জাতীয়

সৌদিতে চাকরির কথা বলে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে ফাস্টফুডের দোকানে ভালো চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নেওয়ার পর তাকে প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে আটকে রেখে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মানবপাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির মানবপাচার ইউনিট।

 

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. সালমান হোসেন (৩৩)। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার শংকরপুর (গাইনপাড়া) এলাকার মো. শহীদ শেখের ছেলে।

 

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ জানান, মামলার এজাহার ও প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চক্র সৌদি আরবে ভালো চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ব্যক্তিকে বিদেশে পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি হওয়ার পর তার কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নেয় চক্রটি। পরে ২০২৫ সালের ৭ জুন তাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়।

 

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো চাকরি দেওয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, সালমান হোসেন চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগীকে একটি বাসায় আটকে রাখেন। পরে আকামা করে দেওয়ার কথা বলে তার পরিবারের কাছে আরও টাকা দাবি করা হয়। টাকা আদায়ের জন্য তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতনও করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

সিআইডি জানায়, একপর্যায়ে কৌশলে ওই বাসা থেকে পালিয়ে মরুভূমি এলাকায় চলে যান ভুক্তভোগী। সেখানে স্থানীয় এক ব্যক্তির আশ্রয় নেন। পরে সৌদি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর ২০২৬ সালের ২২ জুলাই তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার থানায় মামলা করেন। মামলাটি ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি দায়ের করা হয়। এতে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬-এর ৬(২), ৭ ও ৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে সালমান হোসেনের সঙ্গে ঘটনার সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। সৌদি আরবে ভুক্তভোগী তার বাসাতেই আটক ছিলেন বলেও তদন্তে প্রাথমিকভাবে সত্যতা মিলেছে।

 

মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডির মানবপাচার শাখা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের, পলাতক আসামিদের এবং চক্রটির দেশি-বিদেশি সহযোগীদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি এ চক্রের মাধ্যমে আরও কেউ ভুক্তভোগী হয়েছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বিদেশে কর্মসংস্থান, অভিবাসন বা ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনে পড়ে অর্থ বা পাসপোর্ট হস্তান্তর না করার পরামর্শ দিয়েছে সিআইডি।

 

কর্মকর্তারা বলছেন, বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার অনুমোদিত বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বৈধতা যাচাই করা জরুরি। ভিসা দেওয়ার নামে অস্বাভাবিক অর্থ দাবি, পাসপোর্ট জিম্মি করে রাখা কিংবা ভিসা জালিয়াতি, মানবপাচার বা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহ হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সিআইডিকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
চট্টগ্রামের এসপিকে প্রধানমন্ত্রী, ‘কী খবর মাসুদ, ভালো?’

রংপুর ও রাজশাহী সফরের পর চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন সম্পন্ন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সামরিক বিমানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্যমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।   প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেনসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান ও বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রধানেরা।   বিমান থেকে নামার পর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময় নজর কাড়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতি। একপর্যায়ে শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে করমর্দন করার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনাকে আমাদের পক্ষ থেকে স্বাগত’।   পরে বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জে এম সেন হল পূজামণ্ডপে যান প্রধানমন্ত্রী।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২২, ২০২৬
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতিতে দেখতে চায় না জনগণ : স্পিকার

সংগৃহীত ছবি

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে রামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিনু

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই যমজ শিশুর

জনপ্রত্যাশা পূরণে দলমত-নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে : খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের সেবা করাই জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্ব। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।   তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্বে জড়ালে জনগণ, দল ও এলাকার ক্ষতি হবে। তাই সবাইকে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।   আজ বুধবার মানিকগঞ্জের সিংগাইর, হরিরামপুর, শিবালয় ও দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানান।   খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে দেশের বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি জনপ্রতিনিধিদের নিজ নিজ জেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নেওয়া, তাদের কোনো সমস্যা রয়েছে কি-না তা চিহ্নিত করা এবং সেসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।   মানিকগঞ্জের মানুষের ভালোবাসা ও নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন জানিয়ে আফরোজা খানম বলেন, জনগণের এই আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করে আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবো।   জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের মানুষ। দেশকে ভালোবাসি বলেই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।   মানিকগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশংসা করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ জেলার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। বিভিন্ন পূজামণ্ডপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও সহযোগিতা এই সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ ধরনের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সম্প্রীতির বন্ধন ভবিষ্যতেও অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।   আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সামনে ইউনিয়ন পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে যোগ্য ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।   পরিদর্শনকালে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে স্থানীয় সমস্যা ও উন্নয়নসংক্রান্ত নানা দাবি তুলে ধরা হয়। মন্ত্রী দাবিগুলোর সঙ্গে একমত পোষণ করে পর্যায়ক্রমে সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।   পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ২১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বুড়িগঙ্গার তীরে প্রতিমা বিসর্জনে দুর্গোৎসবের বিদায়, অপেক্ষা আগামী বছরের

ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় ‘বদর চুক্তি’

বস্তি থেকে ‘সবুজ কলোনি’, প্রধানমন্ত্রীর নজরে বাঁশবাড়ির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সংগৃহীত ছবি
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ গ্রেপ্তার

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।     মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।     সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস) মো. জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।     তিনি জানান, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততা পাওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে মাদারীপুর রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।     সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২১, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ক্রীড়া সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের চেতনাকে সুদৃঢ় করে : প্রধানমন্ত্রী

সরকারি লোগো।

প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

পানিসম্পদমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পাদনা করে অপপ্রচার : বাংলাফ্যাক্ট

0 Comments