বিশ্ব

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি

খবর৭১ ডেস্ক, ডিসেম্বর ০৪, ২০২৫

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স করাচি রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসাইন খান। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ফরেন সার্ভিসেস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় এয়ারলাইন্স করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যেভাবে ভারতীয় উড়োজাহাজ বাংলাদেশ আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, একইভাবে বিমানও ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে উড়বে।

সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানি এয়ারলাইন্সগুলোর ওপর ভারতের চলমান আকাশপথ সীমাবদ্ধতার কারণে ঢাকা-পাকিস্তান রুটে পাকিস্তানি ক্যারিয়ারের ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা আপাতত নেই।

এর আগে উচ্চকমিশনার প্রশিক্ষণরত তরুণ কূটনীতিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য ও রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বিশাল সম্ভাবনা থাকলেও সীমিত প্রবেশাধিকার, সীমান্তবাধা এবং আঞ্চলিক রাজনীতি অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ব্যাহত করছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তান-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু সরাসরি যোগাযোগের অভাবই সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, অতীতে রেল যোগাযোগের কারণে বাণিজ্য সহজ ছিল, অথচ এখন পাকিস্তানের খেজুর আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায় দুবাই ঘুরে। প্রাচীন বাণিজ্যপথের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একসময় কাবুল, পেশোয়ার, ঢাকা ও মিয়ানমার পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। এখন দুর্বল ভৌগোলিক সংযোগ অঞ্চলটির উন্নয়নে বড় চ্যালেঞ্জ।

ইকবাল হুসাইন খান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার নতুন প্রজন্ম আরও সচেতন, উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও পরিবর্তনের প্রতি আগ্রহী। তিনি মনে করেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশের তরুণ সমাজে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্ব সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে পুরোনো বাধা দূর হবে, আঞ্চলিক সংযোগ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির নতুন দ্বার খুলবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

৬ দেশের দর্শনার্থীদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেবে আমিরাত

  নিজেদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রকল্পে নতুন ৬টি দেশকে যুক্ত করেছে মধ্যপ্রাচ্যের ‍উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই দেশগুলো হলো ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।   গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে এসব দেশের দর্শনার্থী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদান করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।   মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় দেশের দর্শনার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ২ ক্যাটাগরির অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রকল্প চালু করা হয়েছে— ১৪ দিনের এবং ৬০ দিনের। দর্শনার্থীরা এই দুই ক্যাটাগরির যে কোনো একটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ১৪ দিনের ভিসার জন্য ১০০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ হাজার ৩৪১ টাকা) এবং ৬০ দিনের ভিসার জন্য ২৫০ দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ হাজার ৩৫১ টাকা) ফি হিসেবে ধার্য করেছে আমিরাতের সরকার।   এতদিন পর্যন্ত মোট ৩৫টি দেশের দর্শনার্থীদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা দিতো আমিরাত। এসব হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন জোটের ২৭টি দেশ। এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেন নতুন এই ৬ দেশের দর্শনার্থীরাও।   আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক জনগণ পর্যায়ে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ৬ দেশের দর্শনার্থীরা যাতে আমিরাতের সংস্কৃতি, বিশ্বমানের পর্যটন, গতিশীল অর্থনীতি, আকর্ষনীয় বাণিজ্য পরিবেশ এবং বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অবকাঠামো সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারেন— সেজন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।”   সূত্র : গালফ নিউজ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৬, ২০২৬

হাইতি ও সিরীয় অভিবাসীদের সুরক্ষা বাতিলের রায় দিল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

ইউরোপজুড়ে নজিরবিহীন দাবদাহ, হাসপাতালগুলোতে সতর্কতা

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানে সেনা হত্যা মামলায় নারী অধিকারকর্মীর যাবজ্জীবন

ছবি : সংগৃহীত
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল

জাপানে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে রাজধানী টোকিও এবং আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। খবর আনাদোলু এজেন্সির।   জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল চিবা প্রিফেকচার এবং ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনটির কেন্দ্র ছিল। সংস্থাটি জাপানের সাত স্তরের ভূমিকম্পের তীব্রতা স্কেলে সর্বোচ্চ ৪ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করেছে এবং জানিয়েছে, সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.৮ বলে নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, উপকেন্দ্র ছিল যকশিবা শহরের প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।   এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধের আবহে ইরান-লেবাননে পবিত্র আশুরা পালন

ছবি : সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় বিলাসবহুল হোটেল ধস, ভেতরে খেলোয়াড়দের স্বজনরা

চীনের ‘সালামি স্লাইসিং’ কৌশল কী

ইরান পুনর্গঠনে ৩০ হাজার কোটি ডলার আসবে কোথা থেকে

সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা স্মারকের আওতায় যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইরান অন্তত ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) ডলারের তহবিল পেতে যাচ্ছে। তবে এত বড় অঙ্কের এই বিশাল অর্থ কোথা থেকে আসবে এবং শেষ পর্যন্ত কে বা কারা এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনায় অর্থায়ন করবে, তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে।   মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের পুনর্গঠনের খরচ আমেরিকার করদাতারা বহন করবেন না। এর পরিবর্তে, তহবিলের এই আর্থিক রূপরেখা কেমন হবে, তা চুক্তিতে উল্লেখিত ৬০ দিনের বাস্তবায়ন মেয়াদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।   সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হওয়ার আগে অবশ্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটন ইরানকে ৩০ হাজার কোটি ডলার দিচ্ছে, এমন খবর প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই ধরনের দাবিকে তিনি ‘ভুয়া খবর’ হিসেবেও বর্ণনা করেন। সংঘাতের পর এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের জন্য একটি বড় ধরনের আর্থিক প্যাকেজ প্রস্তুত করছে, এমন জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য এসেছিল।     সমঝোতা স্মারকে কী বলা হয়েছে?   সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এখানে কোনও আর্থিক ভূমিকা পালনের চেয়ে মূলত একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। পুনর্গঠন কর্মসূচিটি এগিয়ে নিতে আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করা এবং এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।   এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় বেসরকারি বিনিয়োগকারীরাও একটি বড় ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিশ্চিত করা গেলে আন্তর্জাতিক কোম্পানি এবং বিনিয়োগ তহবিলগুলোকে ইরানের জ্বালানি, পরিবহন, আবাসন ও শিল্প উন্নয়নের মতো খাতগুলোতে অংশ নিতে উৎসাহিত করা যেতে পারে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনপিআর-এর সঙ্গে আলাপকালে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেন, তেহরান আশা করছে এই ৩০ হাজার কোটি ডলারের উৎস হবে বাইরের কোনও পক্ষ বা দেশ। অন্যদিকে, সেই বিনিয়োগগুলো আকৃষ্ট ও সুরক্ষিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র।   তবে এই পুরো অর্থায়ন প্যাকেজের সুনির্দিষ্ট কাঠামো কেমন হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী সপ্তাহগুলোতে আলোচকরা মূলত এটি নির্ধারণ করতেই সময় ব্যয় করবেন যে, বাস্তবসম্মতভাবে ঠিক কতটা পুঁজি সংগ্রহ করা সম্ভব, কোন কোন দেশ বা সংস্থা এতে অবদান রাখতে পারে এবং এই অর্থ প্রবাহের ক্ষেত্রে কী ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।   সূত্র: উইয়ন নিউজ

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

নিউইয়র্কে নির্বাচনী ভূমিকম্প: ইসরায়েলপন্থীদের হারিয়ে ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মীদের ঐতিহাসিক জয়

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

‘ইরানের পক্ষে রাশিয়া, চীন ও তুরস্কের যুদ্ধ ঠেকাতে পেরেছি’: ট্রাম্পের দাবি

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের প্রথম ইনডোর মাছ ধরার পুকুর হচ্ছে মস্কোর শপিং সেন্টারে

0 Comments