অর্থনীতি

খাদ্যশস্য আমদানিতে সময় বাঁচানোর উদ্যোগ

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ২১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সরকারের সঙ্গে সরকারের চুক্তির ভিত্তিতে চাল ও গম আমদানির নীতিগত অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ায় সময় কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

সেই সঙ্গে গাজীপুরের ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে নির্মিত ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো (আইসিডি) পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার (২০ মে) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী ‘ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের নিকট একটি নতুন ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি তালিকা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর পরিবর্তে ‘ধীরাশ্রম ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

সেসময় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রস্তাবের আওতায় সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে গম ও চাল কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫-এর সংশ্লিষ্ট বিধান প্রয়োগ করে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়ার সময় কমানোর অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

 

বৈঠকে বলা হয়, খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সময় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি উভয় প্রস্তাবই নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

অর্থনীতি

আরও দেখুন
বাতিল হচ্ছে ৬ মার্চেন্ট ব্যাংকের নিবন্ধন সনদ

  নির্ধারিত নিট মূলধনের শর্ত পূরণে দীর্ঘদিন ব্যর্থ হওয়া এবং আর্থিক সক্ষমতার ঘাটতির কারণে দেশের ছয়টি মার্চেন্ট ব্যাংকের নিবন্ধন সনদ (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি মার্চেন্ট ব্যাংকের নিট মূলধন ঘাটতির কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত এবং ব্যাখ্যা তলবের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব মার্চেন্ট ব্যাংকের নিবন্ধন সনদ বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে, সেগুলো হলো— ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড; ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড; এনডিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড; রিভারস্টোন ক্যাপিটাল লিমিটেড; হাল ক্যাপিটাল লিমিটেড এবং রুটস ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।   বিএসইসির একাধিক কমিশন সভার সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সক্ষমতার ন্যূনতম শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করেনি এবং অনেক ক্ষেত্রেই কার্যক্রম অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে।   বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্ধারিত আর্থিক সক্ষমতার শর্ত প্রতিটি মার্চেন্ট ব্যাংকের জন্য বাধ্যতামূলক। যেসব প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত নিট মূলধন বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দুটি প্রতিষ্ঠানের নিট মূলধন ঘাটতির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে কোনো অনিয়ম বা বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’   তদন্ত ও ব্যাখ্যা তলব   নিট মূলধন ঘাটতির কারণ অনুসন্ধানে ইউনিক্যাপ ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং জিএসপি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এসব তদন্ত পরিচালনা করবে বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ।   অন্যদিকে, ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের নিট মূলধন ঘাটতির বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা ও নিট মূলধন বৃদ্ধির অগ্রগতি পরবর্তী কমিশন সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   কী বলে বিধিমালা   সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্চেন্ট ব্যাংকার ও পোর্টফোলিও ম্যানেজার) বিধিমালা, ১৯৯৬ অনুযায়ী, কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকের নিট মূলধন পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ৫০ শতাংশ হতে হবে। নির্ধারিত সীমার নিচে নিট মূলধন নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কমিশন ব্যাখ্যা তলব, কার্যক্রম পর্যালোচনা কিংবা নিবন্ধন বাতিলসহ প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নিতে পারে।   বাজারে কী বার্তা দিচ্ছে   বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিট মূলধনের ন্যূনতম শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে বিএসইসির এই পদক্ষেপ পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক শৃঙ্খলা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। পাশাপাশি তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত আর্থিক অবস্থাও স্পষ্ট হবে।   বর্তমানে দেশে বিএসইসির নিবন্ধনপ্রাপ্ত মার্চেন্ট ব্যাংকের সংখ্যা ৬৬টি। এর আগে প্রসপেক্টাসে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সিএপিএম অ্যাডভাইজরির নিবন্ধন সনদ বাতিলের কার্যক্রমও শুরু করেছে কমিশন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৩, ২০২৬

ঘুরে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি

ছবি: সংগৃহীত

বস্ত্র খাতে নগদ সহায়তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত

আইএমএফের সঙ্গে আগের ঋণচুক্তি ছিল ‘সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী’: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
২৩ মাসের রেকর্ড ভাঙল ডিএসইর লেনদেন

বিনিয়োগ খরায় ভুগতে থাকা দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ১ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়েছে, যা ২৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।   এর আগে ২০২৪ সালের ১১ অগাস্ট ২ হাজার ১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সেটিই ছিল সর্বোচ্চ লেনদেন।   রোববার লেনদেনের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শেয়ার দর বৃদ্ধি পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও।   দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে। আগের দিন সূচক ছিল ৫ হাজার ৮০৪ পয়েন্ট।   ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি পরপর তিন দিন ১২০০ কোটি টাকার বেশি করে লেনদেন হয়। এরপর ২২ এপ্রিল পর্যন্ত ডিএসইর লেনদেন হাজার কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।   কোরবানির ঈদের ছুটি শেষে গেল কয়েকদিন লেনদেনের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছুঁই ছুঁই করছিল। বাজেটের মাসের শুরুতে ২ জুন থেকে লেনদেনের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে মাঝে ২২, ২৩ ও ২৪ জুন লেনদেন হাজার কোটির নিচে হয়।   রোববার ডিএসইর ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয় ৩৫ কোটি ৫২ লাখ টাকার।   এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৯টির, কমেছে ১৫৬টির এবং আগের দরে লেনদেন করে ৩৭টি।   এদিন বিমা, বস্ত্র ও প্রকৌশল খাতের শেয়ার সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়।   দিন শেষে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় ডিএসইতে সর্বোচ্চ শেয়ার দর বেড়েছে মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের। কোম্পানিটির দর ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হাতবদল হয় ৪১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। আগের দিন শেয়ারটির দর ছিল ৩৭ টাকা ৮০ পয়সা।   দাম বৃদ্ধিতে এর পরের অবস্থানে ছিল সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।   অন্যদিকে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় শেয়ার দর হারানোর শীর্ষে ছিল অ্যাপোলো ইস্পাত, জাহিন টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও ইনটেক লিমিটেড।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আর্থিক খাতে দুর্নীতির তদন্ত চলমান, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের অনিয়মও খতিয়ে দেখা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

ছবি: সংগৃহীত
সঞ্চয়পত্রে কর রিফান্ডের সুযোগ, বদলেছে উৎসে করের নিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কেটে রাখা করের নিয়মে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এই উৎসে কাটা করকেই চূড়ান্ত কর (Final Tax) হিসেবে ধরা হতো। ফলে প্রকৃত করদায় কম হলেও অতিরিক্ত কাটা অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। নতুন ব্যবস্থায় এটি অগ্রিম কর (Advance Tax) হিসেবে গণ্য হবে, যা বার্ষিক আয়কর হিসাবের সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে।   এর ফলে করদাতার মোট করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে চূড়ান্ত কর নির্ধারণ করা হবে। যদি দেখা যায়, উৎসে কাটা করের পরিমাণ প্রকৃত করদায়ের চেয়ে বেশি, তাহলে অতিরিক্ত অর্থ কর রিফান্ড হিসেবে ফেরত দেওয়া হবে। বিশেষ করে যাদের সঞ্চয়পত্রের আয় আছে কিন্তু মোট করদায় তুলনামূলক কম, তারা এই সুবিধা পাবেন।   জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, কর রিফান্ডের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন হবে। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে করদাতার ব্যাংক হিসাবে রিফান্ডের অর্থ পাঠানো হবে। রিফান্ড পেতে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন ব্যাংক হিসাবের বিবরণ, জমা দিতে হবে।   এ ছাড়া নতুন করবর্ষে ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়ার সুযোগও পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সময়মতো রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুবিধায় ব্যবসায়ীদের সাড়া কম, বাধা জটিল নিয়ম

সংগৃহীত ছবি

বস্ত্র খাতে বাড়ল প্রণোদনা, নগদ সহায়তা এখন ৫ শতাংশ

সংগৃহীত ছবি

জলভিত্তিক পর্যটন বিকাশে শুরু হলো হাউজবোট মেলা

0 Comments