আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজে জাহাজ চলাচলে বড় ধস

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৯, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
সংগৃহীত ছবি

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত প্রায় পাঁচ মাসে এই প্রণালী দিয়ে মোট ১৪৫৪টি জাহাজ চলাচল করেছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিনই গড়ে প্রায় ১০০টি জাহাজ এই জলপথ অতিক্রম করে।

 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে পোর্টওয়াচের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত জলপথ। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অনেক। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই এই পথে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচলে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়।

 

যুদ্ধ শুরুর পর তলানিতে নৌচলাচল

যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করত। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়। ২ মার্চ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর জাহাজ চলাচল আরও কমে যায়।

 

আল জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে মাত্র ২৭৮টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে মাত্র সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে।

 

এরপর ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমুদ্রবন্দরে অবরোধ আরোপ করলে পরিস্থিতির বড় কোনো উন্নতি হয়নি। ১৩ এপ্রিল থেকে ১৭ জুন পর্যন্তও প্রতিদিন গড়ে সাতটি জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করেছে।

 

সাময়িক সমঝোতায় কিছুটা বাড়ে চলাচল

তবে ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা হওয়ার পর হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল কিছুটা বাড়তে শুরু করে।

 

১৮ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬১৫টি জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করে। এ সময়ে দৈনিক গড় জাহাজ চলাচল বেড়ে দাঁড়ায় ২৩টিতে।

 

তবে এই স্বস্তি বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ১৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র আবার অবরোধ আরোপ করলে জাহাজ চলাচল ফের কমে যায়। ১৫ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ৯৯টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতে পেরেছে। এ সময়ে দৈনিক গড় নেমে আসে ১১টিতে।

 

যেসব জাহাজে সবচেয়ে বেশি প্রভাব

যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার, কনটেইনার জাহাজ, ড্রাই বাল্ক ক্যারিয়ার, সাধারণ কার্গো এবং রোল অন রোল অফ জাহাজ।

 

আল জাজিরার তৈরি উপাত্তভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, সংঘাতের পুরো সময়জুড়ে ট্যাঙ্কার ও কনটেইনার জাহাজের চলাচল উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে যুদ্ধ শুরুর পর সামগ্রিকভাবে সব ধরনের জাহাজের সংখ্যাই দ্রুত কমে যায়।

 

যুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা ও অবরোধের প্রভাবও জাহাজ চলাচলের পরিসংখ্যানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১ মার্চ চারটি ট্যাঙ্কারে হামলা, ২ মার্চ আইআরজিসির হরমুজ বন্ধের ঘোষণা, ২৫ জুন এভার লাভলি নামের কনটেইনার জাহাজে হামলা এবং জুলাইয়ের নতুন হামলা ও মার্কিন অবরোধের মতো ঘটনাগুলো এ সময়ের নৌচলাচলে প্রভাব ফেলে।

 

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের এই বড় পতন শুধু সামুদ্রিক পরিবহন খাতেই নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ওপরও যুদ্ধের প্রভাব কতটা বিস্তৃত হয়েছে, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরছে।

 

সূত্র: আলজাজিরা

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
যুদ্ধ-সংঘাতে ইয়েমেনে খাবারের সংকটে ৭৪ শতাংশ পরিবার

ইয়েমেনে সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে খাদ্যসংকট। দেশটির সরকার-নিয়ন্ত্রিত যেসব এলাকায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) কাজ করতে পারছে, সেখানে ৭৪ শতাংশ পরিবার এখন তাদের ন্যূনতম খাদ্যচাহিদা পূরণ করতে পারছে না। চলতি বছরে এ হার সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।   ডব্লিউএফপির তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহের লড়াইয়ে ১ লাখ ৪৯ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তাদের অনেকেই এর আগেও সংঘাতের কারণে ঘরবাড়ি হারিয়েছিলেন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর অনেকে আদেন ও তাইজের আশপাশে পানি ও খাবার ছাড়াই পৌঁছাচ্ছে।   ইয়েমেনে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যে সংঘাত সাম্প্রতিক সময়ে বড় আকারে বেড়েছে। ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় সীমান্তপারের হামলা অনেকটা বন্ধ হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে গুরুতর সংঘাত বৃদ্ধি বলে উল্লেখ করেছে রয়টার্স। এই লড়াই দেশটির নিয়ন্ত্রণের ভারসাম্য বদলে দেওয়ার পাশাপাশি লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথেও প্রভাব ফেলতে পারে।   সংঘাতের কারণে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইয়েমেন তার প্রয়োজনীয় খাদ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি করে। ফলে বন্দর, সড়ক ও বাণিজ্যপথে সামান্য বিঘ্নও খাদ্যের দাম ও সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে। তাইজের কিছু এলাকায় মাত্র দুই সপ্তাহে গমের আটার দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে।   ডব্লিউএফপির সহকারী নির্বাহী পরিচালক ম্যাথিউ হলিংওয়ার্থ বলেছেন, সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ইয়েমেনের খাদ্যনিরাপত্তার ওপর “ভয়াবহ” প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর মতে, সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, ক্ষুধার সংকটও তত বাড়বে।   ইয়েমেনে এরই মধ্যে ১ কোটি ৮৩ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে রয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ২২ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ লাখ শিশু গুরুতর অপুষ্টির শিকার।   সংঘাত থেকে পালিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের চাপও দ্রুত বাড়ছে। ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের প্রায় ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু। সংস্থাটি তাইজ ও লাহজের বড় দুটি বাস্তুচ্যুতি এলাকায় ইতোমধ্যে ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে গরম খাবার ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা দিয়েছে। আরও ১৫ লাখ মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।   তবে অর্থ ও খাদ্য মজুতের সংকটও বড় হয়ে উঠছে। জরুরি সহায়তা চালিয়ে যেতে ডব্লিউএফপির আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি ৯ লাখ ডলার প্রয়োজন। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, নতুন অর্থ না এলে বাস্তুচ্যুত ১ লাখ ৫২ হাজার মানুষ এবং ইতোমধ্যে সহায়তা পাওয়া ১৪ লাখ মানুষের জন্য খাদ্য ও অর্থের মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে।   সংঘাতের প্রভাব ইয়েমেনের সীমানার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাব আল-মান্দাব প্রণালি- যা লোহিত সাগরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ- এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথে অস্থিরতা তৈরি হলে খাদ্য ও জ্বালানির বৈশ্বিক দাম আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে খাদ্য আমদানিনির্ভর দরিদ্র দেশগুলোর ওপর।   ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, সংঘাতের কারণে ইয়েমেনের তাইজ ও হোদেইদার কিছু এলাকায় তাদের প্রবেশাধিকারও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। একই সময়ে সংস্থাটি ভবিষ্যতের জন্য রাখা খাদ্য মজুতও এখন জরুরি সহায়তায় ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে।   তথ্য সূত্র- রয়টার্স।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ০৩, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

সাত শতাধিক আটকের পরও থামেনি বিক্ষোভ, ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়াচ্ছে আন্দোলন

সংগৃহীত ছবি

ট্রাম্পের হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরি ও ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

মদিনায় মসজিদে নববীর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ড্রোন হামলা

সংগৃহীত ছবি
ইয়েমেনে ফের সংঘাত, হুতিদের অবস্থানে ২০ দফা হামলা

ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতির বিভিন্ন অবস্থান ও সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ২০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সামরিক মুখপাত্র শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তিন ঘণ্টার মধ্যে এসব হামলা চালানো হয়। হুতিদের চলাচল, সদস্য, যানবাহন ও সামরিক সরঞ্জামকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।   বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর সীমান্তপারের হামলা অনেকটাই কমে এসেছিল। সেই পরিস্থিতির পর সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনাকে সবচেয়ে বড় সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।   ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত তাইজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হুতিদের হাতে গেলে দেশটির উত্তরাঞ্চলে তাদের কর্তৃত্ব আরও সুসংহত হতে পারে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকায় গোষ্ঠীটির নিয়ন্ত্রণ বাড়বে। দক্ষিণাঞ্চল এবং ইয়েমেন সরকারের সদর দপ্তর থাকা বন্দরনগরী এডেনে যাতায়াতও তখন তুলনামূলক সহজ হতে পারে।   নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এরই মধ্যে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। চলমান লড়াইয়ের ফলে ইয়েমেনের বিভিন্ন এলাকায় নিয়ন্ত্রণের চিত্রও বদলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি লোহিত সাগরের নৌপথ এবং কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালিতেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   এর মধ্যে সৌদি আরব বৃহস্পতিবার দাবি করেছে, হুতিরা মদিনায় একটি বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কেন্দ্র থেকে মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়।   তবে সৌদি আরবের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে হুতি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবা। সংস্থাটির প্রতিবেদনে গোষ্ঠীটির এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, মক্কা নগরীতে হুতিদের হামলার আগের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি আড়াল করতেই সৌদি আরব নতুন এই দাবি করছে।   এর আগে, দুই সপ্তাহ আগে সৌদি আরব জানিয়েছিল, মক্কার দক্ষিণে একটি হুতি ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ড্রোনটি মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়। তবে মক্কা কিংবা অন্য কোনো ইসলামি পবিত্র স্থানে হামলার উদ্দেশ্য থাকার অভিযোগ তখন অস্বীকার করেছিল হুতিরা।   রয়টার্স জানিয়েছে, তাইজের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। বার্তা সংস্থাটিকে ছয়টি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, তাইজে যাওয়ার সব সড়ক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি এসব এলাকাকে সামরিক অভিযানের অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ০২, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

দিল্লিতে বিক্ষোভ, ইন্টারনেট বন্ধ, আটক ৭০০-এর বেশি

ছবি: সংগৃহীত

হিজাব পরা বিচারককে দেখে আদালতেই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান আসামির

ছবি: সংগৃহীত

পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে পুতিনের কঠোর হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপকে ডিজেলের মজুদ ছাড়ার চাপ যুক্তরাষ্ট্রের

বিশ্বজুড়ে ডিজেলের সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এ জ্বালানির রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এও বলেছেন, ইউরোপের দেশগুলো যাতে তাদের কিছু ডিজেল মজুদ বাজারে ছাড়ে, সেই অনুরোধ তিনি করতে পারেন। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইউরোপকে দ্রুত তাদের এমন মজুদ বাজারে ছাড়ার আহ্বান জানান।   তিনি বলেন, ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এর পুরো চাপ যেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘কৃষক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীদের’ ওপর না পড়ে। বিবিসি লিখেছে, ইরান যুদ্ধের কারণে ডিজেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপের হুমকি দিয়েছে। নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করে, সেক্ষেত্রে মজুদ জ্বালানি কীভাবে বাজারে ছাড়া যায় তা নিয়ে যুক্তরাজ্য বৃহস্পতিবার ইউরোপের অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ডিজেল সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি প্রতিদিন ১২ লাখ থেকে ১৫ লাখ ব্যারেল ডিজেল রপ্তানি করে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিদেশে ডিজেল সরবরাহ বন্ধ করলে অন্য দেশগুলোতেও এ জ্বালানির দাম আরও চড়তে পারে। রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ট্রাম্প সপ্তাহ শেষে বলেন, “আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।” ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এও বলেন, তিনি ইউরোপের দেশগুলোকে তাদের কিছু ডিজেল মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে অনুরোধ করতে পারেন। আর ইউরোপের দেশগুলোর ‘অবিলম্বে’ তা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বেসেন্ট। এক্স পোস্টে বেসেন্ট বলেন, “আমাদের ইউরোপীয় অংশীদারদের উচিত তাদের আগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো এবং সরবরাহের চলমান ব্যাঘাত মোকাবিলায় অতিরিক্ত জ্বালানি অবিলম্বে বাজারে সরবরাহ করা। বিবিসি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রে নভেম্বরের নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে ডিজেল রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে রিপাবলিকানদের হয়ে প্রচারে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় সফর করবেন। ব্রিটিশ মোটরিং সংগঠন আরএসি জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। প্রতি লিটারের দাম এখন ২০০ পেনির ঠিক নিচে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বৃহস্পতিবার ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাজ্যের জ্বালানিমন্ত্রী মার্টিন ম্যাকক্লাসকি। আলোচনার বিষয়ে অবগত একজন বিবিসিকে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসহ অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে বছরের শুরুতে কৌশলগত জ্বালানি মজুদ সমন্বিতভাবে বাজারে ছাড়ার পরও ইউরোপে কিছু মজুদ এখনো রয়েছে বলে তিনি জানান। ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, “আমাদের জ্বালানি সরবরাহের উৎস বৈচিত্র্যময় এবং স্থিতিশীল। “আমরা আন্তর্জাতিক অংশীদার ও যুক্তরাজ্যের জ্বালানি শিল্পের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি।” সম্ভাব্য ডিজেল সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে সরকার জোর দিয়ে জানিয়েছে। তবে দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার বলেন, ডিজেল পরিস্থিতি নিয়ে “অনেক ফোন, অনেক বৈঠক” হচ্ছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের “উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের” সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে। বিবিসি লিখেছে, বিশ্বের ডিজেল বাজারে চাপ বাড়তে পারে চীনের কারণেও। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে চীনা শোধনাগারগুলো অক্টোবরে কিছু জ্বালানি পণ্যের রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মন্তব্য জানার চেষ্টা করছে বিবিসি। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বজুড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে তেল থেকে তৈরি বিভিন্ন জ্বালানি পণ্যের দাম বেড়েছে। ডিজেলের আরেক বড় সরবরাহকারী রাশিয়া রপ্তানি বন্ধ করায় বাজারে দামের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ডিজেল মজুদ রাখলে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে খুচরা দাম কমবে। তাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে চালক, ট্রাকচালক ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত স্বস্তি পাবেন। তবে আরগাস মিডিয়ার প্রধান অর্থনীতিবিদ ডেভিড ফাইফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাজ্যে ডিজেলের দাম এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আরএসি’র সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ফিলিং স্টেশনে ডিজেলের গড় দাম প্রতি লিটার ১৯৯ দশমিক ৭৯ পেনি। এর আগে দাম ছিল ১৪২ দশমিক ৩৮ পেনি। পেট্রোলের তুলনায় ডিজেল পরিশোধন করা কঠিন। আবার পরিবহন খাত ও কৃষিকাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর চাহিদা কমানোও খুব কঠিন। ডিজেলের জন্য যুক্তরাজ্য আমদানির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। দেশটির চারটি শোধনাগার অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পেট্রোল উৎপাদন করে। কিন্তু দেশের প্রয়োজন মেটানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল তারা উৎপাদন করে না। যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষে দেশটির সড়কে ১ কোটি ৫১ লাখ ডিজেলচালিত যানবাহন ছিল। এক বছর আগে এই সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫৭ লাখ। এর মধ্যে ডিজেলচালিত গাড়ির সংখ্যা ৯৮ লাখ, যা এক বছর আগে ছিল ১ কোটি ৪ লাখ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ০২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারত যাকে নিহত দাবি করেছে, সেই পাকিস্তানি সেনাকে সাংবাদিকদের সামনে জীবিত হাজির

ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া থেকে প্রত্যাবাসিতদের নিয়ে মিয়ানমারের জাহাজ নিজেদের জলসীমায়

পাকিস্তান ও সৌদি আরবের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার নিন্দা জানাল পাকিস্তান

0 Comments