অন্যান্য

ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীকে নিজেই জেরা করার অনুমতি চাইলেন জুনাইদ আহমেদ পলক

মারিয়া রহমান জুন ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাক্ষীকে নিজেই জেরা করার অনুমতি চেয়েছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তিনি এ অনুমতি চান।

 

এ মামলার আরেক আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে সপ্তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া কবির হোসেন মৃধার জেরার নির্ধারিত দিন ছিল আজ। তবে আরও কিছু সময় দেওয়ার প্রার্থনা করেন পলকের আইনজীবী লিটন আহমেদ।

 

তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আইনজীবী আমিনুল গণি টিটোর মৃত্যুর পর মুনসুরুল হক চৌধুরীকে এ মামলায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে তিনি আজ আসতে পারেননি। এজন্য আমরা সময় চাই। কিন্তু তার আবেদনটি মঞ্জুর করেননি ট্রাইব্যুনাল।

 

কার্যতালিকায় থাকা আরেকটির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এ মামলার সাক্ষীর জেরা শুরু করতে বলা হয়। সেই অনুযায়ী দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জয়-পলকের মামলার জেরার কাজ শুরু হয়। 

 

এ সময় পলককে ট্রাইব্যুনালের এজলাসকক্ষে থাকা আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয়। কাঠগড়ায় উঠেই সাক্ষীকে নিজে জেরা করার অনুমতি চান তিনি।

 

ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে পলক বলেন, মাননীয় আদালত, আমি জেরা করার অনুমতি চাই। এ পর্যায়ে পলকের আইনজীবী লিটনও জানান, তার মক্কেল ১৫ মিনিট জেরা করতে চান। কিন্তু এতে আপত্তি জানান প্রসিকিউশন। 

 

প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, আইনে এ সুযোগ নেই। শুধুমাত্র আসামির আইনজীবীই জেরা করতে পারেন।

 

তখন আইনজীবী লিটন বলেন, পলক নিজেও একজন আইনজীবী। তিনি আইন সম্পর্কে ভালো জানেন। 

 

এরপরও অনুমতি না মেলায় কবির হোসেনকে জেরা শুরু করেন লিটন আহমেদ।

 

জেরায় আইনজীবীর প্রশ্নে কবির বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর আমি বিজয় মিছিলে অংশ নেইনি। ওই দিন রাতে হাসপাতালে পৌঁছে আমার ছেলেসহ আরও আটজনের লাশ দেখতে পাই। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাকে একটি কাগজ দিয়েছিল।

 

এ সময় সাক্ষীর উদ্দেশে আইনজীবী লিটন বলেন, বিজয় মিছিলে আনন্দ প্রকাশের কারণে গোলাগুলি হয়। সেই গুলিতেই আপনার ছেলে মারা গেছেন।

 

প্রশ্নটি পুরোপুরি বুঝতে না পেরে সাক্ষী প্রথমে হ্যাঁ জবাব দেন। তখন প্রসিকিউশন থেকে পুনরায় জিজ্ঞেস করতে বলা হয়। কিন্তু কাঠগড়ায় বসে আপত্তি জানিয়ে পলক বলেন, প্রসিকিউশন নিজে সাক্ষ্য দিলে কীভাবে সম্ভব।

 

এরপর সাক্ষী কবির বলেন, ৫ আগস্ট আমার ছেলে পুলিশ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। এ পর্যায়ে জেরার কার্যক্রম অসম্পন্ন রাখেন আইনজীবী লিটন আহমেদ।  

 

ঠিক তখনই ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে পলক বলেন, মাননীয় আদালত, আমি বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করতে চাই যে, সর্বশেষ সংশোধিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বি থেকে ই পর্যন্ত পড়েছি। এখানে আসামি নিজেই মামলা পরিচালনা করতে পারেন। আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহায়তা করতে চাই। আইনি সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। তবে আমাদের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো মারা গেছেন। তাকে হারিয়ে নাবিকবিহীন নৌকার মতো চলছি। এজন্য কিছু অধিকার দিলে মামলায় আমিও কাজ করতে চাই। একইসঙ্গে প্রিভিলেজ কমিউনিকেশনের জন্য সহায়তা চাই।

 

পরে পলকের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় কথা বলার জন্য মৌখিক আবেদন করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। একপর্যায়ে তাকে আধাঘণ্টা সময় দেন ট্রাইব্যুনাল।

 

এর আগে, ১৫ জুন সাক্ষ্য দেন কবির হোসেন। তিনি শহীদ সানজিদ হোসেন মৃধার বাবা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট উত্তরার বিএনএস এলাকায় বিজয় মিছিলে অংশ নিয়ে প্রাণ হারান তার ছেলে।

 

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান, মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

অন্যান্য

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশি পাসপোর্টে আগাম ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে ৩৫ গন্তব্যে

বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা? আগাম ভিসা সংগ্রহের ঝামেলা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের। তবে এসব গন্তব্যে প্রবেশের নিয়ম এক নয়। কোথাও সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা রয়েছে, আবার কোথাও পৌঁছানোর পর ভিসা নিতে হয় কিংবা ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক অনুমোদন সংগ্রহ করতে হয়।   যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী পাসপোর্ট সূচকের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। একই অবস্থানে রয়েছে উত্তর কোরিয়া। বিভিন্ন দেশের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই কতটি গন্তব্যে যেতে পারেন, তার ভিত্তিতে এ সূচক তৈরি করা হয়।   যেসব গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য আগাম ভিসা ছাড়াই প্রবেশ, অন-অ্যারাইভাল ভিসা অথবা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমোদনের সুবিধা থাকা ৩৫টি গন্তব্য হলো— ১. ভুটান ২. ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস ৩. বুরুন্ডি ৪. কম্বোডিয়া ৫. কোমোরোস ৬. কুক আইল্যান্ডস ৭. জিবুতি ৮. ডোমিনিকা ৯. ফিজি ১০. গ্রেনাডা ১১. গিনি-বিসাউ ১২. হাইতি ১৩. জামাইকা ১৪. কেনিয়া ১৫. কিরিবাতি ১৬. মাদাগাস্কার ১৭. মালদ্বীপ ১৮. মাইক্রোনেশিয়া ১৯. মন্টসেরাট ২০. নেপাল ২১. নিউয়ে ২২. বারবাডোস ২৩. রুয়ান্ডা ২৪. সামোয়া ২৫. সেশেলস ২৬. সিয়েরা লিওন ২৭. শ্রীলঙ্কা ২৮. সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস ২৯. সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিন্স ৩০. বাহামাস ৩১. গাম্বিয়া ৩২. তিমুর-লেস্তে ৩৩. ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩৪. টুভালু ৩৫. ভানুয়াতু   পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানে ওঠানামা দেখা গেছে। ২০২৫ সালে দেশটির অবস্থান ছিল ১০০তম। এর আগে ২০২৪ সালে ৯৭তম, ২০২৩ সালে ১০১তম, ২০২২ সালে ১০৩তম এবং ২০২১ সালে ১০৮তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। ২০২০ সালে অবস্থান ছিল ৯৮তম। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী সূচকে সিঙ্গাপুর শীর্ষস্থান দখল করেছে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের সর্বাধিকসংখ্যক গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুবিধা পান।   ভ্রমণের আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগ থাকলেও সব দেশে প্রবেশের শর্ত একই নয়। কোনো কোনো গন্তব্যে পৌঁছে ভিসা নিতে হয়, আবার কোথাও অনলাইনে নিবন্ধন বা ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। তাই বিদেশযাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি অভিবাসন ওয়েবসাইট বা দূতাবাস থেকে সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি পাসপোর্টের পর্যাপ্ত মেয়াদ, ফিরতি টিকিট, আবাসনের তথ্য, ভ্রমণ ব্যয়ের সামর্থ্যের প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা জরুরি। মনে রাখতে হবে, আগাম ভিসা না লাগা মানেই শর্তহীন প্রবেশের নিশ্চয়তা নয়। ভ্রমণের তারিখ ও গন্তব্য অনুযায়ী প্রবেশের নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে।

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যর্থতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, ফাঁদে পড়লেন ইশরাক : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি: সংগৃহীত

ইশরাকের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে গুঞ্জন, এর মধ্যেই হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট

ছবি: সংগৃহীত

৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা অর্জন করল কনফিডেন্স পাওয়ার

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ছবি : সংগৃহীত
গণমাধ্যমে পদত্যাগের খবরে প্রতিবাদ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ পাওয়ার খবরকে ‘অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে তার দপ্তর। এ ধরনের সংবাদে বিভ্রান্ত না হতে গণমাধ্যম ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।   একই সঙ্গে যেসব গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে, তাদের তা প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হয়েছে।   রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে এ দাবি করা হয়।   প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ‘পদত্যাগ’ বা ‘তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে’ মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা ‘সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।     প্রকৃত সত্য হিসেবে প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়, প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তার পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।   একটি মহল ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল’ এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এ ধরনের ‘কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে’ বলেও প্রতিবাদলিপিতে অভিযোগ করা হয়।   শনিবার নিজ সংসদীয় আসনে মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা নিয়েও প্রতিবাদলিপিতে বক্তব্য দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের যে ঘটনাটি ঘটেছিল, তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইতোপূর্বেই তার অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।   ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগের খবর প্রচারকে বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে। সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে খবর প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   এর আগে রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে খবর প্রকাশিত হয়। তবে এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   উল্লেখ্য, শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।   তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরতে বলছেন তিনি। এ সময় তার সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরাও কয়েকজনকে ধরতে এগিয়ে যান। ভিডিওতে একজনকে গুলি করার হুমকি দিতে শোনা যায়। এ ছাড়া একজন দেহরক্ষীকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়।   ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠেছে, মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরা ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে নিয়ে কাউকে আটক করতে কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না।   এদিকে এ ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে। রোববার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসন-২৩: প্রার্থী চূড়ান্তে কাল বিএনপির সাক্ষাৎকার

ছবি: সংগৃহীত

তেলের দাম নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, বিএনপি নেতা বহিষ্কার

শৈক্যসিং মারমা। ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানে ধর্ষণ মামলায় এনসিপি নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
ইতিহাসে প্রথমবার সবুজ নক্ষত্রের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

মহাকাশে প্রথমবারের মতো এমন এক নক্ষত্রের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, যা মানুষের চোখে সবুজ দেখায়। মৃতপ্রায় সূর্যের মতো নক্ষত্রের অবশিষ্টাংশ হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেত বামন নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এটির সন্ধান পান তারা।   সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্বেত বামন নক্ষত্রের বর্ণ বিশ্লেষণ করে এ গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব নক্ষত্রের রং শুধু সাদা বা নীল নয়; বরং কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে সবুজ কিংবা গোলাপি আভাও দেখা যেতে পারে।   গবেষণাটির প্রধান লেখক ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী মার্ক হল্যান্ডস বৃহস্পতিবার জানান, সাধারণ নক্ষত্রের রং মূলত তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। এ কারণে সেগুলো সাধারণত কমলা, সাদা বা নীল দেখায়। তবে শ্বেত বামন নক্ষত্রের বাইরের স্তরের ভৌত বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ায় সেগুলোর বর্ণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে।   কেন সবুজ দেখায় শ্বেত বামন নক্ষত্র? শ্বেত বামন হলো সূর্যের মতো নক্ষত্রের জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে তৈরি হওয়া অত্যন্ত ঘন অবশিষ্টাংশ। নক্ষত্রের জ্বালানি ফুরিয়ে গেলে বাইরের স্তর ঝরে পড়ে এবং অবশিষ্ট কেন্দ্রটি শ্বেত বামনে পরিণত হতে পারে। গবেষকদের মতে, শ্বেত বামনের বায়ুমণ্ডলে থাকা হিলিয়ামের সঙ্গে অন্যান্য মৌলের মিথস্ক্রিয়ার কারণে এর বর্ণে ভিন্নতা তৈরি হয়। নক্ষত্রের জীবনকালে আশপাশের বিভিন্ন পদার্থ এর সঙ্গে মিশে যাওয়ায় এই পার্থক্য দেখা দিতে পারে।   গবেষণায় শনাক্ত সবুজাভ নক্ষত্রটিতে প্রধানত ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম ও লিথিয়ামের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।   শ্বেত বামনের পৃষ্ঠে লোহা, ম্যাগনেসিয়াম ও সোডিয়ামের মতো মৌলও পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণত পাথুরে গ্রহ বা গ্রহাণুতে থাকে। কোনো গ্রহাণু শ্বেত বামনের খুব কাছে চলে এলে তার মহাকর্ষীয় আকর্ষণে সেটি ছিন্নভিন্ন হয়ে ধুলা ও ধ্বংসাবশেষে পরিণত হতে পারে। পরে এসব পদার্থ নক্ষত্রের বাইরের স্তরে মিশে যায়।   হল্যান্ডসের মতে, এসব পদার্থ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, পাথুরে বস্তুগুলো কী কী মৌল দিয়ে তৈরি ছিল।   গ্রহের গঠন জানতেও সহায়ক গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞান ও জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক অ্যাডাম বার্গাসার বলেন, শ্বেত বামন আশপাশের গ্রহের পদার্থকে ভেঙে নিজের মধ্যে মিশিয়ে নিতে পারে। পরে সেই পদার্থের উপাদান বিশ্লেষণ করে গ্রহটির গঠন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।   তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা আলামত বিশ্লেষণ করে অপরাধের রহস্য উদ্‌ঘাটনের মতোই বিজ্ঞানীরা এসব অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা করে গ্রহের অতীত সম্পর্কে তথ্য বের করেন। এর মাধ্যমে গ্রহ কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা বোঝার সূত্র পাওয়া যেতে পারে।   এই গবেষণায় পৃথিবী থেকে ২০ পারসেক বা প্রায় ৬৫ আলোকবর্ষের মধ্যে থাকা পরিচিত ১৫১টি শ্বেত বামন নক্ষত্র বিশ্লেষণ করেন হল্যান্ডস।   গবেষকেরা সরাসরি পৃথিবী থেকে এসব নক্ষত্রের রং দেখতে পারেন না। নক্ষত্রের আলোকে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে ভাগ করলে যে বর্ণালির সৃষ্টি হয়, তা বিশ্লেষণ করে নক্ষত্রের সম্ভাব্য রং নির্ণয় করা হয়েছে। আলোর এই বর্ণালিকে নক্ষত্রের এক ধরনের ‘আঙুলের ছাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।   গবেষণায় আরও একটি নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে, যেটিকে প্রায় স্যামন মাছের মাংসের মতো গোলাপি দেখানোর কথা জানিয়েছেন হল্যান্ডস। নক্ষত্রটিতে কার্বন অণুর উচ্চ ঘনত্ব থাকায় এমন বর্ণ তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   শ্বেত বামন নক্ষত্রের বৈশিষ্ট্য বোঝার নতুন পদ্ধতি গবেষণায় সরাসরি নতুন কোনো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের চেয়ে পরিচিত শ্বেত বামন নক্ষত্রের বৈশিষ্ট্য বোঝার একটি নতুন পদ্ধতি সামনে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।   যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট স্ক্র্যানটনের জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানী ও পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক অ্যাগনেস কিম বলেন, নক্ষত্রের বর্ণালি থেকে মানুষের চোখে সেটি কেমন দেখাবে, তা নির্ণয় করা পদার্থবিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞানের একটি আকর্ষণীয় সংযোগ।   তিনি আরও বলেন, কাছ থেকে দেখা সম্ভব হলে কিছু শ্বেত বামনকে সবুজ, আবার কিছু তারাকে গোলাপি দেখাত—এটি বেশ চমকপ্রদ।   হল্যান্ডস জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি শ্বেত বামন নক্ষত্রের বর্ণালি বিশ্লেষণের পরিকল্পনা রয়েছে তার। নতুন প্রযুক্তি ও বিভিন্ন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক জরিপের মাধ্যমে আরও দূরের নক্ষত্রের তথ্যও পাওয়া যাবে।   তার আশা, নতুন পর্যবেক্ষণের ফলে বর্ণালি-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া শ্বেত বামন নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় ১০ গুণ বাড়তে পারে। এতে সবুজাভ শ্বেত বামন নক্ষত্রের সংখ্যা এক বা দুটি থেকে বেড়ে ১০ থেকে ২০টিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।   গবেষণাটি আরএএস টেকনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টস (আরএএসটিআই) সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উত্তরা রণক্ষেত্র, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

ছবি: সংগৃহীত

‘ফরেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের’ শাসনে চলছে দেশ: হাসনাত

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ডের অনিয়ম নিয়ে মুখ খুললেন হাসনাত, বললেন যা

0 Comments