ফুটবলকে বিদায় বলে দিলেন আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা গোলরক্ষক সের্হিও রোমেরো।
আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমের খবর, কোচিংয়ে যুক্ত হতে চান ৩৯ বছর বয়সী এই সাবেক ফুটবলার।
২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আর্জেন্টিনার হয়ে ৯৬টি ম্যাচ খেলেন রোমেরো। ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৫ ও ২০১৬ কোপ আমেরিকায় তিনি ছিলেন পোস্টের নিচে। তিন টুর্নামেন্টেই রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা।
২০১৮ বিশ্বকাপের আগে চোট পাওয়ায় সেবার বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি রোমেরো। সেই বছরের পর আর দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাননি তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে পোস্টে রোমেরো ছিলেন আস্থার প্রতীক। ২০১৪ বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে দেখান নিজের সামর্থ্য।
রেসিং ক্লাবের যুব দল নিয়ে উঠে আসেন রোমেরো। ২০০৬ সালে আর্জেন্টিনার এই ক্লাব দিয়েই সিনিয়র ফুটবলে অভিষেক হয় তার। নেদারল্যান্ডসের ক্লাব এজেড আলকামার ও ইতালির সাম্পদরিয়া খেলেন তিনি। মাঝে এক মৌসুম ধারে খেলেন মোনাকোয়।
২০১৫ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। মূলত দাভিদ দে হেয়ার ব্যাকআপ হিসেবেই ছিলেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে খেলার সুযোগ বলতে গেলে পাননি। এফএ কাপ ও লিগ কাপে খেলেছেন কিছু ম্যাচ। দিনের পর দিন বেঞ্চে থাকলে নিজের নিবেদন এবং কাপের পারফরম্যান্স দিয়ে মন জয় করে নিয়েছিলেন ইউনাইটেড সমর্থকদের। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবের হয়ে ৬১ ম্যাচ খেলে ৩৯টিতেই জাল অক্ষত রেখেছিলেন তিনি।
এক বছর ভালেন্সিয়ায় খেলে ২০২২ সালে যোগ দেন বোকা জুনিয়র্সে। গত বছর খেলেন আর্জেন্টিনা জুনিয়র্সে। ডিসেম্বরে ক্লাব ছেড়ে দিলে ফ্রি এজেন্ট ছিলেন রোমেরো।
একের পর এক চোট এবং পারফরম্যান্সে ক্রমাবনতিতে শেষের ডাক শুনতে পাচ্ছিলেন রোমেরো। এবার নিয়ে নিলেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
আর্জেন্টিনার হয়ে ২০০৭ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জেতেন রোমেরো। পরের বছর অলিম্পিকে জেতেন সোনা। বিভিন্ন শিরোপা জেতেন ক্লাব পর্যায়ে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
চোট কাটিয়ে কিলিয়ান এমবাপে ও জুড বেলিংহ্যাম স্কোয়াডে ফিরলেও, ম্যাচেস্টার সিটির বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে খেলবেন না ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচটিতে মাঠে নামার উজ্জ্বল সম্ভবনা আছে ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপের। গত ডিসেম্বরে সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচে হাঁটুতে চোট পান এমবাপে। সেটি পুরোপুরি সারেনি এখনও, আর সেজন্যই তাকে মাঝেমধ্যে থাকতে হচ্ছে মাঠের বাইরে। এই ধাক্কায় যেমন তিনি খেলতে পারেননি সবশেষ পাঁচ ম্যাচে। আর গত মাসের শুরুতে রায়ো ভাইয়েকানোর বিপক্ষে খেলার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগে বেলিংহ্যামের। তরুণ তারকা প্রায় দেড় মাস পর জায়গা পেলেন স্কোয়াডে। তবে দলের সঙ্গে ম্যানচেস্টারে সফর করলেও, তার খেলার কোনো সম্ভাবনা্ নেই, সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দিয়েছেন রেয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া। দলের সঙ্গে থাকতে বেলিংহ্যাম নিজেই এই সফরে আসতে চেয়েছিল। সে তার কিছু অনুশীলন করতে পারে, কিন্তু সে আগামীকাল (মঙ্গলবার) খেলবে না। আমি তাকে (দলে পেয়ে) খুশি। সে একজন নেতা। তাকে এখানে দলের সঙ্গে পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপ সেরা মঞ্চের শেষ ষোলোয় সিটির মাঠে ফিরতি লেগের ম্যাচটি শুরু হবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ২টায়। প্রথম লেগে ৩-০ গোলে জিতে কোয়ার্টার-ফাইনালের পথে এগিয়ে আছে আরবেলোয়ার দল।
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার জন্য ফিফার সঙ্গে আলোচনা করছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন। মেক্সিকোতে নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। দূতাবাসের বরাতে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান মেহদি তাজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারার কথা বলায় তারা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী নন। তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করছি, যেন বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় আয়োজন করা হয়।’ বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ইরানের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার কথা। লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে এবং সিয়াটলে মিসরের বিপক্ষে খেলবে দলটি।দলটির বেস ক্যাম্প নির্ধারণ করা হয়েছে অ্যারিজোনার টুসনে। মেক্সিকোতে ইরানের রাষ্ট্রদূত আবোলফাজল পাসানদিদেহ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিরুদ্ধে ভিসা প্রদান ও লজিস্টিক সহায়তায় ‘অসহযোগিতা’র অভিযোগ তুলেছেন।তিনি ফিফাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন।এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি ফিফা। এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ইরান দল যুক্তরাষ্ট্রে ‘স্বাগত’ হলেও তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত নয়। তার এই বক্তব্যের পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অবশ্য এর আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন, ইরান দলকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানানো হবে। অন্যদিকে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, কোনো দেশই তাদের বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিতে পারে না। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) অবশ্য এখনো ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আশাবাদী। এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক উইন্ডসর জন বলেন, ‘দিন শেষে ফেডারেশন খেলার সিদ্ধান্ত নেবে। আজ পর্যন্ত তারা আমাদের যা জানিয়েছে, তাতে তারা বিশ্বকাপে যাচ্ছে বলেই জানি।
অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে গতরাতের ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এই দুই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। এতদিন এই রেকর্ডটি ছিল ক্লাব কিংবদন্তি ডেভিড বেকহামের দখলে। ম্যাচে ব্রুনো ফার্নান্দেজের কর্নার থেকে প্রথম গোলটি করেন কাসেমিরো।পরে তার নিখুঁত থ্রু পাস থেকে গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে জয়ের পথে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা। এই দুই অ্যাসিস্টের ফলে চলতি মৌসুমে ফার্নান্দেজের মোট অ্যাসিস্ট দাঁড়িয়েছে ১৬টিতে। এর মাধ্যমে তিনি ভেঙে দিয়েছেন ডেভিড বেকহামের ১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে করা ১৫ অ্যাসিস্টের ক্লাব রেকর্ড। এখনো মৌসুমের বেশ কয়েকটি ম্যাচ বাকি থাকায় এই সংখ্যা আরো বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে পর্তুগিজ মিডফিল্ডারের সামনে। রেকর্ড গড়ার পর ফার্নান্দেজ বলেন, ‘আমি বেশি গর্বিত কারণ আমি এটা আমার সতীর্থদের সাহায্য করতে গিয়ে করেছি। তাদের আনন্দ দিতে পারাটা আমার জন্যও আনন্দের। আমি যে পজিশনে খেলি সেখানে থেকে গোল করতে সহায়তা করতে পারা আমাকে খুবই খুশি করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা আমার জন্য বড় অর্জন।তবে মৌসুম শেষে দল যদি শীর্ষস্থানে থাকতে পারে, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সাফল্য।’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ মাইকেল ক্যারিকও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তার অধিনায়ককে। ক্যারিক বলেন, ‘গোল করা হোক বা গুরুত্বপূর্ণ পাস দেওয়া, ব্রুনো সবসময়ই দলের জন্য এগিয়ে আসে। অনুশীলন থেকে শুরু করে ম্যাচ, সব জায়গাতেই সে নিজেকে প্রমাণ করে।’ প্রিমিয়ার লিগে ছয় বছরের কিছু বেশি সময়ে ফার্নান্দেজ ইতোমধ্যে ৬৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন।একই সঙ্গে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ক্লাবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন তিনি। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে এই জয়ের ফলে ক্যারিকের অধীনে টানা পঞ্চম হোম জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে রেড ডেভিলরা। এদিকে চলতি মৌসুমে ফার্নান্দেজের সামনে আরেকটি বড় রেকর্ড ভাঙার সুযোগ রয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২০ অ্যাসিস্টের রেকর্ড রয়েছে থিয়েরি অঁরি (২০০২-০৩) ও কেভিন ডি ব্রুইনের (২০১৯-২০) দখলে। মৌসুমে এখনো আটটি ম্যাচ বাকি থাকায় সেই রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে ইউনাইটেড অধিনায়কের সামনে।