ঢাকাই সিনেমার অন্যতম আলোচিত জুটি আরিফিন শুভ ও জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী। পর্দায় তাদের রসায়ন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বাস্তবেও তাদের প্রেমের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। এরই মাঝে রায়হান রাফি নির্মিত ‘নূর’ সিনেমায় তাদের একটি চুম্বন দৃশ্য ফাঁস হওয়ার পর নেট দুনিয়ায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়। অবশেষে সিনেমাটি মুক্তির দিনে নিজেদের প্রেম ও সেই অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন আরিফিন শুভ।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘নূর’। এ উপলক্ষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে শুভ স্পষ্ট করেছেন তার অবস্থান।
প্রেমের গুঞ্জন প্রসঙ্গে সহশিল্পী ঐশীর সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন কতটা সত্যি—এমন প্রশ্নের জবাবে শুভ বেশ কৌশলী ও সাফ উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “গুঞ্জন সত্য হলে আপনি প্রশ্ন করার সময় এটাকে ‘গুঞ্জন’ বলতেন না। শোবিজে কাজ করলেই সহশিল্পীদের নিয়ে এ ধরনের কথা ছড়ায়—এটা নতুন কিছু নয়। আমি এগুলোকে কখনো গুরুত্ব দিই না, প্রতিক্রিয়া দেওয়ার প্রয়োজনও দেখি না। এটা তারকা জীবনের অংশ, এর বেশি কিছু নয়।”
অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে ব্যাখ্যা শুভকে এর আগে পর্দায় এতটা সাহসী বা অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা যায়নি। ঐশীর সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে অভিনয়ের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘গল্প যদি ডিমান্ড করে, একজন অভিনেতা হিসেবে প্রয়োজনীয় যে কোনো কিছু করতে প্রস্তুত। কিন্তু সেটা শুধু আলোচনার জন্য বা সিনেমা বিক্রির জন্য হলে হবে না—চরিত্রের ভেতরে তার স্পষ্ট প্রয়োজন থাকতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘নূর-এর গল্পে যেটা প্রয়োজন ছিল, আমি সেটা করেছি। চরিত্র যেদিকে নিয়ে গেছে—আমিও সেভাবে অভিনয় করেছি।’
আলোচিত সেই দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে শুভ বলেন, এটা আসলে ‘কিস’ নয়, এটা আসলে একটা ‘মোমেন্ট’। আমরা কখন যে সিনটা করলাম, আদৌ কি কোনো কিছু হলো? আমরা নিজেরাও বোধ হয় বুঝতে পারি নাই। সত্যি বলতে আমার অস্বস্তি লাগে নাই। কারণ সেই মোমেন্টে আরেকটা চরিত্র আমার মধ্যে বসবাস করছিল।
উল্লেখ্য, রায়হান রাফি পরিচালিত ‘নূর’ সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। ওটিটিতে মুক্তির পর শুভ-ঐশী জুটির এই কেমিস্ট্রি দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
দেশের বরেণ্য অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদ ও আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান—দুজনই বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল বরিশালের সন্তান। তানিয়া জন্মেছেন পটুয়াখালীতে, আর জায়েদ পিরোজপুরের ছেলে। সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে এবার এই দুই তারকা মুখোমুখি হলেন সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে। উপলক্ষ—জায়েদ খানের উপস্থাপনায় জনপ্রিয় টক শো। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত জায়েদ খানের ‘সেলিব্রিটি টক শো – ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এর দ্বিতীয় সিজনের প্রথম পর্বেই অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন তানিয়া আহমেদ। প্রথম সিজনের ১২টি পর্বের সাফল্যের পর শুরু হওয়া দ্বিতীয় সিজনের এই বিশেষ পর্বে দর্শকদের জন্য থাকছে নানা চমক। প্রাণবন্ত আড্ডায় উঠে এসেছে তানিয়া আহমেদের তিন দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং পর্দার আড়ালের নানা অজানা গল্প। উপস্থাপক জায়েদ খানের সঙ্গে তানিয়ার জমজমাট কথোপকথন দর্শকদের দারুণ বিনোদন দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। জানা গেছে, পর্বটি আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ঠিকানা ডিজিটালের ফেসবুক ও ইউটিউব পেজে লাইভ সম্প্রচারিত হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও একাধিক মামলার কারণে আর দেশে ফেরেননি জায়েদ খান। মাতৃভূমিতে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন এবং সেখানেই উপস্থাপনার মাধ্যমে ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায় শুরু করেছেন।
তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তবে মিডিয়ার এই কৌতূহল কখনো কখনো তারকাদের জন্য চরম বিড়ম্বনা ও মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনই এক তিক্ত ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন নববইয়ের দশকের জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন। অভিনেত্রী জানান, একবার কোনো সত্যতা যাচাই না করেই তার নিজের ভাইকে প্রেমিক হিসেবে প্রচার করেছিল একটি ম্যাগাজিন, যা তার পরিবারকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে রাভিনা বলেন, ‘হঠাৎ একদিন ম্যাগাজিনে পড়লাম, লেখা হয়েছে এক সুদর্শন ছেলে প্রতিদিন আমাকে শুটিংয়ে পৌঁছে দেয়। একবারের জন্যও সত্যতা যাচাই করেনি কেউ। আমার নিজের ভাইকে প্রেমিক ভেবে নিয়েছিলেন তারা।’ এই মিথ্যা খবরে প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করেছিলেন অভিনেত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘মা-বাবা লজ্জায় ও অপমানে খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছিলেন। খুব কষ্ট হয়েছিল, রাতের পর রাত ঘুমাতে পারিনি আমি।’ শুধু ভাই সংক্রান্ত এই গুজবই নয়, ক্যারিয়ারজুড়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বহুবার কাটাছেঁড়ার শিকার হতে হয়েছে রাভিনাকে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে একসময় জোর গুঞ্জন ছিল, সহ-অভিনেতা অজয় দেবগনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরে কারিশমা কাপুরের কারণে সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং অজয় নাকি রাভিনার সঙ্গে প্রতারণা করেন। যদিও অজয় দেবগন কখনোই প্রকাশ্যে এই সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খোলেননি, তবু সেই পুরনো গুঞ্জনের ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছেন রাভিনা।
একসময় অভিনয়গুণ ও সৌন্দর্য দিয়ে বলিউডে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন অভিনেত্রী রিমি সেন। ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকতেই ধীরে ধীরে অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি। একসময় পুরোপুরি হারিয়েই যান রুপালি পর্দা থেকে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আলোচনায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী—তবে এবার অভিনয়ের জন্য নয়, একেবারে ভিন্ন পরিচয়ে। অভিনয় ছেড়ে এখন রিমি সেন পুরোপুরি রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। নতুন এই পেশাই তাকে আবারও শিরোনামে ফিরিয়ে এনেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১৫ সালে রিয়েলিটি শো বিগ বস-এ অংশ নেওয়ার পর ধীরে ধীরে বিনোদন জগৎ থেকে সরে দাঁড়ান রিমি। বর্তমানে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাইয়ে একজন রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রিমি সেন জানান, দুবাইয়ের পরিবেশ অত্যন্ত ব্যবসাবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য। এই পরিবেশই তাকে কঠিন ও প্রতিযোগিতামূলক রিয়েল এস্টেট বাজারে টিকে থাকতে সহায়তা করছে বলে মনে করেন তিনি। এরই মধ্যে দুই বছর আগে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তার কিছু ছবিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। চেহারার পরিবর্তন দেখে অনেকেই প্লাস্টিক সার্জারির গুঞ্জন ছড়ান। তবে এসব গুঞ্জনের জবাবে খোলাখুলিই নিজের অবস্থান জানিয়েছেন রিমি সেন। হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মানুষ যদি মনে করে আমি প্লাস্টিক সার্জারি করেছি এবং সেটাকে ভালোভাবে নেয়, তাহলে সেটা আমার জন্যই ভালো। প্লাস্টিক সার্জারি ছাড়াই মানুষ তো আমাকে নিয়ে কথা বলছে। আমি শুধু ফিলার, বোটক্স আর পিআরপি ট্রিটমেন্ট নিয়েছি—এর বাইরে কিছুই না।” সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “হয়তো সাম্প্রতিক ছবিতে আমার ত্বক ভালো দেখাচ্ছিল। এসব ট্রিটমেন্ট আর শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে যে কেউই ভালো দেখাতে পারে। যদি কারও মনে হয় এটা খারাপ হয়েছে, তাহলে তারা বলুক কীভাবে ঠিক করা যায়—আমি আমার ডাক্তারদের সেটা জানাব।” বলিউডে দাপটের সঙ্গে কাজ করলেও রিমি সেন মূলত একজন বাঙালি অভিনেত্রী। তিনি একজন প্রযোজকও। হিন্দি, তেলেগু ও বাংলা—তিন ভাষার চলচ্চিত্রেই নিজের অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। ২০০২ সালে তেলেগু চলচ্চিত্র ‘নি থোডু কাভালি’-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ২০০৩ সালে কমেডি ছবি ‘হাঙ্গামা’-তে অভিনয়ের জন্য সেরা নারী অভিষেক বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে মনোনীত হন। এরপর একের পর এক সফল সিনেমায় দেখা গেছে তাকে—‘বাঘবান’ (২০০৩), ‘ধুম’ (২০০৪), ‘গরম মসলা’ (২০০৫), ‘কিওঁ কি’ (২০০৫), ‘দিওয়ানে হুয়ে পাগল’ (২০০৫), ‘ফির হেরা ফেরি’ (২০০৬) এবং ‘গোলমাল: ফান আনলিমিটেড’ (২০০৬)—সব মিলিয়ে বলিউডের একটি সময়কে রাঙিয়েছেন রিমি সেন। রুপালি পর্দা থেকে ব্যবসার জগতে—রিমি সেনের এই রূপান্তর বলছে একটাই কথা, সময় বদলালেও আলোচনায় থাকার ক্ষমতা এখনো অটুট।