জাতীয়

১২ মার্চ অন্তর্বর্তী সরকার গৃহিত অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার গৃহিত অধ্যাদেশগুলো আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কর্মকতা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, দলীয় প্রতীক ছাড়া সাধারণ প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে একটা অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার জারি করেছে। আগামী ১২ মার্চ সবগুলো অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে। পার্লামেন্ট কোন অধ্যাদেশগুলো গ্রহণ করবে বা কোনটি করবে না- এটা ওইদিন সিদ্ধান্ত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতীকের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন নয়। অধ্যাদেশ গ্রহণ হলে সংসদে আইন আকারে পাশ করতে হবে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে।

সিসিকে চলমান ও প্রক্রিয়াধীন সব প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করে সিলেটের জলাবদ্ধতা, খাল খননসহ নতুন প্রকল্প গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

সিসিক সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশন আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর এলাকা। তবে মোটাদাগে পানি, জলাবদ্ধতা, ছড়া খাল উদ্ধার ও সংস্কারের বিষয়টি অবগত হলাম।’

প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম সিলেট সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমদিন থেকে আমাদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। সিলেট সফরটি তাঁরই নির্দেশে। এই সফরের কথা জেনে প্রধানমন্ত্রী’র স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। সফর শেষে সিলেটের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলোও তাকে জানানো হবে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে, সিলেটের রিকাবীবাজারে কবি নজরুল অডিটরিয়াম এবং সিলেট নগরের ধোপাদিঘীর ওয়াকওয়ে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আকবর হোসেন প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১

টাঙ্গাইল-এর ঘাটাইল উপজেলা-এ যাত্রীবাহী বাস ও বালুভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের হামিদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহতরা হলেন, গোপালপুর উপজেলার মনতলা গ্রামের লাল মামুদের ছেলে বাসের সুপারভাইজার আতিকুল ইসলাম (৪০) এবং একই উপজেলার পাকুয়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে বাসের হেলপার মজন মিয়া (৪৩)।   ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোকছেদুর রহমান জানান, গোপালপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার নিহত হন।   তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়ার সময় স্থানীয় বিদ্যুৎ নামে এক যুবক মাথায় আঘাত পেয়ে আহত হন।   খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। দুর্ঘটনার কারণে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।   আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ১ কোটি ৫৩ লাখ ভিডিও সরালো টিকটক, এআই নজরদারি আরও শক্তিশালী

ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগে বেড সংকট, মেঝেতে চলছে চিকিৎসা

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালীতে ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানকে নির্দেশনা

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   আন্তালিয়া-তে অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া ফোরামের সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ-এর মধ্যে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত আসে।   সোমবার (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি জাহাজটির নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ইরানের সহযোগিতা কামনা করেন এবং এ বিষয়ে মধ্যস্থতার অনুরোধ জানান।   তিনি আরও বলেন, ইরান যখন হরমুজ পারাপারের জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত ছয়টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।   বৈঠকের পর ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি দ্রুত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন এবং রোববার রাতে বাংলাদেশকে জানান যে, বর্তমান পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   এ সময় উভয় পক্ষ উপসাগরীয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান পরিস্থিতিতে দেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও কূটনৈতিক অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সব পক্ষকে সংযম, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান।   অন্যদিকে, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম সরকারি সফরে বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়বে যেসব ব্যয়

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ফাইল ছবি (সংগৃহীত)
দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর চাহিদা পূরণ সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার না হলে এবং বর্তমান দৈনিক সরবরাহ (প্রায় ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট) বজায় থাকলে অবশিষ্ট গ্যাস মজুত দিয়ে প্রায় ১২ বছর দেশের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সংসদে বগুড়া-৪ আসনের সরকারি দলীয় সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।  জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে উত্তোলনযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে আনুমানিক ২৯.৭৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ)। মন্ত্রী জানান, মোট মজুতের মধ্যে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ২২.১১ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অবশিষ্ট রয়েছে ৭.৬৩ টিসিএফ। তিনি আরো বলেন, দেশে নতুন গ্যাস সম্পদ অনুসন্ধানে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পেট্রোবাংলার ড্রিলিং ও ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ধাপে ধাপে মোট ৫০টি ও ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৬টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কূপগুলোর কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে এগিয়ে চলছে। সিসমিক জরিপের ক্ষেত্রে, বাপেক্স ইতোমধ্যে ব্লক-৭ ও ৯-এ প্রায় ৩ হাজার ৬০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক ডাটা সংগ্রহ সম্পন্ন করেছে এবং বর্তমানে এর প্রক্রিয়াকরণ চলছে বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাসক্ষেত্রে ১ হাজার ৪৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৩ডি সিসমিক জরিপ শুরু করতে যাচ্ছে। এছাড়াও, কয়েকটি এলাকায় ৩ডি সিসমিক জরিপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভোলার চর ফ্যাশনে ৬৬০ বর্গকিমি (বাপেক্স), জামালপুরে ৬৫০ বর্গকিমি (বাপেক্স), তিতাস, হবিগঞ্জ ও নরসিংদী এলাকায় ৬৩২ বর্গকিমি (বিজিএফসিএল) এবং লামিগাঁও, লালাবাজার, গোয়াইনঘাট, কৈলাশটিলা দক্ষিণ ও ফেঞ্চুগঞ্জ পশ্চিম এলাকায় ৮৮২ বর্গকিমি (এসজিএফএল)। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী কখন কী করবেন, সফরসূচি প্রকাশ

চীন যাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা

সংগৃহীত ছবি

বাস-ট্রাকের ভাড়া বাড়াতে বিআরটিএর সঙ্গে বৈঠকে মালিকরা

0 Comments