আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, প্রাণ হারালেন বহু মানুষ

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ০১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

লাঘামহীন মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রার দরপতনের প্রতিবাদে ইরানে চলমান বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।


পশ্চিম ইরানের লোরদেগান শহরে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত দুজন নিহত হয়েছে। কুহদাশত শহরে একজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত ও আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন। মধ্য ইরানের ইসফাহান প্রদেশেও একজন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।

বিক্ষোভটি শুরু হয়েছিল দোকানদারদের নেতৃত্বে সরকারের অর্থনৈতিক নীতির—বিশেষ করে মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দ্রুত মূল্যবৃদ্ধিরবিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক সংঘর্ষগুলোকে গত তিন বছরে ইরানের সবচেয়ে বড় ও গুরুতর বিক্ষোভ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পশ্চিমাঞ্চলীয় কেরমানশাহ, খুজেস্তান ও হামেদান প্রদেশে বিক্ষোভকারীরা আটক হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের মার্ভদাশত শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে।

তবে এসব মৃত্যুর খবর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের হুমকি

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছার খবর সামনে আসার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, এমন পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক নীতি ও ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রিনল্যান্ডের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে, এবং এর ওপর ভিত্তি করে যে কোনো চুক্তি বা উদ্যোগ নেওয়া উচিত আন্তর্জাতিক আইন ও সহযোগিতার মান বজায় রেখে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এই ধরনের হুমকি এবং একপক্ষীয় পদক্ষেপ মার্কিন-ব্রিটিশ সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ রেখেছেন এবং এই ধরনের আগ্রাসী পরিকল্পনার সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করছেন। তারা আশা করছেন, কূটনৈতিক মাধ্যমে সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই হুমকি শুধু গ্রিনল্যান্ড নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতে শক্তির ভারসাম্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ইউরোপীয় এবং উত্তর আমেরিকার রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংসদ ভেঙে দেশব্যাপী জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালে বৈশ্বিক মানবিক সহায়তা প্রদানে শীর্ষ দাতাদের তালিকায় ২য় সৌদি আরব

ছবি : সংগৃহীত

উচ্চতার বৈশ্বিক চিত্রে এগিয়ে ইউরোপ, এশিয়া পিছনে

ছবি: সংগৃহীত
রেকর্ড সর্বনিম্ন জন্মহার চীনে

সরকারি নানা প্রণোদনার পরও চীনে জন্মহার নেমেছে রেকর্ড সর্বনিম্নে। টানা চতুর্থ বছরের মতো দেশটির মোট জনসংখ্যা কমেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ এ তথ্য জানায়।   দেশটির সরকারি তথ্যে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে চীনে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে জন্মহার নেমেছে ৫ দশমিক ৬৩-এ। ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর এটিই সর্বনিম্ন জন্মহার। একই সময়ে মৃত্যুহার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪, যা ১৯৬৮ সালের পর সর্বোচ্চ।   ২০২৫ সালের শেষে চীনের মোট জনসংখ্যা ৩৩ লাখ ৯০ হাজার কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪০ কোটিতে। ওই বছর দেশে জন্ম হয়েছে ৭৯ লাখ ২০ হাজার শিশুর, যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ কম। বিপরীতে মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখের বেশি।   বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যা বৃদ্ধি আর ধীরগতির অর্থনীতির চাপে পড়েছে বেইজিং। সন্তান জন্মে উৎসাহ দিতে ২০১৬ সালে এক-সন্তান নীতি বাতিল করে দুই সন্তান অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ২০২১ সালে তিন সন্তান নেওয়ার সুযোগ দেয় সরকার। তবুও কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি।   সাম্প্রতিক সময়ে তিন বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুর জন্য বাবা-মাকে দেওয়া হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ ইউয়ান করে। কিছু প্রদেশে রয়েছে অতিরিক্ত ভাতা ও বাড়তি মাতৃত্বকালীন ছুটি।   তবে কিছু সিদ্ধান্ত বিতর্কও সৃষ্টি করেছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ওপর নতুন করে ১৩ শতাংশ কর আরোপ নিয়ে বেড়েছে উদ্বেগ। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ ও এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ চীনের জনসংখ্যা বর্তমানের অর্ধেক হয়ে যেতে পারে।

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

'যুক্তরাষ্ট্র মনে করে দেশটির ক্ষমতা আন্তর্জাতিক আইনের চেয়েও বড়'

ছবি: সংগৃহীত

গাজার 'বোর্ড অব পিস'-এ যুক্ত হতে ট্রাম্পের আমন্ত্রণ পেয়েছেন পুতিন

ছবি: সংগৃহীত

৮টি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল পুরস্কার পেলাম না, তাই শুধু শান্তি নিয়ে ভাবতে আমি বাধ্য নই

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনছে ইরান

বিশ্বকে পাশ কাটিয়ে এবার নিজস্ব প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনছে ইরান। থাকবে আলাদা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, নিজেদের উদ্ভাবিত সার্চ ইঞ্জিন, এমনকি মেসেজিং অ্যাপ। যেখানে তথ্য ও যোগাযোগের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতে থাকবে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও তা একেবারেই সীমিত করা হবে। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের বরাত দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।   গত ডিসেম্বরের শেষ সময় থেকে আন্দোলনে উত্তপ্ত ইরান। অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হলেও ক্রমেই তা রূপ নেয় সরকারবিরোধী জনরোষে। এতে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ফুঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। ফলাফল—দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে সহিংস বিক্ষোভে পরিণত হয় আন্দোলনটি।   বিক্ষোভ দমাতে ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় ইরান সরকার। বিক্ষোভকারীরা অবৈধভাবে স্টারলিংক দিয়ে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করলে সেটিও অকার্যকর করে দেওয়া হয়। এতে জনক্ষোভ অনেকটাই প্রশমিত করতে সফল হয় খামেনি প্রশাসন।   এমন অবস্থায় ধীরে ধীরে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক সংস্থা ফিল্টারওয়াচ বলছে, এ লক্ষ্যে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিনির্ভর আলাদা ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। যেখানে তথ্য ও যোগাযোগের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি রাষ্ট্রের হাতে থাকবে।   শুধু তাই নয়, ইরানের জাতীয় ইন্টারনেট ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে সরকার অনুমোদিত সার্চ ইঞ্জিন, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ও ন্যাভিগেশন সেবা। এছাড়াও নেটফ্লিক্সের মতো ইরানের নিজস্ব স্ট্রিমিং সাইট আনারও পরিকল্পনা রয়েছে।   তবে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ একেবারেই সীমিত করা হবে। শুধুমাত্র নিরাপত্তা ছাড়পত্রপ্রাপ্ত বা সরকারি যাচাই প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিরাই এই পরিষেবার সুযোগ পাবেন। বিপরীতে সাধারণ নাগরিকেরা পাবে রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত জাতীয় ইন্টারনেট।   গত ১০ দিনে ২০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে পুরোদস্তুর ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে ইরান। যা বিশ্বে সরকার নিয়ন্ত্রিত সবচেয়ে দীর্ঘতম শাটডাউনগুলোর একটি। পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকসের দাবি, দেশটিতে কার্যকর কোনো ইন্টারনেট সংযোগ নেই এখন।

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৩৯

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান ইউরোপের ৮ দেশের

0 Comments