খেলাধুলা

সেমিফাইনালে ৪ দলের অতীত পরিসংখ্যান

মারিয়া রহমান মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের অধিনায়ক (বাঁ থেকে) দক্ষিণ আফ্রিকার মার্করাম, নিউজিল্যান্ডের স্যান্টনার, ইংল্যান্ডের ব্রুক ও ভারতের সূর্যকুমার। ছবি: আইসিসি
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা চার দলের অধিনায়ক (বাঁ থেকে) দক্ষিণ আফ্রিকার মার্করাম, নিউজিল্যান্ডের স্যান্টনার, ইংল্যান্ডের ব্রুক ও ভারতের সূর্যকুমার। ছবি: আইসিসি


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষের শুরু হচ্ছে আগামীকাল। 

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে বুধবার (৪ মার্চ) প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে স্বাগতিক ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। 

দুুটি ম্যাচই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।


এবারের টি-টোয়েন্টি বিশকাপের সেমিফাইনাল অনেকটা বৈচিত্র্যময় হতে চলেছে। চার মহাদেশ থেকে চার দল উঠেছে শেষ চারে। চার দলেরই অতীতে একাধিকবার সেমিফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে। 

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামার আগে ভারত, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডর আগের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানগুলো দেখে নেওয়া যাক।

ইংল্যান্ড

সব মিলিয়ে ৬ বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। এবারসহ টানা পাঁচবার শেষ চারে উঠল ইংলিশরা। এর মধ্যে তারা তিনবার ফাইনালেও উঠেছে। ২০১০ ও ২০২২ আসরে শিরোপা জিতেছে আর ২০১৬ আসরে রানার্স আপ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।


২০২১ আসরের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড ও ২০২৪ আসরের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে যায় ইংল্যান্ড।


ভারত

আইসিসির ইভেন্টে রেকর্ড ২০ বার সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত। এর মধ্যে ছয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। আগের পাঁচবারের তিনবারই ফাইনালে উঠে দুবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। ২০০৭ সালে প্রথম ও ২০২৪ সালে সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।


২০১৬ সালে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে সেমিফাইনালে হারে ভারত। ২০২২ আসরের সেমিফাইনালে ভারত হারে ইংল্যান্ডের কাছে। ২০১৪ আসরে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিতলেও ফাইনালে হেরে যায় শ্রীলঙ্কার কাছে।

দক্ষিণ আফ্রিকা

এর আগে তিনবার সেমিফাইনাল খেলা দক্ষিণ আফ্রিকা ফাইনালে পৌঁছেছে একবার। এটা তাদের চতুর্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। প্রোটিয়ারা প্রথমবার সেমিফাইনাল খেলে ২০০৯ বিশ্বকাপে। সেবার তারা হারে পাকিস্তানের কাছে। এরপর ২০১৪ আসরের সেমিফাইনালে হেরে যায় ভারতের কাছে। সর্বশেষ ২০২৪ আসরের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে বিধ্বস্ত করলেও ফাইনালে ভারতের কাছে অবিশ্বাস্যভাবে হেরে যায়। 

নিউজিল্যান্ড

এটি নিউজিল্যান্ডের পঞ্চম সেমিফাইনাল। আগের চারবারের মধ্যে মাত্র একবারই সেমির বাধা টপকাতে পারে কিউইরা। তবে ২০২১ সালের সেই আসরের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে রানার্স আপ হয়। ২০০৭ ও ২০২২ আসরের সেমিফাইনালে তারা হারে পাকিস্তানের বিপক্ষে, ২০১৬ আসরে হারে ইংল্যান্ডের কাছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে কে কোন দলে

কদিন আগেও যে লিগের ভবিষ্যৎ ছিল অনিশ্চয়তার আঁধারে ঢাকা, সেই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ এখন শুরুর অপেক্ষায়। দেশের প্রধান লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দুই দিনের দলবদল শেষ হয়ে গেল রোববার।   গত মৌসুমের দল থেকে ধরে রাখার পাশাপাশি দলবদলের পর কাগজে-কলমে সবচেয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ১৬ বছরের শিরোপা খরা ঘোচাতে এবার মরিয়া ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড ও আরেক প্রতিষ্ঠিত শক্তি প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবও খুব পিছিয়ে নেই শক্তিতে। শুরুতে লিগ না খেলার ঘোষণা দিলেও পরে মতবদল কলে দল গোছানো লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ শেষ পর্যন্ত খারাপ করেনি। দ্বিতীয় দিনে চমক দেখিয়েছে তারা জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাসকে দলে নিয়ে। চমক দেখাতে পারে প্রিমিয়ারে উঠে আসা নতুন দল ঢাকা লিওপার্ডস। ঐতিহ্যবাহী এই টুর্নামেন্ট একসময় ছিল দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের মূল আসর। এখনও এটি দারুণ গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্ট। ক্রিকেটীয় দিক থেকে তো বটেই, জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা ক্রিকেটারদের রুটিরুজিরও বড় উৎস এই টুর্নামেন্ট। তবে এবারের আসর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় মূলত গত বিসিবি নির্বাচনকে ঘরে। সরকারের হস্তক্ষেপ ও প্রভাব বিস্তারের নানা অভিযোগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন অনেকেই। গত অক্টোবরে নির্বাচনের দুদিন আগে ঢাকা ক্লাব ক্রিকেট অর্গানাইজার্স অ্যাসোসিয়েশন নামক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়, নির্বাচন পিছিয়ে সুষ্ঠভাবে আয়োজন করা না হলে ঢাকার লিগ ক্রিকেট বর্জন করবে ক্লাবগুলি। ৪৮টি ক্লাব এই দাবিতে একমত বলে জানানো হয়েছিল তখন। সেই কথা অনুযায়ী আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে ‘অবৈধ সভাপতি’ দাবি করে নির্বাচনের পর সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বর্জন করে দলগুলি। জাতীয় নির্বাচনের পর বিসিবি নির্বাচনের অনিয়মত ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষ একটি কমটি করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সেই কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে আমিনুলের নেতৃত্বাধনী পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করে ক্রীড়া পরিষদ। লিগ নিয়ে জটিলতাও এরপর কাটতে শুরু করে।   দলবদলে কে কোন ক্লাবে: আবাহনী লিমিটেড: সৈয়দ খালেদ আহমেদ, সাব্বির রহমান, জাকের আলি, মারুফ মৃধা, অনিক সরকার, রোহানাত দৌলা বর্ষণ, সাব্বির হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, ইকবাল হোসেন ইমন, সৌম্য সরকার। গতবারের দল থেকে ধরে রাখা: নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন, জিসান আলম, এসএম মেহেরব, রকিবুল হাসান, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, শামসুল ইসলাম অনিক, নাঈমুর নয়ন, মেহেদি হাসান।   অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব: তৌফিক খান তুষার, তোফায়েল আহমেদ, আশরাফুল হাসান, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, নাসির হোসেন।   বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স: রাজিব দাস, আল আমিন, রুয়েল মিয়া, ইফরান হোসেন, নাহিদুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, আসাদুজ্জান পায়েল, জায়েদ উল্লাহ, ইমরানউজ্জামান।   ব্রাদার্স ইউনিয়ন: মইনুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মেহেদি হাসান সোহাগ, রানা শেখ, মিনহাজুল আবেদিন আসিফ, শফিকুল ইসলাম, মোহর শেখ, ফয়সাল সরকার রায়হান, আদিল বিন সিদ্দিক, নাঈম হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু, গোলাম কিবরিয়া, সাজিদ হোসেন সিয়াম, মইনুল ইসলাম প্রধান দিপ, শাহরিয়ার কমল।   সিটি ক্লাব: শাকিল হোসেন, আহরার আমিন, গাজি তাহজিবুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, মিজানুর রহমান, ফাহিম হাসান, নিহাদ উজ জামান, এনামুল হক আশিক, সাজ্জাদুল হক রিপন, মেহেদি মারুফ, এনামুল হক, সাদিকুর রহমান, তৌফিক আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, আবির হোসেন।   ঢাকা লিওপার্ডস: সৈকত আলি, মেহেদি হাসান, শেখ পারভেজ জীবন, ইফতিখার হোসেন ইফতি, মইন খান, মোহাম্মদ মিঠুন, আল ফাহাদ, ওয়াসি সিদ্দিক, দেবাশিস সরকার দেবা, মুমিনুল হক, জাকির হাসান, হাসান মুরাদ, জাওয়াদ আবরার, আলাউদ্দিন বাবু, আরাফাত সানি।   গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স: ইমন আলি, অভিষেক দাস, আজিজুল হাকিম রনি, নাঈম আহমেদ, তাফসির আরাফাত তাসিব, রুবেল মিয়া, প্রিতম কুমার, রাহিম আহমেদ।   গুলশান ক্রিকেট ক্লাব: বিশাল চৌধুরি, কে.এম. আতিকুর রহমান, মুসাব্বের হোসেন মুন, ইসলামুল হোসেইন আবির, তাসদিকুর রহমান, শরিফ সরকার।   লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ: ইরফান শুক্কুর, সফর আলি, রিফাত বেগ, নাসুম আহমেদ, আশিকুর রহমান শিবলি, রবিউল ইসলাম রবি, আহমদ শরিফ, হাবিবুর রহমান সোহান, মেহেদি হাসান মিরাজ, লিটন কুমার দাস, শাহরিয়ার আহমেদ, আইচ মোল্লা।   মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব: এনামুল হক বিজয়, পারভেজ হোসেন ইমন, ইয়াসির আলি চৌধুরি, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি, নাঈম আহমেদ, তাইবুর রহমান পারভেজ, রিপন মন্ডল, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, তানভির ইসলাম, রিশাদ হোসেন, আফিফ হোসেন, মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন চৌধুরি, তাওহিদ হৃদয়।   প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব: আবু হাশিম, মাহমুদউল্লাহ, আলিস আল ইসলা,, রায়ান রাফসান রহমান, হাবিবুর শেখ মুন্না, আজিজুল হাকিম তামিম, খালিদ হাসান, আকবর আলি, শামিম মিয়া, আবু হায়দার রনি, এনামুল হক, মেহেদি হাসান, রিজান হোসেন, ইকবাল হোসেন, তানজিদ হাসান, তানজিম হাসান, টিপু সুলতান, আরিফুল ইসলাম।   রূপগঞ্জ টাইগার্স: হুমায়ুন আহমেদ, মো. রাকিব, শাকির হোসেন শুভ্র, তন্ময় আহমেদ, মুক্তার আলি, মো আব্দুল্লাহ, কালাম সিদ্দিকি, সুমন খান, রকিবুল আতিক।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আর্সেনালকে হারিয়ে শিরোপার দৌড়ে আগুন ঝরালো সিটি

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন

ছবি : সংগৃহীত

আইপিএলে পেইনের পরিবর্তে কোয়েৎজি

ছবি : সংগৃহীত
সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে লিটন

বাংলাদেশের ১৪তম খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডেতে শততম ম্যাচ খেলার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাস।  আগামীকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে খেলার সুযোগ পেলে দেশের হয়ে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করবেন লিটন। ২০১৫ সালের জুনে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় লিটনের। এরপর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি।  এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে ৯৯ ম্যাচের ৯৮ ইনিংসে ৫টি সেঞ্চুরি ও ১২টি হাফ-সেঞ্চুরিতে ২৭০০ রান করেছেন লিটন। তার ব্যাটিং গড়- ৩০.৩৩ এবং স্ট্রাইক রেট ৮৫.৭৬। পাশাপাশি উইকেটরক্ষক হিসেবে ৬৮টি ক্যাচ ও ৫টি স্টাম্পিং করেছেন।  লিটনের আগে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে শততম ম্যাচ খেলেছেন ১৩জন ক্রিকেটার। তারা হলেন- মুশফিকুর রহিম (২৭৪ ম্যাচ), সাকিব আল হাসান (২৪৭ ম্যাচ), তামিম ইকবাল (২৪৩ ম্যাচ), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (২৩৯ ম্যাচ), মাশরাফি বিন মর্তুজা (২১৮ ম্যাচ), মোহাম্মদ আশরাফুল (১৭৫ ম্যাচ), আব্দুর রাজ্জাক (১৫৩ ম্যাচ), খালেদ মাসুদ (১২৬ ম্যাচ), মোহাম্মদ রফিক (১২৩ ম্যাচ), মুস্তাফিজুর রহমান (১১৯ ম্যাচ), মেহেদী হাসান মিরাজ (১১৮ ম্যাচ), হাবিবুল বাশার (১১১ ম্যাচ) এবং রুবেল হোসেন (১০৪ ম্যাচ)।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আরও ১৭১ জন ক্রীড়াবিদ পেলেন পেশাগত স্বীকৃতির ‘ক্রীড়া কার্ড’

ছবি : সংগৃহীত

সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী শরিফুল

ছবি : সংগৃহীত

সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয়ই প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশের

মোস্তাফিজুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
সিরিজ বাঁচাতে একাদশে মোস্তাফিজ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে হেরে গেছে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচ শুরুর আগ মুহুর্তে ইনজুরির কারণে ছিটকে যান দলের সেরা তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। আগামীকাল সোমবার (২০-০৪-২৬) সিরিজ বাঁচানোর লড়াই, এই ম্যাচে বাঁহাতি কাটার মাস্টারকে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে ভক্ত-সমর্থকদের মনে বেশ কৌতূহল জেগেছে।   ফলে আজ রোববার (১৯-০৪-২৬) সংবাদ সম্মেলনে আসা পেসার শরিফুল ইসলামকেও কাটার মাস্টারের প্রসঙ্গে প্রশ্ন ছুড়ে দেন গণমাধ্যমকর্মীরা। এ প্রসঙ্গে শরিফুল ইসলাম ইতিবাচক উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘উনি (মোস্তাফিজ) এখন মোটামুটি সুস্থ। আলহামদুলিল্লাহ।’ ধারণা করা হচ্ছে কালই একাদশে ফিরবেন দ্য ফিজ।   প্রথম ম্যাচে টস করার জন্য যখন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ ও নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই ছুটে যান হেড কোচ ফিল সিমন্স। এরপর মিরাজের সঙ্গে কথা বললেন। ঠিক তখনই বদলে যায় প্রথম ওয়ানডে দলের তালিকা।   কী হয়েছে, ঠিক বোঝা যাচ্ছিল না। তবে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটতে সময় লাগেনি। শেষ মুহূর্তের চোটে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে যান মোস্তাফিজ। বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল বলেন, ‘মোস্তাফিজ ওয়ার্মআপের সময়ে ডান হাঁটুতে অস্বস্তি বোধ করেছে। ঠিক টসের আগে এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া হয়েছে যে, সে আজ খেলছে না। শরিফুল খেলছে তার জায়গায়।’

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ম্যাচটি যদি হয় তাহলে দ্বিতীয়বারের মতো একে অপরের মুখোমুখি হবে এই দুই দল। ছবি : সংগৃহীত

শেষবার কবে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও পাকিস্তান?

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপ জয়ের বিশ্বাস হারাচ্ছে ব্রাজিলিয়ানরা

ছবি : সংগৃহীত

চেলসির স্বপ্ন ভাঙল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে, রেলিগেশন জোনে টটেনহাম হটস্পার

0 Comments