জাতীয়

ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানী

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাঁর একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী

 

সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। ফলে ওই সংসদীয় এলাকার জনগণের দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানীকে ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

নির্বাচনে জয়ী হয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খাল খননের মাধ্যমে দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের উন্নয়ন করতে বদ্ধপরিকর। খাল খননের মাধ্যমে দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে।  তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন বাংলাদেশে যদি উন্নয়ন করতে হয়, তাহলে কৃষকদের ভালো রাখতে হবে, তাদের জীবনমান উন্নয়ন করতে হবে। তখন তিনি খাল খনন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।  আজ সোমবার দুপুরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় মানিকদহ ইউনিয়নের বলেরবাগ থেকে সোনাখোলা সেতু পর্যন্ত খাল খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নির্বাচনের পূর্বে যে ইশতেহার দিয়েছিল, পর্যায়ক্রমে একের পর এক তা পালন করছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মালম্বীদের সম্মানী ভাতা প্রদান করেছেন। ঈদের পর কৃষকদের কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। কৃষকরা কৃষি লোন পাবেন। অনুষ্ঠানে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম খান বাবুল বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানির অবাধ প্রবাহে প্রকৃতি ও কৃষির বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে। সেজন্য এই খাল খননের মাধ্যমে পানির অবাধ প্রবাহ তৈরি হবে। কৃষিতে  উন্নয়ন হবে,  নৌ পথ প্রসারিত হবে, অর্থনীতির উন্নয়ন হবে। ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম,  ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইসা প্রমুখ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

ছবি: সংগৃহীত

ঈদে মাঠ প্রশাসনের অভিযোগ গ্রহণে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

দিনাজপুরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিকভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার: আইনমন্ত্রী

 আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিভ্রান্তিকর আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি দেশ পরিচালনা করতে চায় না। জনআকাঙ্ক্ষা পুরনে নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিকভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। জুলাই সনদের প্রতিটি ধারা সাংবিধানিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, জুলাই যেমন আমাদের জীবনের বাঁক ঘুরিয়ে দিয়েছে। তেমনি ৫২,৭১, ৮২ থেকে ৯০, ২০০৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা খুন, গুম হয়েছেন, তাদের ত্যাগের স্বীকৃতির জন্য অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বিএনপি।  আজ সোমবার বিকেলে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার কন্যাদহ গ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খননকৃত শিরিষকাঠ খাল পুনঃখননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে খাল খনন কর্মসূচি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চালু করেছিলেন উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী খাল খননের মাধ্যমে স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন। এখন তাঁর সুযোগ্য সন্তান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর পিতার প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালুর মাধ্যমে এ দেশে আবারও উন্নয়ন ও উৎপাদনের ধারা সূচনা করেছেন। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ আবু তালিব, ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, বিএনপি নেতা রাশেদ খান, মেহেদী হাসান রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ভোটের কালি শুকানোর আগেই বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লন্ডন থেকে ফিরে বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। তিনি একে একে তার প্ল্যানগুলো সাধারণ মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দশ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড ও দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় ফ্যাসিস্ট ও নিন্দুকেরা লা জবাব হয়ে গেছে।  তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, এমপি হয়েছেন জনসেবার জন্য, নিজের সেবার জন্য নয়। আর এই কারণেই কোনো মন্ত্রী ও এমপি ঢাকায় ফ্ল্যাট নিচ্ছেন না। তাঁর (প্রধানমন্ত্রী) এই পরিবর্তনের অঙ্গীকার মানুষের মাঝে এক আশার আলো সঞ্চার করেছে। জনআকাঙ্খার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।  মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে কথার ফুলঝুড়ি নয়, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে দেখিয়ে দিয়েছে। বাংলার রাখাল রাজা তারেক রহমান ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করেছেন। সারা বাংলাদেশের ৪ কোটি পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের টার্গেট নেওয়া হয়েছে। খালগুলো সতেজ ও কৃষি নির্ভর করে তুলতে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আর এগুলোই হচ্ছে তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’র অংশ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী নিজ হাতে মাটি কেটে শিরিষকাঠ খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন। এসময় দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে ঝিনাইদহ-২ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য মসিউর রহমানের মাজার জিয়ারত করেন আইনমন্ত্রী।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

জেলেদের নির্বিঘ্নে মাছ ধরতে ইজারা প্রথা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: নুরুল হক নূর

আজ দুপুরে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকায় রাজখাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

দেশের ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি নদী ও খাল খনন করা হবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানী

ছবি: সংগৃহীত
পুলিশে বড় রদবদল, ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ছয়জন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে।   সোমবার (১৬ মার্চ) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত ৩টি পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়। এদিকে সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) সরদার নুরুল আমিনকে বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে সিআইডি প্রধান করা হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

‘মিড ডে মিল’ পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে চালু হবে

হিউমান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফর্টিফাই রাইটস, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপেজি, সিভিকাসসহ ৯টি সংগঠন এ চিঠি লিখেছে।

র‍্যাব বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। ফাইল ছবি

সুন্দর ভোট হলে আপত্তি ওঠে ভোট হওয়ার পরে: সিইসি

0 Comments