জাতীয়

৫ জেলায় নতুন ডিসি

মারিয়া রহমান মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

দেশের ৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিল সরকার। আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের পাঁচ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এসব কর্মকর্তাদের পাঁচ জেলায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে বদলি বা পদায়ন করা হলো।

তারা হলেন— স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। তাকে গাজীপুর জেলার প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পরিচালক (উপসচিব) আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শুকরিয়া পারভীনকে পঞ্চগড়,  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. তৌহিদ বিন-হাসানকে কুষ্টিয়া ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমানকে নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংগৃহীত ছবি
তথ্য মন্ত্রণালয় ঢেলে সাজানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয় কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান প্রয়োজন হলেও বারবার মন্ত্রণালয় পরিবর্তনের কারণে সেই জ্ঞান গড়ে ওঠে না। আজ একটি মন্ত্রণালয়, কাল আরেকটি মন্ত্রণালয়-এভাবে দায়িত্ব বদল হওয়ায় প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।’  তিনি বলেন, ‘কিছু মন্ত্রণালয়ে জনসেবা নিশ্চিত করতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অপরিহার্য, যা আলাদাভাবে অর্জন করতে হয় এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চর্চা করা দরকার। কিন্তু বাস্তবে এসব উদ্যোগ যথাযথভাবে নেওয়া হয় না, ফলে নানা ধরনের ভুল-বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়।’ রবিবার (১৫ মার্চ) ডিআরইউ শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে’ প্রধান অতিথির বক্ত্যবে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়কে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী মানুষের অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমান যুগে শুধু অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা নয়, তথ্য-প্রযুক্তির সুবিধাও মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।মৌলিক চাহিদা পূরণ হলেও যদি মানুষ ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়, তাহলে নতুন প্রজন্ম তা মেনে নেবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রের মধ্যে ঘুণে ধরা রোগ আমরা বুঝতে চাচ্ছি। তথ্য মন্ত্রণালয়কে প্রতিনিয়ত সেবা দিতে হলে সরকারের ডিজিটাল ক্ষমতায়ন প্রয়োজন। পাশাপাশি সাইবার ঝুঁকিসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ঝুঁকি মোকাবেলা করে নিরাপদভাবে মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে হবে।’ এ জন্য প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োজন রয়েছে এবং বড় সংখ্যক প্রযুক্তিবিদকে জনবল কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও তিনি শুনছেন এবং সেগুলো লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। শিগগিরই সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’ বিশেষ করে ওয়েজ বোর্ড নিয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি জটিলতার মুখে পড়েছেন। এটি তথ্য মন্ত্রণালয় নাকি শ্রম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার-তা স্পষ্ট না হওয়ায় বিষয়টি এলোমেলো হয়ে আছে।সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়কে যুগোপযোগীভাবে সংস্কার করতে হবে। সংস্কার ছাড়া সাংবাদিকদের কল্যাণে কার্যকরভাবে কাজ করা সম্ভব নয়। ক্রাইম বিটের সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো তালিকাবদ্ধ করে তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথাও জানান তিনি।  ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানে ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সারওয়ার, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, ডিআরইউয়ের সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেল, ভারতীয় হাই কমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক ও তথ্য) পূজা কুমারী ঝাঁ, সিঙ্গাপুর হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (ভিসা ও কনস্যুলার) হিউ কং সিয়াং, ক্রাবের সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : আইএসপিআর

সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

ছবি: সংগৃহীত

শপিং ব্যাগের জন্য অতিরিক্ত অর্থ আদায়, আড়ংকে আইনি নোটিশ

সংগৃহীত ছবি

৫ জেলায় নতুন ডিসি

ফাইল ছবি
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় মনোযোগী করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত ইমেইলে এসব তথ্য পাঠাতে হবে। রোববার (১৫ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিটি মাউশির আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে মাদকের কুফল সম্পর্কে প্রচার-প্রচারণা জোরদার করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নির্মিত মাদকবিরোধী ডকুমেন্টারি ও থিম সং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ইভটিজিং প্রতিরোধ, ‘র‍্যাগ ডের’ নামে বিশৃঙ্খলা বন্ধে গৃহীত পদক্ষেপ এবং শিক্ষার্থীদের রাতে পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমের অগ্রগতির তথ্য ৩০ মার্চের মধ্যে ইমেইল (director.mew@gmail.com) ঠিকানায় পাঠাতে বলা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালকদের নিজ নিজ অঞ্চলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি প্রতিবেদন সংগ্রহ করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী একত্রে কম্পাইল করে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে—অঞ্চলের নাম, অঞ্চলের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা, বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার, বাস্তবায়ন করতে না পারা প্রতিষ্ঠানের শতকরা হার (যদি থাকে), না পারার কারণ এবং প্রয়োজনীয় মন্তব্য।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যুতে সংসদেই সমাধান চায় ১১ দলীয় জোট, ব্যর্থ হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত

ভিজিএফের চাল না পেয়ে গাইবান্ধায় সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের পেলেন নতুন দায়িত্ব

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের দায়িত্ব আরও বাড়ানো হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় (পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি) থাকা এই উপদেষ্টা এখন থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন।   বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরে রোববার (১৫ মার্চ) ডা. জাহেদ উর রহমান নিজেই প্রজ্ঞাপনটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দায়িত্ব ও দফতর বণ্টন এবং পুনর্বণ্টন করা হয়েছিল। এর পর প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী ডা. জাহেদ উর রহমানের দায়িত্ব পুনরায় বণ্টন করা হয়েছে। তবে আগের দুটি প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে।   এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় মোট ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন। তাদের মধ্যে ডা. জাহেদ উর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নীতি ও কৌশলগত বিষয়ে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সংসদে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনানো যাবে না: স্পিকার

ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি তেলে রেশনিং উঠে গেল

ছবি: সংগৃহীত

ঈদে অর্থ-স্বর্ণালংকার থানাতে রেখে যেতে পারেন : ডিএমপি

0 Comments