জাতীয়

প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে সন্তানের আয়করের হিসাব দেওয়ার বিষয়ে স্পষ্টতা চায় বিএনপি

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ 0

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে সন্তানের আয়করের হিসাব দেওয়ার বিষয়ে স্পষ্টতা চায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

আজ রোববার দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই বিষয়টা নিয়ে একটা জটিলতা হয়ে গেছে। এ জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনকে একটা চিঠি দিয়েছি এবং তাদের সঙ্গে আজকে আমরা কথা বললাম যে এই বিষয়টা যদি খুব দ্রুত স্পষ্ট করা না হয়, যদি এটা থেকে যায় এইভাবে তাহলে খুব সংগত কারণেই সমস্যা সৃষ্টি হবে।’

তিনি বলেন, ‘আরপিওতে (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) না থাকা সত্ত্বেও মনোনয়নপত্রে প্রত্যেকটা কলাম পূরণ করতে হয়। সেখানে একটা জায়গায় বলা আছে, সন্তানেরও আয়করের হিসাব দিতে হবে। কিন্তু আরপিওতে বলা আছে এবং আমরা সবাই জানি যে প্রার্থীর ওপর নির্ভরশীল যারা তাদের হিসাবটা দিতে হয়। কিন্তু এবার সেটার সাথে সন্তান বলে একটা কলাম করা হয়েছে। যেটা নিয়ে সব জায়গায় একটা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে যে এর মানেটা কি? কারণ অনেকের সন্তান নিজেই উপার্জন করে এবং তারা নির্ভরশীল নন। অনেকে দেশের বাইরে থাকেন। তারা নিজেরা আলাদাভাবেই ট্যাক্স দেয়।’

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হলে তারা একমত পোষণ করেন এবং জানান যে এখানে কেবল 'নির্ভরশীল সন্তান' বোঝানো হয়েছে। এছাড়া কমিশন এ বিষয়ে দ্রুত স্পষ্ট করে নির্দেশনা জারি করবে বলে বিএনপিকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

এটি শুধু বিএনপি নয় বরং সব দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্যই সুবিধাজনক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বিএনপি। প্রযুক্তি ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর অপব্যবহার সমাজ ও সভ্যতার জন্য ক্ষতিকর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই ব্যবহার করে কেউ যেন অপপ্রচার বা মানহানিকর কিছু করতে না পারে সে ব্যাপারে ইসিকে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে এবং ভুয়া তথ্য বা ফেক নিউজ দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ ও নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার বসছে সংসদ, আজ স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর এটি হবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন নতুন সংসদের প্রথম যাত্রা।   তবে নতুন সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার কে হচ্ছেন এবং উদ্বোধনী বৈঠকে কে সভাপতিত্ব করবেন— এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বুধবার। বুধবার সকালে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–এর সভাপতিত্বে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই বৈঠকেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হতে পারে। স্পিকার পদে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক–এর নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে দলীয় মহলে হাফিজ উদ্দিন আহমদের সম্ভাবনা বেশি বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, বুধবারের বৈঠকেই অধিবেশন শুরুর সভাপতিত্বসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে জামায়াতের অবস্থান ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী আইনসভাকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপি ইতোমধ্যে ডেপুটি স্পিকারের পদটি প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–কে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে জামায়াত এই পদটিকে ‘রাজনৈতিক অনুগ্রহ’ হিসেবে নয়, বরং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর প্রতিফলন হিসেবে পেতে আগ্রহী। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বিরোধী দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।   প্রথম দিনের কার্যসূচি রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন–এর আহ্বানে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অধিবেশন শুরু হবে। সাধারণত বিদায়ী স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। তবে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন এবং তৎকালীন ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু বর্তমানে কারাগারে থাকায় তৈরি হয়েছে ভিন্ন পরিস্থিতি। এ অবস্থায় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো সংসদ সদস্য প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন–এর নাম আলোচনায় রয়েছে। সভাপতির সূচনা বক্তব্যের পর সংসদে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে। পরে তাদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় অধিবেশনে স্বল্প বিরতি থাকবে। বিরতির পর নতুন স্পিকারের সভাপতিত্বে আবার সংসদের কার্যক্রম শুরু হবে। সাধারণত এ সময় জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যরা নতুন স্পিকারকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন এবং বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়ে থাকেন। শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়া হবে। পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে এবং অধিবেশনজুড়ে সংসদ সদস্যরা এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা করবেন। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদের প্রথম বৈঠকে উত্থাপন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ সেগুলো অনুমোদন না করলে অধ্যাদেশগুলোর কার্যকারিতা বাতিল হয়ে যাবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাই করে পরে অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সংসদ অধিবেশন সামনে রেখে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠক

ছবি : সংগৃহীত

পরিপত্রের নির্দেশনা উপেক্ষা? দেরিতে অফিসে এলেন শেরপুর সদর এসিল্যান্ড

ছবি : সংগৃহীত

পে স্কেল বাস্তবায়ন আবারও পিছিয়ে যাচ্ছে

ছবি : সংগৃহীত
১২ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৩৯১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী

মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশপথে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে।   এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা বহু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বুধবার (১১ মার্চ) নতুন করে আরও ২৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১২ দিনে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯১টিতে।   বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, আকাশপথ বন্ধ থাকায় ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি এবং ১০ মার্চ ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। বুধবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে— কুয়েত এয়ারের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএই) ৪টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইন্সের (ইউএই) ৪টি, জাজিরা এয়ারের (কুয়েত) ৪টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের (ইউএই) ৪টি ফ্লাইট। সব মিলিয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে এখন পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯১টি।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সম্পর্কের বরফ গলার আভাস দিচ্ছে ডিজিএফআই প্রধানের ভারত সফর

সংগৃহীত ছবি

প্রতিষ্ঠানপ্রধান হতে লাগবে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা

সংগৃহীত ছবি

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ তথ্য চেয়ে ইসির নির্দেশনা

ছবি : সংগৃহীত
গণভোট ইস্যুতে সংসদে আসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গণভোটের রায়কে সম্মান জানাতে হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে আগে সংসদে অংশ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।   বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করতে হলে আগে সংসদে যেতে হবে। সেখানে আলোচনা ও পর্যালোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নতুন করে শপথ গ্রহণসহ অন্যান্য বিষয়ও নির্ধারিত সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।   সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। যারা দাবি করেন যে নির্বাচনে চক্রান্তের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করা হয়েছে, তাদের জন্য সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখা নাজায়েজ। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পর সমালোচক অনেক রাজনৈতিক দলও ওই সনদে স্বাক্ষর করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সংবিধান মেনেই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। গণভোটের রায় কার্যকর করতে হলে সংসদে আলোচনা অপরিহার্য। বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করবে এবং উপরাষ্ট্রপতির পদসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আগে সংসদে আসতে হবে, তারপর গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। যতটুকু বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হয়েছে, ততটুকু বাস্তবায়ন করা হবে। সব পক্ষের আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতেই সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ দাবির অভিযোগ, তদন্ত শুরু

ছবি : সংগৃহীত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেন প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাড়াচ্ছে ইউএস-বাংলা, যুক্ত হলো শারজাহ ও আবুধাবি

0 Comments