বিনোদন

ঈদের সিনেমার প্রচারণায় বুবলী

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

চিত্রনায়িকা শবনম ইয়াসমিন বুবলী। ঢাকাই সিনেমায় অভিষেকের পর থেকেই প্রতি ঈদে তার অভিনীত এক থেকে একাধিক সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। কিছুদিন আগেও পরিচালক সূত্রে খবর ছিল, আসন্ন ঈদুল ফিতরে বুবলী অভিনীত তিন সিনেমা মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

 

তবে ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, দর্শক আগ্রহ তত বাড়ছে। এবার দেখার পালা শেষ পর্যন্ত ঈদে অভিনেত্রীর কয়টি সিনেমা মুক্তি পায়। তিন সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘প্রেশার কুকার’, ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ ও ‘পিনিক’। তবে এরমধ্যে ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমার শুটিং আপাতত স্থগিত রেখেছেন এ অভিনেত্রী।

জানা যায়, তিনি মা হতে চলেছেন। তাই সব ধরনের শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছেন । শিগগিরই উড়াল দিবেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখান থেকে ফিরেই সিনেমার বাকি কাজ করবেন। তা-ও ফিরতে প্রায় ৮ মাসের মতো সময় লাগবে। স্বাভাবিক ভাবেই এ সিনেমাটি ঈদে আসছে না এটাই আপাতত নিশ্চিত। এদিকে বুবলী প্রচারণায় মেতেছেন ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমার।

শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে সিনেমার ফার্স্ট অফিশিয়াল পোস্টার। এটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফী । সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি শেয়ার করে নির্মাতা জানিয়েছেন, ‘দেখা হচ্ছে ঈদুল ফিতরে, আপনার কাছের সিনেমা হলে।’ অফিশিয়াল পোস্টারে একসঙ্গে দেখা গেছে চার অভিনেত্রীকে। চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে নাজিফা তুষি, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত। নায়কবিহীন এই সিনেমার পোস্টারের ভিজ্যুয়ালেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, নারীকে কেন্দ্র করেই এগোবে এ সিনেমার গল্প। জানা গেছে, ঢাকার নাগরিক জীবনের চাপ, সামাজিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত সংগ্রাম—এই বাস্তবতার ভেতর দিয়ে চার নারীর ভিন্ন ভিন্ন যাত্রা তুলে ধরা হবে সিনেমায়।

পোস্টার প্রকাশ করে রায়হান রাফী ফেসবুকে লিখেছেন,‘এই ঢাকা শহর আসলে মেয়েদের জন্য একটা প্রেশার কুকার। তাদের চিৎকার সহ্য না করতে পারলে এই প্রেশার কুকারে সিটি বেজে ওঠে। না তারা এই শহর থেকে বের হতে পারে, না এই শহর তাদের থেকে…।’ সঙ্গে জানিয়েছেন, এই সিনেমার মাধ্যমে বাণিজ্যিক বাংলা সিনেমায় নতুন এক ধারা তৈরি করার আশা করছেন তিনি।

এটি নির্মিত হয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে। প্রযোজনা করছেন ফরিদুর রেজা সাগর ও রায়হান রাফী। এটি শুধু একটি সিনেমার মুক্তিই নয় বরং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের জন্যও বিশেষ উপলক্ষ। কারণ, দীর্ঘ ২১ বছর পর ঈদ উৎসবে সিনেমা নিয়ে ফিরছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন এ সিনেমা নিয়ে বুবলী নিজেও বেশ আশাবাদী। চরিত্র ও গল্পের প্রতি নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বুবলী বলেন, ‘গল্পটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। চরিত্রটাও খুব ইন্টারেস্টিং। মনে হয়েছে, এখানে নতুন কিছু করার সুযোগ আছে, এই জায়গাটা আমাকে সবচেয়ে বেশি টেনেছে।’

পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এই সিনেমার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক নেই। পুরো গল্প আবর্তিত হবে নারী চরিত্রদের ঘিরে। ঢালিউডে যেখানে এখনো নায়কনির্ভর গল্পই বেশি দেখা যায়, সেখানে এমন নারীকেন্দ্রিক সিনেমা আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

অন্যদিকে গত বছর কোরবানি ঈদেই মুক্তির কথা ছিল বুবলী অভিনীত ‘পিনিক’ সিনেমার। জাহিদ জুয়েল নির্মিত এ সিনেমায় অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন আদর আজাদ। তবে এ সিনেমাটি নানা কারণে আর মুক্তি পায়নি। এটি আসন্ন ঈদে মুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রী এখন আলিয়া!

সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের কয়েকটি সিনেমা আশানুরূপ সাফল্য না পেলেও জনপ্রিয়তায় কোনো ভাটা পড়েনি তার।   বরং ব্র্যান্ড ভ্যালুর নিরিখে তিনি এখন দেশের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রী। সম্প্রতি প্রকাশিত ক্রোল সেলিব্রিটি ব্র্যান্ড ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট ২০২৫-এ এমনই তথ্য উঠে এসেছে।    রিপোর্ট অনুযায়ী, আলিয়ার ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৯৩.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৯২ কোটি টাকা। এই নিয়ে তিনি তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন এবং মহিলা তারকাদের মধ্যে প্রথম। এমনকি ব্র্যান্ড ভ্যালুর নিরিখে তিনি নিজের স্বামী রণবীর কাপুরকেও পিছনে ফেলেছেন। রণবীরের ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭৬১ কোটি টাকা) এবং তিনি রয়েছেন দশম স্থানে।    মহিলা তারকাদের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। তার ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৮৯.২ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৮৪৯ কোটি টাকা। এরপরেই রয়েছেন রশ্মিকা মন্দানা। তাঁর ব্র্যান্ড ভ্যালু প্রায় ৭৫.২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭১৬ কোটি টাকা)। দক্ষিণী ও হিন্দি—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই ধারাবাহিক সাফল্য এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করার ফলে রশ্মিকার জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। এছাড়া কারিনা কাপুর খান রয়েছেন ১৫ নম্বরে, কিয়ারা আদভানি ১৭ নম্বরে, কৃতি শ্যানন ১৮ নম্বরে, অনন্যা পাণ্ডে ১৯ নম্বরে এবং জাহ্নবী কাপুর ২৩ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন।    রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখন আর শুধু সিনেমার সাফল্যের উপর কোনও তারকার ব্র্যান্ড ভ্যালু নির্ভর করে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা, বড় বড় সংস্থার বিজ্ঞাপনে কাজ, আন্তর্জাতিক পরিচিতি এবং নিজস্ব ব্যবসাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আলিয়ার ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ, নিজস্ব উদ্যোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল জনপ্রিয়তা তার ব্র্যান্ড ভ্যালু বাড়িয়েছে। বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ৮ কোটিরও বেশি। 

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কোহলিকে টপকে আবারও শীর্ষে শাহরুখ

ছবি: সংগৃহীত

‘গ্ল্যাডিয়েটর’ তারকার সঙ্গে নতুন চমক নিয়ে আসছেন ‘দেশি গার্ল’

ছবি: সংগৃহীত

বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন

ছবি: সংগৃহীত
ঋণখেলাপি মামলায় নিলামে উঠছে অভিনেতা রাজপাল যাদবের সম্পত্তি

বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবকে ঘিরে আইনি জটিলতা আরও গভীর হয়েছে। ১৬ বছর পুরোনো একটি চেক বাউন্স মামলায় বর্তমানে তিনি তিহার কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যেই তাঁর ও পরিবারের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণ আদায়ে সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া সম্পত্তি নিলামের উদ্যোগ নিয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশের বান্ডা এলাকায় অবস্থিত রাজপাল যাদবের একটি সম্পত্তি নিলামে তোলা হবে। সম্পত্তিটির আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছে ৩ কোটি ১০ লাখ রুপি।   পৈতৃক বাড়িতেও নোটিশ: ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ঋণ আদায়ের অংশ হিসেবে কচেহরি রোডে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়িতে নিলামের নোটিশ টাঙানো হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর মালিকানাধীন আরেকটি প্লটেও একই ধরনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজপালের স্ত্রী রাধা যাদব ও মা গোদাবরী দেবীর নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ রুপি ঋণ বকেয়া রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে ব্যাংক।   আগেই জব্দ হয়েছিল সম্পত্তি: জানা গেছে, উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরে বাবার সম্পত্তি বন্ধক রেখে রাজপাল যাদব ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করায় সুদসহ বকেয়া বেড়ে প্রায় ১১ কোটি রুপিতে পৌঁছে যায়। এরপর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার বান্দ্রা-কুরলা কমপ্লেক্স শাখার কর্মকর্তারা গিয়ে সম্পত্তিটি জব্দ ও সিলগালা করেন। সে সময় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সম্পত্তিটি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ–সংক্রান্ত কোনো লেনদেন করা যাবে না।   সমঝোতা হলেও ঋণ শোধ হয়নি: ২০২৪ সালে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজপাল যাদব ঋণ পরিশোধ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন এবং একটি সমঝোতাও হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় মুম্বাই ডেট রিকভারি ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে আবারও ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিলামের তালিকায় শুধু বান্ডার সম্পত্তিই নয়, মুম্বাই ও অন্যান্য স্থানে থাকা কয়েকটি ফ্ল্যাট, পৈতৃক গ্রাম কুন্ডরার জমি এবং সেখানে নির্মিত বাড়িও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   কেন কারাগারে রাজপাল যাদব? ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আতা পাতা লাপাতা’ চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি চেক বাউন্স মামলায় তিনি বর্তমানে তিহার কারাগারে রয়েছেন। দিল্লি হাইকোর্ট গত ১০ জুলাই মামলার শুনানিতে তাঁকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন। আদালত তাঁর আচরণকে ‘সন্দেহজনক’ বলেও মন্তব্য করেন। জানা গেছে, ছবিটি নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে তিনি ৫ কোটি রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। একাধিকবার অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দিলেও তা শোধ করতে পারেননি। তাঁর বিরুদ্ধে চেক বাউন্সের সাতটি পৃথক মামলায় প্রায় ৯ কোটি রুপি বকেয়া রয়েছে।   আগের রায় ও বর্তমান অবস্থা: ২০২৪ সালে একটি সেশনস কোর্ট তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। পরে তিনি দিল্লি হাইকোর্টে আপিল করলে সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত হয়। তবে একই মামলায় ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাঁকে তিহার কারাগারে আত্মসমর্পণ করতে হয়। বর্তমানে তিনি আবারও ওই মামলায় কারাবন্দী অবস্থায় আছেন।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘সিঙ্গেল’ জীবনেই সুখ খুঁজে পেয়েছেন আমিশা প্যাটেল

ছবি: সংগৃহীত

সিনেমা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার কারণ জানালেন পূর্ণিমা

সবাইকে ছাড়িয়ে ‘ব্র্যান্ড ভ্যালু’তে শীর্ষে শাহরুখ খান

কঙ্গনা রানাওয়াত। সংগৃহীত: ছবি
‘পাকিস্তানি বর চাই’—কঙ্গনার পুরনো ভিডিও ঘিরে নতুন বিতর্ক

কঙ্গনা রানাওয়াত তার বক্তব্যের জন্য ফের শিরোনামে উঠেছেন। সম্প্রতি তিনি নিজেকে একজন কট্টর হিন্দু হিসেবে বর্ণনা করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। একই সঙ্গে, সোনাক্ষী সিনহার নাম উল্লেখ না করে তাকে লক্ষ্য করে বলেন, বলিউডের কিছু অভিনেত্রী প্রথমে ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে একেবারে নিরপেক্ষ থাকলেও পরে একজন মুসলিমকে বিয়ে করার পর হঠাৎ করে বামপন্থী হয়ে যান।    কঙ্গনার এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা তার একটি পুরনো সাক্ষাৎকার সামনে নিয়ে আসেন, যেখানে তিনি পাকিস্তানি বর চাওয়ার কথা বলেছিলেন।   ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া ওই পুরোনো ভিডিওতে কঙ্গনাকে মজা করে একজন সাংবাদিকের কাছে নিজের জন্য একজন পাকিস্তানি বর খুঁজে দিতে বলতে দেখা যায়। ভিডিওর শুরুতেই সাংবাদিক কঙ্গনাকে বলেন, ‘এটাই তাহলে ঠিক হলো তো! আমি পাকিস্তান থেকে আপনার জন্য পাত্র খুঁজছি। কেমন ছেলে খুঁজব?’      জবাবে হেসে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি তো বলেই দিয়েছি, বয়স ৩০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হলেই হবে। আর সে যদি আমাকে চিনতেও না পারে, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। আমি আমার সঙ্গীর সঙ্গে খুব সাধারণ জীবন কাটাতে চাই। আমি খুব ভালো চিকেন রান্না করতে পারি। চিকেন কোরমা, চিকেন মাখনিসহ নানা ধরনের পদ বানাতে পারি। ভারতীয় ও মুঘলাই—দুই ধরনের রান্নাই করতে জানি।’   কঙ্গনার এই ভিডিও ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন লিখেছেন, ‘কঙ্গনা আসলে ভুলে গেছেন যেতাঁর পুরোনো সাক্ষাৎকার সব সময় ইন্টারনেটে থেকে যাবে। আজ যে ব্যক্তি অন্যের আন্তঃধর্মীয় বিয়ের দিকে আঙুল তুলছেন, তিনি একসময় একজন পাকিস্তানি মুসলিমকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখছিলেন।’   আরেকজন লিখেছেন, ‘যে নারী সবাইকে উদারপন্থী ও বামপন্থী শ্রেণিতে ভাগ করে দিয়েছেন, তিনি নাকি বিয়ের জন্য একজন মুসলিম পাকিস্তানি পুরুষকে খুঁজছিলেন!’   সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস 

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

বস্তিতে কেটেছে শৈশব, আজ মুম্বাইয়ে দুই বাড়ির মালিক

ছবি: সংগৃহীত

প্লাটিলেট বৃদ্ধিতে পেঁপে পাতার কার্যকরতা নিয়ে কী বলছে বিজ্ঞান?

ছবি: সংগৃহীত

‘গজনি’ সিনেমার খলনায়ক প্রদীপ রাওয়াত আর নেই

0 Comments