বিশ্ব

ফুঁসে উঠছে ইরাকের ভেতর থাকা ইরানের মিত্ররা

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

 ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইরাকের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ করবে না। ইরাকের ভেতরে ও বাইরে এসব অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। খবর শাফাক নিউজের। 

 

রাজনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত দুই দিনে ইরাক সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারা সতর্ক করেন, হামলা চলতে থাকলে দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তবে গোপন বৈঠকে গোষ্ঠীগুলোর নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এখন হামলা বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাদের দাবি, ইরানকে ঘিরে যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, সে প্রেক্ষাপটে তারা চাপ বাড়াতে আরও বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে।

ইরাকের শিয়া রাজনৈতিক জোটের কিছু নেতা কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন এবং আঞ্চলিক সংঘাত থেকে ইরাককে দূরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বলেছে, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকলে তারা তেহরানের পক্ষেই থাকবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: সংগৃহীত
আলোচনায় বড় অগ্রগতি, পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানে আসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পাকিস্তানের একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হওয়ার অনেক বেশি রয়েছে। কারণ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ রাতেই পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে আজ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। বিষয়টি যা উভয় পক্ষই নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় তারা আঞ্চলিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের প্রেক্ষাপটে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় ইসহাক দার দীর্ঘমেয়াদি সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আর আরাঘচি পাকিস্তানের ধারাবাহিক ও গঠনমূলক সহায়ক ভূমিকার প্রশংসা করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও আলাদাভাবে ফোনে কথা বলেছেন। তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ ধরনের কোনো কথোপকথনের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ইসলামাবাদ থেকেও সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে আরাঘচির কথাবার্তার কোনো স্বাধীন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। এর আগে সপ্তাহের শুরুতে অন্তত নয়টি মার্কিন বিমান ইসলামাবাদে আসে। এসব বিমানে যোগাযোগ সরঞ্জাম, যানবাহন, নিরাপত্তাকর্মী এবং প্রযুক্তিগত কর্মী নিয়ে আসা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বধিরতা চিকিৎসায় প্রথম জিন থেরাপির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে আরও সক্রিয় হওয়ার অঙ্গীকার ইউরোপীয় নেতাদের

ছবি : সংগৃহীত

১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করছে নরওয়ে

ছবি : সংগৃহীত
রাজদ্রোহ আইন সংস্কার চেষ্টার অভিযোগে বিরোধী নেতা-এমপিদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ থাই আদালতের

থাইল্যান্ডের একটি আদালত রাজাকে অবমাননা সংক্রান্ত এক আইন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় শুক্রবার বিরোধী দলের নেতাসহ ১০ এমপির বিরুদ্ধে করা মামলা গ্রহণ করেছে, তবে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়নি।  বিরোধী  প্রোগ্রেসিভ পিপলস পার্টি’ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন নাত্থাফং রুয়েংপানিয়াউত। সংগঠনটির এর আগে রাজদ্রোহ সংক্রান্ত কঠোর আইন লেসে-ম্যাজেস্টে সংশোধনের জন্য খসড়া সংস্কার পেশ করেছিল। জাতীয় দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের এই পদক্ষেপকে নৈতিকতা লঙ্ঘনের সম্ভাব্য অভিযোগ হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ব্যাংকক থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। থাইল্যান্ডের লেজে-মাজেস্টে আইনটি বিশ্বের¦ অন্যতম কঠোর আইন হিসেবে বিবেচিত। এই আইনে রাজা, রানি, উত্তরাধিকারী বা রিজেন্টের বিরুদ্ধে অবমাননা, মানহানি বা হুমকির অভিযোগে প্রতিটি ঘটনায় ৩ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। রাজতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষায় আইনটি প্রয়োগ করা হয়। ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এ আইনে ২৭০ জনের বেশি মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। শুক্রবার আদালত জানায়, মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এমপিদের তাৎক্ষণিকভাবে সংসদীয় দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়নি। তিন বিচারকের বেঞ্চের একজন বলেন, ‘মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে।’ তবে আদালত এমপিদের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেয়নি, বলে জানান তিনি। রায়ের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নাত্থাফং বলেন, এই আইন সংস্কারের উদ্যোগ ‘রাজতন্ত্রের অধীনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে ছিল না। ‘আমাদের লক্ষ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বাইরে মানুষের সমতা।’ ‘আমরা সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা লড়ব, যাতে গণতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থায় এমপিদের অধিকার রক্ষা পায় এবং থাইল্যান্ডের গণতন্ত্র সত্যিকারের জনগণের সেবা করতে পারে।’ দোষী সাব্যস্ত হলে নাত্থাফংসহ অপর নয় এমপি আজীবন রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন। পাশাপাশি ১০ বছরের জন্য ভোটাধিকার হারাতে পারেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে লেজে-মাজেস্টে আইন পরিবর্তনের প্রস্তাব ঘিরে বর্তমান ও সাবেক মোট ৪৪ জন প্রগতিশীল এমপি অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন। থাইল্যান্ডে সেকশন ১১২ নামে পরিচিত শতবর্ষ পুরোনো এই আইন রাজা ও তার পরিবারকে সমালোচনা থেকে সুরক্ষা দেয়। প্রতি অভিযোগে সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। ২০২৪ সালে থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত পিপলস পার্টির পূর্বসূরি মুভ ফরওয়ার্ড পার্টিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। আদালতের রায়ে বলা হয়, তাদের কার্যক্রম সাংবিধানিক রাজতন্ত্র উৎখাতের প্রচেষ্টা ছিল।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালে আবারও ফিরতে পারে উষ্ণায়নকারী ‘এল নিনো’ : জাতিসংঘ

কাতাইব সাইয়্যিদ আল শুহাদা নামক গোষ্ঠীর নেতা হাশিম ফিনিয়ান রহিম আল-সারাজি। ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ঘনিষ্ঠ ইরাকি নেতার মাথার দাম ঘোষণা, কোটি ডলারের পুরস্কার

প্রতীকী ছবি

ইরাক থেকে কুয়েতে ড্রোন হামলা, বাড়ছে আঞ্চলিক উত্তেজনা

ছবি : সংগৃহীত
মিত্রদের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ, তালিকায় কোন দেশগুলো

বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নিজের মিত্র দেশগুলোর জন্য টোল বা মাশুল মওকুফ করেছে ইরান। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তিকে বলেন, আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। তবে ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি জানি না। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এ বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। সে তালিকার একটি দেশ হচ্ছে রাশিয়া। তবে ইরানের বন্ধুদেশ হিসেবে আর কারা আছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি। যদিও মার্চের শেষ দিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, অনেক জাহাজ মালিক বা দেশ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে যাতে তারা নিরাপদে প্রণালি পার হতে পারে। যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি বা বিশেষ কারণে অনুমতি দিই, তাদের জন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করছে। সে সময় আরাগচির বক্তব্যে ইরানের বন্ধুদেশ হিসেবে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারতের নাম উল্লেখ ছিল। তবে এখনো এই দেশগুলো ইরানের মিত্র হিসেবে আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়। এদিকে ইরানের সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজি বাবাই গতকাল বৃহস্পতিবার বলেছেন, ইরান প্রথমবারের মতো প্রণালিটি দিয়ে ট্রানজিটের জন্য ফি পেয়েছে এবং সেই তহবিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ প্রণালিটিই উন্মুক্ত মহাসাগরে যাওয়ার একমাত্র সামুদ্রিক পথ, যেখান দিয়ে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল প্রবাহিত হতো; যা বৈশ্বিক ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৪, ২০২৬ 0
নিকোলাস মাদুরো। ছবি: সংগৃহীত

মাদুরো অভিযানের তথ্য ফাঁস করে বাজি, ৪ লাখ ডলার জেতার পর মার্কিন সেনা গ্রেফতার

ছবি-সংগৃহীত

মার্কিন জব্দ চেষ্টা ব্যর্থ, নিরাপদে বন্দরে ইরানি জাহাজ

ছবি: রয়টার্স

ডিজিটাল কর না তুললে যুক্তরাজ্যের ওপর শুল্ক—ট্রাম্প

0 Comments