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন কর্মী গ্যাসের প্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। 

মারিয়া রহমান জুলাই ২১, ২০২৬
লেবাননের যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকা। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চুক্তির প্রভাব: জাওতার আল-গারবিয়েহ ছেড়ে সরছে ইসরায়েলি সেনাদল

ছবি : সংগৃহীত

জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সামরিক মহড়া চালাল চীন

ছবি : সংগৃহীত

পুলিশি বাধায় সংসদ অভিমুখে আর মিছিল করবে না ‘ককরোচ পার্টি’

ছবি : সংগৃহীত
নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানকে আরও শক্তিশালী করা হবে: ট্রাম্প

কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া ১৪ বছর পুরোনো বোয়িং ৭৪৭-৮০০ উড়োজাহাজটিকে আরও উন্নত নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দিয়ে আধুনিক করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   রোববার নিউ জার্সি থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পর ওই উড়োজাহাজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এতে অনেক সক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রায় এক মাসের মধ্যেই এটিকে আরও উন্নত করার জন্য পাঠানো হবে। এরপর এটি সর্বোচ্চ সক্ষমতাসম্পন্ন হবে।’   তবে ঠিক কী ধরনের উন্নয়ন করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি। হোয়াইট হাউসও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।   ট্রাম্পের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, উড়োজাহাজটিতে শুরু থেকেই প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান এয়ার ফোর্স ওয়ান-এর মতো পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।   চলতি মাসের শুরুতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ট্রাম্প সম্প্রতি তুরস্ক সফরে যে নতুন উড়োজাহাজটি ব্যবহার করেছিলেন, তাতে প্রচলিত এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা ছিল না। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর তথ্য ফাঁসের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে এফবিআই।   কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া উড়োজাহাজটি দ্রুত সংস্কার করে অন্তর্বর্তীকালীন এয়ার ফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এয়ার ফোর্স ওয়ানের তুলনায় এতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।   প্রেসিডেন্টের জন্য নির্মিত এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাধারণত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা, পারমাণবিক বিস্ফোরণের তড়িৎচৌম্বকীয় অভিঘাত থেকে সুরক্ষা, আকাশে জ্বালানি নেওয়ার সুবিধা এবং জরুরি চিকিৎসা সেবা থাকে।   প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ট্রাম্প এই উড়োজাহাজে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফর করেন। তবে ফেরার পথে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করেন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস তাকে পুরোনো বিমান ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিল।   প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মতে, বোয়িংয়ের নতুন দুটি প্রেসিডেন্টীয় উড়োজাহাজ সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় কাতারের দেওয়া বিমানটি আপাতত বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগসহ ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জোহরান মামদানি।

নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে গ্রেপ্তারের আইনি পথ খুঁজছেন মেয়র মামদানি

বাব আল-মান্দেব প্রণালির কাছে নৌ চলাচল। ছবি: রয়টার্স

রেড সি রুটে নতুন উত্তেজনা, সৌদির বিরুদ্ধে হুতিদের নৌ-অবরোধ

ছবি - সংগৃহীত
লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনীতি রক্ষায় সহযোগিতার আশ্বাস সৌদির

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।   সোমবার দুই নেতার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক ফোনালাপে তিনি এই সমর্থনের কথা জানান।     সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদের মধ্যে দেশটির ও আঞ্চলিক সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে।     লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে লেবাননের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় প্রেসিডেন্ট আউনের গৃহীত সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে সৌদি আরব।   মোহাম্মদ বিন সালমান নিশ্চিত করেছেন, লেবানন সরকারের অগ্রাধিকার দেওয়া সকল ক্ষেত্রে সহায়তা অব্যাহত রাখতে সৌদি আরব প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   সহযোগিতা এবং লেবাননের অর্থনীতি শক্তিশালী করতে গৃহীত পদক্ষেপের জন্য ক্রাউন প্রিন্সকে ধন্যবাদ জানান প্রেসিডেন্ট আউন। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন তিনি।

মারিয়া রহমান জুলাই ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াংচুককে সরানোর পর আরও উত্তাল বিক্ষোভ

ভারতে অনুমোদন পেলো ডেঙ্গুর প্রথম টিকা

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে যা বললেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

0 Comments