বিশ্ব

আগামী সপ্তাহেই চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন

মারিয়া রহমান মে ১৪, ২০২৬
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন খুব শিগগিরই চীন সফরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ক্রেমলিনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম আরটি।

সফরের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো নির্ধারণ করা না হলেও এই ভ্রমণের সমস্ত প্রস্তুতি ইতিপূর্বেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিমিত্রি পেসকভ।

রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোর ধারণা, আগামী সপ্তাহেই এই হাই-প্রোফাইল সফরটি অনুষ্ঠিত হতে পারে।

পুতিন সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বেইজিং সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি চীনের বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ এবং একটি শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন।

এদিকে, বর্তমানে ৩ দিনের সফরে চীনে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম চীন সফরে গেলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাণিজ্য, তাইওয়ান ইস্যু, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিং হরমুজ প্রণালি আবার উন্মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না; এই দুই বিষয়ে একমত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

সূত্র : বিবিসি

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানে নিহত ২৯

আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায় বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার (২৮ জুন) রাতে পরিচালিত ওই অভিযানে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও তাদের সহযোগী সংগঠনের ২৯ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাকিস্তান।   পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এবং দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।   সরকারি তথ্যমতে, নিহতরা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) এবং এর সহযোগী সংগঠন জামাতুল আহরার-এর সদস্য। আফগান তালেবানের আদর্শে প্রায় আড়াই দশক আগে গঠিত টিটিপিকে পাকিস্তান সরকার কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। দেশটির সরকারি ভাষ্যে সংগঠনটিকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ নামে উল্লেখ করা হয়।   এর আগে শনিবার (২৭ জুন) রাতে সিন্ধুর রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তান রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলায় তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনার জের ধরেই সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানায় আইএসপিআর।   সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে হামলার সময় পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত এবং একজন আহত অবস্থায় আটক হন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি জানান, তারা টিটিপির সহযোগী সংগঠন জামাতুল আহরার-এর সদস্য।   তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্ট অনুযায়ী, রোববারের অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ার বাজাউর সীমান্তের ওপারে টিটিপি ও জামাতুল আহরারের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে টিটিপির শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ ওরফে আকা জাবাল নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পাকিস্তানের দাবি, তিনি জামাতুল আহরারের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন।   টিটিপিকে কেন্দ্র করে গত কয়েক বছরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক ক্রমেই উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর ইসলামাবাদ বারবার অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে টিটিপি পাকিস্তানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তবে কাবুলের তালেবান সরকার এ অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছে।   দুই দেশের মধ্যে এ ইস্যুতে একাধিকবার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়া সীমান্তে হামলায় কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং কয়েকজনকে অপহরণের ঘটনার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান।   রোববারের অভিযানে বাজাউর সীমান্তে পরিচালিত সামরিক অভিযানও ওই ‘অপারেশন গজব-লিল হক’-এর অংশ বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার।   সূত্র: ডন

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৯, ২০২৬
ফাইল ছবি

কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবুও ইসরায়েল থেকে যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে সৌদি ও কাতার!

উদ্ধার হওয়া শিশু মোইসেস। ছবি: সংগৃহীত

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পের ৮৫ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার দুই শিশু

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। ছবি : সংগৃহীত

সেনা প্রত্যাহারের সুস্পষ্ট সময়সূচি ছাড়া চুক্তি টেকসই হবে না: ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: এএফপি
হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় ঘোষণা ইরানের

হরমুজ প্রণালি এখনও এককভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ইরাক সফরের সময় রোববার তিনি বলেছেন, আগামী ৩০ দিন প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে তেহরানের নজরদারি ও ব্যবস্থাপনায় থাকবে। আব্বাস আরাঘচি বলেন, সমস্ত বাধা দূর হওয়ার পর এই জলপথের পূর্ণ সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা হবে। তেহরান বর্তমানে এই লক্ষ্যে কাজ করছে। দায়িত্বটি সম্পূর্ণভাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর ন্যস্ত।  অন্য কারও ভূমিকার প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে অন্য কোনো পক্ষ বা রাষ্ট্রের ভূমিকা নেই। সমঝোতা স্মারকের অধীনে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট। যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। তখন প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হবে। আব্বাস আরাঘচি আরও বলেন, লেবানন সংক্রান্ত ধারাসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের সবগুলো বিষয়ের প্রতি অবশ্যই পূর্ণ সম্মান দেখাতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, জায়নবাদী গোষ্ঠী (ইসরায়েল) লেবাননে তাদের বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে।  আরাঘচি বলেন, এই সমঝোতা স্মারকটি ইসরায়েলও মেনে নিয়েছিল। তাই যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য ওয়াশিংটনের উচিত তাদের দায়িত্ব পালন এবং লেবাননে হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে বাধ্য করা। একই সঙ্গে লেবাননের যেসব এলাকা ইসরায়েল দখল করে রেখেছে, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহারের জন্য তেল আবিবকে চাপ দিতে ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানান আরাঘচি। তিনি উল্লেখ করেন, সমঝোতা স্মারকের এটিই প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা।

মারিয়া রহমান জুন ২৮, ২০২৬

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তিকে ‘আত্মসমর্পণ’ বলে প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

আফগানিস্তানে ৪০০ একর পপি ক্ষেত ধ্বংস, জব্দ সাড়ে ৩ কেজি হাশিশ

নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

আগামী বছর ভারত সফরে আসছেন ট্রাম্প, জানালেন মোদি

ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন দুই রাষ্ট্রের কোনো সুযোগ নেই: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত ভূখণ্ডে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন- দুটি রাষ্ট্রের কোনো সুযোগ নেই। খবর আলজাজিরার।   লেবাননের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতায় ফিরলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোনো পরিকল্পনা থাকবে না।   নেতানিয়াহু বলেন, আমি যে জাতীয় সরকার গঠন করতে চাই, তার অন্যতম নীতি হলো- দুই রাষ্ট্রের কোনো জায়গা নেই। সমুদ্র থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত দুটি রাষ্ট্রের কোনো স্থান নেই।   তিনি আরও বলেন, তিন বছর আগে, যুদ্ধের আগে এ বিষয়ে জনমত বিভক্ত ছিল। তখন উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ দুই রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করতেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। বর্তমানে এটি জাতীয় ঐকমত্যের একটি ভিত্তিতে পরিণত হয়েছে।   দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহু ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে আসছেন। তার সাম্প্রতিক মন্তব্যে আবারও স্পষ্ট হলো, ক্ষমতায় ফিরলে তিনি দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথ সমর্থন করবেন না।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুন ২৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলা

ছবি : সংগৃহীত

লেবাননের সঙ্গে আরও চুক্তি আসছে: নেতানিয়াহু

ছবি : সংগৃহীত

আগাম নির্বাচনের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ

0 Comments