জাতীয়

তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হচ্ছেন যারা

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম‌্যান তা‌রেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশ যাত্রায় কারা হচ্ছেন সফরসঙ্গী তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে দলের নেতাকর্মীসহ অনেকের। 

 

জানা গেছে, বোয়িং ৭৮৭-৬ ড্রিমলাইনার এয়ারবাস দিয়ে পরিচালিত বিজি ২০২ ফ্লাইটে বিজনেস ক্লাসে তারেক রহমানের প‌ক্ষে মোট ৬টি টিকিট কেনা হয়েছে।

 

সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সা‌নি, দ‌লের প্রেস উইংয়ের সালেহ শিবলী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কামাল উদ্দীনের জন্য টিকিট কেনা হ‌য়েছে।

 

আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান চাচার সহযাত্রী হচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

এছাড়া এ ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসে এই ছয় জনের বাইরে নিজস্ব অর্থে যারা টি‌কিট কিনেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন—মাহিদুর রহমান, ম‌ু‌জিবুর রহমান মু‌জিব, খছরুজ্জামান খছরু, না‌সির আহমদ শাহীন, র‌হিম উদ্দীন, আসাদুজ্জামান আহমদ,‌ গোলাম রব্বানী, মঈন উদ্দীন, জুবা‌য়ের বাবু, এম এ সাল‌াম, ডা‌লিয়া লাকু‌রিয়া প্রমুখ। 

 

এ ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসের ওয়ানও‌য়ে টিকিট ৩ হাজার ৬০০ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। যা বাংলাদেশি টাকায় ৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। 

 

বিজনেস ক্লাসের বাইরে আরও প্রায় ৩৫ জন ইকোনমি ক্লাসের টি‌কিট কেটেছেন।

 

যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ফিন্ড, ইটালীর বিএনপি নেতারাসহ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কিছু নেতারাও ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কেটেছেন এ বিমানের ফ্লাইট। এর বাইরেও তারেক রহমানের গৃহকর্মীরাও আছেন। সব মিলিয়ে এই সংখ্যা ৫০ জনের বেশি।

 

যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বুধবার ভোরে বাংলা ট্রিবিউন প্রতিবেদককে জানান, ‘আমাদের নেতা উনার (তারেক রহমান) পরিবার ও ব্যক্তিগত স্টাফদের নিয়ে দেশে যাচ্ছেন। এর বাইরে অনেকেই যার যার ম‌তো টিকিট কেটে একই ফ্লাইটে যাচ্ছেন ব‌লে শুনেছি। তারেক রহমান সাহেব এয়ার‌পো‌র্টে বিদায় জানা‌তে বারবার নিষেধ করেছেন। তারপরও এলে আমার কিছু বলার নেই।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সংগৃহীত ছবি
সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট : আলী রীয়াজ

জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে ক্ষমতার ওপর একক ব্যক্তির কর্তৃত্ব থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পারব বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে বার বার এক ব্যক্তির মর্জির কাছে দেশটা তুলে দেওয়া হয়েছিল, সংবিধানের এই মারাত্মক দুর্বলতা দূর করার জন্যই জুলাই সনদ এবং গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।    আলী রীয়াজ বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলাপ আলোচনা করে জুলাই সনদ তৈরি করা হয়েছে যেখানে সংবিধানে সুস্পষ্ট কিছু পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে ক্ষমতার ওপর একক ব্যক্তির কর্তৃত্ব থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পারব।’ একক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার উদাহরণ দিয়ে ড. আলী রীয়াজ বলেন, ‘বর্তমান ব্যবস্থায় যে কোনো ব্যক্তি, যিনি অধস্তন আদালত থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আদালতে দণ্ডিত হয়েছেন, তাকে ইচ্ছা করলেই রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করে দিতে পারেন। বিদ্যমান সংবিধানে এই ব্যবস্থা আছে এবং তার ভয়াবহ অপব্যবহার করা হয়েছে। এখানে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা বলা হলেও আদতে তা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই হয়।   তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থা বন্ধ করতে জুলাই সনদে একটি কমিটি করার কথা বলা হয়েছে। উপরন্তু বিধান রাখা হয়েছে যে, ক্ষমা লাভের জন্য ক্ষতিগ্রস্তের পরিবারের সম্মতি ছাড়া রাষ্ট্রপতি কাউকে ক্ষমা করতে পারবেন না।তিনি বলেন, এই বিধান বাস্তবায়ন করতে গণভোটে জনগণের সম্মতি প্রয়োজন। এর আর কোনো বিকল্প নেই।   নির্বাচন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেবেন বলা হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর তালিকা নেয়া, সেই সাথে সার্চ কমিটির কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, গত তিনটি নির্বাচন নিয়ে তদন্ত করে দেখা গেছে যে রাজনৈতিক দল নাম না দেওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর একক ইচ্ছায় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ক্ষমতায় থাকার রাস্তা নিষ্কণ্টক করতে ভয়াবহ সব অনিয়ম অন্যায় করা হয়েছে। এমনকি দলীয় নেতারা শেখ হাসিনাকে আজীবনের প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘এমন কিছু যেন ভবিষ্যতে আর কেউ  করতে না পারে তা নিশ্চিতে রাজনৈতিক দলগুলো এক ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছরে সীমিত করার জন্য একমত হয়েছেন। এখন জনগণ গণভোটে হ্যা-তে রায় দিলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।’   গণভোটবিষয়ক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কারো কোনো ব্যক্তিগত লাভ হবে না। পরবর্তী যে সরকার দায়িত্ব নেবে তারাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে । একারণেই রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ নয় মাস আলোচনা করে তারপর জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়েছে। জুলাই সনদকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জনগণের সামাজিক চুক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, গণভোটে জনগণ হ্যা-এর পক্ষে রায় দিলে কোনো রাজনৈতিক দল এই নৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসবে না।’ সংবিধানে বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্মের বিষয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘গণভোটে জনগণ সম্মতি দিলে সংবিধানে বিসমিল্লাহ, মহান আল্লাহর উপর আস্থা ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকবে না বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জুলাই সনদে যে রাষ্ট্র ব্যবস্থার যে ৮৪টি বিষয়ে পরিবর্তনের  কথা হয়েছে তার কোনো স্থানেই এরকম কোনো কথা বলা হয় নাই।’ সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, সিলেটের পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. সৈয়দ শাহ এমরান, জাতীয় ইমাম সমিতির সিলেট মহানগরের সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব ও সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন প্রমুখ।

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্র: শিক্ষা উপদেষ্টা

সরকার গঠন করতে পারলে চাঁদাবাজদের নির্মূল করব: গাইবান্ধায় জামায়াত আমির

সিলেটে র‌্যাবের অভিযানে উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার

টাঙ্গাইলে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভা

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য, জেলা আমীর ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদের পক্ষে নির্বাচনী জনসভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টায় শহরের ঐতিহ্যবাহী শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে থাকেন দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে তারা নানা স্লোগানে মুখর করে তোলেন পৌর উদ্যান এলাকা। জনসভাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রাখেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদ। এ সময় তিনি বলেন, “টাঙ্গাইল সদর একটি ভৌগোলিক এলাকা নয়, এটি আমাদের আবেগ, আমাদের স্বপ্ন। এ এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও সম্মান প্রতিষ্ঠাই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আমি রাজনীতি করি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা করার জন্য।” তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং তরুণ সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া। টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জোটের প্রার্থী আহসান বলেন, আমি নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চাই। জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা সভাপতি এ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান শাওন, সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান রাসেল, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলাম, শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জায়েদ হাবিব, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলমগীর হোসেন, শহর সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, ইসলামি ছাত্রশিবিরের জেলার সাবেক সভাপতি মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ। জনসভায় ইসলামি ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি,ছাত্র মজলিস সহ ১০ দলীয় জোটের বিপুল সংখ্যক নেতা উপস্থিত ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

রাজৈরে ঐতিহাসিক ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণায় ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু

সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে

দ্রুত পোস্টাল ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচন কমিশনের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  যারা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন, তাদের ব্যালট পাওয়ার পর ভোট দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে হলুদ খামটি জমা দিতে বলা হয়েছে। আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনের এক বার্তায় এই বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়। ইসির বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটাররা ব্যালট পাওয়ার পর দ্রুত ভোটদান সম্পন্ন করে নির্ধারিত হলুদ খামটি ডাকযোগে পাঠিয়ে দিন। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ব্যালট পৌঁছাতে হবে। এই সময়ের পর কোনো ব্যালট পৌঁছালে তা গণনা করা হবে না। প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান আজ এ তথ্য জানান।  তিনি জানান, পোস্টাল ভোট দিতে দেশ ও বিদেশ থেকে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হয়েছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

ময়মনসিংহে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

শেরপুরে ১৩শ বোতল মদসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

ছবি : সংগৃহীত

পুঁজিবাদ ও বৈষম্যের সাপেক্ষে বাংলাদেশে মৌলবাদের পুনরুত্থান

0 Comments