খেলাধুলা

আলভারেসের জন্য রেয়ালের ১৫ কোটি ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল আতলেতিকো

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

হুলিয়ান আলভারেসকে দলে আনতে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১৫ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দিয়েও সফল হয়নি রেয়াল মাদ্রিদ।

 

ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি নিজেদের ওয়েবসাইটে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দিয়েছে তাদের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব।

 

রেয়াল মাদ্রিদ জানাচ্ছে যে, আজকের বোর্ড পরিচালকদের সভার পর হুলিয়ান আলভারেসের স্বত্ব কিনতে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ১৫ কোটি ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

 

বিষয়টি পর্যালোচনার পর, প্রস্তাব দেওয়ার জন্য আতলেতিকো মাদ্রিদ ধন্যবাদ জানিয়েছে, দুই ক্লাবের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই সবকিছু করা হয়েছে এবং তারা এটা ফিরিয়ে দিয়েছে।

 

আতলেতিকোয় চুক্তি অনুযায়ী, আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড আলভারেসের রিলিজ ক্লজ ৫০ কোটি ইউরো! ২০২৫-২৬ মৌসুমে আতলেতিকোর জার্সিতে ৪৯ ম্যাচ খেলে ২০ গোল করেন তিনি। বর্তমানে বিশ্বকাপ খেলতে জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা।

 

নির্বাচনী প্রচারণায় ফ্লোরেন্তিনো পেরেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হলে এবারের গ্রীষ্মে একজন ‘গ্যালাকটিকো’ ফুটবলারকে দলে আনবেন তিনি, যার পেছনে খরচ হতে পারে অন্তত ১৫ কোটি ইউরো।

 

পেরেস নির্বাচনে জয়ের একদিন পরেই আলভারেসকে কিনতে প্রস্তাব দেওয়ার এবং প্রত্যাখ্যাত হওয়ার খবর দিল লা লিগার সফলতম ক্লাবটি।

 

সবশেষ মৌসুমে ভীষণ খারাপ সময় কেটেছে রেয়ালের। কোনো শিরোপা জিততে পারেনি তারা। ঘুরে দাঁড়াতে দলের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টায় আছে রেয়াল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বদলি নেমেই মেসির গোল, বড় জয় আর্জেন্টিনার

বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে লিওনেল মেসির জাদুতেই দারুণ এক জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশনের আগে আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন মেসি। প্রথমার্ধে ভ্যালেন্তিন বারকোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৮ মিনিটে কর্নার থেকে প্রতিপক্ষের ক্লিয়ার করা বল বক্সের বাইরে থেকে হাফ-ভলিতে জালে জড়িয়ে দলকে লিড এনে দেন বারকো।   দ্বিতীয়ার্ধে ৭০তম মিনিটে মাঠে নামেন মেসি। আর নামার মাত্র এক মিনিট পরই ম্যাচে নিজের ছাপ রেখে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রথম স্পর্শেই লাউতারো মার্তিনেজকে দারুণ এক থ্রু পাস দেন তিনি। বক্সে ঢোকার পর ফাউলের শিকার হন লাউতারো এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।স্পটকিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি মেসি। ২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করার স্মৃতি পেছনে ফেলে এবার বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা। এরপরও থামেননি মেসি। ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণে রদ্রিগো ডি পলকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। ডি পলের ক্রস থেকে থিয়াগো আলমাদা গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। এই জয়ের মাধ্যমে প্রস্তুতি পর্ব শেষ করল লিওনেল স্কালোনির দল। আগামী ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

মারিয়া রহমান জুন ১০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ভিসা বিতর্কে বিশ্বকাপ, প্রশ্নের মুখে ট্রাম্প-ইনফান্তিনো সমীকরণ

ছবি : সংগৃহীত

রিয়ালেই ফিরলেন ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’

ছবি : সংগৃহীত

হতাশা থাকলেও হাল ছাড়েননি মোসাদ্দেক

ছবি : সংগৃহীত
বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে ‘অবৈধ’, হতাশ আর্তান

স্বপ্ন পূরণের এত কাছে গিয়েও এভাবে খালি হাতে ফিরে যেতে হবে, মানতেই পারছেন না রেফারি ওমার আব্দুলকাদির আর্তান। ইমিগ্রেশন ইন্টারভিউয়ে ১১ ঘণ্টা কাটানোর পর, বিশ্বকাপের জন্য তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।   সোমালিয়ার রেফারি আর্তানের দাবি, তার কাছে ‘সঠিক কাগজপত্র’ ও ‘বৈধ ভিসা’ থাকার পরও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।   সোমালিয়ার প্রথম রেফারি হিসেবে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে দায়িত্ব পালনের খুব কাছে ছিলেন তিনি। কিন্তু তাকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। গত সপ্তাহান্তে মায়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।   পরে এবারের বিশ্বকাপের ম্যাচ অফিসিয়ালদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে তার নাম ছেঁটে ফেলা হয়। এখন তুরস্কে আছেন ২০২৫ সালের কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবলের (সিএএফ) বর্ষসেরা রেফারি।   শেষ সময়ে এভাবে স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার কষ্টের কথা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে শুনিয়েছেন আর্তান।   আমি খুব, খুব হতাশ। আমি কেবল একজন রেফারি, যে তার প্রিয় কাজটা করার চেষ্টা করছে- আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন, বিশ্বকাপে আসার।   আমার কাছে সঠিক কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু ছিল। বৈধ ভিসাও ছিল আমার।   সোমালিয়ার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা বিবিসিকে বলেন, বৈধ নথিপত্র নিয়েই ভ্রমণ করছিলেন আর্তান। নাইরোবিতে অবস্থিত সোমালিয়ান দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, এর আগে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ার পর ভ্রমণ সহজ করার লক্ষ্যেই আর্তানকে বিশেষভাবে কূটনৈতিক পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছিল।   আর্তানকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে না দেওয়ার পেছনে কোনো কারণ জানায়নি দেশটির ইমিগ্রেশন। তবে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যে কয়েকটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, তার একটি সোমালিয়া।   আর্তানের পরের কথাটা যেন সেদিকেই ইঙ্গিত করল।   আমার মনে হয়, আমার দেশের সঙ্গে তাদের কোনো সমস্যা আছে।   আগামী বৃহস্পতিবার শুরু হবে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ, চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় আসরে ম্যাচ পরিচালনার জন্য ফিফার ৫২ জন রেফারির একজন ছিলেন আর্তান।   সোমালিয়ার ন্যাশনাল ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ অফিসিয়াল আর্তান ২০১৮ সালে ফিফা রেফারি হিসেবে স্বীকৃতি পান। এর আগে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সেও ম্যাচ পরিচালনা করেছেন ৩৪ বছর বয়সী আর্তান।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ম্যাচের আগের দিনই যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবে ইরান দল

ছবি : সংগৃহীত

আলভারেসের জন্য রেয়ালের ১৫ কোটি ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল আতলেতিকো

নেইমার। ফাইল ছবি

নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির বার্তা

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে

বিশ্বকাপ ফুটবলে নেই বাংলাদেশ।  বাছাই পর্বে সব সময় বিদায় নিতে হয়েছে। বিশ্বকাপে না থাকলেও বাংলাদেশের সমর্থকদের ফুটবল উন্মাদনা অন্যরকম। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে ভেসেছিল আর্জেন্টিনা। পুরো দেশ আচ্ছন্ন ছিল বিশ্বকাপে। এবার উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে  এমন ফুটবল প্রিয় দেশের সমর্থন চাইছে আর্লিং হল্যান্ডের নরওয়ে।   সামাজিক মাধ্যমে দারুণ এক পোস্টে ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান অ্যাম্বাসি তাদের দলের প্রতি বাংলাদেশি ফুটবল ভক্তদের সমর্থন চেয়ে জানিয়েছে, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচিত নরওয়েকে সমর্থন করা! কেন, জানতে চান? কারণ, আমাদের ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটির মধ্যে কেবল ফুটবলই নয়, আরও অনেক বেশি কিছু ভাগাভাগির সম্পর্ক রয়েছে, যা হয়তো আপনার ধারণারও বাইরে! রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস আরও জানায়, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল নরওয়ে। এছাড়া আমরা উভয় দেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের এই বন্ধন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা শেষে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরে আসা নরওয়ে হতে পারে বাংলাদেশিদের সমর্থনের জন্য একদম উপযুক্ত একটি দল। আমরা উভয়ই নদী এবং সমুদ্রবেষ্টিত উপকূলীয় দেশ এবং মাছের প্রতি ভালোবাসা আমাদের দুজনেরই সমান! আমরা উভয়ই ফেয়ার প্লে বা ন্যায়পরায়ণতায় বিশ্বাসী— সেটা বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেই হোক, কিংবা খেলার মাঠেই হোক। আমরা নিজ নিজ দিক থেকে ছোট—বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট, আর জনসংখ্যার দিক থেকে নরওয়ে খুবই ছোট। কিন্তু বিশ্বমঞ্চে আমাদের উভয়ের স্বপ্নই আকাশছোঁয়া! আর যারা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না, তাদের জন্য বোনাস পয়েন্ট— বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড খেলছেন এই নরওয়ে দলেই! তাহলে কী ভাবছেন, বাংলাদেশ? এবার আন্ডারডগ বা পিছিয়ে থাকা দলটির পাশে দাঁড়ানোর সময়! একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময়।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ক্যাচ মিস আর বড় জুটির অভাবেই হার, বললেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক

ছবি: সংগৃহীত

নাহিদ রানার গতিতে মুগ্ধ ক্যারি, ডাক দিলেন বিগ ব্যাশে

ছবি: সংগৃহীত

এবার সবাই আমাদের হারাতে চাইবে : আর্জেন্টিনা

0 Comments