জাতীয়

বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন : পর্যবেক্ষক মিশন প্রধান

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইওএম) প্রধান পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

আজ বিকেলে সিলেট প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রেসক্লাবের আমীনূর রশীদ চৌধুরী মিলনায়তনে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন- সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস উন নূর ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের প্রেস অফিসার এভারহার্ড লিউই। সভা সঞ্চালনা করেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

মিশন প্রধান আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র সম্পর্ক পুরোনো ও দীর্ঘদিনের। আমরা সবসময় বাংলাদেশকে একটি গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই। আমরা আশা করি, অবাধ, বিশ্বাসযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি নতুন পার্লামেন্ট গঠিত হবে এবং একটি গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেশটি আবির্ভূত হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইভারস আইজাবস বলেন, ঐতিহাসিক এই নির্বাচন ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছভাবে আয়োজন করা জরুরি।

স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা এবং হস্তক্ষেপহীনতা-এই তিনটি কারিগরি মূল্যায়ন নীতির ওপর ভিত্তি করে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে জানিয়ে আইজাবস বলেন, আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করব, কিন্তু ফলাফল প্রত্যয়ন করব না। এই নির্বাচন কেবল বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশ একটি অংশগ্রহণমূলক, বিশ্বাসযোগ্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম বলে ইইউ মনে করে।

তিনি জানান, ভোটের দুইদিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ-ইওএম ঢাকায় একটি প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করবে এবং সংবাদ সম্মেলন করবে। ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য সুপারিশ তুলে ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ, চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত হবে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান।

ইইউ মিশন প্রধান বলেন, মিশনটির পূর্ণাঙ্গ জনবলে ইইউ’র সব সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড থেকে প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক যুক্ত হবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকায় অবস্থানরত ১১ জন বিশ্লেষকের একটি মূল দল, ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক, ভোটের ঠিক আগের দিন নিযুক্ত ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক এবং ইইউ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনের পর্যবেক্ষকরা। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধি দলও মিশনকে আরো শক্তিশালী করবে।

মিশনটি ২০০৫ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে অনুমোদিত আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের নীতিমালার ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হবে বলে জানান আইজাবস। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইইউ পর্যবেক্ষক দলের কাজও জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে সহায়ক হবে।

আইজাবস বলেন, ইইউ ইওএম নারী, যুবক এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীসহ রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণের সামগ্রিক পরিবেশও মূল্যায়ন করবে। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পর্যবেক্ষণ ইউনিটগুলো ভোটাররা কতটা তথ্যসমৃদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হচ্ছেন, তা মূল্যায়ন করবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য একটি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইইউ-ইওএম) নিযুক্ত করেছে। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য আইজাবসের নেতৃত্বে মিশনটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকের আসার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় নিযুক্ত হবেন। ২০০৮ সালের পর এবার দেশে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন হিসেবে এটি চিহ্নিত হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
ঈদ যাত্রায় সিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই: রেল সচিব

রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেছেন, যাত্রীরা এবার স্বস্তিদায়ক ঈদ যাত্রা উপহার পাবে। কোনো ধরনের সিডিউল বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। আজ শনিবার (২৩ মে) সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। টিকিট কাটার পরও অনেক যাত্রী ট্রেনে ঢুকতে পারে না, এরকম কোনো ঘটনা এবার ঘটবে না বলে সবাইকে আশ্বস্ত করে রেল সচিব বলেন, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে নেয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। রেলসচিব জানান, ঈদযাত্রার শুরুতেই আজ সকালে দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ট্রেনটি সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে ছাড়ার পরপরই ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরে সেটিকে ফিরিয়ে এনে রিজার্ভ ইঞ্জিন সংযুক্ত করে আবার যাত্রা শুরু করানো হয়। এর প্রভাবে পরবর্তী কয়েকটি ট্রেন ১৫ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বিত হয়। তিনি বলেন, শুরুতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। রংপুর এক্সপ্রেস ১৮ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে। জামালপুর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়েই ছাড়বে। আমরা আশা করছি, এরপর আর বড় ধরনের বিলম্ব হবে না।   লোকোমোটিভ সংকট মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরে রেলসচিব বলেন, মিটারগেজ লোকোমোটিভের কিছু সংকট রয়েছে। তাই আমরা আগে থেকেই কর্মপরিকল্পনা নিয়েছি। ঈদের সময় ৮৫টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সচল রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ ৭৮ থেকে ৭৯টি প্রস্তুত রয়েছে। কাল থেকে তা ৮০টির বেশি হবে বলে আশা করছি। ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, জিআরপি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত মোতায়েন করা হয়েছে উল্লেখ করে ফাহিমুল ইসলাম বলেন, উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলোতে ছাদে ওঠার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেটসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত দায়িত্ব পালন করবে।   স্টেশনে টিকিটবিহীন যাত্রী প্রবেশ ঠেকাতে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে রেলসচিব বলেন, টিকিট ছাড়া যাত্রীরা যেন স্টেশনে ঢুকতে না পারে, সে জন্য নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে। তারাই সাধারণত ভিড় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তিনি আরো বলেন, যাত্রী চাপের কারণে এবারও ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট রাখা হয়েছে। ঈদের সময় রেলের চাহিদা অনেক বেশি থাকে, যা পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হয় না। রেলসচিব বলেন, যাত্রীরা যেকোনো অভিযোগ, তথ্য বা সহায়তার জন্য রেলওয়ের ১৩১ হটলাইনে যোগাযোগ করতে পারবেন।

মারিয়া রহমান মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দেয়নি বিএনপিসহ ২৩টি দল

ফাইল ছবি।

রোববার থেকে চলবে ‘ঈদ স্পেশাল’ ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি

ছবি : সংগৃহীত

আজ ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত, লেনদেনে কোনো বাধা নেই

ছবি : সংগৃহীত
আজ ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার (২৩ মে) ময়মনসিংহ জেলা সফরে যাচ্ছেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, এ সফরে তিনি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠান উদ্বোধন এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। প্রেস উইং আরও জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় সড়কপথে ঢাকার ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি ত্রিশাল পৌঁছাবেন। এরপর দুপুর ১২টায় ত্রিশালের বালর ইউনিয়নের ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খাল খননের উদ্বোধন করবেন। দুপুর ২টায় ত্রিশালের নজরুল ডাকবাংলোতে বিরতি নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেল ৩টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। বিকেল ৫টায় ত্রিশালের নজরুল অডিটরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি ও ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যৌথ সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে তার দিনব্যাপী ময়মনসিংহ সফর।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টানা ১৫ দিনের ছুটি

ছবি : সংগৃহীত

হঠাৎ পরিদর্শনে ধরা, স্ট্যান্ড রিলিজ ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারী

ছবি : সংগৃহীত

৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ আইপিপির সঙ্গে সরকারের চুক্তি

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের খুঁটি স্থাপনের চেষ্টাকে প্রতিহত করেছে বিজিবি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় কালশির মুখ সীমান্ত এলাকার 'নো ম্যানস ল্যান্ড'-এ বাঁশের খুঁটি পুঁতে দেওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে ক্ষমা চেয়ে খুঁটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবার বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।   স্থানীয় বিজিবি ৫১ ব্যাটালিয়নের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিয়ুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিএসএফ প্রায়শই নিষিদ্ধ সীমান্ত বিন্দুতে বাঁশের খুঁটি পুঁতে দেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু বিজিবি টহল দলের দ্রুত ও কঠোর প্রতিবাদের মুখে প্রতিবারই খুঁটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।   আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো দেশের পক্ষে একতরফাভাবে সীমান্ত এলাকার 'জিরো লাইন' বা 'নো ম্যানস ল্যান্ড' স্পর্শ করে বা অতিক্রম করে খুঁটি, বেড়া বা স্তম্ভ স্থাপন করা অবৈধ। এ ধরনের কাঠামো নির্মাণের আগে সীমান্ত ভাগাভাগি করা সব দেশের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা করতে হয়।   বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিএসএফের একটি দল নিয়ম লঙ্ঘন করে কালশির মুখ সীমান্ত এলাকায় খুঁটি স্থাপনের চেষ্টা করে।   স্থানীয়রা ও বিজিবি ৫১ ব্যাটালিয়ন এই লঙ্ঘন লক্ষ্য করে, যার ফলে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অগ্রসর হয়ে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেন।   বিজিবি সদস্যরা এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করেন এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবিলম্বে খুঁটি সরিয়ে নিতে বিএসএফের সহকর্মীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ সদস্যরা দ্রুত খুঁটি সরিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রত্যাহার হয়।   ৫১ ব্যাটালিয়নের প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিয়ুর রহমান জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বিজিবির পক্ষ থেকে।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

এবারের ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক, বললেন সড়কমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রিসভায় যেসব প্রস্তাবে মিলল অনুমোদন

সংগৃহীত ছবি

বিতর্কিত কর্মকর্তাদের তালিকায় আরও ৫৩ পুলিশ কর্মকর্তা, পাঠানো হতে পারে বাধ্যতামূলক অবসরে

0 Comments