জাতীয়

মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার দায়িত্বশীলরা সরকারি ভাতা পাবেন: শামা ওবায়েদ

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর- (সালথানগরকান্দা) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, তিনি সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করেন না। হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে থাকবে এবং সব ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেএটাই গণতন্ত্র বিএনপির আদর্শ।

 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের পুটিয়া বাজারে আয়োজিত নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

শামা ওবায়েদ বলেন, গত বছর দুর্গাপূজায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির নেতাকর্মীরা দিন-রাত পূজা মণ্ডপ পাহারা দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি জীবিত থাকলে সব ধর্মের মানুষ নিরাপদে থাকবে।

 

তিনি আরও বলেন, বিএনপির কেউ যদি চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি বা টেন্ডারবাজিতে জড়িত হয়, তাহলে তাকে সরাসরি পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।দলকে কলঙ্কিত করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সালথার মাটিতে দুর্নীতি মাদককে না বলতে হবে,”—বলেন তিনি।

 

নিজ নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমি আপনাদের পাশে আছি। বাবা কেএম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুর পর থেকে আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। হয়তো সবকিছু করতে পারিনি, কিন্তু কাউকে ক্ষতি করিনি।

 

তিনি বলেন, সালথা-নগরকান্দার সব মসজিদ-মাদ্রাসা আলেম সমাজের পাশে তার বাবা আজীবন ছিলেন। এমন কোনো মসজিদ-মাদ্রাসা নেই যেখানে তিনি সহযোগিতা করেননি।

 

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে মসজিদের ইমাম মাদ্রাসার দায়িত্বশীলরা সরকারি ভাতা পাবেন, যা আগে কোনো সরকার দেয়নি। আলেম সমাজ বিএনপি ধানের শীষের কাছে নিরাপদ থাকবে।

 

উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একা একা উন্নয়ন সম্ভব নয়। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। সালথায় শিশুদের খেলাধুলার জন্য একটি সুন্দর মাঠের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে শিশুরা খেলাধুলার মাধ্যমে মেধা বিকাশ করতে পারে।

 

উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহিন মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুর রহমান, যুবদল নেতা তৈয়াবুর রহমান মাসুদ, হাসান আশরাফসহ বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এক দশক পর পাবনায় 'চরমপন্থিদের' পোস্টার, আতঙ্ক

পাবনায় এক দশকেরও বেশি সময় পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল-লাল পতাকা) দেয়াল লিখন ও পোস্টার দেখা গেছে। এতে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোজার ঈদের দিন রাতে আতাইকুলা থানা এলাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার সাঁটানো হয়। পোস্টারে সর্বহারার সমাজতন্ত্র কায়েমের পাশাপাশি স্থানীয় তাঁত শিল্প রক্ষার কথা বলা হয়েছে। রোববার সকাল থেকে একদন্ত, লক্ষ্মীপুর, বৃহস্পতিপুর, ভুলবাড়িয়া, তেবাড়িয়া, শ্রীপুর, শিবপুর, শরৎগঞ্জ, ধানুয়াটা, বালুঘাটা, আয়েনগঞ্জ, হাদল, ধূলাউরীসহ বিভিন্ন বাজারে এই পোস্টার দেখতে পান স্থানীয়রা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, রাতের আঁধারে এসব পোস্টার লাগানো হয়েছে। সকালে উঠে এগুলো দেখার পর থেকেই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুরনো রক্তক্ষয়ের দিনের কথা মনে করে তারা আতঙ্কিত। একজন ব্যবসায়ী বলছিলেন, 'আগে সকালে ঘুম থেকে উঠেই মার্ডারের খবর শুনতে হত। ওই দিন আর চাই না।' সংগঠনটির এক কর্মী বলেন, 'বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের কারণেই তারা আবারও সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন।' বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিপুল সংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করায় সংগঠনটি প্রায় নেতৃত্বশূন্য ও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। দলের আত্মসমর্পণ করা এক কর্মী বলছিলেন, 'আমরা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় আছি। স্বাভাবিক কাজকর্ম করে চলছি। আর ওই অন্ধকার জগতে ফিরতে চাই না। ওই সময়ে সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তায় আমরা বর্তমানে ভালো আছি।' এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ওসি জামিরুল ইসলাম বলেন, 'পোস্টারিংয়ের খবর পাওয়ার পর আমি থানা পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নমুনা সংগ্রহ করেছি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার মতো কোনো অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। কারা এই পোস্টারিংয়ের সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা স্বাভাবিকভাবে জীবন-যাপন করছেন। তারা আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখতে চান না।'

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
পেট্রোল পাম্প। ছবি : সংগৃহীত

দেশে পেট্রোল পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই

ছবি: সংগৃহীত

সামনে কঠিন সময়, তেলের দাম ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে: মির্জা ফখরুল

পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে গৃহবধূ নিহত, আহত ১০

ছবি: সংগৃহীত
হাদি হত্যাকাণ্ড: খুনিদের ফেরাতে ১৫ দিনের সময় বেঁধে দিল ইনকিলাব মঞ্চ

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে ১৫ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একইসঙ্গে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে সংগঠনটি।   রোববার রাতে সংগঠনটির সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আলটিমেটাম ঘোষণা করা হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-এ আটক হওয়ার পর রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হয়েছে এবং পুনরায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এ পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা উদ্বেগজনক।   সংগঠনটি জানায়, আসামিদের গ্রেপ্তারকে প্রথমে সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হলেও বর্তমান পরিস্থিতি সেই ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এ অবস্থায় তারা ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেছে।   দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম শুরু করে ১৫ দিনের মধ্যে আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা; হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করে নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন; আসামিরা কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছে এবং কারা সহায়তা করেছে তা তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও নাম প্রকাশ; ভারতের আইনি জটিলতা মোকাবিলায় বিশেষ আইনি সেল গঠন; এবং বিচার প্রক্রিয়া উন্মুক্তভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করা।   সংগঠনটি আরও সতর্ক করে বলেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ঢাকাসহ সারা দেশে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আক্তারুজ্জামান মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ শেষে ঢাকামুখী ঢল, ট্রেন দেরিতে ছেড়ে বাড়ছে ভোগান্তি

ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে ব্যাংক, অফিস ও আদালত

ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত
রামু স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শয্যা বাড়ানোর তাগিদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কক্সবাজারের রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা জরুরি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রামু একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী উপজেলা হওয়ায় এখানে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো সময়ের দাবি।   রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রামু ফুটবল চত্বরে অবস্থানকালে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে সীমিত শয্যা ও জনবল নিয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হয় সংশ্লিষ্টদের। এ অবস্থায় হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১০০-তে উন্নীত করা প্রয়োজন। এ সময় সাবেক জেলা ছাত্রদল নেতা ডা. মোহাম্মদুল হক জনির নেতৃত্বে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, চিকিৎসক সংকট নিরসন এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া রামু ফুটবল চত্বরের অবস্থান পুনর্বিন্যাস নিয়েও আলোচনা হয়। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে পূর্বের ন্যায় খালেকুজ্জামান চত্বর বহাল রাখা এবং পুরাতন বাইপাস সড়কের পাশে ফুটবল চত্বর পুনঃস্থাপনের দাবি জানানো হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ২৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তাহীনতায় পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামানোর প্রত্যয় ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

সংগৃহীত ছবি

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারতের অর্থ সহায়তা তলানিতে

0 Comments