খেলাধুলা

আইসিসি সিদ্ধান্তের পর বিসিবির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া

Unknown জানুয়ারী ২৪, ২০২৬

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সম্প্রতি গৃহীত নতুন সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা আইসিসির নির্দেশনা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


বিসিবি সভাপতি এবং কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আইসিসির সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা। আমরা আমাদের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং মাঠ পরিচালনার সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়ন করব।
বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত মূলত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়মাবলী ও নীতিমালা সংশোধনের সাথে সম্পর্কিত। বোর্ড নিশ্চিত করেছে যে, বাংলাদেশের সব জাতীয় এবং প্রাদেশিক টুর্নামেন্ট আইসিসি নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয়োজন করা হবে।
একই সঙ্গে বিসিবি জানিয়েছে, তারা খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, কোচিং মান এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেবে না। আরও বলা হয়েছে, বোর্ড আইসিসির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে যাতে যে কোনো পরিবর্তন দ্রুত দেশের ক্রিকেটে প্রয়োগ করা যায়।
বিসিবির এই প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে স্বস্তি দিয়েছে, কারণ বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে আইসিসির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
এমবাপের অনুপস্থিতিতে বেলজিয়াম ম্যাচে ফ্রান্সের অধিনায়ক দেম্বেলে

চোটের কারণে কিলিয়ান এমবাপে ছিটকে যাওয়ায় বেলজিয়ামের বিপক্ষে ফ্রান্সের পরবর্তী ম্যাচে নেতৃত্ব দেবেন উসমান দেম্বেলে।   তুরস্কের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে হাঁটুতে চোট পান রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। পরে মেডিকেল পরীক্ষায় তার টেনডনে চোট ধরা পড়ে। ফলে আন্তর্জাতিক বিরতির বাকি সময়ের ম্যাচগুলোতে আর খেলতে পারবেন না তিনি।   ফ্রান্সের জাতীয় দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমবাপে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে মাদ্রিদে ফিরবেন। সেখানে তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলবে।   এমবাপেকে ছাড়া আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনটি ম্যাচ খেলবে ফ্রান্স। এর মধ্যে বেলজিয়ামের বিপক্ষে দুটি এবং ইতালির বিপক্ষে একটি ম্যাচ রয়েছে। এমবাপের জায়গায় নতুন কোনো খেলোয়াড়কে দলে ডাকার পরিকল্পনা নেই কোচ জিনেদিন জিদানের।   ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে, বর্তমান স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের নিয়েই পরবর্তী ম্যাচগুলোতে মাঠে নামবে দল। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে ব্রাসেলসের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে ফ্রান্সের। ওই ম্যাচে দেম্বেলের হাতে থাকবে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড।   ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে'কিপ জানিয়েছে, জাতীয় দলের হয়ে এই প্রথম পূর্ণ ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামবেন দেম্বেলে। এমবাপে না থাকায় বর্তমান স্কোয়াডের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবেই তার ওপর নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   ২৯ বছর বয়সী দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৮টি ম্যাচ খেলেছেন। তুরস্কের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও কিছু সময়ের জন্য নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তিনি। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে চোটের কারণে এমবাপে মাঠ ছাড়ার সময় দেম্বেলের হাতে আর্মব্যান্ড তুলে দেন। এরপর ম্যাচের বাকি সময়ে সেটি পরেই খেলেন তিনি।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অলিসেকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বায়ার্নের, বাড়তে পারে চুক্তির মেয়াদ

সংগৃহীত ছবি

টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো প্যারাগুয়ে

তিন বছর পর ফিরেও ইতালিকে জেতাতে পারেননি মানচিনি

এমবাপ্পের গোলে জয় পেলো জিদানের ফ্রান্স

জিনেদিন জিদানের অধীনে ফ্রান্সের শুরুটা হয়েছে জয় দিয়ে। শুক্রবার রাতে তুরস্কের বিপক্ষে নেশনস লিগের ম্যাচে একমাত্র গোলে ফ্রান্স হারিয়েছে তুরস্ককে। তবে গোল করে হাঁটুতে চোট পান ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ানে এমবাপ্পে। এতে করে চলতি আন্তর্জাতিক উইন্ডোর বাকি ম্যাচগুলোতে মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে তাকে।   তুরস্কের মাঠে মাইকেল অলিসের পাস থেকে ফ্রান্সের হয়ে ৬৭তম গোলটি করেন এমবাপ্পে। তার সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে জয় পায় ফ্রান্স। গোল করার কয়েক মুহূর্ত পরই মাঠে বসে বাঁ হাঁটু ধরে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় এমবাপ্পেকে।   কোনও প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ ছাড়াই শট নেওয়ার সময়ই চোটটি পান এমবাপ্পে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে মাঠে ফিরলেও কিছুক্ষণ পর আবার মাটিতে পড়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত তাকে তুলে নেন জিদান।     ম্যাচ শেষে এমবাপ্পের চোট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন জিদান। ফরাসি কোচ বলেন, ‘না, এটা ভালো নয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ভালো নয়। তাকে ফিরে যেতে হবে। আমরা কোনও ঝুঁকি নেব না। শট নেওয়ার সময় সে হাঁটুটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। বিষয়টি খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়।’   পরে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন জানায়, এমবাপ্পের টেন্ডনে চোট লেগেছে এবং চলমান আন্তর্জাতিক ক্যাম্পের বাকি অংশে তিনি আর খেলতে পারবেন না।   জিদানের প্রথম একাদশে বাঁ প্রান্তে খেলানো হয়েছিল এমবাপ্পেকে। অন্য প্রান্তে ছিলেন অলিসে। আক্রমণভাগে তাদের সঙ্গে ছিলেন উসমান দেম্বেলে ও রায়ান শেরকি।   প্রথমার্ধের শেষ দিকে অলিসের বাঁকানো শট দারুণভাবে ঠেকান তুরস্কের গোলকিপার উগুরচান চাকির। পরে রাবিওতও সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে তার শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে।   ম্যাচের শেষ দিকে তুরস্ক ১০ জনের দলে পরিণত হয়। বক্সের বাইরে হাতে বল স্পর্শ করায় লাল কার্ড দেখেন গোলকিপার উগুরচান চাখির। তবে ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি স্বাগতিকরা।   ফ্রান্সের ডাগআউটে অভিষেক ম্যাচে জয় পেয়ে সন্তুষ্ট জিদান। মাত্র তিন-চারটি অনুশীলন সেশনের পর এমন জয় দলকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস দেবে বলে মনে করেন তিনি।   ফ্রান্সের কোচ বলেন, ‘আমরা এই জয় নিয়ে সত্যিই খুশি। মাত্র তিন-চারটি অনুশীলন সেশনের পর এমন জয় আমাদের জন্য ভালো বার্তা দিচ্ছে।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগ প্রমাণিত

এমবাপ্পেকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না জিদান। ছবি : এক্স থেকে

হাঁটুর চোটে নেশনস লিগ থেকে ছিটকে গেলেন এমবাপ্পে

ছবি: সংগৃহীত

ইতালিকে হারিয়ে নেশন্স লিগে বেলজিয়ামের জয় দিয়ে শুরু

ছবি: সংগৃহীত
গোল করেই মাঠ ছাড়লেন এমবাপে, জিদানের ফ্রান্সের জয় দিয়ে শুরু

প্রথমার্ধে নিজের ছায়া হয়ে থাকা কিলিয়ান এমবাপে বিরতির পর এগিয়ে নিলেন দলকে। এরপরই তিনি মাঠ ছাড়লেন চোট নিয়ে। ফলে তুরস্ককে হারিয়ে নেশন্স লিগে শুভসূচনা করলেও, পুরোপুরি স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারল না ফ্রান্স।   প্রতিপক্ষের মাঠে শুক্রবার রাতে ১-০ গোলে জিতেছে জিনেদিন জিদানের দল।   এই ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্সের কোচ হিসেবে পথচলা শুরু হলো দলটির ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক জিদানের।   গোলরক্ষক লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ায় শেষ দিকে কিছুক্ষণ ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তুরস্ককে।   ‘এ’ লিগের এক নম্বর গ্রুপের ম্যাচটিতে বল দখলে ফ্রান্স এগিয়ে থাকলেও, আক্রমণে দুই দলই ছিল প্রায় সমানে-সমান। গোলের জন্য ফরাসিদের ১২ শটের চারটি ছিল লক্ষ্যে, সমান সংখ্যক শট নিয়ে স্বাগতিকরা লক্ষ্যে রাখতে পারে তিনটি।     প্রথম ১৫ মিনিটে দুই দলই বারবার অফসাইডের ফাঁদে পড়ছিল। সপ্তদশ মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগটি পান এমবাপে। মাইকেল ওলিসের পাস বক্সে পেয়ে ফরাসি অধিনায়কের নিচু শট পোস্টের একটু বাইরে দিয়ে যায়।   ২৮তম মিনিটে ভালো একটি সুযোগ আসে তুরস্কের সামনে। কিন্তু আর্দা গুল‍্যারের চমৎকার ক্রস বক্সে পেয়ে গোলরক্ষক বরাবর হেড করেন ফের্দি কাদিয়োগলু। দুই মিনিট পর বারিস ইলমাজ বক্সে পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদন করে তুরস্ক, কিন্তু রেফারির সাড়া মেলেনি।   ৪১তম মিনিটে দারুণ সুযোগ পান ফ্রান্সের রায়ান শের্কি। উসমান দেম্বেলের পাস বক্সে পেয়ে শট নিতে একটু বেশি সময় নিয়ে ফেলেন তিনি এবং শেষ পর্যন্ত তার শট আটকে দেন প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার।   একটু পর গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল সফরকারীরা। বক্সের বাইরে থেকে ওলিসের জোরাল শটে এক হাতে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান তুরস্কের গোলরক্ষক।   দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে দুর্দান্ত সেভে ফ্রান্সকে রক্ষা করেন মাইক মিয়াঁ। গুল‍্যারের কর্নারে বক্সে অরক্ষিত ইউকসেকের হেডে এক হাতে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান তিনি।   অবশেষে ৫৪তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙে। প্রতিপক্ষের থেকে আলগা বল পেয়ে ওলিসে পাস দেন এমবাপের উদ্দেশ্যে। বক্সের মুখে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শটে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে পাঠান রেয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড।   ফ্রান্সের রেকর্ড গোলস্কোরার এমবাপের গোল হলো ৬৭টি, ১০৭ ম্যাচে।   কিন্তু ঠিকমতো উদযাপনও করতে পারেননি তিনি। হাঁটু চেপে ধরে থাকতে দেখা যায় তাকে। পরে বসে পড়েন মাটিতে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েও আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি ২৭ বছর বয়সি তারকা।   ৭৮তম মিনিটে ওলিসের বদলি নামা বাহডলে বাহকোলা শেষ দিকে দারুণ একটি সুযোগ পান। পোস্ট ছেড়ে ডি-বক্সের বাইরে বেরিয়ে এসে তার প্রচেষ্টা শুয়ে পড়ে রুখে দেন তুরস্কের গোলরক্ষক।   রিপ্লেতে দেখা যায়, হাত দিয়ে বল স্পর্শ করেছিলেন তিনি, ফলে গোলের নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট হয়। ভিএআর পর্যালোচনার পর তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।   নির্ধারিত সময়ের তিন মিনিট বাকি থাকতে ১০ জনে পরিণত হওয়ার পর ম্যাচে ফেরার মতো কিছু করতে পারেনি তুরস্ক।  

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে প্রকাশ পেল মেসির শেষ ম্যাচের বিশেষ জার্সির ছবি

ছবি: সংগৃহীত

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন বাটলার

ছবি: সংগৃহীত

হারের পর অস্ট্রেলিয়ার শাস্তি

0 Comments