জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে ঢাকায় আসছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ঢাকায় আসছেন মার্কিন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ফর সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

 

সোমবার ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, ৫ থেকে ৭ মে পর্যন্ত চলা এই সফরে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে অংশীদারত্ব আরও গভীর করার লক্ষ্য নিয়েই এই সফর বলে জানানো হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের বাজারে প্রবেশ সহজতর হবে, বিনিয়োগের বাধা কমবে এবং নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টি করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দূতাবাস আরও জানায়, এই সফর দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ ফোরামে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় জোর দিল বাংলাদেশ

অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন কমানো এবং নিরাপদ শ্রমবাজার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।   শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ আলোচনায় এ আহ্বান জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।   মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট’ ও ‘হোল-অফ-সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।   তিনি জানান, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ‘মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স’ গঠন করেছে। পাশাপাশি ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।   আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রথম আইএমআরএফে বাংলাদেশের দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এছাড়া নতুন ছয়টি অঙ্গীকার জমা দেওয়ার পাশাপাশি দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগেও যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ।   জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।   নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

আক্তারুজ্জামান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিআইডব্লিউটিএ নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ড, আটক ৩

ছবি: সংগৃহীত

উত্তরাঞ্চলে সড়ক উন্নয়নে তিন মহাসড়ক হবে চার লেন

ছবি: সংগৃহীত

এনসিপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম

ছবি: সংগৃহীত
ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বদলাতে হবে পোশাক খাতের কৌশল

আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য সহজ সময় নয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিতে পারলে এই সময়টিই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। শুধু কম দামের ক্রয়াদেশের ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি চাপের মুখে পড়বে।   বিপরীতে যেসব প্রতিষ্ঠান তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, অনুসরণযোগ্যতা, জ্বালানি সাশ্রয়, স্থানীয় মূল্য সংযোজন, দ্রুত সেবা এবং দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চায় গুরুত্ব দেবে, তারা বৈশ্বিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।   বিশ্ব পোশাকবাজারে প্রতিযোগিতার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন আর শুধু কম খরচে পণ্য উৎপাদন করাই বড় বিষয় নয়। ক্রেতারা গুরুত্ব দিচ্ছেন নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, প্রমাণযোগ্য মান, টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা এবং ঝুঁকিমুক্ত ব্যবসায়িক সক্ষমতাকে।   তাই বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভবিষ্যৎমুখী সক্ষমতা তৈরি করা। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

আক্তারুজ্জামান মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দুই বছরের বেশি বিরতির পর লন্ডনে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ছবি : সংগৃহীত

হজযাত্রীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি

ছবি : সংগৃহীত

কারাগারকে উৎপাদনমুখী করতে ছাদে সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে

ছবি: সংগৃহীত
২১ তলা ভবন প্রকল্প বাতিল, সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনায় সরকার

বাংলাদেশ সচিবালয়–এ দাপ্তরিক চাপ কমাতে প্রস্তাবিত ২১ তলা আধুনিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি ফেরত দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। বরং পুরো সচিবালয়কে নতুন পরিকল্পনায় শেরেবাংলা নগর এলাকায় স্থানান্তরের দিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   প্রস্তাবিত প্রকল্প অনুযায়ী, আব্দুল গণি রোডে সচিবালয় প্রাঙ্গণে ৬৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ২১ তলা একটি আধুনিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। চার তলা বেজমেন্টসহ এই ভবনে অফিস স্পেস, আধুনিক কনফারেন্স রুম, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সাব-স্টেশন, লিফট, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল।   পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সচিবালয়ে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ বর্গফুট অফিস স্পেস থাকলেও চাহিদা অনুযায়ী আরও প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন রয়েছে। প্রস্তাবিত ভবনটি বাস্তবায়িত হলে অতিরিক্ত চাহিদার প্রায় ৪২ শতাংশ পূরণ হওয়ার কথা ছিল।   তবে একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে পুরো সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কান–এর নকশা বিবেচনায় নিয়ে শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়।   সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, শেরেবাংলা নগরের সাবেক বাণিজ্য মেলার মাঠসহ বিভিন্ন সরকারি জমিতে ১০ থেকে ১২টি বহুতল ভবন নির্মাণের সুযোগ রয়েছে। তবে সেখানে একসঙ্গে সচিবালয় স্থানান্তর করা হলে যানজট, জনসমাগম ও অবকাঠামোগত চাপ বাড়তে পারে—এ বিষয়গুলোও যাচাই করা হচ্ছে।   পরিকল্পনা বিভাগ জানায়, সচিবালয় হলো সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র, যেখানে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিদেশি প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ আসা-যাওয়া করেন। বর্তমান অবকাঠামো এই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করে।   এদিকে প্রকল্প বাতিলের পর গণপূর্ত অধিদপ্তরকে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক, জনচাপ এবং ভবিষ্যৎ ৫০ বছরের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

ছবি - সংগৃহীত

গুজব ঠেকাতে সাংবাদিকদের এআই দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত

২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

0 Comments