বিশ্ব

এআই চিপ তৈরিতে ব্রডকম ও গুগলের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিকের চুক্তি

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক।

প্রতিষ্ঠানটি সোমবার গুগল ও ব্রডকমের সঙ্গে বিশাল আকারের কম্পিউটিং সক্ষমতা তৈরির লক্ষে একটি চুক্তি করেছে।

সান ফ্রান্সিসকো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

সান ফ্রান্সিসকো ভিত্তিক এই এআই প্রতিষ্ঠানটি এক ব্লগ পোস্টে জানায়, চলতি বছর তাদের আয় ৩ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত বছরের শেষে তাদের বার্ষিক আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯০০ কোটি ডলার।

অ্যানথ্রোপিকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ রাও লিখেছেন, ‘আমাদের অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে কম্পিউটিং সক্ষমতা বাড়াতে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।’

তিনি আরও জানান, গ্রাহক সংখ্যা অবিশ্বাস্য গতিতে বাড়তে থাকায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে তাদের এআই মডেল ‘ক্লাউড’-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে।

মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের এক নথি থেকে জানা গেছে, ব্রডকম দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় গুগলকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (টিপিইউ) সরবরাহ করবে। এই বিশেষ চিপগুলো ডেটাসেন্টারে এআই চালাতে ব্যবহৃত হবে।

এছাড়া, ব্রডকম ও গুগলের সম্মিলিত উদ্যোগে অ্যানথ্রোপিক প্রায় ৩.৫ গিগাওয়াট টিপিইউ-ভিত্তিক কম্পিউটিং সক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ পাবে। আগামী বছর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে নথিতে বলা হয়েছে।

অ্যানথ্রোপিক জানিয়েছে, এই কম্পিউটিং শক্তির বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে স্থাপন করা হবে।

সম্প্রতি মার্কিন সরকারের সঙ্গে এক দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে অ্যানথ্রোপিক। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি গণনজরদারি বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবস্থায় ব্যবহার করা যাবে না বলে প্রতিষ্ঠানটি সাফ জানিয়ে দেয়। এতে পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ ক্ষুব্ধ হন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি ভেস্তে দেওয়ার হিজবুল্লাহর হিজবুল্লাহর

ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি ভেস্তে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে হিজবুল্লাহ। দু’দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন ফ্রন্টকে অন্তর্ভুক্ত করা না হলে, এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভেস্তে যেতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে এ সংগঠনটি।   বুধবার (৮ এপ্রিল) এ সংবাদ প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।   হিজবুল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের এ ভয়াবহ সংঘাত এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাইরে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হবে।   লোবাননের এ সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখার এমপি ইব্রাহিম মুসাউয়ি জোর দিয়ে বলেছেন, এই ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই হিজবুল্লাহ-ইসরায়েল ফ্রন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইসরায়েল এটি মেনে না চলে, তবে ইরানসহ এই অঞ্চলের প্রতিরোধ যোদ্ধারা পাল্টা জবাব দেবে। ইরানও শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে, লেবানন ও গাজা একই অভিন্ন ফ্রন্ট এবং যে কোনো চুক্তিতে লেবানন অংশটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।     অন্যদিকে ইসরায়েল এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। আজ সকালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের লড়াই এবং দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়।   যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরান ও হিজবুল্লাহর অনড় অবস্থান এবং ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার কারণে বর্তমানে পুরো লেবাননজুড়ে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে

ছবি: সংগৃহীত

এক রাতেই কি ইরানকে ঘায়েল করতে পারবেন ট্রাম্প?

ছবি: সংগৃহীত

যে কারণে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতি আলোচনা

সংগৃহীত ছবি
বিশ্বে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে তেলের দাম

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান সংকটের জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলো অপরিশোধিত তেলের (ক্রুড) জন্য ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১৫০ ডলার পর্যন্ত দিচ্ছে, যা নির্ধারিত দামের তুলনায় অনেক বেশি। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে দৈনিক অন্তত ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ১২ শতাংশ। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারেও। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত মাসে ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। তবে এটি এখনো ২০০৮ সালের সর্বোচ্চ ১৪৭.৫০ ডলারের নিচে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিকল্প তেলের উৎস খুঁজতে ইউরোপ ও এশিয়ার ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ফলে ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু ক্রুড অয়েলের দাম দ্রুত বেড়ে রেকর্ড ছুঁয়েছে। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরো অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ফলে তেলের দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ০৮, ২০২৬ 0
নিরাপত্তা পরিষদের সভা। ছবি: রয়টার্স

হরমুজ ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে দুই পরাশক্তির ভেটো

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা জবাব দিল ইরান

ডুমসডে প্লেন। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন আকাশে ‘প্রলয়ংকরী বিমান’, ইরানে পারমাণবিক হামলার ইঙ্গিত?

ছবি : সংগৃহীত
ইস্তাম্বুলে ইসরায়েলি কনস্যুলেটের কাছে গোলাগুলিতে নিহত ৩

তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে ইসরায়েলি কনস্যুলেট ভবনের কাছে গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে বলে খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।   মঙ্গলবারের (৭ এপ্রিল) এ হামলায় অন্তত তিনজন জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি। পুলিশ তাদের ‘নিষ্ক্রিয়’ করেছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।   ইসরায়েলি কনস্যুলেটটি একটি বহুতল ভবনের সপ্তম তলায় অবস্থিত। রয়টার্সের এক ভিডিওতে দেখা যায়, যে ভবনে ইসরায়েলি কনস্যুলেট অবস্থিত, সেখানে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন বন্দুকধারীরা। এ সময় পুলিশ তাদের থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু তারা পুলিশের নির্দেশ না মেনে উল্টো গুলি চালালে দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।   তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তফা সিফতচির বরাতে সংবাদমাধ্যম জানায়, ইস্তাম্বুলের ইয়াপি ক্রেডি প্লাজা ব্লকের সামনে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সশস্ত্র সংঘর্ষে তিন ব্যক্তিকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন।   আলজাজিরা জানায়, ইস্তাম্বুলের কনস্যুলেট বা তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার দূতাবাসে বর্তমানে কোনো ইসরায়েলি কূটনীতিক দায়িত্বরত নেই। এর অর্থ হলো, এই কূটনৈতিক মিশনগুলোর ভেতরে যারা রয়েছেন তারা মূলত স্থানীয় কর্মী যারা কনস্যুলেট বা দূতাবাসে কাজ করেন।   তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা চিফচি জানিয়েছেন, হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তারা ইস্তাম্বুল থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের একটি শহর থেকে ভাড়া করা গাড়িতে করে এসেছিল। তাদের মধ্যে একজন একটি মৌলবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত। হামলাকারীদের মধ্যে দুইজন সম্পর্কে ভাই। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার রেকর্ড রয়েছে।’   ইস্তাম্বুলের গভর্নর দাভুত গুল এই হামলাকে ‘উসকানিমূলক’ বলে অভিহিত করেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।   ডেইলি সাবাহ পত্রিকার এডিটোরিয়াল কো-অর্ডিনেটর মেহমেত চেলিক বলেন, ‘এই হামলার পেছনে একটি উদ্দেশ্য হতে পারে তুরস্কের মানহানিন করা। কারণ, চলমান যুদ্ধের মধ্যেও তুরস্ককে এই অঞ্চলে একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল দেশ হিসেবে দেখা হচ্ছিল।’   তিনি আরও বলেন, ‘হামলাকারীদের দ্বিতীয় উদ্দেশ্য হতে পারে তুরস্ককে আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে টেনে আনা এবং তৃতীয়, কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দেশটির সুনাম নষ্ট করা।’

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ০৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানি হামলায় ইসরায়েলে ভবন ধস, হতাহতের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের আচরণে প্রশ্ন, উদ্বেগ জানালেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা

সংগৃহীত ছবি

হরমুজ ইস্যুতে নরম অবস্থান জাতিসংঘের, নতুন খসড়ায় সুর বদল

0 Comments