বিনোদন

বিশ্বখ্যাত ফরাসি নায়িকা ব্রিজিত বার্দো মারা গেছেন

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বখ্যাত ফরাসি সিনেমার সাড়া জাগানো অভিনেত্রী, মডেল ও সংগীতশিল্পী ব্রিজিত বার্দো মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। ফরাসি সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি দিতে তার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

 

১৯৫৬ সালে ‘অ্যান্ড গড ক্রিয়েটেড ওম্যান’ ছবির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান তিনি। এই ছবিটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন তার তৎকালীন স্বামী রজার ভাদিম। পরবর্তী দুই দশক ধরে আবেদনময়ী অভিনেত্রী হিসেবে হাজারো তরুণের হৃদয়ে ঝড় তোলেন।

 

Her final film before retirement in 1973 was comedy The Edifying and Joyous Story Of Colinot

 

অথচ মাত্র ৫০টি সিনেমায় অভিনয় করার পর ১৯৭৩ সালে, বয়স তখন মাত্র ৩৯, অভিনয় থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ব্রিজিত বার্দো। অভিনয় ছেড়ে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমি আমার যৌবন এবং সৌন্দর্য মানুষকে দিয়েছি, এখন আমার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা প্রাণীদের দেবো। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ব্রিজিত বার্দো ফাউন্ডেশন’, যা বন্য ও গৃহপালিত প্রাণীদের সুরক্ষা এবং অধিকার আদায়ের জন্য বিশ্বজুড়ে কাজ করে যাচ্ছে।

 

Reinveting herself as an animal rights activist, she founded a dog refuge in Paris, seen here on a visit in 2001

 

১৯৩৪ সালে প্যারিসে জন্ম নেয়া এ সুন্দরী ছোটবেলা থেকে নাচের প্রতি বেশ আগ্রহ ছিল। সে আগ্রহ থেকেই পরিবার তাকে ব্যালে নাচ শিক্ষায় ভর্তি করে দেন। ছোটবেলাতেই মডেলিংয়ে বেশ জনপ্রিয় গয়ে ওঠেন তিনি। সে সূত্রেই মাত্র ১৫ বছর বয়সে ১৯৫০ সালে ফরাসি সাময়িকী এল–এর প্রচ্ছদে জায়গা করে নেন বার্দো।

 

Bardot poses 28 December 2005 in Nice, with two puppies

 

ব্রিজিত বার্দোর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ট্রুথ’,‘ভেরি প্রাইভেট অ্যাফেয়ার’,‘কনটেম্পট’। তার অভিনীত হলিউড সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ভিভা মারিয়া’,‘শালাকো’ ইত্যাদি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
প্রমাণ না থাকায় মাদক মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেন শ্রদ্ধা কাপুর ও নোরা ফাতেহি

২০২২ সালের একটি আলোচিত মাদক মামলা থেকে অবশেষে স্বস্তি পেতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর ও নোরা ফাতেহি। মুম্বাই পুলিশ জানিয়েছে, এই মাদক চক্রের সঙ্গে এই দুই অভিনেত্রীর সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।  সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, পুলিশের দাখিল করা সম্পূরক চার্জশিটে শ্রদ্ধা ও নোরার পাশাপাশি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ওরহান আওয়াত্রামানি ওরফে ওরি, অভিনেতা সিদ্ধান্ত কাপুর এবং রাজনীতিবিদ জিশান সিদ্দিকীকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে। এই ঘটনার সূত্রপাত ২০২২ সালের আগস্টে, যখন মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং অ্যান্টি-নার্কোটিক্স সেল মোহাম্মদ সেলিম নামক এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার রুপি মূল্যের মেফেড্রোন জব্দ করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় সেলিম দাবি করেছিলেন যে, তিনি বেশ কিছু উচ্চপর্যায়ের পার্টিতে মাদক সরবরাহ করতেন যেখানে বিনোদনজগতের তারকারা উপস্থিত থাকতেন।  এই জবানবন্দির ভিত্তিতেই ২০২৫ সালে শ্রদ্ধা কাপুর ও নোরা ফাতেহিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল পুলিশ। তবে দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে এই তারকাদের সরাসরি কোনো লেনদেন বা যোগাযোগের জোরালো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তদন্তকারী সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক চার্জশিটে তিনজনের নাম থাকলেও সম্পূরক চার্জশিটে কেবল গ্রেফতারকৃত এবং পলাতক মূল অভিযুক্তদের নাম থাকছে। তারকাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ না থাকায় তাদের নাম মামলা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  এই খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ওরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংবাদ শেয়ার করে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, যারা ভিত্তিহীনভাবে তার নাম জড়িয়ে কুৎসা রটিয়েছিল, তাদের এখন আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বিতর্কিত মামলার জল ঘোলা হওয়া অনেকটাই বন্ধ হলো বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৬, ২০২৬ 0
পূজা চেরির বাবার বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ। ছবি : সংগৃহীত

অর্থ আত্মসাতের মামলায় বাবার কারাবাস, মুখ খুললেন পূজা চেরি

বিদ্যা সিনহা মিম । ছবি : সংগৃহীত

জীবনের কঠিন পথেও আমি কখনো হাল ছাড়িনি : মিম

নুসরাত জাহান । ছবি : সংগৃহীত

বিতর্কের মাঝেও শান্তির খোঁজে নুসরাত

দিব্যাঙ্কা সিরোহী । ছবি : সংগৃহীত
মৃত্যুর পরও ভাইরাল সেই অভিনেত্রীর রহস্যময় পোস্ট

হাসিখুশি মুখ আর প্রাণবন্ত অভিনয় দিয়ে নেটিজেনদের মন জয় করেছিলেন। কিন্তু সেই হাসি যে এত দ্রুত মিলিয়ে যাবে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। মাত্র ৩০ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন হরিয়ানার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল দিব্যাঙ্কা সিরোহী। তার মৃত্যুর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হচ্ছে একটি বিশেষ পোস্ট যা দেখে অনুরাগীদের দাবি অভিনেত্রী কি তবে আগেই মৃত্যুর সংকেত পেয়েছিলেন।   ২০২৩ সালে নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করেছিলেন দিব্যাঙ্কা। সেখানে নীল জ্যাকেট ও মাথায় মেরুন পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় বেশ শান্ত দেখাচ্ছিল তাকে। সেই ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, ‘মহাদেব আমাকে আপনার সঙ্গে নিয়ে যান।’ পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে গত ২১ এপ্রিল গাজিয়াবাদে নিজের বাড়িতে থাকাকালীন হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন দিব্যাঙ্কা। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা জানান হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তার। ১৯৯৬ সালে বুলন্দশহরে জন্ম নেওয়া দিব্যাঙ্কা মিরাটের চৌধুরী চরণসিং ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক এবং সিকিম থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পড়াশোনা শেষে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে পা রাখেন বিনোদনজগতে। ছোটবেলা থেকেই নাচ ও অভিনয়ের প্রতি ছিল তার প্রবল ঝোঁক। টিকটক ভিডিওর মাধ্যমে প্রথম নজরে আসেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন দীপাবলিতে একটি পাঞ্জাবি গানে তার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। স্বল্প সময়ের ক্যারিয়ারে দিব্যাঙ্কা কাজ করেছেন ৫০টিরও বেশি মিউজিক ভিডিওতে। মাসুম শর্মা, কেডি এবং অমিত সাইনি রোহতকিয়ার মতো নামী তারকাদের সঙ্গে পর্দা ভাগ করেছেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৫, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

গরমে সুস্থ থাকতে খালি পেটে মেথি পানি খাওয়ার উপকারিতা

ছবি: সংগৃহীত

৪৪ বছর পর নতুন আঙ্গিকে ‘এই মন তোমাকে দিলাম’, সাবিনার গানে মুগ্ধ নেটদুনিয়া

অনুরাগ কাশ্যপ ও কাল্কি । ছবি : সংগৃহীত

বিচ্ছেদের ১০ বছর পর অনুরাগ প্রসঙ্গে কথা বললেন কাল্কি

স্বস্তিকা মুখার্জি। ছবি : সংগৃহীত
নিজেকে সেলিব্রেটি বলতে নারাজ স্বস্তিকা মুখার্জি

রুপালি পর্দার ঝকঝকে আলো, দামি ব্র্যান্ডের পোশাক আর বডিগার্ডের বেষ্টনী, সাধারণত একজন তারকার জীবন বলতে আমাদের চোখে এই ছবিটাই ভেসে ওঠে। যেখানে বর্তমান সময়ের অনেক নবাগত অভিনয়শিল্পীও বিলাসবহুল এসি গাড়ি ছাড়া এক পা চলার কথা ভাবতেই পারেন না, সেখানে ঠিক উল্টো পথে হেঁটে তাক লাগিয়ে দিলেন টালিউডের দাপুটে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি।   ভরদুপুরে কলকাতার তপ্ত গরমে সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে কখনো বাসে, আবার কখনো অটোতে চড়ে গন্তব্যে পৌঁছান তিনি। এমনকি গড়িয়াহাটের মোড়ে দাঁড়িয়ে সাধারণের মতো ফুচকা খেতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেন না এই তারকা। তার এই সাধারণ জীবনযাপন যেন গ্ল্যামার দুনিয়ার চেনা ছকটাকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। একজন প্রভাবশালী তারকা সন্তান এবং নিজে একজন আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও নিজের গায়ে ‘সেলিব্রিটি’ তকমা লাগাতে ঘোর আপত্তি তার। এ বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা বলেন, ‘আমি নিজেকে সেলিব্রেটি মনে করি না। সেলিব্রেটি কথাটার এত অপব্যবহার হয় যে, আমাকে কেউ সেলিব্রেটি বললে মনে হয় কেউ আমাকে গালাগালি দিচ্ছে। আমি সবাইকেই বলি আমাকে মানুষ বলুন, শিল্পী বলুন, অভিনেত্রী বলুন, মহিলা বলুন, যাই বলুন কিন্তু সেলিব্রেটি বলবেন না।’ অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এখন সবাই সেলিব্রেটি। কারও যদি বেশি ফলোয়ার্স থাকে সেও সেলিব্রিটি। সবাই ইনফ্লুয়েন্সার। আমি জানি না তারা কি ইনফ্লুয়েন্স করছেন সবাইকে। চারটে রিল করেও আজকে সবাই সেলিব্রিটি হয়ে যাচ্ছে।’ নিজে সেলেব্রেটি কি না এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি অন্তত নিজেকে সেলিব্রেটি বলে মনে করি না। আমি খুব সাধারণ মানুষ এবং সাধারণভাবেই থাকতে পছন্দ করি। তাই আমায় কেউ সেলিব্রিটি বললে ভালো লাগে না। কেউ বললে আমি বারণ করি।’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে অর্জুন দত্ত পরিচালিত ‘বিবি পায়রা’। এই ছবিতে অনির্বাণ চক্রবর্তী, পাওলি দামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন স্বস্তিকা।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
পপ তারকা রিহানা। ছবি : সংগৃহীত

চমক দিয়ে ভারত সফরে এলেন রিহানা

আলিয়া ভাট। ছবি : সংগৃহীত

রাহাকে অ্যাথলেট বানানোর ইচ্ছা প্রকাশ করলেন আলিয়া ভাট

ছবি : সংগৃহীত

আজ মুক্তি পাচ্ছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

0 Comments