আন্তর্জাতিক

আমি ইসরায়েলের ইতিহাসে সেরা প্রেসিডেন্ট’: ট্রাম্প

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ইহুদিদের বেশিরভাগই কেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে ভোট দেয়, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি নিজেকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বন্ধুসুলভ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করেছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই দাবি করেন। এ সময় তিনি ২০১৫ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পারমাণবিক চুক্তির কড়া সমালোচনা করেন।

 

ইহুদিদের ভোটদানের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, একজন ইহুদি কীভাবে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারে, তা আমি বুঝি না। কারণ, ইসরায়েলের ইতিহাসে আমিই সেরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তারা তা স্বীকারও করে। আমি মনে করি ইসরায়েলে আমার জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ বা এরকম কিছু।

 

তবে ইসরায়েলিদের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা থাকলেও সম্প্রতি তা কমেছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক স্ইয়ের পর ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এমনটি হয়েছে।

 

অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এই চুক্তি ইসরায়েলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের ওবামার আমলের চুক্তির চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

 

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট-এর গত মাসের এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের কাছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় বলে মনে করেন মাত্র ৪৪ শতাংশ ইসরায়েলি।

 

ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিজের প্রথম মেয়াদ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময়ও বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন মার্কিন ইহুদিরা ঐতিহাসিকভাবে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়? তিনি বলেছিলেন, যেসব ইহুদি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়, তাদের “মাথা পরীক্ষা করা উচিত।

 

২০১৬, ২০২০ এবং ২০২৪ সালের বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ ইহুদি ট্রাম্পের পরিবর্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকেই ভোট দিয়েছে। গত এপ্রিলের এক জরিপে দেখা যায়, মাত্র ২২ শতাংশ মার্কিন ইহুদি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের কার্যকলাপ সমর্থন করে।

 

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
নাইজেরিয়ার হামলায় নিহত অন্তত ২৫, নিহতদের বেশিরভাগ নারী-শিশু

নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় প্লাটো রাজ্যের একটি গ্রামে রাতের আঁধারে হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছেন। হামলার ঘটনায় ওই অঞ্চলে নতুন করে প্রতিশোধমূলক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   স্থানীয় কাউন্সিলর লেমুন লে’আন ইলিয়া জানান, হামলায় ঘটনাস্থলেই ২৩ জন নিহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুজনের মৃত্যু হলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়ায়।   স্থানীয় বাসিন্দা আমোস জন বলেন, হামলাকারীরা রামদা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘরে ঘরে ঢুকে হামলা চালায়। এতে নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু বলে জানান তিনি।   প্লাটো রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র আলফ্রেড আলাবো রয়টার্সকে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে।   হামলার পর স্থানীয় সামাজিক সংগঠন মওয়াগাভুল ইয়ুথ মুভমেন্ট ওই এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র তুবওত জোয়েল সানডে বলেন, স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর ধারাবাহিক হামলা, হত্যাকাণ্ড, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ফসলি জমি ধ্বংসের ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।   নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলের প্লাটো রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি, চারণভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কৃষক ও পশুপালক সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলে আসছে। এসব বিরোধ অনেক সময় জাতিগত ও ধর্মীয় বিভাজনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভয়াবহ সহিংসতায় রূপ নেয়।   সূত্র: রয়টার্স

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২০২৭ সালের ২ আগস্ট ‘শতাব্দীর সূর্যগ্রহণ’ দেখা যাবে

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ভোটের নিয়ম আরও কঠোর করার আহ্বান ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

হামাস অস্ত্র সমর্পণ না করলে গাজার পুনর্গঠন নয় : কুশনার

ছবি: সংগৃহীত
সৌদির পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে মহানবী (সা.) ও ইহুদিদের সম্পর্ক

সৌদি আরবের পাঠ্যবইগুলোতে পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই বইগুলোতে অধিক সহনশীলতা, সহাবস্থান এবং সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে ইহুদিবাদের বিরুদ্ধে যেসব শিক্ষা ছিল সেগুলো ধীরে ধীরে মুছে ফেলা হচ্ছে।   শিক্ষা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষক সংস্থা ইমপ্যাক্ট-এসই তাদের সর্বশে প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।   তারা সৌদিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পড়ানো ১৩৬টি বই পর্যালোচনা করেছে। এতে দেখা গেছে উগ্রপন্থি এবং বৈষম্যমূলক বিষয়গুলো বই থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংলাপ এবং ভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখানো শেখানো হচ্ছে এসব বইয়ে।   এরমধ্যে ইসলাম শিক্ষা বইয়ে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এবং ইহুদিদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া খ্রিষ্টান ও আরবের অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যে ভালো সম্পর্কের কথাও এখন ইসলাম শিক্ষায় পড়ানো হচ্ছে। এরসঙ্গে যুদ্ধে বেসামরিকদের ক্ষতি না করার শিক্ষা ইসলামে আছেও সেটি রয়েছে এ বইয়ে।   সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ইহুদি, খ্রিষ্টান এবং পারসিক ধর্মের মানুষদের আগে নেতিবাচক হিসেবে দেখানো হলেও এখন সেগুলো মুছে দেওয়া হচ্ছে।   অপরদিকে দখলদার ইসরায়েলকে ‘ইহুদিবাদী শত্রু’ থেকে ‘ইসরায়েলি দখলদার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ে। তবে বইয়ে যেসব ম্যাপ আছে তার কোনোটিতেই ইসরায়েলের নাম নেই।   এছাড়া বইয়ে মেয়েদের ছবিও আগের চেয়ে বেশি স্থান পেয়েছে।   সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ১৮, ২০২৬
হরমুজ প্রণালি

যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানলে হরমুজ খুলবে না: গালিবাফ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে সমঝোতার মেয়াদ বাড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ভোটার আইডি ব্যবস্থার মতো যুক্তরাষ্ট্রে একই নিয়ম চান ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
যৌন নিপীড়ন মামলায় ট্রাম্পের আবেদন ফের নাকচ করল সুপ্রিম কোর্ট

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই জিন ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন ও মানহানির দায়ে অভিযুক্ত করে দেওয়া দেওয়ানি মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপিলের আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো খারিজ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।   সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত আদালতের আগস্টের আদেশ তালিকায় ট্রাম্পের পুনর্বিবেচনার আবেদন নাকচ করা হয়। এর আগে জুন মাসে আদালত ২০২৩ সালের রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।    ওই রায়ে একটি জুরি ট্রাম্পকে ১৯৯৬ সালে ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন এবং পরে তাকে মানহানি করার জন্য দায়ী করে প্রায় ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।   ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা ক্যাপলান এক বিবৃতিতে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট আবারও মামলাটি শুনতে অস্বীকৃতি জানানোয় তারা সন্তুষ্ট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুরির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত এবং কোনো আদালতে আর চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। তবে আদালত কেন আবেদনটি খারিজ করেছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ওইদিন আদালত মোট ৩৩টি পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে। জুনে ট্রাম্পের আপিল খারিজ হওয়ার পর ক্যারল প্রায় ৫৮ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ ও সুদ পেয়েছেন। ক্যারল ও ট্রাম্পের আইনি লড়াই শুরু হয় ২০১৯ সালে। সে বছর ক্যারল তার স্মৃতিকথার একটি অংশ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্কের বার্গডর্ফ গুডম্যানের একটি পোশাক পরিবর্তনকক্ষে ট্রাম্প তাকে ধর্ষণ করেছিলেন। ট্রাম্প অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যারলকে ‘পাগল’ এবং ‘তার পছন্দের নারী নন’ বলে মন্তব্য করেন।   ২০২৪ সালে পৃথক মানহানি মামলায় একটি জুরি ক্যারলকে আট কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প সুপ্রিম কোর্টে আপিল করছেন। তার দাবি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় করা বক্তব্যের ক্ষেত্রে তিনি সাংবিধানিক দায়মুক্তির অধিকারী।   ৫৮ লাখ ডলারের মামলাটি মূলত ২০২২ সালে সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। সে সময় তিনি ক্যারলের অভিযোগকে ‘ভুয়া’ ও ‘প্রতারণা’ বলে অভিহিত করেছিলেন।   সূত্র: আলজাজিরা

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির শঙ্কায় বাড়ল তেলের দাম

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

সমঝোতার মেয়াদ শেষ, ইরানকে কঠোর বার্তা দিলেন ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

গাজা চুক্তি বাস্তবায়নে ইসরায়েলের বাধার অভিযোগ ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর

0 Comments