খেলাধুলা

বিশ্বকাপ জিততে ক্লাসেনকে ফেরানোর পরামর্শ পিটারসেনের

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
হেনরিখ ক্লাসেন। সংগৃহীত ছবি
হেনরিখ ক্লাসেন। সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণে অভিজ্ঞ ব্যাটার হেনরিখ ক্লাসেনকে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসেন।

চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ক্লাসেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে ধারাবাহিকভাবে ঝড়ো ব্যাটিং করে তিনি আবারও প্রমাণ করছেন, বড় মঞ্চে ম্যাচ ঘোরানোর সামর্থ্য এখনো তার রয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে পিটারসেন লিখেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ডের উচিত দ্রুত ক্লাসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে দলে ফেরানোর চেষ্টা করা। তার মতে, ২০২৭ সালে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপে ক্লাসেনকে দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে।

সম্প্রতি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ২৪৪ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অসাধারণ ইনিংস খেলেন ক্লাসেন। মাত্র ৩০ বলে অপরাজিত ৬৫ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি, যেখানে ছিল চারটি ছক্কা ও সাতটি চার।

এই ইনিংসের ওপর ভর করেই সহজ জয় পায় হায়দরাবাদ। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ৯ ইনিংসে ৪১৪ রান করে তিনি টুর্নামেন্টের শীর্ষ রান সংগ্রাহকদের মধ্যে রয়েছেন। মিডল-অর্ডারে নেমেও ওপেনারদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করার বিষয়টি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক কিংবদন্তি এবি ডিভিলিয়ার্সও ক্লাসেনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তার মতে, মিডল-অর্ডারে নেমে এমন ধারাবাহিকতা ও উচ্চ স্ট্রাইক রেট ধরে রাখা সত্যিই অবিশ্বাস্য।

 

South Africa have never won a cricket world cup!
There should be a phone call this morning, from the South African cricket board, to Heinrich Klaasen, to ask him if he can rejoin international cricket and be a central figure in their campaign to try and win their first ever…

— Kevin Pietersen? (@KP24) April 30, 2026
Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
১৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় জারাগোজার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক

স্প্যানিশ ফুটবলে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় বড় শাস্তির মুখে পড়েছেন এস্তেবান আন্দ্রাদা। রিয়াল জারাগোজার এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে ১৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।   গত রবিবার দ্বিতীয় স্তরের লিগে হুয়েস্কার বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার জর্জ পুলিদোর মুখে ঘুষি মারার ঘটনায় এই শাস্তি দেওয়া হয়। ম্যাচ চলাকালে প্রথমে ফাউলের জন্য লাল কার্ড দেখেন আন্দ্রাদা। এরপর ক্ষোভের বশে পুলিদোকে আঘাত করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরাসরি আক্রমণের জন্য আন্দ্রাদাকে ১২ ম্যাচ এবং লাল কার্ডের কারণে অতিরিক্ত ১ ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে আর মাঠে নামা হচ্ছে না তার। এই নিষেধাজ্ঞা জারাগোজার জন্য বড় ধাক্কা, কারণ দলটি বর্তমানে অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে রয়েছে। একই সঙ্গে ক্লাব ও খেলোয়াড়, উভয়কেই আর্থিক জরিমানার মুখে পড়তে হয়েছে। ঘটনার পর আন্দ্রাদা নিজের ভুল স্বীকার করে বলেন, 'আমি যা করেছি তা ভুল। ক্লাব, সমর্থক এবং একজন পেশাদার হিসেবে এটি ভালো বার্তা নয়। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।' এ ঘটনায় আরও দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন। তারা হলেন হুয়েস্কার গোলরক্ষক দানি হিমিনেজ (৪ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা) এবং জারাগোজার দানি তাসেনদে (২ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা)। ম্যাচে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় হুয়েস্কা।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
হুলিয়ান আলভারেজ। সংগৃহীত ছবি

মেসি-আগুয়েরোর রেকর্ড ভাঙলেন আলভারেজ

হেনরিখ ক্লাসেন। সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ জিততে ক্লাসেনকে ফেরানোর পরামর্শ পিটারসেনের

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়ছে ১৫ শতাংশ, সিদ্ধান্ত ফিফার

সংগৃহীত ছবি
ফিফা বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম: মুখ ঢেকে কথা বললেই লাল কার্ড

ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের আচরণ আরও নিয়ন্ত্রিত রাখতে নতুন কঠোর নিয়ম আনতে যাচ্ছে ফিফা। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলা ও রেফারির সিদ্ধান্তে আপত্তি জানানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ বাড়ানো হচ্ছে। মাঠে প্রায়ই দেখা যায়, খেলোয়াড়রা তর্ক-বিতর্কের সময় হাত বা জার্সি দিয়ে মুখ আড়াল করে কথা বলেন—যা সাধারণত গোপন কৌশল বা আক্রমণাত্মক ভাষা লুকানোর জন্য করা হয়। তবে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমন আচরণ করলে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হতে পারে। খেলার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়মে আরও বলা হয়েছে, রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে যদি কোনো খেলোয়াড় মাঠ ছেড়ে চলে যান, তাহলেও তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেওয়া হবে। আইএফএবি জানিয়েছে, শুরুতে এসব নিয়ম বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে। তবে ফিফা নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের আসরে এই নিয়মগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা হবে। তাই খেলোয়াড়দের নিজেদের ব্যবহার ও মেজাজ আরও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব নিয়ম চালু হলে মাঠে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও স্লেজিং কমবে, পাশাপাশি রেফারির কর্তৃত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
ছবি : রয়টার্স

দাপুটে আর্সেনাল, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাস ছুঁয়ে নতুন মাইলফলক

সেমিফাইনালের প্রথম লেগে আর্সেনাল ও অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের খেলোয়াড়দের বল দখলের লড়াই। ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনাল: আর্সেনাল-অ্যাতলেটিকো ১-১ ড্র, ফয়সালা ফিরতি লেগে

সংগৃহীত ছবি

রোহিতের ইনজুরিতে চিন্তিত মুম্বাই

ছবি : সংগৃহীত
৪৪ বলেই সেঞ্চুরি, মুম্বাইয়ের হয়ে রেকর্ড গড়লেন রিকেলটন

আইপিএলে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন রায়ান রিকেলটন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে বুধবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মাত্র ৪৪ বলে সেঞ্চুরি করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে দ্রুততম শতকের রেকর্ড নিজের করে নেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার। এর আগে মুম্বাইয়ের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল সনাৎ জয়াসুরিয়া ও তিলক ভার্মার দখলে। তারা দুজনই ৪৫ বলে শতক হাঁকিয়েছিলেন। ২০০৮ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে জয়াসুরিয়া প্রথম এই কীর্তি গড়েন। চলতি আসরে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে সেই রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন তিলক। ইনিংসের শুরুতে প্রথম তিন বলে রান করতে পারেননি রিকেলটন। তবে এরপরই গিয়ার বদলে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন। প্রাফুল হিঙ্গের ওভারে ছক্কা হাঁকিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান তিনি। পরে প্যাট কামিন্স, সাকিব হুসেইন ও নিতিশ কুমারের ওপর চড়াও হন এই ওপেনার। মাত্র ২৩ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর আরও ভয়ংকর রূপ নেন তিনি। চার-ছক্কার বন্যা বইয়ে ৪৪ বলেই স্পর্শ করেন তিন অঙ্ক। শতক পূরণের পর কিছুটা ধীর হলেও ইনিংসের শেষ দুই বলে ছক্কা ও চার মেরে দারুণভাবে শেষ করেন রিকেলটন। শেষ পর্যন্ত ৫৫ বলে ১০ চার ও ৮ ছক্কায় অপরাজিত ১২৩ রান করেন তিনি। এটি শুধু মুম্বাইয়ের দ্রুততম সেঞ্চুরিই নয়, দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও। এর আগে ২০০৮ সালে জয়াসুরিয়ার অপরাজিত ১১৪ রান ছিল সর্বোচ্চ। রিকেলটনের ঝড়ো সেঞ্চুরি ও অন্যদের অবদানে ৫ উইকেটে ২৪৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
সংগৃহীত

তামিম দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পেলে দেশের ক্রিকেট উপকৃত হবে : সাকিব

ছবি : মন্ত্রণালয়

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে জাতিসংঘ প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

বক্তব্য রাখছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক

শনিবার দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’

0 Comments