প্রবাসী

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে ৭ হাজারের বেশি অবৈধ প্রবাসী আটক

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন দেশের কতজন আটক হয়েছেন, তা জানানো হয়নি।

 

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যারা আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।

 

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ে আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য।

 

এ ছাড়া ১ হাজার ২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায়, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থানের কারণে।

 

আরও ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গসংক্রান্ত। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধে নথিভুক্ত হয়েছে।

 

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিক রয়েছেন।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফিরল প্রবাসীর মরদেহ, শোকে স্বজনরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মুন্সীর (৪০) মরদেহ দেশে এনে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর শুক্রবার সকালে নিজ গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।   শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের উত্তর রাকুদিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী অংশ নেন।   আসাদুজ্জামান মুন্সী উত্তর রাকুদিয়া গ্রামের মরহুম আবুবকর মুন্সীর ছেলে। গত ৩০ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মস্থলে যাওয়ার পর হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে ইডেনভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   মৃত্যুর পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশে অবস্থানরত তার সহকর্মী, বন্ধু এবং একই এলাকার প্রবাসীরা মরদেহ দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেন। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করে মাত্র সাত দিনের মধ্যে মরদেহ দেশে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।   মরহুমের মেজ ভাই কামরুজ্জামান মুন্সী বলেন, আমার বড় ভাই ২০১৪ সালে চাকরির সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। পরে সেখানে চাকরির পাশাপাশি ব্যবসাও শুরু করেন। প্রবাসে দীর্ঘদিন কাটিয়েছেন। তার মরদেহ দ্রুত দেশে এনে আমাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় আমরা তার সহকর্মী ও বন্ধুদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষে লন্ডনে ‘বিপ্লব সমাবেশ’

ছবি: সংগৃহীত

লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কর্মীর প্রেমে সৌদি যুবক, বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে পৌঁছালেন প্রেমিকার বাড়িতে

ছবি: সংগৃহীত
এক সপ্তাহে মালদ্বীপে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু, উদ্বেগে প্রবাসী কমিউনিটি

মালদ্বীপে গত এক সপ্তাহে স্ট্রোক, হৃদরোগ, দুর্ঘটনা ও আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন ঘটনায় আটজন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের অধিকাংশের বয়স ২১ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।   হাইকমিশন সূত্র জানায়, কয়েকজন প্রবাসী কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২৩ বছর বয়সী রবিউল ইসলাম রওশন কর্মস্থলে মিক্সার মেশিন দুর্ঘটনায় নিহত হন। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ২১ বছর বয়সী সোলাইমান মাতব্বর ভুলবশত রাসায়নিক পদার্থ পান করার পর মারা যান বলে জানা গেছে।   ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ৩৭ বছর বয়সী বদিউর রহমান নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত করছে।   এ ছাড়া স্ট্রোক ও হৃদরোগে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন—   হুমায়ুন কবির (৪৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সায়েদ মোল্লা (৪৪), শরীয়তপুর মকবুল মিয়া (৪৭), কুমিল্লা মো. শেখ ফরিদ (৪৫), ফেনী দেলোয়ারা নবী (৭০), বরিশাল   হাইকমিশন জানিয়েছে, হুমায়ুন কবির ও সায়েদ মোল্লার মরদেহ ইতোমধ্যে দেশে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের মরদেহও দ্রুত দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।   প্রবাসী সংগঠনগুলোর দাবি, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, অতিরিক্ত পরিশ্রম, মানসিক চাপ এবং দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে অনেক প্রবাসী শারীরিক ও মানসিকভাবে ঝুঁকির মধ্যে থাকছেন। বিশেষ করে হৃদরোগ ও স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা মরদেহ দ্রুত দেশে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সরকারের জরুরি সহায়তা কামনা করেছেন।   বাংলাদেশ হাইকমিশন বলেছে, তারা সংশ্লিষ্ট সব ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন ডিপোতে আটক ৯৬ বাংলাদেশির সঙ্গে দূতাবাসের সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় সহকর্মীদের সংঘর্ষে ৩ বাংলাদেশি নিহত, আটক ১

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ান ইয়ুথ এসডিজি সামিটে অংশ নিল ইয়ুথ হাব ফাউন্ডেশন বারহাদ

ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘের যুব সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি তরুণ প্রতিনিধি শেখ তামরিন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘ফিউচার উই ওয়ান্ট মডেল ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স’-এ অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশি তরুণ প্রতিনিধি শেখ সিদরাতুল মুনতাহা সিদ্দিকী তামরিন।   সম্মেলন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ৩১ জুলাই জাতিসংঘ সদর দপ্তরে তার ডেলিগেট নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত তরুণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।   সম্মেলন-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আরও কয়েকজন তরুণ অংশ নিলেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী প্রতিনিধি হিসেবে তামরিন অংশগ্রহণ করছেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।   চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বিশ্ব শান্তি, কূটনীতি, তরুণ নেতৃত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।   চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বাসিন্দা শেখ তামরিন সংযুক্ত আরব আমিরাতপ্রবাসী সাংবাদিক শেখ ফয়সল সিদ্দিকী ববি’র জ্যেষ্ঠ কন্যা। প্রবাসে বেড়ে উঠলেও বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে তার গভীর সংযোগ রয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।   তার পিতা শেখ ফয়সল সিদ্দিকী ববি বলেন, “এটি একজন বাংলাদেশি ও প্রবাসী বাবা হিসেবে আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। আমি দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করছি।”   আন্তর্জাতিক এ মঞ্চে বাংলাদেশের তরুণদের অংশগ্রহণ নতুন প্রজন্মের বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সৌদি আরবে ব্যাপক ধরপাকড়, ১২ হাজারের বেশি প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন বিনিয়োগে প্রতারণার অভিযোগ, কুয়েতে বিপাকে বহু প্রবাসী

0 Comments