আন্তর্জাতিক

চীনে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার ভূমিকম্প, আতঙ্কে ঘর ছাড়লেন বাসিন্দারা

আক্তারুজ্জামান জুন ২৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে ৫ দশমিক ২৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে সংঘটিত এই কম্পনের তথ্য জানিয়েছে জার্মান ভূবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র (জিএফজেড)।

 

প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় শক্তিশালী ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

 

জিএফজেডের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। অগভীর গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় এর কম্পন তুলনামূলক বেশি অনুভূত হয়।

 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সিচুয়ানের রাজধানী চেংডুসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার অনেক বাসিন্দা নিরাপত্তার জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন।

 

আঞ্চলিক প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি ও সম্ভাব্য হতাহতের তথ্য সংগ্রহে উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো কাজ করছে। তবে দুর্গম ও পার্বত্য এলাকার কারণে পূর্ণাঙ্গ পরিস্থিতি জানতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

 

ভূতাত্ত্বিকভাবে সিচুয়ান চীনের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। ২০০৮ সালে একই প্রদেশে ৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও স্থানীয়দের মনে দাগ কেটে আছে। ফলে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পরও অনেকের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

সূত্র: রয়টার্স

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত
আধুনিক যুগে উল্টো পথে রাশিয়া, ফিরছে ল্যান্ডফোনের দিন!

রাশিয়ায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা বাড়ছে। তাই ল্যান্ডফোনের ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ল্যান্ডফোন কিনতে অনেক বেশি অর্থ খরচ করেছে। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এই খরচ তিন গুণের বেশি।   রুশ সংবাদমাধ্যম ভেদোমস্তি এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের হিসাবে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ল্যান্ডফোন কেনায় খরচ হয়েছে ১১ কোটি ৮০ লাখ রুবল। এটি প্রায় ১২ লাখ ৬০ হাজার ইউরোর সমান। এই সময়ে ল্যান্ডফোন কেনার দরপত্রও বেড়েছে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।   ২০২৫ সালের মে মাস থেকে রাশিয়ায় নিয়মিত মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ঠেকাতে এই বিধিনিষেধ দরকার। তবে বিশেষজ্ঞদের মত ভিন্ন। তাঁরা বলছেন, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও ড্রোন আগে থেকে ঠিক করা পথে উড়তে পারে।   ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ট্যাক্সি ও খাবার পৌঁছে দেওয়ার সেবাও ঠিকমতো চলছে না। পথ খুঁজে পেতেও সমস্যা হচ্ছে।   রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান রোস্তেলেকমের প্রধান মিখাইল ওসেয়েভস্কি একটি পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর মতে, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মতো প্রতিটি বাড়িতে একটি ল্যান্ডফোন থাকা উচিত। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে যোগাযোগের জন্য ল্যান্ডফোন ব্যবহার হয়।   রাশিয়ায় এখন প্রতি ১০০ জনে প্রায় ১২ দশমিক ২টি ল্যান্ডফোন আছে। তবে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের পূর্বাভাস অন্যরকম। তাদের মতে, ২০২৯ সালের মধ্যে এই সংখ্যা কমে ৮ দশমিক ২ থেকে ৮ দশমিক ৫-এ নামতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চীনের সামুদ্রিক তৎপরতা ঠেকাতে নতুন ছক ফিলিপাইনের

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে জাহাজডুবি, সাগরে তলিয়ে গেল আড়াই হাজার কনটেইনার

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরামকোর সদরদপ্তরে হামলা, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর

প্রতীকী ছবি
বিশ্বজুড়ে ডিজেল সংকট কাটবে কবে, যা জানাল আইইএ

বিশ্ববাজারে ডিজেলের যে সংকট চলছে, তা সহজে কাটছে না। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা বা আইইএর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানির এই টানাপোড়েন ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।   মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ার চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহের পুরো ব্যবস্থাটিই বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে চলতি বছর বৈশ্বিক তেলের চাহিদা দৈনিক প্রায় ২৬ লাখ ব্যারেল কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মজার বিষয় হলো, এই চাহিদ হ্রাসের বড় একটা অংশ, অর্থাৎ প্রায় এক চতুর্থাংশই আসছে শুধু ডিজেল থেকে।   এদিকে ডিজেলের চড়া দাম সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে, জীবনযাত্রার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং অর্থনীতির চাকাকে ধীর করে দিচ্ছে। তেলের মজুত কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ থেকে তেল রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজে তেল পরিবহনও কিছুটা শুরু হয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ পথে নতুন করে হামলার ঝুঁকি এই চেষ্টাকে বারবার অনিশ্চয়তার মুখে ফেলছে।   এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা এবং ধনী দেশগুলোর জোট জি-৭ জরুরি মজুত থেকে তেল ছেড়ে বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবছে। তবে বিশেষজ্ঞ ও সংস্থাটির মতে, ভূ-রাজনীতির এই উত্তাপ না কমলে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের আগে বিশ্ববাসীর এই জ্বালানি কষ্ট কমার কোনো লক্ষণ নেই।   সূত্র: রয়টার্স

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল ছিনতাই করতে গিয়ে বিপদে যুবক, চলন্ত ট্রেনের জানালায় ঝুলে থাকার ভিডিও ভাইরাল

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের ডিআই খানে ৩০ দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

ছবি: সংগৃহীত

হিজাব ইস্যুতে তুরস্ক-আজারবাইজান সম্পর্কে টানাপোড়েন

ছবি: সংগৃহীত
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা পাকিস্তানের, নতুন শক্তি প্রদর্শন

বর্ধিত পাল্লার ফাতাহ-২ হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের দাবি করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর জিওটিভি নিউজের।   পাকিস্তান আইএসপিআরের বিবৃতি অনুযায়ী, ফাতাহ-২ এক্সটেন্ডেড রেঞ্জ (ইআর) অস্ত্রব্যবস্থায় উন্নত নেভিগেশন প্রযুক্তি ও অত্যাধুনিক অ্যাভিওনিকস ব্যবহার করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি উচ্চ নির্ভুলতায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে এবং শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী।   বিবৃতিতে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্রটির বিশেষ গতিপথ ও দিক পরিবর্তনের সক্ষমতা এর কার্যকারিতা বাড়িয়েছে। বর্ধিত পাল্লার কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আরও দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জন করবে বলেও জানিয়েছে আইএসপিআর।   পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ডের প্রধান, জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা। ক্ষেপণাস্ত্রটির উন্নয়নে যুক্ত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের নিষ্ঠা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রশংসা করেন কমান্ডার।   পরীক্ষা সফল হওয়ার পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির এবং তিন বাহিনীর প্রধানেরা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।   এর কয়েক দিন আগেই পাকিস্তান নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতাহ-৪ ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের বর্ধিত পাল্লার সংস্করণের সফল পরীক্ষা চালানোর কথা জানিয়েছিল।   গত সপ্তাহে আইএসপিআর জানায়, উন্নত অ্যাভিওনিকস ও অত্যাধুনিক নেভিগেশন প্রযুক্তিতে সজ্জিত ফাতাহ-৪ দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে উচ্চ নির্ভুলতায় আঘাত হানতে সক্ষম।   সূত্র: জিওটিভি নিউজ

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কলকাতায় তৃণমূলের মিছিল, আটকে দিল পুলিশ

সংগৃহীত ছবি

ভারতে গঙ্গায় নৌকাডুবি, প্রাণ গেল ১১ জনের

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাকে হামলাকারী নারী। ছবি: সংগৃহীত

পূজা উদ্বোধনে যাওয়ার পথে মমতার ওপর হামলার চেষ্টা, আটক নারী

0 Comments