জাতীয়

ভিসা ছাড়াই যে ৩৭ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে দুই ধাপ এগিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান রয়েছে ৯৩তম। গত বছরের সূচকে যা ছিল ৯৫তম।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ২০২৬ সালের হালনাগাদ বৈশ্বিক পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ের তালিকায় বাংলাদেশের এ অবস্থান দেখা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন তালিকায় বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৭টি দেশ ভ্রমণ করতে পারবেন।


আগাম ভিসা ছাড়া যেসব দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশিরা

আগাম ভিসা ছাড়া বাংলাদেশিদের ভ্রমণের তালিকায় আছে—বাহামা, বার্বাডোজ, ভুটান, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, বুরুন্ডি, কম্বোডিয়া, কেপ ভার্দ আইল্যান্ডস, কোমোরো আইল্যান্ডস, কুক আইল্যান্ডস, জিবুতি, ডমিনিকা, ফিজি, গ্রেনাডা, গিনি-বিসাউ, হাইতি, জ্যামাইকা, কেনিয়া, কিরিবাতি, মাদাগাস্কার ও মালদ্বীপ, মাইক্রোনেশিয়া, মন্তসেররাত, মোজাম্বিক, নেপাল, নুউয়ে, রুয়ান্ডা, সামোয়া, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, শ্রীলঙ্কা, সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডাউন, গাম্বিয়া, তিমুর, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, টুভ্যালু এবং ভানুয়াতু।

 
এর মধ্যে কিছু দেশ ও অঞ্চলে অন-অ্যারাইভাল বা বিমানবন্দরে নামার পর ভিসার সুবিধা এবং কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নিতে হবে ই-ভিসা। 

হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ২০২৬ সালের হালনাগাদ বৈশ্বিক পাসপোর্ট র‌্যাংকিয়ের নতুন তালিকায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর। এছাড়া যৌথভাবে দুই নম্বরে অবস্থানে রয়েছে- জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া।


সূচক অনুযায়ী, তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সুইডেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।


 
এ ছাড়া বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন এবং সুইজারল্যান্ড রয়েছে চতুর্থ অবস্থানে।

পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা ও পর্তুগাল। এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে- হাঙ্গেরি, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়া।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

দুদকের মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সোহানুরের বিচার শুরু

  জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সৈয়দ সোহানুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।   সোহানুর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে। পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে আবেদ আলী আলোচিত।   আজ বুধবার ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতে দুদকের কোর্ট পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।   সাইফুল ইসলাম বলেন, কারাগারে থাকা সোহানুরকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অব্যাহতির আবেদন করেননি। পরে সোহানুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।   গত বছরের ৫ জানুয়ারি আবেদ আলী, তাঁর স্ত্রী শাহরিন আক্তার, ছেলে সোহানুরের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করে দুদক। বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সোহানুর। তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়।   সোহানুরকে গত ২০ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে দুদক। অন্যদিকে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আবেদ আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। 

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৭, ২০২৬

খুলনায় নদী খননের মাটিতে চাপা পড়েছে আশ্রয়ণের শতাধিক ঘর

দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ‘ওয়াই’ আকৃতি নিয়ে বিতর্ক

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস।

সরকারি দায়িত্ব পেলেন আফরোজা আব্বাস

ছবি: সংগৃহীত
ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে: ডিসি ফরিদা

ফ্যামিলি কার্ড প্রতিটি অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম৷     বুধবার (১৭ জুন) কেরানীগঞ্জের রুহিতপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি৷     তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম দূরদর্শী অঙ্গীকার হলো— “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।” এই দর্শনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।     মিজ ফরিদা খানম বলেন, আজকের এই তৃতীয় পর্যায়ে কেরানীগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়নের মোট ১,২৭৫টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এটি শুধু একটি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম নয়; বরং এটি সামাজিক সুরক্ষা, মানবিক মর্যাদা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের এক নতুন যাত্রা।     জেলা প্রশাসক বলেন, বর্তমানে দেশে ২৩টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৯৫টিরও বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড এই বিচ্ছিন্ন সেবাগুলোকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার ভিত্তি তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা আর কেবল অনুদানভিত্তিক ব্যবস্থা নয়; বরং নাগরিকের ন্যায্য অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে এই ফ্যামিলি কার্ড একটি সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্র (Universal Social ID) হিসেবে গড়ে উঠবে, যার মাধ্যমে একজন নাগরিক বিভিন্ন সামাজিক সেবা ও সরকারি সহায়তা সহজেই গ্রহণ করতে পারবেন।     তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, ফ্যামিলি কার্ড প্রতিটি অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে।     প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার আপনাদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করুক। এই কার্ডের মাধ্যমে আপনারা যেন খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের সুবিধা আরও সহজে গ্রহণ করতে পারেন—সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। জেলা প্রশাসন সবসময় আপনাদের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

তারাগঞ্জে গাঁজা সেবনকারীর এক বছরের কারাদণ্ড

জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সংসদে বাংলা-ইংরেজি মিশিয়ে নারী এমপির বক্তব্য, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত
বাজেট ঘোষণার পরে সিগারেট, মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

বাজেট ঘোষণার পরে মিছিল হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার জনকল্যাণমুখী বাজেট দিয়েছে। আগে আমরা দেখেছি, বাজেট ঘোষণার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বের হতো।   বুধবার (১৭ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে কসাইখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক পদ্ধতিতে পশু জবাই করা হলে মাংসের গুণগত মান বজায় থাকে। ঝিনাইদহবাসীর জন্য এই কসাইখানা একটি মাইলফলক। সরকার জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’   তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকার জনকল্যাণমুখী বাজেট দিয়েছে। আগে আমরা দেখেছি, বাজেট ঘোষণার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল বের হতো। মিছিলের স্লোগান হতো, গরিব মারার বাজেট মানি না। আর এখন বাজেট ঘোষণার পরে মিছিল হচ্ছে, ‘সিগারেটের দাম বাড়ল কেন, মদের দাম বাড়লো কেন?’ কি আর বলব।’   আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারপরও যদি দেখেন মাদক নির্মূলে প্রশাসন কাজ করছে না, তাহলে আমার নম্বরে এসএমএস করবেন। ঘটনা জানাবেন। বাকিটা আমরা দেখবো।’   জানা গেছে, কসাইখানাটি নির্মাণের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি এলডিডিপি এবং ঝিনাইদহ পৌর কর্তৃপক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ৬ আগস্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ক্রিস্টালটেক-এনএকে (জেভি)’ কসাইখানার নির্মাণ কাজ শুরু করে। দীর্ঘ আড়াই বছরের প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে আধুনিক এই কসাইখানাটি ঝিনাইদহ পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।   সম্পূর্ণ আধুনিক এই কসাইখানাটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ১০ কোটি ৮২ লাখ ৩১ হাজার টাকা। ৪৯ শতক জমির ওপর নির্মিত এই কসাইখানার মূল উৎপাদন বা পশু জবাইয়ের স্থানটি আড়াই হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।   জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১৭, ২০২৬
আশিক রুবাইয়াত। ছবি: সংগৃহীত

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াতের পদত্যাগ

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচীর উদ্বোধন করতে শ্রীমঙ্গল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক বায়ুদূষণে শীর্ষে চিলির সান্তিয়াগো, ২৪ নম্বরে ঢাকা

0 Comments