অর্থনীতি

বিল্ডের নতুন চেয়ারপার্সন হলেন আবুল কাসেম খান

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড)-এর চেয়ারপার্সন হিসেবে আবুল কাসেম খানকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। তাকে ৩৯তম ট্রাস্টি বোর্ড সভায় ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য এই মনোনয়ন দেওয়া হয়।

তিনি ২০২০ সাল থেকে বিল্ড-এর ট্রাস্টি বোর্ডের একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিল্ড-এর ‘ডিড অব ট্রাস্ট’-এর সংশ্লিষ্ট বিধি মোতাবেক বোর্ডের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তিনি এ নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কর্তৃক মনোনীত আবুল কাসেম খান বর্তমানে এ. কে. খান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড-এর ভাইস চেয়ারম্যান এবং এ. কে. খান টেলিকম লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ২০১০, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ডিসিসিআই-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সংস্থাটি পাবলিক-প্রাইভেট ডায়ালগের সাতটি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রে কাজ করে, যেখানে বাণিজ্য সহজীকরণ ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নকে কৌশলগতভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বিল্ড দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প প্রবৃদ্ধির পথে নিয়ন্ত্রণসংক্রান্ত, পদ্ধতিগত ও নীতিগত প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে থাকে।

বেসরকারি খাতের সুবিধা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংস্থাটি তথ্য-প্রমাণভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহের কাছে নীতিগত সুপারিশ পেশ করে। জাতীয় পিপিডি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিল্ড সরকার ও বেসরকারি খাতের অংশীজনদের মধ্যে কাঠামোগত সংলাপের পথ সুগম করে আসছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অর্থনীতি

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
রেমিট্যান্স প্রবাহে জোরালো প্রবৃদ্ধি, চলতি অর্থবছরে বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ

প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসের বেশি সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে ১৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া চলতি বছরের ১ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে (১-১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) ছিল ১ হাজার ৬৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ হিসেবে চলতি মাসের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্সে ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এদিকে, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২১ হাজার ৫৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে (জুলাই ২০২৪ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৬২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সে ২২ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ডিএসইতে সূচকের বড় পতন, লেনদেন ৫৫৯ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত

বিল্ডের নতুন চেয়ারপার্সন হলেন আবুল কাসেম খান

বিশ্ব বাজারে দাম কমার ফলে দেশের বাজারেও কমেছে স্বর্ণের দাম। ফাইল ছবি

১৯ ফেব্রুয়ারি: ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ কত দামে বিক্রি হচ্ছে

ছবি : সংগৃহীত
রমজানে কয়টা পর্যন্ত চলবে ব্যাংক লেনদেন

রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনা করে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশের ব্যাংক লেনদেন ও অফিস নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সূচি অনুযায়ী, রমজান মাসে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত গ্রাহকরা ব্যাংকে লেনদেন করতে পারবেন। এ সময়ের পর গ্রাহক লেনদেন বন্ধ হলেও আনুষঙ্গিক দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকগুলো বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, রমজান মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সব তফসিলি ব্যাংকের অফিস সময় হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে এবং আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তিও নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে। এ ছাড়া রমজান মাসে শেয়ারবাজারের লেনদেন সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত লেনদেন চলবে। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। রমজান শেষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অফিস এবং লেনদেন সময়সূচি আবার স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে গ্রাহকদের সুবিধা ও ধর্মীয় অনুশীলনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকের অফিস ও লেনদেন সময়সূচিতে এ ধরনের পরিবর্তন আনা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

রমজান শুরুতেই বাজারে আগুন

ছবি: সংগৃহীত

বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে বেজা ও এমইপির মধ্যে চুক্তি

রোজার আগেই ফলের বাজারে লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি। ছবি: সংগৃহীত

রোজার আগেই ফলের বাজারে লাগামছাড়া দাম বৃদ্ধি

ছবি : সংগৃহীত
রেমিট্যান্সে বইছে সুবাতাস, বেড়েছে রিজার্ভও

রেমিট্যান্সে ফের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২১ শতাংশ বেশি। এদিকে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রবাসী আয় হয়েছিল ১৪৯ কোটি ডলার। চলতি বছরের একই সময়ে যা বেড়ে হয়েছে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর মধ্যে শুধু ১৬ ফেব্রুয়ারি এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকে গতকাল মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত বেড়ে হয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার, যা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার, যা তখন আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। নির্বাচন সামনে রেখে চলতি মাসে প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি ২৫ লাখ ডলার করে পাঠান প্রবাসীরা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই মাস ধরে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসা বেড়েছে। এর আগে চলতি বছরের প্রথম মাস; অর্থাৎ জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। তার আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ডলার। তার আগে পাঁচ মাসে তিন বিলিয়ন ডলারের কম প্রবাসী আয় এসেছিল। একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত দেশে দুই ঈদের আগে প্রবাসী আয় বেশি আসে। সম্প্রতি মূলত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রবাসী আয় আসা বৃদ্ধি পায়। যেসব দেশে বাংলাদেশির সংখ্যা বেশি, সেসব জায়গা থেকেই বেশি প্রবাসী আয় আসে। অনেক প্রার্থীর জন্য বিদেশে তহবিল সংগ্রহ করা হয়, যা প্রবাসী আয়ের নামে দেশে আসে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২২ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নতুন সরকারের যাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

রমজান উপলক্ষ্যে কাল থেকে সারা দেশে পণ্য বিক্রি শুরু করবে টিসিবি

বাজার স্থিতিশীল রাখতে এলপিজিতে ভ্যাট কমিয়েছে সরকার

0 Comments