আন্তর্জাতিক

টানা তৃতীয় দফায় ভারতে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারতে আবারও পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। চলতি মাসে এ নিয়ে তৃতীয়বার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পেল।  খবর আল জাজিরার। 

 

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ০.৮৭ রুপি বেড়ে এখন হয়েছে ৯৯.৫১ রুপি (প্রায় ১.০৪ ডলার)। আর ডিজেলের দাম ০.৯১ রুপি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৪৯ রুপি (প্রায় ০.৯৭ ডলার) প্রতি লিটার।

 

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) দ্বিতীয় দফায় তেল বিপণন সংস্থাগুলো প্রতি লিটারে প্রায় ৯০ পয়সা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল।

ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিলেও, খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম বাড়াতে ভারত ছিল বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম শেষ দেশ।

এই তিন দফা মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভারতে জ্বালানির দাম মোট প্রায় ৫ রুপি পর্যন্ত বেড়েছে।

 

পেট্রোল ও ডিজেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ী, পরিবহন খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষ, নিয়মিত গণপরিবহন ব্যবহারকারী এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ককরোচদের’ দাবি মেনে সব এফআইআর খারিজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ‘তেলাপোকাদের’ দাবি মেনে নিয়েছে। যন্তর-মন্তর আন্দোলনের সময় গত ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখী পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে এবং তারপর ২৫ জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যত এফআইআর দায়ের হয়েছিল, সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সব খারিজ করে দিয়েছেন।      কেন্দ্রীয় সরকারের অনুরোধেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ককরোচ জনতা পার্টিকে (সিজেপি) খুশি করেছে। ফলে তারাও ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত বিক্ষোভ মিছিল করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এর ফলে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ঠিক আগে কেন্দ্রীয় সরকার এক বড়সড় বিড়ম্বনা এড়াতে পারল। ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বসছে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন।   নয়াদিল্লিতে যন্তর-মন্তর আন্দোলনের সময় সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছিল, তাতে পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে সব এফআইআর প্রত্যাহারের দাবি ছিল অন্যতম। জেন-জি প্রজন্মের দাবি মেনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। সিজেপি নেতাদের অন্য দুটি দাবির একটি ছিল আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্য পুলিশের করা এফআইআর প্রত্যাহার।    অন্যটি ছিল নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর দেশজুড়ে যেসব পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিলেন, তাদের পরিবারকে এককালীন অর্থ সাহায্য করা। এই দুই দাবি মানতে টালবাহানা করায় সিজেপি নেতৃত্ব ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইন্ডিয়া গেট থেকে মিছিল করে পুলিশ সদর দফতরে যাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেন।    বিক্ষোভ মিছিলে জেন-জি অটল থাকায় এবং তাদের বিরত করতে সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপে অস্বীকার করায় কেন্দ্রীয় সরকার এই পদক্ষেপে বাধ্য হয় বলে মনে করা হচ্ছে।     সিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ রুখতে শাসকগোষ্ঠীর অনুগত কেউ কেউ সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল, ব্রিকসের মতো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আগে এ ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশ দেশের ভাবমূর্তির পক্ষে ক্ষতিকর। অতএব তা বন্ধে সর্বোচ্চ আদালত হস্তক্ষেপ করুন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট সেই দাবি খারিজ করে দেন।       এর পরেই গতকাল সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশ। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর এজলাসে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে যেন সব এফআইআর খারিজ করে দেওয়া হয়।    একই সঙ্গে সলিসিটর জেনারেল এ কথাও বলেন, যেসব পরীক্ষার্থী নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দরুন আত্মহত্যা করেছেন, তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। সে জন্য সরকার ৯০ দিন সময় চেয়েছে।     সিজেপি নেতাদের দাবি ছিল, আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবার পিছু ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। সিজেপির সঙ্গে আলোচনার সময় দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং সেই দাবি নীতিগতভাবে মেনে নিয়েছিলেন।  কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি মেনে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পরেই সিজেপি নেতারা তাদের প্রস্তাবিত বিক্ষোভ মিছিল প্রত্যাহার করে নেন। সিজেপির যুগ্ম আহ্বায়ক সৌরভ দাস এক বিবৃতিতে সে কথা বলেন।    কেন্দ্রীয় সরকারের আরজি মেনে সুপ্রিম কোর্টের এই পদক্ষেপ সিজেপি নেতৃত্ব নিজেদের জয় বলে মেনে নিচ্ছেন। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, আসাম, মহারাষ্ট্রসহ অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২০-২৫ জুলাইয়ের আন্দোলনের জন্য দায়ের করা এফআইআর বাতিল তো হলোই, ওই অপরাধে কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নতুর করেও কোনো এফআইআর দায়ের করা যাবে না। দায়ের করা সব মামলা খারিজ বলে ধরে নেওয়া হবে। ফলে ১৩০টিরও বেশি এফআইআর গতকাল খারিজ হয়ে গেল।    সিজেপি নেতাদের মতো দিল্লি পুলিশও অবশ্য মনে করছে, এই সিদ্ধান্তে তারাও জয়ী। কারণ, তারা তাদের মনোভাবে অটল থাকতে পেরেছে। যন্তর মন্তরে ছাত্রসমাজের আন্দোলন ও ২০ জুলাই সংসদমুখী অভিযানকে কেন্দ্র করে ঘটা হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ দিল্লি পুলিশ মোট ২ হাজার ৮৭৩ জনকে চিহ্নিত করেছে, যাদের বিরুদ্ধে অতীত অপরাধের অভিযোগ আছে। সেই সব অভিযোগ গুরুতর।    দিল্লি পুলিশ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ‘ফেশিয়াল রেকগনিশন’ করে এই সিদ্ধান্তে এসেছে। এই ব্যক্তিদের ছেড়ে দিতে দিল্লি পুলিশ রাজি হচ্ছিল না।    তাদের দাবি, চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অতীতে নানা ধরনের গুরুতর অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপের পর তাদের বিরুদ্ধে অতীত অপরাধের অভিযোগে নতুন করে মামলা করা যাবে।   

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শাংহাই সম্মেলনের ছবিতে মোদিকে বাদ দিয়ে শেহবাজকে কেন্দ্রে

ছবি: সংগৃহীত

হিমালয়ে বাড়ছে হিমবাহ ধসের ঝুঁকি, আগাম আঁচ করা কি সম্ভব?

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে জোড়া ট্যাংকারে হামলা, ফের বাড়ল তেলের দাম

মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি: সংগৃহীত
শত্রুরা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থামাতে পারবে না : ইরান

ইরান তার সামরিক শক্তি আগের চেয়েও দ্রুত গতিতে বাড়িয়ে তুলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থামানো শত্রুপক্ষের পক্ষে আর কোনোভাবেই সম্ভব নয়।   ইরানের ফার্স বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতিবার যুদ্ধের মুখে পড়ে ইরানের সেনারা আরও নতুন শক্তিতে জেগে উঠেছে এবং আগের চেয়ে ভালো পারফর্ম করেছে।   শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে গালিবাফ আরও জানান, ভবিষ্যতে লড়াই হলে ইরান অস্ত্রের মান এবং সংখ্যা—উভয় দিক থেকেই শত্রুর চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকবে। ইরান কতটা শক্তিশালী, তা বুঝতে পেরে শত্রুরাও এখন মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে যে তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র রোখার সাধ্য তাদের নেই।   সূত্র: আল-জাজিরা।

মোঃ ইমরান হোসেন সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

৬ দিনে ১০০ উদ্ধার অভিযান, নেপালের এই নারী পাইলট এখন সাহসের প্রতীক

ছবি: সংগৃহীত

খনিজ সম্পদের টানে যুক্তরাষ্ট্রকে বিনিয়োগের আহ্বান তালেবানের

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের সংকটে সমর্থনের জন্য পুতিনকে পেজেশকিয়ানের কৃতজ্ঞতা

ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়া থেকে আরও এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত

ভারতের বিমান বাহিনীর জন্য ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য দূরপাল্লার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়া থেকে কিনছে দেশটি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে।   কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের বৈঠকের সময় এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রতিরক্ষা ও জ্বালানিসহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে।   ভারতে ‘সুদর্শন’ নামে পরিচিত এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের প্রতিহত করতে সফল ভূমিকা রেখেছিল। সর্বোচ্চ ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারণে শত্রুপক্ষের বিমান নিজ আকাশসীমাতেও নিরাপদ থাকে না। ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের প্রধান এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র জানান, এই ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে ৩১৪ কিলোমিটার দূরে থাকা পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি নজরদারি বিমান ধ্বংস করা হয়েছিল, যা দীর্ঘতম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের রেকর্ড।   ২০১৮ সালের চুক্তি অনুযায়ী পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে চারটি ভারত ইতোমধ্যে পেয়েছে এবং পঞ্চমটি আগামী নভেম্বরের মধ্যে হস্তান্তরিত হবে। নতুন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তিন বছরের মধ্যে সরবরাহ শুরু হতে পারে পরবর্তী ইউনিটগুলো।   সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেপাল-চীনে প্রলয়ঙ্করী বন্যা, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১ হাজার

ছবি: সংগৃহীত

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে আগ্রহী আরও ৬-৭ মুসলিম দেশ: পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে ৯ জন নিহত, আহত ১৪ জন

0 Comments