চলতি বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটবে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। মহাজাগতিক এই বিরল দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ববাসী। এবারের গ্রহণটি হবে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ, যা আকাশপ্রেমীদের কাছে রিং অব ফায়ার বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী এটি সকাল ৭টা ১ মিনিটে হবে এবং এর সর্বোচ্চ স্থায়িত্বকাল হতে পারে ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সূর্যগ্রহণটি মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শেষ হবে। সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না। তবে, আর্জেন্টিনা, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে এই সূর্যগ্রহণটি দেখা যাবে।
এতে আরও বলা হয়, অ্যান্টার্কটিকার চিলির অ্যান্টার্কটিক গবেষণার ইয়েলচো ঘাঁটি থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ মহাসাগরে স্থানীয় সময় (এলএমটি) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ৪টা ৩৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হবে এবং মরিশাসের ভিংট-সিনক দ্বীপ থেকে দক্ষিণ পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগরে ৬টা ২৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
ব্যাংক জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়েরসহ তার পরিবারের চার সদস্য ও দুই সাক্ষীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকার একটি আদালত এ নির্দেশ জারি করে। মামলার সূত্রে জানা যায়, ব্যাংক জালিয়াতি ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতের নির্ধারিত সময়েও উপস্থিত না হওয়ায় মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের, তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী, দুই সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা ও আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, পাশাপাশি দুই সাক্ষী শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী। আদালত সূত্র জানায়, এর আগে কলাবাগান থানায় দায়ের করা বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ১০ মে সমন জারি করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৭ জুন হাজিরার জন্য নির্ধারিত দিন ধার্য করা হয়। নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, পরোয়ানা জারির পর অভিযুক্তরা যেকোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।
জাতীয় সংসদে বাংলা ও ইংরেজির মিশ্রণে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনায় থাকা বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জেবা আমিনা খানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পোশাক নিয়ে কটাক্ষের সমালোচনা করেন। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মারদিয়া মমতাজ বলেন, কোনো বক্তার বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে, তবে আলোচনা হওয়া উচিত বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে, ব্যক্তির পোশাক বা ভাষা নিয়ে নয়। তিনি লেখেন, ‘একজন বক্তার বক্তব্যের বিষয়ে আপনার ভিন্নমত থাকতে পারে। সে বিষয়ে আলোচনা করুন। কিন্তু তার পোশাক বা ভাষা নিয়ে মন্তব্য করা অপ্রয়োজনীয় এবং তা ব্যক্তিগত রুচি ও মানসিকতারই প্রতিফলন।’ জেবা আমিনার দীর্ঘদিন প্রবাসজীবনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মারদিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকায় তার কথায় বাংলা ও ইংরেজির মিশ্রণ থাকাটা স্বাভাবিক। বরং তিনি যে বিষয়টি সংসদে তুলে ধরেছেন, সেটিই আলোচনার মূল বিষয় হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, দেশের অনেক এলাকায় এখনও শত শত কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের পাশাপাশি সরকারি সেবা পৌঁছাতেও বিলম্ব সৃষ্টি করে। পোস্টের শেষাংশে মারদিয়া মমতাজ জনসমক্ষে নারীদের পোশাক ও কথাবার্তা নিয়ে কটাক্ষকারীদের সমালোচনা করে বলেন, এমন মানসিকতা সমাজে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক নয়। তিনি মন্তব্য করেন, যারা এ ধরনের আচরণ করেন, তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য তার মায়া হয়।
আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্যাট, শুল্ক ও কর বৃদ্ধির কারণে দেশের ইস্পাতশিল্প বড় ধরনের চাপের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে এই খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ)। সংগঠনটি বলছে, বিদ্যুতের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি ও নতুন কর–শুল্ক কাঠামোর সম্মিলিত প্রভাবে প্রতি টন রড উৎপাদনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ খরচ মিলিয়ে অতিরিক্ত ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় বাড়তে পারে। যার সরাসরি প্রভাব গ্রাহকের ওপর পড়বে। তাতে বিক্রি আরও কমে যাবে। আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে দেশের ইস্পাতশিল্পের সংকট উত্তরণে সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেছে সংগঠনটি। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে ইস্পাতশিল্পের ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত ভ্যাট, শুল্ক ও কর প্রত্যাহার, বিক্রয় পর্যায়ের ভ্যাট ও স্থানীয় স্ক্র্যাপের ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট বাতিল, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট কাঁচামালের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত কর–শুল্ক পুনর্বিবেচনা, টার্নওভার কর ১ শতাংশের বদলে আগের মতো শূন্য দশমিক ৬ শতাংশে ফিরিয়ে আনা ও উন্নয়ন বাজেট দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিল্পপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি। সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএর সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এবারের বাজেটে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ রয়েছে। তবে একই সময়ে ইস্পাতশিল্পের ওপর নতুন করে ভ্যাট, শুল্ক ও কর আরোপ করায় শিল্পটির টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। দেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টন রডের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন সক্ষমতা এক কোটি টনের বেশি। ফলে অধিকাংশ কারখানা ৫০ শতাংশের কম সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে, যা উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং উদ্যোক্তাদের আর্থিক চাপে ফেলছে। সংগঠনটি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির কারণে প্রতি টন রড উৎপাদনে অতিরিক্ত ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি বন্দর মাশুল, রিভার ডিউজ, ল্যান্ডিং চার্জ, পরিবহন ব্যয় ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে আরও প্রায় ৩ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট বৃদ্ধি, স্থানীয় স্ক্র্যাপের ওপর অতিরিক্ত ভ্যাট, ফেরো–অ্যালয়, রিফ্র্যাক্টরি সামগ্রী, স্পেয়ার পার্টস ও অন্যান্য উপকরণের ওপর কর ও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। তাতে প্রতি টন রড উৎপাদনে আরও প্রায় ২ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা খরচ বাড়তে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএর নেতারা দাবি করেন, বাজেটে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে প্রত্যক্ষ উৎপাদন ব্যয় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়বে। অন্যদিকে বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া, উৎপাদন সক্ষমতার অর্ধেকের কম ব্যবহার, ওভারহেড ব্যয়, ব্যাংকঋণের সুদ ও স্থায়ী ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পরোক্ষভাবে আরও পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে। সব মিলিয়ে প্রতি টন রডে উৎপাদনে অতিরিক্ত ব্যয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে। বিএসএমএর নেতারা বলেন, সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো উৎপাদন ও শিল্প সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন। সড়ক, সেতু, ফ্লাইওভার, রেলপথ, মেট্রোরেল, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল, আবাসন ও অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন হলে রডের চাহিদা বাড়বে। এতে মিলগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারবে। মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বড় অবকাঠামো নির্মাণ ও কার্যাদেশ বন্ধ আছে। কারণ, আগের ঠিকাদারেরা অনেকে গা ঢাকা দিয়েছেন এবং কেউ কেউ বিদেশে চলে গেছেন। এখন নকশা অনুমোদন না হওয়ায় অনেক কাজ আটকে আছে। উন্নয়ন বাজেট দ্রুত ছাড় করে নির্মাণশিল্প বাঁচানোর আহ্বান জানান তিনি। বিএসএমএর মহাসচিব ও রানি স্টিলের চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী বলেন, শিক্ষা বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বের হয়ে যেখানে কাজ করবে, তাদের ওপর করের বোঝা চাপানো হয়েছে। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হবে না। আবার অনেক কারখানা ব্যাংকের দায় শোধ করতে পারবে না। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও স্টিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মারুফ মহসিন, সিএসআরএমের পরিচালক জাকারিয়াসহ এ খাতের বিভিন্ন উদ্যোক্তা।