সারাদেশ

ঈদযাত্রার চাপে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কি.মি যানবাহনের ধীরগতি

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ঈদের আর মাত্র দুই দিন বাকি। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। এতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। অতিরিক্ত চাপের কারণে যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকায় ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস ও আশেকপুর বাইপাসসহ বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, বাসের পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ও মাইক্রোবাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন যাত্রীরা। মহাসড়কে বাসের তুলনায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি ছিল। অনেকেই ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার করছেন। আবার যানবাহনের সংকট ও বাড়তি ভাড়ার কারণে কেউ কেউ খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাতায়াত করছেন।

 

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ছিল ৩২ হাজার ৮৪০টি, আর ঢাকাগামী ১৮ হাজার ৭৪৪টি। এ সময় টোল আদায় হয়েছে যথাক্রমে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার ৬৫০ টাকা এবং ১ কোটি ৫৪ লাখ ৭১ হাজার ৯৫০ টাকা। আগের দিনের তুলনায় বুধবার ৪ হাজার ৬৪১টি বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। গত চার দিনে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬২৫টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে ১২ কোটি ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

 

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ধীরগতির সৃষ্টি হয়। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে এবং যানজট নিরসনে কাজ চলছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র।
ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত খাগড়াছড়ি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। পাহাড়, মেঘ, ঝরনা আর সবুজে ঘেরা এই জনপদে প্রতি বছরের মতো এবারও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেলার অন্যতম আকর্ষণ আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র, যেখানে পাহাড়চূড়া থেকে বিস্তীর্ণ সবুজ প্রকৃতি মুগ্ধ করে ভ্রমণপিপাসুদের। এখানকার রহস্যময় গুহার অন্ধকার সুড়ঙ্গ পথ পেরিয়ে ভেতরের শীতল পরিবেশ পর্যটকদের দেয় ভিন্নরকম রোমাঞ্চ। এছাড়া স্বচ্ছ জলধারার রিছাং ঝর্ণা, জেলা পরিষদ পার্ক ও মায়াবিনী লেকসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঈদের ছুটিতে হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। বাংলাদেশের জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য সাজেক ভ্যালিতে যাতায়াতের প্রধান পথ খাগড়াছড়ি হওয়ায় এখানেও পর্যটকদের চাপ বাড়ছে। ইতিমধ্যে সাজেক ভ্রমণের জন্য আগ্রহীদের অগ্রিম বুকিং হয়েছে। পর্যটকদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের সংস্কার কাজ চলছে এবং সাজেকগামী যানবাহন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খাগড়াছড়ির অর্থনীতি অনেকটাই পর্যটননির্ভর। পর্যটকদের আগমনে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, পরিবহনসহ নানা খাতে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসে। তাই এ উপলক্ষে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলোও ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। অধিকাংশ স্থানে আগাম বুকিং চলছে এবং সেবার মান উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। খাগড়াছড়ি হোটেল মালিক সমিতির সেক্রেটারি অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা জানান, পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি খাগড়াছড়ি গেইট এলাকা থেকে সাফারি ও চাঁদের গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা পর্যটকদের ভ্রমণকে আরো সহজ করবে। এছাড়া শহরের ভেতরে চলাচলের জন্য সহজেই পাওয়া যায় মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসযোগে এবং চট্টগ্রাম হয়ে সড়কপথেও সহজে খাগড়াছড়ি পৌঁছানো যায়। এদিকে, পরিবেশ সচেতন মহল পর্যটকদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে। পরিবেশ ও উন্নয়ন সংগঠক বিনোদন ত্রিপুরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্লাস্টিকসহ যেকোনো বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং পাহাড়ের পরিবেশ ও সংস্কৃতির ক্ষতি হয়- এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।  অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।’

মারিয়া রহমান মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ঈদযাত্রার চাপে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কি.মি যানবাহনের ধীরগতি

ছবি : সংগৃহীত

অরক্ষিত বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকছে, ঝুঁকিতে ৯ হাজার হেক্টর জমি

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান।

আবারও ইতিহাস গড়বে শোলাকিয়া, আধ্যাত্মিক মহাসমুদ্রে ভাসবে লাখো প্রাণ

পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া চারজন
‘ডাকাতির উদ্দেশ্যে’ যাচ্ছিলেন মা-ছেলেসহ ২ পরিবারের ৪ জন, গ্রেপ্তার করল পুলিশ

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার আমাইন্যারচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দুজন সম্পর্কে মা ও ছেলে, অন্য দুজন স্বামী-স্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের। অভিযানে দুটি বন্দুকসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার চারজন হলেন ওই এলাকার আবদুল কাদেরের স্ত্রী ইসমত আরা (৪৫) ও তাঁর ছেলে ইমতিয়াজুল কাদের ওরফে রায়হান (২৫) এবং মৃত নুর হোসেনের ছেলে নাছির উদ্দিন (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী খুর্শিদা বেগম (৩৫)। অভিযানে ১টি একনলা বন্দুক, ১টি দোনলা বন্দুক, ১০টি গুলি, তালা কাটার ২টি যন্ত্র, ১টি হাতুড়ি, ১টি রামদা, কাঠের বাঁটযুক্ত ১টি চাকু এবং ১টি হাইয়েস গাড়ি ও ২টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আরকানুল ইসলাম। তিনি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে স্থানীয় ডাকাতদের একটি দলের সঠিক অবস্থান নিশ্চিতের চেষ্টা করছিলেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রাতে পৌরসভার আমাইন্যারচর এলাকায় একটি হাইয়েস গাড়িকে থামতে বলা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতরে একটি বন্দুক, গুলি ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। গাড়িতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাইয়েস গাড়িটির পেছনেই একটি মোটরসাইকেলে ডাকাত দলটির আরও দুই সদস্য ছিলেন। তাঁরা মোটরসাইকেলটি রেখে পালিয়ে গেছেন। পরে গ্রেপ্তার নাছির উদ্দিনের বাড়ির ছাদ থেকে আরও একটি বন্দুক ও গুলি উদ্ধার এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এসআই আরকানুল ইসলাম বলেন, যানবাহন থেকে শুরু করে বসতবাড়ি ও দোকান—সবখানেই নিমেষেই ডাকাতি করতে পারে এই দল। এ দলে আরও কারা রয়েছেন, সেটি বের করার চেষ্টা চলছে। ঈদে বড় ধরনের ডাকাতির পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিল ডাকাত দলটি। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে থানায় অস্ত্র আইনে ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে দুটি মামলা করেছে। বিকেলে গ্রেপ্তার চারজনকে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে। অন্য ডাকাতদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
অটোরিকশাযোগে সরকারি বই নিয়ে যাচ্ছে।

গোপনে সরকারি বই বিক্রি

আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি : সংগৃহীত

সৌদিতে মিসাইল হামলায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

ছবি : সংগৃহীত

যমুনা সেতুতে ৪৮ ঘণ্টায় রেকর্ড পারাপার, টোল আদায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত
চার দিন বন্ধ চট্টগ্রামমুখী লেন, ভোগান্তির শঙ্কা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

ঈদ পরবর্তী সময়ে সেতুর মেরামত কাজের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেন চার দিন বন্ধ রাখা হবে। এরপর আরও কয়েকদিন এক লেনে যান চলাচল করবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এতে ঈদের ফিরতি যাত্রায় কিছুটা দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।   তবে সড়ক বিভাগ বলছে, এবার ঈদে লম্বা ছুটি থাকায় ঈদের পর মানুষের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যানবাহনও সীমিত থাকে। তাই মেরামত কাজের জন্য এই সময়টি বেছে নেওয়া হয়েছে।   সড়ক বিভাগের ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রামপুর সেতুর মেরামত কাজ আগামী ২২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে ২২ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত চট্টগ্রামমুখী লেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। আর ২৬ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত এক লেনে যান চলাচল করবে।   গণবিজ্ঞপ্তিতে বিকল্প হিসেবে কয়েকটি সড়ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে র‍্যাব ক্যাম্প সংলগ্ন ইউটার্ন থেকে রামপুর ব্রিজের পরবর্তী ইউটার্ন পর্যন্ত দুই লেনকে সাময়িকভাবে একমুখী ব্যবহার, ফতেহপুর স্টারলাইন পাম্প হয়ে সালাউদ্দিন মোড়, ট্রাক রোড, জিরো পয়েন্ট হয়ে লালপোল, বিসিক মোড় হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মোড়, মহিপাল শহীদ শহিদুল্লা কায়সার সড়কসহ বিভিন্ন সংযোগ সড়ক।   তবে স্থানীয়দের মতে, এসব বিকল্প সড়কের বেশিরভাগই শহরের অভ্যন্তরীণ এবং ভারী যানবাহনের জন্য পুরোপুরি উপযোগী নয়। এতে শহরের ভেতরে যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে এবং যানজটের সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে ও পরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত রুটগুলোর একটি। এ সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাড়ি ফেরা ও কর্মস্থলে ফেরার জন্য এই সড়ক ব্যবহার করেন। তাই এই সময়ে লেন বন্ধ থাকলে কিছুটা দুর্ভোগ তৈরি হতে পারে।   এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, ২০২৪ সালের বন্যায় সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দ্রুত মেরামত প্রয়োজন। এক লেনে যান চলাচল অব্যাহত থাকায় সাময়িক চাপ থাকলেও বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঈদের পর সময়টিকেই কাজের জন্য উপযুক্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, কারণ এ সময়ে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম থাকে এবং ভারী যান চলাচলও সীমিত থাকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে স্বস্তির ঈদযাত্রা, চাপ বাড়লেও নির্বিঘ্ন পারাপার

সাভারে সড়ক অবরোধ। ছবি: সংগৃহীত

বেতন-বোনাসের দাবিতে সাভারে সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নাটোর শহরে এক ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ছবি : সংগৃহীত

দেশের সব মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা পাবেন সম্মানজনক ভাতা

0 Comments