জাতীয়

বিমান কার্যালয়ে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

লাগেজ চুরি, প্রবাসীদের সঙ্গে আচার-ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা

মারিয়া রহমান মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কুর্মিটোলা সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এসময় তারা বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ চুরি, প্রবাসী রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের সঙ্গে বিমানের ক্রু-স্টাফদের আচার-ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশনা দেন।


সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে তারা সেখানে যান। এসময় বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. হুমায়রা সুলতানা এবং পরিচালকরা তাদের স্বাগত জানান। এরপর বিমানের কনফারেন্স কক্ষে বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিমানের বর্তমান রুট নেটওয়ার্ক, বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা, আর্থিক অগ্রগতি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং আসন্ন হজ অপারেশনসহ সামগ্রিক কার্যক্রমের উপর বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। মন্ত্রীরা বিমানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবলের প্রশংসা করেন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে উৎসাহ দেন। তারা বিমানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেন এবং কিছু দিকনির্দেশনা দেন।

এসময় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।


তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে বিমানকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে অন্যরা বিমানকে অনুসরণ করে। এ লক্ষ্যে তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, লাগেজ চুরির ঘটনায় যেন কোনো ছাড় দেওয়া না হয় — জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। যাত্রীদের সঙ্গে, বিশেষত প্রবাসী রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের সঙ্গে ক্যাবিন ক্রুসহ সব কর্মীর আচরণ সম্মানজনক ও পেশাদার হতে হবে। টিকিট বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে — টিকিটের অপ্রাপ্যতার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ফ্লাইটে আসন শূন্য যাওয়ার বিষয়টি কার্যকরভাবে তদারকি করতে হবে। হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সময়মতো সম্পন্ন করতে হবে এবং হজযাত্রীদের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিমানের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত মানদণ্ড সর্বদা যথাযথভাবে বজায় রাখতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রণালয় সর্বদা পাশে থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষর সাপেক্ষে ২০৩২ সাল নাগাদ নতুন এয়ারক্রাফট বিমানে আসতে পারে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কীভাবে বিমান তার অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের কাছে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনুষ্ঠানে কথা বলছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম
‘বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশন যৌথ অংশীদারত্বের বিকল্প নেই’

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক-সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অংশীদারত্বের বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। সোমবার (৩০ মার্চ) ডিএনসিসির নগর ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে ‘রাউন্ডটেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’-শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়। প্রশাসক ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করার একটি কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতার জন্য নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ৫০-৫০ অংশীদারত্বের মডেল প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন নিশ্চিত করেন, তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি কর্পোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব। প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে ডিএসসিসি এরই মধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে, বর্জ্যকে যেমন সম্পদে রূপান্তর সম্ভব হবে, তেমনি বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি ইএসডিওর মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

মারিয়া রহমান মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে পুলিশের সঙ্গে ভিসা জালিয়াতি নিয়ে কথা বলেছে মাল্টা

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। ফাইল ছবি

মামলাজট নিরসনে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আজ সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের সদস্য মীর আহমেদ বিন কাশেমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই : শামা ওবায়েদ

এলজিআরডি মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার প্রকৃত পথ : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণই দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার প্রকৃত পথ। তিনি বলেছেন,'বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে অফুরন্ত সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে যে মেধা আছে তা সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বিকশিত করতে পারলে আমরা বিশ্ব দরবারে আরও অনেক সম্মাননা বয়ে আনতে পারব।’ আজ সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে 'ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান' কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে 'ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা'— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই অনুষ্ঠানের পুরো পরিকল্পনাই অত্যন্ত চমৎকার এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত উচ্চমানের একজনকে আজকে ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। যারা মাঠে যান তারা বোঝেন যে মাঠ কত প্রিয় হতে পারে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমাদের দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা আছে এবং আমরা যদি তাদেরকে ঠিকমতো লালন-পালন করতে পারি তবে আরও সাফল্য অর্জন সম্ভব।' তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন একেবারে স্কুল পর্যায় থেকে ট্যালেন্ট হান্ট করে খেলোয়াড়দের তুলে নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার এই উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়ার একমাত্র প্রকৃত পথ।' এ সময় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদগণকে সম্মাননা প্রদানের কারণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে ক্রীড়া ক্ষেত্রে একের পর এক সাফল্য অর্জিত হবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে  মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।  এছাড়া এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নাটোরে অবৈধভাবে ১১ হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ছবি: সংগৃহীত

কসবা সীমান্তে অভিযানে সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

ছবি: সংগৃহীত

ভিভিআইপি লাউঞ্জে বসে সংসদ অধিবেশন দেখলেন জাইমা রহমান

ছবি : সংগৃহীত
১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি নিজেই এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি। এভাবেই দেশ ও জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ থেকে শুরু হলো ‘ক্রীড়া কার্ড’। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইল সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রি-পাইলটিং প্রজেক্টের উদ্বোধন করবেন। সারাদেশে ১১টি উপজেলায় একযোগে এই কার্ড কৃষকদের সহায়তার জন্য তাদের হাতে তুলে দেবেন।’ ১১টি উপজেলা হচ্ছে- টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়ের বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লা আর্দশ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজারের জুড়ী। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এ কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণির কৃষকদের জন্য সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ওমানে পুলিশ পরিচয়ে প্রবাসী নারীর বাসায় ডাকাতি, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত|ফাইল ছবি

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ তিনজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

ফাইল ছবি

ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনায় নিহত ৩৯৪, আহত ১২৮৮

0 Comments