জাতীয়

নেত্রকোনায় ইউএনওকে ‘শাসানোর’ ঘটনায় চেয়ারম্যানকে সামরিক বরখাস্ত

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) ‘শাসানোর’ ঘটনায় নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। তিনি কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকও।

 

রোববার (১৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

 

এতে বলা হয়, নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলাধীন লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে সহযোগিতা করার পরিবর্তে ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি, আদালত চলাকালীন আদালতের প্রতি বিরূপ মন্তব্য এবং আদালত অবমাননা করেছেন। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর উপস্থিতিতে চলমান মোবাইল কোর্টে বাধা প্রদান ও অসম্মান করে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসদাচরণ করেছেন। 

 

এসব অভিযোগে তার দ্বারা ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষমতা প্রয়োগ প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণে আইন বহির্ভূত উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. সাইদুর রহমান ভূইয়ার সংঘটিত অপরাধমূলক কার্যক্রম ইউনিয়ন পরিষদসহ জনস্বার্থের পরিপন্থি বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তাকে স্বীয় পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

 

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ করছিলেন চেয়ারম্যানের ভাই মো. পারভেজসহ কয়েকজন। এই খবরে উপজেলা প্রশাসন শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে ওই বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অভিযুক্ত পারভেজকে আটক ও অর্থদণ্ড করা হয়।


 
এরপর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এলে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় ইউপি চেয়ারম্যানকে বলতে শোনা যায় ‘আপনি কেন মোবাইলে কোর্টে আসলেন। কার কাছে জিজ্ঞেস করে আসছেন।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
পুলিশের ৫৩ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত এসপি) পদমর্যাদার ৫৩ জন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।   রোববার (৮ মার্চ) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ জারি করা হয়। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ–এর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, একটিতে ৪০ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বিভিন্ন পদে বদলি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সহকারী পুলিশ সুপার থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জনস্বার্থে নামের পাশে উল্লেখিত পদে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বদলি করা হয়েছে। অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে আরও ১৩ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্কেলে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এ বদলি কার্যকর করা হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে চিফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি : সংগৃহীত

দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন ‘চলেন যুদ্ধে যাই’

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তর করতে চান চসিক মেয়র

শনিবার অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনের পর কয়েকটি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। ছবি : পিআইডি
বইমেলা ভাষা, সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার মিলনমেলা : সংস্কৃতি মন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল বই কেনাবেচার স্থান নয়, এটি আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলা। আজ শনিবার অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে তারা মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক, লেখক ও পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বেশ কয়েকটি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এর মধ্যে রয়েছে সোনিয়া হোসেন রচিত ‘টিনএজদের বলছি’ এবং সৈয়দ দিদার বখত রচিত ‘দাদুর মুখে ভাষা আন্দোলন’ সহ আরও কয়েকটি নতুন প্রকাশনা। সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, একটি অন্ধকার সময়ের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার সাংস্কৃতিক বিকাশ, সৃজনশীলতা এবং মুক্তচিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনাকে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বইমেলাকে কেন্দ্র করে প্রকাশনা শিল্পের প্রসার এবং নতুন লেখকদের সৃষ্টিশীল উদ্যোগকে স্বাগত জানান। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বইমেলার মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে লেখক, প্রকাশক ও পাঠকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি : সংগৃহীত

সংঘাত শুরুর আগে হরমুজ পেরিয়ে চট্টগ্রামে ১৫ জাহাজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

নারী-পুরুষ সমান অধিকারের দেশ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু | ছবি : সংগৃহীত
দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে : জ্বালানিমন্ত্রী

মধ‍্যপ্রাচ‍্য পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমতাবস্থায় জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।   শনিবার (০৭ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি অবহিত করার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী জানান, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। কেউ অসাধুভাবে তেলের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আগামীকাল থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, ৯ মার্চ তেলবাহী দুটি জাহাজ দেশে পৌঁছাবে, যা বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে। এদিকে রাজধানীর বেশিরভাগ পাম্পে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। যেসব পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। পাম্পসংশ্লিষ্টরা জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অনেকেই গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করে নেওয়ায় সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) পাম্পে তেলের দৈনিক সরবরাহ সীমা নির্ধারণ করেছে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার, এসইউভি ও মাইক্রোবাসে ২০–২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাসে ৭০–৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকে ২০০–২২০ লিটার পর্যন্ত সরবরাহ দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, দেশের প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের সংকট নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এ কারণে কিছু অসাধু ডিলার ও ভোক্তা অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। মন্ত্রী ও বিপিসি উভয়েই সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজনমতো তেল নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (৯ মার্চ) থেকে নতুন নিয়ম সারা দেশে কার্যকর হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ বাজারে ক্রেতার ভিড়, সুযোগ নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ী

ছবি: সংগৃহীত

যে ভুলে বন্ধ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পথ, সতর্কতা জারি

ছবি : সংগৃহীত

হাইড্রোজেনচালিত যাত্রীবাহী ট্রেন নির্মাণের উদ্যোগ পোল্যান্ডের

0 Comments